০১:২৪ পি.এম
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, ইরানের তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে, বিদেশে আটকে থাকা তেহরানের বিপুল বাজেয়াপ্ত সম্পদের একটি বড় অংশও ছাড় দেওয়া হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, ‘লেবানন যুদ্ধ অবসানে বড় অগ্রগতি হয়েছে।’ খবরটি সিএনএন থেকে এসেছে।
সুইজারল্যান্ডে প্রথম দফার বৈঠকের শেষে, তিনি এক্সে দেওয়া একটি পোস্টে এসব তথ্য জানান। আরাঘচি বলেছিলেন, ‘ইরানের জন্য একটি বড় পুনর্গঠন ও উন্নয়ন পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।’ তবে ওই পোস্টে বাজেয়াপ্ত সম্পদের পরিমাণ ও পুনর্গঠন পরিকল্পনার বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি। এ বিষয়ে এখনও হোয়াইট হাউস মন্তব্য করেনি।
এর আগে, ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম ফারস নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে, ইরানি প্রতিনিধি দলের অর্থনীতিবিষয়ক বিশেষজ্ঞ হোসেইন গোরবানজাদেহ জানিয়েছেন, ইরানের তেল ও তেলজাত পণ্যের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় এক সাময়িক ছাড় দেওয়ার খসড়া চুক্তি ইতিমধ্যেই চূড়ান্ত হয়েছে।
আরও পড়ুন: গৃহবধূকে ধর্ষণের দায়ে আতিকুল ইসলামের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি তার এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া পোস্টে আরও লিখেছেন, পাকিস্তানি ও কাতারি মধ্যস্থতাকারীদের দৌত্যে ‘লেবানন যুদ্ধ অবসানের ক্ষেত্রে বড় অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে।’ তিনি জানিয়েছেন, তাদের সামনে ‘প্রথম প্রকৃত পরীক্ষা’ হতে যাচ্ছে লেবানন ‘ডি-কনফ্লিকশন সেল’ এর ক্ষেত্রে।
মধ্যস্থতাকারী কাতার ও পাকিস্তান বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান এই সেল গঠনে একমত হয়েছে। তাঁরা জানান, এটি লেবাননে সামরিক অভিযানের অবসান ঘটাতে বড় ভূমিকা রাখবে। দেশ দুইটি এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছে, সদ্য সমাপ্ত আলোচনাটি ‘ইতিবাচক ও গঠনমূলক পরিবেশে’ অনুষ্ঠিত হয়েছে, এবং এতে ‘আশাব্যঞ্জক অগ্রগতিও’ হয়েছে।
বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, ‘মধ্যস্থতার ওপর রাজনৈতিক নজরদারি’ নিশ্চিত রাখতে একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠনে ওয়াশিংটন ও তেহরান রাজি হয়েছে। প্রধান আলোচকরা নিয়মিত এই কমিটিকে রিপোর্ট করবেন এবং পারমাণবিক ইস্যু, নিষেধাজ্ঞা এবং সমঝোতা স্মারকের কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার জন্য একটি মনিটরিং ও বিরোধ নিষ্পত্তি গ্রুপ গঠন করা হবে।
বিবৃতি অনুযায়ী, আগামী ৬০ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য একটি রূপরেখা গঠনে সম্মত হয়েছে এই কমিটি। সেই লক্ষ্যে, আসন্ন সপ্তাহের দিনগুলোতে সুইজারল্যান্ডে ‘সমস্ত’ অমীমাংসিত ইস্যুতে কারিগরি আলোচনা চলবে। বিবৃতিতে জানানো হয়, কাতার ও পাকিস্তানের সহায়তায় লেবাননকে যুক্ত করে একটি ‘ডি-কনফ্লিকশন সেল’ গঠনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সম্মত হয়েছে, যাতে লেবাননে সামরিক অভিযান বন্ধ করা সম্ভব হয়।
আরও পড়ুন: জাতীয়তাবাদী শক্তিকে নস্যাৎ করার জন্য দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র অব্যাহত রয়েছে: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন