ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ভিকারুননিসায় এসএসসিতে পাসের হার ও জিপিএ-৫ কত?


ভিকারুননিসায় এসএসসিতে পাসের হার ও জিপিএ-৫ কত?

ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার পৌঁছেছে ৯৭.৯৭ শতাংশে।

এই তথ্য জানা যায় সোমবার (১০ আগস্ট) প্রকাশিত ফলাফল থেকে।

স্কুলটি থেকে এবারে মোট ২ হাজার ১১৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে ২ হাজার ৭৩ জন শিক্ষার্থী পাস করেছেন, এবং ফেল করেছেন ৪৩ জন।

আরও পড়ুন: ২৫ অক্টোবর আপিল বিভাগের বিচারিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে

প্রতিষ্ঠানটিতে এবারের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ হাজার ১১৫ জন শিক্ষার্থী।

এছাড়াও, চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ১১ বোর্ডে গড় পাসের হার হচ্ছে ৬২.২৫ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী। উল্লেখযোগ্য যে, শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৩১২টি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুড়িগ্রাম সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় ৭৮ লাখ টাকার মাদক জব্দ, আটক ২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৫৮ পি.এম


কুড়িগ্রাম সীমান্তে বিজিবির অভিযানে প্রায় ৭৮ লাখ টাকার মাদক জব্দ, আটক ২

কুড়িগ্রাম সীমান্তে মাদক ও চোরাচালানবিরোধী ধারাবাহিক বিশেষ অভিযান চালিয়ে প্রায় ৭৭ লাখ ৭৯ হাজার ১৯২ টাকা মূল্যের ভারতীয় ইয়াবা, ইস্কফ সিরাপ, গবাদিপশু, কসমেটিকসসহ বিপুল পরিমাণ চোরাচালানি মালামাল জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (২২ বিজিবি)। এ সময় দুই আসামিকেও আটক করা হয়েছে।

সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়ন (২২ বিজিবি) থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গত সাত দিনে জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষা, সীমান্ত সুরক্ষা এবং সীমান্ত অপরাধ দমনে কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় ধারাবাহিকভাবে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসব অভিযানে বিভিন্ন স্থান থেকে ভারতীয় ইয়াবা, ইস্কফ সিরাপ, গবাদিপশু, কসমেটিকসসহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ চোরাচালানি মালামাল জব্দ করা হয়। অভিযানে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে দুই আসামিকে আটক করা হয়েছে।

বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্ত এলাকায় মাদক পাচার ও চোরাচালান প্রতিরোধে নিয়মিত টহলের পাশাপাশি বিশেষ অভিযান জোরদার করা হয়েছে। সীমান্তপথে অবৈধভাবে মাদক ও পণ্য পাচারের সঙ্গে জড়িত চোরাকারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে বিজিবি।

কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়ন (২২ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মাহবুব-উল-হক, পিএসসি বলেন, সীমান্ত অপরাধ দমন, মাদক পাচার রোধ এবং চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়ন দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। সীমান্তে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং চোরাকারবারিদের যেকোনো অপতৎপরতা প্রতিহত করতে বিজিবির অভিযান ও নজরদারি অব্যাহত থাকবে।

বিজিবির পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার, মাদক ও চোরাচালান নির্মূল এবং সীমান্তবর্তী জনগণের নিরাপত্তা ও স্বস্তি নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এসএসসি ২০২৬: ইংরেজি ও গণিতে অকৃতকার্য সবচেয়ে বেশি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:০০ পি.এম


এসএসসি ২০২৬: ইংরেজি ও গণিতে অকৃতকার্য সবচেয়ে বেশি

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ফলে পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ হয়েছে। তবে চলতি বছর সব বোর্ডে তুলনামূলক ইংরেজি এবং গণিতে সর্বোচ্চ সংখ্যক শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন। অন্যদিকে, সর্বোচ্চ সংখ্যক শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছেন আইসিটি বিষয়ে।

সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সম্মেলন কক্ষে নির্মিত সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এই ফল ঘোষণা করেন।

তিনি জানিয়েছেন, এ বছর দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। উল্লেখযোগ্যভাবে, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী। এবং শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৩১২টি।

জানা গেছে, সব বোর্ড মিলিয়ে এবার পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে পাস করেছেন ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন। মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী।

বিষয়ভিত্তিক ফল বিশ্লেষণের মাধ্যমে দেখা গেছে, ঢাকা বোর্ডে ইংরেজি এবং গণিতে যথাক্রমে ৭৮.৪০ এবং ৮২.৮৫ শতাংশ শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছেন। রাজশাহী বোর্ডে ইংরেজি এবং গণিতে যথাক্রমে ৭৪.৭ এবং ৭৭.১৭, কুমিল্লা বোর্ডে ইংরেজি এবং গণিতে যথাক্রমে ৮১.২৯ এবং ৮১.৭৫ শতাংশ, যশোর বোর্ডে ইংরেজি এবং গণিতে যথাক্রমে ৭১.৮৪ এবং ৮৩.৩৪ শতাংশ, চট্টগ্রাম বোর্ডে ইংরেজি এবং গণিতে যথাক্রমে ৭২.২৭ এবং ৮০.০৫ শতাংশ, বরিশাল বোর্ডে ইংরেজি এবং গণিতে যথাক্রমে ৬৯.২৪ এবং ৭৭.৯৮ শতাংশ, সিলেট বোর্ডে ইংরেজি এবং গণিতে যথাক্রমে ৬৯.১১ এবং ৭৫.৯৬ শতাংশ, দিনাজপুর বোর্ডে ইংরেজি এবং গণিতে যথাক্রমে ৭২.৯১ এবং ৭১.০৫ শতাংশ।

ময়মনসিংহ বোর্ডে ইংরেজি এবং গণিতে যথাক্রমে ৬৬.৬৪ এবং ৬৯.৬১ শতাংশ, মাদ্রাসা বোর্ডে ইংরেজি এবং গণিতে যথাক্রমে ৭৯.২১ এবং ৬৯.৯৭ শতাংশ, কারিগরি বোর্ডে ৯৪.৭৯ এবং ৭০.৯২ শতাংশ শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছেন।

অপরদিকে, আইসিটিতে সব বোর্ডে সর্বোচ্চ সংখ্যক শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছেন।

ঢাকা বোর্ডের পাসের হার ৭১.৬৩ শতাংশ, যেখানে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৩ হাজার ২৫৩ জন। রাজশাহী বোর্ডের পাসের হার ৬৩.৬৭ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৬ হাজার ১১৩ জন। যশোর বোর্ডের পাসের হার ৬৬.২৭ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১ হাজার ৪৭৮ জন।

কুমিল্লা বোর্ডের পাসের হার ৬৫.৪২ শতাংশ, যেখানে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ হাজার ৮১৪ জন। চট্টগ্রাম বোর্ডের পাসের হার ৫৯.৪৮ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ হাজার ৩৯৮ জন। বরিশাল বোর্ডের পাসের হার ৬০.৩৫ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ৭৭৮ জন।

সিলেট বোর্ডের পাসের হার ৫৮.৩৩ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৮৩৬ জন। দিনাজপুর বোর্ডের পাসের হার ৫৮.০৫ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩ হাজার ৬৩৯ জন। ময়মনসিংহ বোর্ডের পাসের হার ৫৭.৩৯ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫ হাজার ৭০০ জন।

এবার গত বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ১১টি বোর্ডে গড় পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। সেই হিসাবে এবার পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ২ শতাংশ। জিপিএ-৫ কমেছে ২২ হাজার ৩৫৬ জন।

এছাড়া, মাদ্রাসা বোর্ডে পাসের হার ৫৫.৪৯ শতাংশ, যেখানে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ হাজার ৭১৬ জন। আর কারিগরি বোর্ডের পাসের হার ৫৮.২০ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৯৫১ জন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাঁঠালিয়ায় কাজ না করেই টিআর প্রকল্পের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, সংবাদ প্রকাশের পর পিআইও বলেন-‘এই টাকার ভাগ রেজওয়ানুর স্যারকে দিতে হয়’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ঝালকাঠি প্রতিনিধি

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:০৪ পি.এম


কাঁঠালিয়ায় কাজ না করেই টিআর প্রকল্পের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, সংবাদ প্রকাশের পর পিআইও বলেন-‘এই টাকার ভাগ রেজওয়ানুর স্যারকে দিতে হয়’

ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলায় টিআর (টেস্ট রিলিফ) প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন না করেই সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় কাঁঠালিয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. জোবায়ের হোসেনের সহযোগিতার অভিযোগও উঠেছে।

জানা গেছে, কাঁঠালিয়া উপজেলায় দুটি প্রেসক্লাব রয়েছে। সাংবাদিকদের মধ্যে সমন্বয় বজায় রাখতে সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম দুটি প্রেসক্লাবের জন্য পৃথকভাবে টিআর প্রকল্পের বরাদ্দ দেন। একটি প্রেসক্লাবের সভাপতি মাসুদুল আলম এবং অপরটির সভাপতি মো. বাদল হাওলাদার।

মাসুদুল আলমের সভাপতিত্বাধীন প্রেসক্লাবের নামে টিআর প্রকল্পের বরাদ্দ দেওয়া হয় এবং ওই প্রকল্পের কাজও হয়েছে বলে জানা যায়। অপর প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. বাদল হাওলাদার বরাদ্দ চাইলে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. জোবায়ের হোসেন তাকে জানান, একই নামে বরাদ্দ দেওয়া সম্ভব নয়। তাই অন্য একটি সংগঠনের নাম দিতে হবে। ওই সংগঠনের নামে বরাদ্দ হলেও কাজ প্রেসক্লাবের জন্য করা হবে বলে তাকে জানানো হয়।

পরবর্তীতে মো. বাদল হাওলাদার একটি সংগঠনের নাম পিআইওর কাছে জমা দেন। তবে অভিযোগ অনুযায়ী, যে সংগঠনের নামে বরাদ্দ দেওয়া হয়, সেই সংগঠনের অন্য সদস্যরা বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ছিলেন না। বিষয়টি জানতে পেরে তারা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

অভিযোগ রয়েছে, এ সময় প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. জোবায়ের হোসেন মো. বাদল হাওলাদারকে ডেকে জানতে চান, প্রেসক্লাবের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হলেও কাজ কেন করা হয়নি। তখন প্রেসক্লাব সংস্কারের জন্য ২০ হাজার টাকা ব্যয় করা হবে বলে জানানো হয়। কিন্তু দীর্ঘ ছয় মাস অতিবাহিত হলেও সংস্কারকাজের কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যায়নি।

অভিযোগকারীদের দাবি, প্রকল্পের বরাদ্দকৃত অর্থ যথাযথভাবে কাজে ব্যয় করা হয়নি। কাজ বাস্তবায়ন না করেই সরকারি অর্থ আত্মসাত করা হয়েছে। এ ঘটনায় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. জোবায়ের হোসেনের সহযোগিতা রয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

ইউএনওর বক্তব্য

এ বিষয়ে কাঁঠালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ও মো. বাদল হাওলাদারকে ডেকে মুখোমুখি কথা বলা হবে। প্রেসক্লাবের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল কি না এবং প্রকল্পের কাজ বাস্তবে হয়েছে কি না, তা সংশ্লিষ্টদের উপস্থিতিতে যাচাই করা হবে।

পিআইওর বক্তব্য

অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. জোবায়ের হোসেনের ব্যবহৃত মুঠোফোনে যোগাযোগ করে বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করায় তার মান-সম্মান নষ্ট হচ্ছে।

একপর্যায়ে প্রকল্পের অর্থের ভাগ-বাটোয়ারা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আপনি যে আমার বিরুদ্ধে নিউজ লিখেছেন, এতে আমার মান-সম্মান নষ্ট হচ্ছে। আপনার কি মনে হয়, এই যে প্রকল্প বলেন—কাজের বিষয়ে বলেন না কেন? রেজওয়ানুর রহমান আমাদের মহাপরিচালক (দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর), তাকেও পারসেন্টেজ দিতে হয়। শুধু তা-ই না, উপজেলা-জেলা সবাইকে কমবেশি দিতে হয়। আপনার যদি আরও কোনো কথা থাকে, স্বপ্নে এসে কথা বলব।”

তবে পিআইওর এ বক্তব্যের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। তিনি কোন প্রকল্পের অর্থের বিষয়ে এবং কোন প্রেক্ষাপটে এ বক্তব্য দিয়েছেন, সেটিও স্পষ্ট নয়। তার বক্তব্যে সরকারি প্রকল্পের অর্থ থেকে বিভিন্ন পর্যায়ে ‘পারসেন্টেজ’ দেওয়ার যে দাবি উঠে এসেছে, তা তদন্তের দাবি রাখে।

জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তার বক্তব্য

অন্যদিকে, ঝালকাঠি জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা, যিনি বর্তমানে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন, বিষয়টি সম্পর্কে বলেন, “আমি বিষয়টি জানি না। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

অভিযোগকারীদের দাবি, প্রকল্পের বরাদ্দপত্র, প্রকল্পের নথি, বিল-ভাউচার ও অর্থ উত্তোলনের তথ্য যাচাইয়ের পাশাপাশি প্রকল্পের স্থান সরেজমিনে পরিদর্শন করা হলে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে। তারা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
এসএসসির ফলাফল

শতভাগ জিপিএ ৫ পেয়ে দেশসেরা নরসিংদীর নাছিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুল অ্যান্ড হোমস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:০৬ পি.এম


শতভাগ জিপিএ ৫ পেয়ে দেশসেরা নরসিংদীর নাছিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুল অ্যান্ড হোমস

এসএসসির ফলাফলে ধারাবাহিকভাবে দেশসেরা ফলাফল করেছে নরসিংদীর নাছিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুল অ্যান্ড হোমস।

এ বছর ৩৮২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে শতভাগ পাসসহ ৩৮২ জনই জিপিএ ৫ পেয়েছে।

আজ সোমবার (১০ আগস্ট) বেলা ১২টায় অনলাইনে এসএসসির ফলাফল ঘোষণার পর এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. ইমন হোসেন।

প্রতিষ্ঠানের ধারাবাহিক সাফল্যে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা আবদুল কাদির মোল্লা ও মিসেস নাছিমা মোল্লা।

এর আগে ২০২২, ২০১৭, ২০১৫ ও ২০২৫ সালে শতভাগ পাসসহ শতভাগ জিপিএ-৫ পেয়ে দেশ সেরা ফলাফল অর্জন করেছিল এই প্রতিষ্ঠানটি।

বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, নাছিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুল অ্যান্ড হোমস ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে পিইসি, জেএসসি ও এসএসসিতে টানা শতভাগ পাসসহ ফলাফলের ভিত্তিতে প্রায় প্রতি বছরই বোর্ডে দেশ সেরার স্থান দখল করে আসছে।

এরই ধারাবাহিকতায় এবার এসএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৩৭৬ জন ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখা ৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে শতভাগ পাসসহ ৩৮২ শিক্ষার্থীর সবাই জিপিএ ৫ পেয়েছে।

এর আগে গতবছর ৩২০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ৩২০ জনই জিপিএ ৫ পেয়েছিল।

২০২৪ সালে ২৯৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ২৯৩ জন জিপিএ ৫ পেয়েছিল।

গত ২০২৩ সালে ২৭৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে শতভাগ পাসসহ ২৭০ জন জিপিএ ৫ পেয়েছিল।

২০২২ সালে ২৬৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে শতভাগ পাসসহ ২৬৬ জনই জিপিএ ৫ পেয়েছিল।

এ ছাড়া ২০২১ সালে ২৪৭ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে শতভাগ পাসসহ ২৩৭ জন জিপিএ ৫ পেয়েছিল।

২০২০ সালে ২১৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে শতভাগ পাসসহ ২০০ জন জিপিএ ৫ পেয়েছিল।

২০১৯ সালে ১৭১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে শতভাগ পাসসহ ১৬৮ জন জিপিএ ৫ পেয়েছিল।

২০১৮ সালে ১৩৯ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে শতভাগ পাসসহ ১৩৭ জন জিপিএ ৫ পেয়েছিল এবং ২০১৭ সালের এসএসসি পরীক্ষায় ১৬৪ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়ে সবাই জিপিএ ৫ পেয়েছিল।

বিজ্ঞান বিভাগের জিপিএ ৫ পাওয়া মুশফিকুর হাসান সিয়াম শাহজাদি সিদ্দিকী জানায়, ‘দেশের নানা প্রতিকূলতার কারণে পড়ালেখার অনেক ব্যাঘাত ঘটেছিল।

শিক্ষকদের কঠোর পরিশ্রমে আমরা তা কাভার করতে পেরেছি।

আজকে আমাদের দেশ সেরা ফলাফলে সব দুঃখ কষ্ট মুছে যাবে।

বিজ্ঞান বিভাগের জিপিএ ৫ পাওয়া আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই ফলাফলের জন্য আমাদের বিদ্যালয়ের চেয়ারম্যান স্যারের নির্দেশনায় শিক্ষকদের অক্লান্ত পরিশ্রম, সঠিক দিক-নির্দেশনা, নিয়মিত ক্লাস, বিশেষ ক্লাস, গাইড টিচারের মাধ্যমে নিয়মিত হোম ভিজিট, টিউটেরিয়াল ও মাসিক পরিক্ষার কারণেই এই ভাল ফলাফল সম্ভব হয়েছে।

নাছিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুল অ্যান্ড হোমসের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও থার্মেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান আবদুল কাদির মোল্লা বলেন, আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি বরাবরই ভাল ফলাফল করছে।

এবার শতভাগ পাসসহ শতভাগ জিপিএ ৫ পেয়ে দেশ সেরা ফলাফলের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখেছে।

সারা দেশের সার্বিক ফলাফল বিশ্লেষণ করলে আশা করছি আমরা দেশসেরা অবস্থানে থাকব।

মুলত নরসিংদীর মত মফস্বল শহরে মানসম্মত শিক্ষা প্রদানের অঙ্গীকার নিয়েই আমি ও আমার সহধর্মীনী নাসিমা বেগম স্কুলটি প্রতিষ্ঠা করেছিলাম।

আমি সবসময় চেয়েছি সুশিক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা মানব সম্পদে পরিণত হউক।

যাতে আমাদের সমাজে সার্টিফিকেটধারি শিক্ষিত বেকার তৈরী না হয়।

তিনি আরো বলেন, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চারটি স্তম্ভ।

পরিচালনা পর্ষদ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবক।

আমাদের ভালো ফলাফলের মূল কারণ- আমরা একে অপরের কাছ থেকে কখনো বিচ্ছিন্ন হতে দেই না।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ইমন হোসেন বলেন, ‘একটি বিদ্যালয়ের ভাল ফলাফলের মূল মন্ত্র হচ্ছে বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে সমন্বয়।

আর আমাদের মূলমন্ত্র হচ্ছে আবদুল কাদির মোল্লা।

স্যারের ইনোভেটিভ চিন্তা-চেতনা, সময়োপযোগী সঠিক দিক নির্দেশনায় আমাদের এই ফলাফল অব্যাহত আছে।

এছাড়া আমাদের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা এতো কঠোর পরিশ্রম করেন যেখানে ভালো ফলাফল করতে বাধ্য।

আমরা শুধু একাডেমিক ফলাফলে নয়, কো-এক্টিভিটি কারিকোলামেও দেশ সেরা অর্জন করে আসছি।

নরসিংদীতে মানসম্মত শিক্ষা দানের অঙ্গীকার নিয়ে ২০০৮ সালে শহরের ভেলানগর এলাকায় থার্মেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান আবদুল কাদির মোল্লা নরসিংদীতে তার এবং তার স্ত্রী মিসেস নাসিমা বেগমের নামে যৌথভাবে নাছিমা কাদির মোল্লা হাইস্কুল অ্যান্ড হোমস প্রতিষ্ঠা করেন।

বর্তমানে ১৭৪ জন তরুণ ও মেধাবী শিক্ষক-শিক্ষিকার সার্বিক তত্ত্বাবধানে স্কুলটি কঠোর শৃঙ্খলার মধ্যে দিয়ে পরিচালিত হয়ে আসছে।

বর্তমান স্কুলটির শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৫ হাজার ২০০ জন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%