মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১০:৪৪ পি.এম
পটিয়ার চাঞ্চল্যকর ঘটনায় ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী তানিয়া কামাল নিহাতকে (২০) হত্যার অভিযোগে তার স্বামী নুর উদ্দিন (২৩) গ্রেপ্তার হয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, নুর উদ্দিন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, স্ত্রীর সঙ্গে অন্য এক ব্যক্তির সম্পর্ক থাকার সন্দেহ এবং ওই ব্যক্তির সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলার কারণে তাদের মধ্যে বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। নিহতের ননদ জোৎস্না আক্তারকেও (২৮) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে মামলার এজাহারে উল্লেখিত অন্য আসামিরা এখনও পলাতক রয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) পটিয়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারক বেগম তাররাহুম আহম্মেদের কাছে ফৌজদারি কার্যিবধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন নুর উদ্দিন। পুলিশ জানায়, তার জবানবন্দির বরাত দিয়ে, দাম্পত্য কলহের একপর্যায়ে স্ত্রীকে ধাক্কা দিলে তিনি দেয়ালে লেগে মেঝেতে পড়ে যান। এরপর নুর উদ্দিন তার গলা চেপে ধরার কথা স্বীকার করেছেন।
মামলার বিবরণ ও পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সোমবার (২৬ অক্টোবর) ভোর রাত সাড়ে ৩টার দিকে চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়নের চরকানাই এলাকার মোনাফ হাজীর পাড়ায় স্বামীর বসতঘরের শয়নকক্ষে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহত তানিয়া কামাল নিহাত ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। সংসারের কলহের কারণে তার মৃত্যুতে পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে শোক এবং ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অনাগত সন্তানকে নিয়ে নতুন জীবনের অপেক্ষায় থাকা তরুণীর এমন পরিণতি এলাকায় আলোচনা সৃষ্টি করেছে।
মামলার প্রধান আসামি ও নিহতের স্বামীর দেওয়া আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি অনুযায়ী, পুলিশ জানায়, স্ত্রীর সঙ্গে অন্য এক ব্যক্তির সম্পর্ক থাকার সন্দেহ থেকেই নুর উদ্দিনের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়। ওই ব্যক্তির সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলা নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ চলছিল। এই বিরোধের জেরেই হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
এ ঘটনায় মঙ্গলবার বিকেলে পটিয়া থানা পুলিশের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পারিবারিক কলহের কারণে তানিয়াকে তার স্বামী নুর উদ্দিন, ননদের স্বামী মো. খোকন (৪২), ননদ জোৎস্না আক্তারসহ অজ্ঞাতনামা আরো দুই থেকে তিনজন মিলে হত্যা করেছেন বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে।
নিহতের বাবা মো. কামালের পক্ষ থেকে এজাহার পাওয়ার পর মঙ্গলবার পটিয়া থানায় এ হত্যা মামলাটি করা হয়। মামলায় একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে একই উদ্দেশ্যে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে।
এদিকে, ঘটনার খবর পাওয়ার পর চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলমের নির্দেশনায় পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিয়াউল হকের নেতৃত্বে অভিযান চালানো হয়। সোমবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে নিহতের স্বামীর বাড়ি থেকে নুর উদ্দিন ও ননদ জোৎস্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মঙ্গলবার দুপুরে নুর উদ্দিনকে আদালতে হাজির করা হলে তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। পরে গ্রেপ্তার দুজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনায় অন্য অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার এবং হত্যাকাণ্ডের পেছনের পুরো ঘটনা উদ্ঘাটন এখন পুলিশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে হত্যাকাণ্ডের সময় কারা উপস্থিত ছিলেন, প্রত্যেকের ভূমিকা কী ছিল এবং ঘটনার আগে-পরে কী ঘটেছিল, তা তদন্তের মাধ্যমে বেরিয়ে আসবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিয়াউল হক বলেন, এ ঘটনায় গ্রেপ্তার দুজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তার স্বামীর জবানবন্দি, এজাহারে করা অভিযোগ এবং অন্য আসামিদের সম্পৃক্ততার বিষয়গুলো তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহের ভালুকায় চুল কাটার জন্য টাকা না দেওয়ার কারণে ক্ষুব্ধ হয়ে সেলুন ব্যবসায়ী রবেন্দ্র ঋষি (৪৩) কে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে সাদ্দাম হোসেন নামক এক বখাটের বিরুদ্ধে।
এই হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যার দিকে উপজেলার জামিরদিয়া এলাকার নোমান কম্পোজিট মুক্তিযোদ্ধা মার্কেট এলাকায়। পুলিশ পরে অভিযান চালিয়ে সাদ্দাম হোসেনকে হবিরবাড়ী ন্যাশনাল পলিমার এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে।
নিহত রবেন্দ্র ঋষি ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলার উত্তরপাড়া এলাকার রঞ্জিত ঋষির ছেলে। তিনি ভালুকার জামিরদিয়া তরিফ মুন্সী মোড় এলাকার কাশেমের বাসায় ভাড়া থেকে স্থানীয় বাজারে সেলুনের ব্যবসা পরিচালনা করতেন। অভিযুক্ত সাদ্দাম হোসেন একই এলাকার বাসিন্দা বাবুল মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন সন্ধ্যায় সাদ্দাম হোসেন ধারালো ছুরি নিয়ে রবেন্দ্রের সেলুনে প্রবেশ করেন। সেখানে রবেন্দ্রকে প্রথম দফা ছুরিকাঘাত করেন তিনি। প্রাণ বাঁচাতে রক্তাক্ত রবেন্দ্র সেখান থেকে দৌড়ে পাশের সাদ্দামের বাবার দোকানে আশ্রয় নেন। কিন্তু সেখানেও ঘাতক সাদ্দাম পিছু ধাওয়া করে তাকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করেন। এরপর রবেন্দ্র পাশের একটি বাড়ির উঠানে আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করলে, সেখানে তাকে মাটিতে ফেলে আবারও উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করা হয়। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে।
নিহতের স্ত্রী সূচিত্রা জানান, সাদ্দাম প্রায়ই নেশার টাকার জন্য তার স্বামীর কাছ থেকে জোরপূর্বক টাকা নিতেন। এছাড়া সেলুনে প্রতিনিয়ত চুল-দাড়ি কাটিয়ে কোনো টাকা দিতেন না, টাকা চাইলে ঝগড়া হতো। কিছুদিন ধরে টাকা না দেওয়া এবং নতুন করে বাকিতে চুল কেটে না দেওয়ার কারণে তার স্বামীকে হত্যা করা হয়েছে। সূচিত্রা অভিযোগ করেন, এর আগে সাদ্দাম তার স্বামীকে একাধিকবার প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছিলেন। সম্প্রতি শারদীয় দুর্গাপূজার আগে সাদ্দাম তাকে সরাসরি প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছিলেন।
ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত পুলিশ টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘাতক সাদ্দাম হোসেনকে গ্রেপ্তারের পর ঘটনার রহস্য উদঘাটনে পুলিশ তৎপর রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬ : আজ বাংলাদেশে ইউনেস্কোর আবাসিক প্রতিনিধি ড. সুসান ভিজের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলুর সঙ্গে তার নিজ কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেছে।
বৈঠকের সময়, ড. সুসান শিক্ষার্থীদের জন্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদানের প্রস্তাব দেন, যা দুর্যোগ প্রশমনের লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ। তিনি এই বিষয়টিকে শিক্ষাক্রমের অন্তর্ভুক্ত করার কথাও উল্লেখ করেন।
আজ প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মন্ত্রী ইউনেস্কো প্রতিনিধির এই প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে একে একটি চমৎকার উদ্যোগ হিসেবে অভিহিত করেন।
শিক্ষাক্রমে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে তিনি জানান, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এছাড়া, বৈঠকে ইউনেস্কোর আবাসিক প্রতিনিধি রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে ইউনেস্কোর সহায়তা বৃদ্ধি করার বিষয়েও মন্ত্রীকে আশ্বস্ত করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেন এবং সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বাস্থ্যখাতে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকার টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে যাচ্ছে, এ বিষয়ে দুর্নীতি ও অপচয়ের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি প্রদান করেছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।
তিনি উল্লেখ করেন, "এই বিপুল অর্থের একটি পয়সাও যেন দুর্নীতি বা অপচয়ের শিকার না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।"
মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর ডেইলি স্টার ভবনে চিলড্রেন ওয়াচ ফাউন্ডেশন আয়োজিত নাগরিক সংলাপ ‘জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকিতে নগরের শিশুস্বাস্থ্য : সংকট ও সমস্যা সমাধানে করণীয়’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্যখাতের অনিয়ম প্রতিরোধে গণমাধ্যম ও নাগরিক সমাজকে জোরালো ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, "রোগের ক্ষেত্রে যেমন প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ শ্রেয়, তেমনি দুর্নীতির ক্ষেত্রেও একই নীতি অনুসরণ করতে হবে।"
তিনি আরও বলেন, অতীতে স্বাস্থ্য খাতে দুর্নীতির বহু প্রমাণ ও অভিযোগ ছিল। বর্তমান সরকার স্বাস্থ্য খাতে বাজেট বাড়ালেও সেই অর্থ যেন অতীতের মতো দুর্নীতির ‘ব্ল্যাকহোলে’ হারিয়ে না যায়, সে বিষয়ে বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে।
দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের শূন্য সহনশীলতা নীতি পুনর্ব্যক্ত করে ড. এম এ মুহিত বলেন, "দুর্নীতির কোনো খবর পাওয়া গেলে কঠোর হাতে তা দমন করা হবে। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী ও সরকার অত্যন্ত আন্তরিক।"
স্বাস্থ্যখাতে সুশাসন নিশ্চিত করা এবং দুর্নীতিমুক্ত পরিবেশে কার্যক্রম পরিচালনার স্বার্থে গণমাধ্যমকর্মীদের সবসময় সতর্ক ও সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
মো. জাহাঙ্গীর আলমের সঞ্চালনায় সংলাপে আরো বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য আনিসুর রহমান খোকন এবং বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী রওশনুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন চিলড্রেন ওয়াচ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শাহ ইসরাত আজমেরী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেট, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬ : বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, সরকার সিলেটকে দেশের অন্যতম প্রধান সবজি উৎপাদন ও রপ্তানি কেন্দ্রে পরিণত করার পরিকল্পনা করছে। এই উদ্দেশ্যে কৃষির আধুনিকায়ন, বছরজুড়ে পরিকল্পিতভাবে সবজি উৎপাদন, কৃষিযন্ত্রের ব্যবহার, সংরক্ষণ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
মঙ্গলবার সিলেট সদর উপজেলা অডিটোরিয়ামে ভর্তুকিমূল্যে কৃষিযন্ত্র ও বিনামূল্যে এলএলপি বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব তথ্য তুলে ধরেন।
‘ফ্লাড রিকনস্ট্রাকশন ইমার্জেন্সি অ্যাসিস্ট্যান্স প্রজেক্ট’-এর আওতায় উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এই অনুষ্ঠান আয়োজন করে।
মন্ত্রী আরও বলেন, সিলেটে সারা বছর পরিকল্পিতভাবে সবজি উৎপাদন, সেচ সুবিধা বৃদ্ধি, জলাবদ্ধতা নিরসন ও কৃষিপণ্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
তিনি উল্লেখ করেন, সদর উপজেলার প্রতিটি কৃষিজমি সারা বছর চাষাবাদের আওতায় আনার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যার মধ্যে খাল খনন অন্তর্ভুক্ত। সরকারি ভর্তুকিতে বিতরণ করা কৃষিযন্ত্র সঠিকভাবে ব্যবহার করার মাধ্যমে কৃষকেরা সুফল পাবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
মন্ত্রী জানান, যুক্তরাজ্য, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র ও ইতালিসহ বিভিন্ন দেশে সিলেটের সবজি রপ্তানির সম্ভাবনা রয়েছে। এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎপাদনের সঠিক পরিকল্পনা, পণ্যের মান বজায় রাখা এবং উন্নত প্যাকেজিং ও সংরক্ষণব্যবস্থার উন্নয়ন অত্যন্ত জরুরি।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, সিলেট বিমানবন্দর এলাকায় প্যাকেজিং হাউস ও কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। কোন মৌসুমে কোন এলাকায় কী ধরনের সবজি উৎপাদন উপযোগী, তা চিহ্নিত করে পরিকল্পনা করা হবে। এর মাধ্যমে সারাবছর সবজির সরবরাহ বজায় রাখার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানির সুযোগ বাড়বে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, আগামী পাঁচ বছরে সিলেটের কৃষি ও সার্বিক উন্নয়নে দৃশ্যমান পরিবর্তন আসবে।
অনুষ্ঠানে সিলেটের জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিউক) চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সিলেট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খোশনূর রুবাইয়াৎ, সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন এবং সিলেট বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার সদস্যসচিব সিদ্দিকুর রহমান পাপলু।
এর আগে মন্ত্রী সিলেট সদর উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে পানির ফিল্টার বিতরণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ