ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সরকার অবাধ ও সুষ্ঠু স্থানীয় নির্বাচন উপহার দেবে: মীর শাহে আলম


সরকার অবাধ ও সুষ্ঠু স্থানীয় নির্বাচন উপহার দেবে: মীর শাহে আলম

ঢাকা, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬ : স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম মন্তব্য করেছেন যে, সরকার অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ স্থানীয় নির্বাচন প্রদান করবে।

তিনি উল্লেখ করেন, আগামীকাল রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পদত্যাগের পর ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মীর্জা ফয়সালের সাথে অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে শান্তিপূর্ণ প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে। এখানে কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্ব নেই।

তিনি আরও বলেন, জানুয়ারি থেকে শুরু হতে যাওয়া স্থানীয় সরকার নির্বাচনও একইভাবে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হবে।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারের টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত মুক্তার দাফন সম্পন্ন

আজ বিশ্ব হাত ধোয়া দিবসে বনানী বিদ্যানিকেতন স্কুলে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

তিনি আরো যোগ করেন, সরকার ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনগুলোও শান্তিপূর্ণভাবে পরিচালনা করবে। বিএনপি সরকার জনগণের ভোটের অধিকার কেড়ে নিতে চায় না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইসরাইলি আরব কারা, নির্বাচনে তারা কীভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠলো?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৪৬ পি.এম


ইসরাইলি আরব কারা, নির্বাচনে তারা কীভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠলো?

ইসরাইলকে ইহুদি রাষ্ট্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। দেশটির রাজনৈতিক পরিসরে ইহুদি জাতীয়তাবাদের প্রভাব ব্যাপকভাবে বিদ্যমান। তবে এবারের নির্বাচনে আরব দলগুলো আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। বুথফেরত জরিপ অনুযায়ী, দেশটির পার্লামেন্টে আরব-প্রধান দলগুলো ১৮ থেকে ১৯টি আসন পেতে পারে। পূর্ববর্তী পার্লামেন্টে দলগুলোর আসন ছিল মোট ১০টি। ফলে, সরকার গঠনের প্রক্রিয়ায় তাদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। প্রশ্ন হলো, ইহুদি রাষ্ট্রে আরব দলগুলো এত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে কীভাবে?

ইসরাইলে আরবরা কারা?

ইসরাইলের সকল নাগরিক ইহুদি নন। সেখানে আরব জনগণেরও বসবাস রয়েছে। ইসরায়েলে অবস্থানরত এসব আরব সাধারণত ‘আরব ইসরাইলি’ বা ‘ইসরাইলি আরব’ নামে পরিচিত। এরা হলেন সেই ফিলিস্তিনি এবং তাদের বংশধর, যারা ১৯৪৮ সালে ইসরাইল প্রতিষ্ঠার সময় ওই ভূখণ্ডে বসবাস করতেন এবং আরব-ইসরাইল যুদ্ধের পর ইসরাইল রাষ্ট্রের সীমানার ভেতরেই থেকে গিয়েছিলেন। বর্তমানে তাদের সংখ্যা ২০ লাখের বেশি, যা ইসরাইলের মোট জনসংখ্যার প্রায় ২১%।

ইসরাইলের আরব নাগরিকরা প্রধানত তিনটি ধর্মীয় গ্রুপে বিভক্ত— সুন্নি মুসলিম, খ্রিষ্টান এবং দ্রুজ। সুন্নি মুসলিমরা আরব জনসংখ্যার বৃহত্তম অংশ (প্রায় ৮৪%)। এর মধ্যে একটি উল্লেখযোগ্য অংশ হলো নেগেভ ও উত্তরাঞ্চলের যাযাবর বা বেদুইন সম্প্রদায়।

খ্রিস্টানরা মোট আরব জনসংখ্যার প্রায় ৮%। তাদের বেশির ভাগ গ্রিক অর্থোডক্স এবং ক্যাথলিক চার্চের অনুসারী। বাকি ৮% হলো দ্রুজরা। যদিও তারা জাতিগতভাবে আরব, তাদের একটি নিজস্ব ধর্মীয় ও সামাজিক পরিচয় রয়েছে।

ইসরাইলে আরবদের পরিচয় বেশ জটিল। তারা একদিকে যেমন ইসরাইলের নাগরিক, অন্যদিকে সাংস্কৃতিক ও পারিবারিকভাবে পশ্চিম তীর, গাজা ও অন্যান্য স্থানে থাকা ফিলিস্তিনিদের সাথে গভীরভাবে যুক্ত। তাই অনেকে নিজেদের ‘ইসরাইলের ফিলিস্তিনি নাগরিক’ হিসেবে পরিচয় দিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।

ইসরাইলের আরব নাগরিকদের ভোট দেওয়ার, রাজনৈতিক দল গঠনের এবং পার্লামেন্টে নির্বাচিত হওয়ার অধিকার রয়েছে।

তবে ইসরাইলের আরব নাগরিকদের রাজনৈতিক অবস্থান পশ্চিম তীর ও গাজার ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে এক নয়। পশ্চিম তীর ও গাজার অধিকাংশ ফিলিস্তিনি ইসরাইলের নাগরিক নন। ফলে তারা ইসরাইলের সাধারণ নির্বাচনে ভোট দিতে পারেন না।

ইহুদি রাষ্ট্রে আরব দলগুলো কীভাবে আসন পায়?

ইসরাইলের পার্লামেন্টের নাম নেসেট। এখানে মোট আসন ১২০টি। বাংলাদেশে সাধারণত একটি আসনে একজন প্রার্থী নির্বাচিত হন। ভোটাররা সেই আসনের প্রার্থীদের মধ্যে একজনকে ভোট দেন। কিন্তু ইসরাইলে পদ্ধতিটি ভিন্ন। সেখানে ভোটাররা মূলত রাজনৈতিক দলকে ভোট দেন। আর দল যত ভোট পায়, সেই অনুপাতে পার্লামেন্টে আসন বন্টন করা হয়। এই পদ্ধতিকে বলা হয় আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব ব্যবস্থা।

তাহলে প্রধানমন্ত্রী কীভাবে নির্বাচিত হন?

ইসরাইলে ভোটাররা সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন করেন না। তারা পার্লামেন্টের সদস্য নির্বাচনের জন্য দলকে ভোট দেন। এরপর সরকার গঠনের জন্য রাজনৈতিক দলগুলোকে প্রয়োজনীয় সমর্থন জোগাড় করতে হয়।

যদি কোনো দল ৪৮টি আসন পায়, তবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ৬১টি আসন। ফলে এককভাবে ওই দল সরকার গঠন করতে পারবে না। তাকে অন্য দলের সঙ্গে সমঝোতা করতে হবে।

যেমন, ৪৮ আসন পাওয়া দলটি ২৪ আসন পাওয়া আরেকটি দলের সমর্থন পেলে মোট আসন হবে ৭২। অর্থাৎ, সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন সম্ভব হবে। এভাবে একাধিক দল মিলে জোট সরকার গঠন করতে পারে। জোটের সমর্থন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পান সংশ্লিষ্ট নেতা। ইসরাইলের ইতিহাসে কখনোই কোনো দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় যায়নি। প্রতিবারই জোট সরকার গড়তে হয়েছে।

আরব দলগুলোর ক্ষেত্রে বিষয়টি কীভাবে কাজ করে?

ধরা যাক, ইসরাইলের আরব-প্রধান দলগুলো নির্বাচনে মোট ১৮টি আসন পেল। অন্যদিকে, সরকার গঠনের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বী দুই বড় জোটেরই আরও আসন প্রয়োজন।

এক্ষেত্রে আরব দলগুলোর সমর্থন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। তারা যদি কোনো একটি জোটকে সমর্থন দেয়, তবে সেই জোট সংখ্যাগরিষ্ঠতার কাছাকাছি যেতে পারে বা সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারে।

এবারের নির্বাচনে আরব দলগুলোর সাফল্য কতটা?

ইসরাইলের এবারের নির্বাচনে আরব-প্রধান দুটি রাজনৈতিক শক্তি বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে। একটি রা’আম বা ইউনাইটেড আরব লিস্ট। অন্যটি জয়েন্ট লিস্ট। দ্য জেরুজালেম পোস্ট বলছে, বুথফেরত জরিপ অনুযায়ী, রা’আম ৭টি এবং জয়েন্ট লিস্ট ১১ থেকে ১২টি আসন পেতে পারে। সব মিলিয়ে তাদের আসনসংখ্যা দাঁড়াতে পারে ১৮ থেকে ১৯টি। আগের পার্লামেন্টে দল দুটির আসন ছিল পাঁচটি করে। অর্থাৎ, প্রাথমিক হিসাব ঠিক থাকলে তাদের প্রতিনিধিত্ব উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। তবে বুথফেরত জরিপের সংখ্যা চূড়ান্ত ফলাফল নয়।

এই ফলাফলের পেছনে আরব নাগরিকদের ভোটদানের হার বেড়ে যাওয়াকে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, আরব-অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে ভোটদানের হার প্রায় ৮০ শতাংশে পৌঁছানোর প্রাথমিক ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। দেশটির সাম্প্রতিক নির্বাচনের তুলনায় এটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি। আরব দলগুলোর নেতারা আশা করছেন, বেশি ভোট তাদের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বাড়াবে এবং সরকার গঠনের আলোচনায় তাদের গুরুত্ব বাড়াবে।

নেতানিয়াহুর ক্ষমতার সমীকরণে আরবরা কেন গুরুত্বপূর্ণ?

এবারের নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন জোট এবং তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী শিবির—কেউই স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি বলে বুথফেরত জরিপে দেখা যাচ্ছে। জরিপভেদে নেতানিয়াহুর জোটের সম্ভাব্য আসন ৫০ থেকে ৫২টি। বিরোধী শিবিরের সম্ভাব্য আসন ৪৯ থেকে ৫৩টি। অথচ সরকার গঠন করতে প্রয়োজন অন্তত ৬১টি আসন। ফলে দুই পক্ষেরই আরও সমর্থন প্রয়োজন হতে পারে।

এই পরিস্থিতিতে আরব দলগুলোর ১৮ থেকে ১৯টি সম্ভাব্য আসন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। তারা বিরোধী শিবিরকে সমর্থন দিলে নেতানিয়াহুর জোটের সরকার গঠনের পথ কঠিন হতে পারে। তবে আরব দলগুলো বিরোধীদের সমর্থন করলেই যে নতুন সরকার গঠন নিশ্চিত হবে, তা নয়। বিরোধী শিবিরের সব দল আরব দলগুলোর সঙ্গে সরকার গঠনে রাজি নয়। ফলে সংখ্যার হিসাবের পাশাপাশি রাজনৈতিক সমঝোতাও বড় বিষয় হয়ে উঠেছে।

আরব দলগুলো আসলে কী চায়?

ইসরাইলের আরব-প্রধান দলগুলোর রাজনীতি শুধু প্রধানমন্ত্রী কে হবেন, সেই প্রশ্নে সীমাবদ্ধ নয়। আরব নাগরিকদের অধিকার, বৈষম্য কমানো, আরব অধ্যুষিত এলাকার উন্নয়ন এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণও তাদের রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

একই সঙ্গে ফিলিস্তিনিদের অধিকার ও ইসরাইল-ফিলিস্তিন সংঘাত নিয়ে তাদের অবস্থানও গুরুত্বপূর্ণ। তবে সব আরব দলের রাজনৈতিক অবস্থান এক নয়। রা’আম ও জয়েন্ট লিস্টের মধ্যে আদর্শিক ও রাজনৈতিক পার্থক্য রয়েছে।

আরবদের আসন বাড়লেই ইসরাইলের নীতি বদলাবে?

পার্লামেন্টে আসন বাড়া মানে রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বাড়া। কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে, রাষ্ট্রের নীতিতেও তাৎক্ষণিক পরিবর্তন আসবে। সরকার গঠনে সমর্থন দেওয়ার বিনিময়ে আরব দলগুলো নিজেদের দাবিদাওয়া তুলে ধরতে পারে। তবে সেই দাবিগুলো বাস্তবায়িত হবে কি না, তা নির্ভর করবে জোটের সমঝোতা ও সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর।

অন্যদিকে, প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আরব দলগুলোকে সরকারে অন্তর্ভুক্ত করা নিয়ে আপত্তিও রয়েছে।

শেষ পর্যন্ত কী হতে পারে?

ইসরাইলের নির্বাচনে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, কে সরকার গঠন করতে পারবে। নেতানিয়াহুর জোট প্রয়োজনীয় সমর্থন জোগাড় করতে পারে। আবার বিরোধী শিবিরও আরব দলগুলোর সমর্থন নিয়ে সরকার গঠনের চেষ্টা করতে পারে। কোনো পক্ষই সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে না পারলে দীর্ঘ রাজনৈতিক অচলাবস্থা তৈরি হতে পারে। সেক্ষেত্রে জাতীয় বড় দলগুলো মিলে জাতীয় সরকার গঠন করতে পারে। এমনকি নতুন নির্বাচনের প্রয়োজনও দেখা দিতে পারে। চূড়ান্ত ফলাফল ও পরবর্তী রাজনৈতিক আলোচনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো সম্ভাবনাকেই নিশ্চিত বলা যাচ্ছে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফুটপাতে ব্যবসার পক্ষে কেউ নেই, সড়ক দখল উচ্ছেদে জনগণের সহযোগিতা জরুরি : ডিএনসিসি প্রশাসক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৪৬ পি.এম


ফুটপাতে ব্যবসার পক্ষে কেউ নেই, সড়ক দখল উচ্ছেদে জনগণের সহযোগিতা জরুরি : ডিএনসিসি প্রশাসক

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান মন্তব্য করেন, "ফ্যাসিবাদী ও গুপ্তরা ছাড়া কেউ ফুটপাতে ব্যবসার পক্ষে নেই।" তিনি উল্লেখ করেন যে, ফ্যাসিবাদী সরকারের সময় থেকেই সড়ক দখল করে ব্যবসা পরিচালনা করছেন হকাররা।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) মিরপুর-১ এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান সম্পন্ন করার পর তিনি এসব মন্তব্য করেন।

এই অভিযানে মিরপুরের বিভিন্ন স্থানে একের পর এক অবৈধ স্থাপনা ও ফুটপাতের দোকান গুঁড়িয়ে দেয়া হয়। অভিযানের খবর পেয়ে মিরপুর-১ নম্বরের প্রধান সড়ক থেকে অনেক হকার সরে যান।

পরে শাহ আলী মার্কেটের কাঁচাবাজার এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এই সময় সড়ক দখল করে গড়ে ওঠা বাজার ও ফুটপাতের দোকানপাট উচ্ছেদের পাশাপাশি মালামালও জব্দ করা হয়।

ডিএনসিসি প্রশাসক অভিযোগ করেন, অভিযানে বাধা দিতে পরাজিত শক্তি ও ফ্যাসিবাদীরা ষড়যন্ত্র করছেন। তবে তিনি জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এই পরিস্থিতির মোকাবিলা করার ঘোষণা দেন।

ডিএনসিসি প্রশাসক আরও বলেন, "প্রত্যেকটি জায়গায় একে একে উচ্ছেদ অভিযান হবে। ১০ নম্বরের মতো ১ নম্বরকে হাঁটা ও চলাচলের উপযোগী করবো।" তিনি সতর্ক করেন যে, কেউ যদি আবার বসতে চায়, তবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তিনি বলেন, "হাটার রাস্তা সাধারণ মানুষকে বুঝিয়ে দেয়া আমার নৈতিক দায়িত্ব। যতদিন দায়িত্ব পালন করবো ঢাকা শহরকে গ্রিন এবং ক্লিন করতে চাই।" তিনি প্রধানমন্ত্রীর ভিশন বাস্তবায়নের জন্য কাজ করে যাওয়ার কথা জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাকিস্তানে ভারত সমর্থিত গোষ্ঠীর ৯ সন্ত্রাসী নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৪৭ পি.এম


পাকিস্তানে ভারত সমর্থিত গোষ্ঠীর ৯ সন্ত্রাসী নিহত

পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশের কাচ্চি ও ওয়াধ জেলায় পৃথক অভিযানের মাধ্যমে ৯ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে, এমনটি জানিয়েছে দেশটির সামরিক বাহিনীর গণমাধ্যম শাখা আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।

বুধবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইএসপিআর জানায়, গত ২৬ অক্টোবর কাচ্চিতে একটি সন্ত্রাসী আস্তানা ধ্বংস করা হয়। এই অভিযানে সাতজন সন্ত্রাসী নিহত হয়। অন্যদিকে, ওয়াধ জেলায় পরিচালিত আরেকটি অভিযানে নিহত হয় আরো দুজন সন্ত্রাসী। নিহতদের কাছ থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।

পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষের দাবি, নিহতরা ভারত সমর্থিত ‘ফিতনা আল-হিন্দুস্তান’ গোষ্ঠীর সদস্য।

আইএসপিআর জানায়, এলাকায় অন্যান্য সন্ত্রাসীদের সন্ধানে তল্লাশি অভিযান চলমান রয়েছে। দেশজুড়ে সন্ত্রাসবাদ নির্মূলে ‘আজম-ই-ইস্তেহকাম’ কর্মসূচির আওতায় অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সূত্র: ডন

আরএ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শুভেন্দুর কটাক্ষ, এই বয়সে বিশ্রাম নেওয়াই ভালো মমতাকে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৪৭ পি.এম


শুভেন্দুর কটাক্ষ, এই বয়সে বিশ্রাম নেওয়াই ভালো মমতাকে

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বয়স অনেক হয়েছে। তাই, এই বয়সে তার ভোটে না দাঁড়িয়ে বিশ্রাম নেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রামের বিধায়ক পদ ত্যাগ করে ভবানীপুর আসন ধরে রাখার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি এভাবে মমতাকে কটাক্ষ করেন। একই সঙ্গে, নথি চুরির চেষ্টার অভিযোগে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যয়ের বিষয়টি নিয়ে তদন্তের আশ্বাসও দেন শুভেন্দু।

বুধবার বিধানসভায় নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের জয়ী বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ এবং শাখারভ সরকার বিধায়ক হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। ওই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামের পাশাপাশি ভবানীপুর থেকেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন শুভেন্দু। ভবানীপুরে তিনি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করেন। পরে, ভবানীপুর আসনটি নিজের কাছে রেখে নন্দীগ্রাম ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন।

শুভেন্দু বুধবার এই সিদ্ধান্তের পেছনের কারণ ব্যাখ্যা করেন। তিনি বলেন, ভবানীপুর আসন ছেড়ে দিলে সেখানে ফের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ পেতেন মমতা। সেই সুযোগ তিনি দিতে চাননি।

মমতার নাম উল্লেখ না করে শুভেন্দু বলেন, যিনি তার কাছে দুবার পরাজিত হয়েছেন, তাকে আবার নির্বাচনে লড়ার সুযোগ না দেওয়াই শ্রেয়। তার কথায়, মমতার বয়স প্রায় ৭৫ বছর। এই বয়সে তার বিশ্রাম নেওয়া উচিত।

সূত্র: আনন্দবাজার অনলাইন

আরএ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%