১২:৫৪ এম
কুমিল্লার দাউদকান্দির কুশিয়ারা গ্রামের এশিয়ারপাড় এলাকার মৃত আক্কু মিয়ার ছেলে মকবুল হোসেন (৫৫) গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তার মৃত্যু ঘটেছে পূর্ববিরোধ ও মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায়। এই ঘটনায় তার পরিবারের আরও চার সদস্যও এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
মকবুল হোসেন রোববার (২৮ জুন) সন্ধ্যায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। স্থানীয় সূত্র ও নিহতের স্বজনরা বলেন, গত ২৩ জুন সকালে বাড়ির পাশের জমিতে মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশী জাহাঙ্গীর হোসেনের সঙ্গে মকবুল হোসেনের কথাকাটাকাটি হয়, যা শীঘ্রই হাতাহাতিতে রূপ নেয়।
এরপর পরবর্তী পর্যায়ে জাহাঙ্গীরের লোকজন দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে মকবুল হোসেন এবং তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের ওপর আকস্মিক হামলা চালায়। এই হামলায় শুধু মকবুল হোসেনই নয়, তার ছেলে ইমরান হোসেন, মেয়ে মিনু আক্তার, পুত্রবধূ তানজিনা আক্তার এবং লামিয়া আক্তারও গুরুতর আহত হন। তাদের উদ্ধার করে স্থানীয়রা প্রথমে দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে মকবুল হোসেনের অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়। মৃত্যুর সঙ্গে ৫ দিন পাঞ্জা লড়ার পর রবিবার সন্ধ্যায় তিনি মারা যান।
আরও পড়ুন: ভাণ্ডারিয়ায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত
এ ঘটনায় আক্রান্ত মকবুলের ছেলে ইকবাল হোসেন বাদী হয়ে দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। এই মামলায় জাহাঙ্গীর হোসেনসহ আটজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
নিহতের বোন হাউমাউ করে বলেন, ‘আমার ভাই কোনো অপরাধ করেনি। সামান্য কথা-কাটাকাটির জেরে তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমরা সুষ্ঠু বিচার এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. এম এ বারী বলেন, ‘হামলার ঘটনায় আগেই মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। যেহেতু আহত ব্যক্তি মারা গেছেন, তাই মামলাটি এখন প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়ায় হত্যা মামলা হিসেবে হালনাগাদ করা হবে।’
আরও পড়ুন: ভাণ্ডারিয়ায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন, র্যালি ও সমাবেশ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন