ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সালমান শাহ হত্যা মামলার আসামি সামিরার দেশ ছাড়ার গুঞ্জন


সালমান শাহ হত্যা মামলার আসামি সামিরার দেশ ছাড়ার গুঞ্জন

ঢাকাই চলচ্চিত্রের প্রয়াত নায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় আসামি সামিরা হক দেশ ত্যাগ করে ভারতে চলে গেছেন; এমন একটি গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। তবে, এই তথ্যের কোনো নিশ্চিত প্রমাণ এখনো পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

সালমান শাহর পরিবারের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র সময় সংবাদকে জানিয়েছে, অভিনেতা ডন গ্রেফতার হওয়ার পর সামিরা বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে চলে গেছেন।

সূত্রটি দাবি করেছে, ডনকে গ্রেফতারের পর মামলাকে ঘিরে নতুন করে সবকিছু শুরু হলে সামিরার দেশ ত্যাগের বিষয়টি সামনে আসে। কিন্তু তিনি ঠিক কবে এবং কীভাবে দেশ ত্যাগ করেছেন সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন: সৌদি রুটে ১৪৪ ফ্লাইট স্থগিত, ২২ হাজার যাত্রী ভোগান্তিতে

সালমান শাহর মামা আলমগীর কুমকুমের করা নতুন হত্যা মামলায় তার স্ত্রী সামিরা হক প্রধান (১ নম্বর) আসামি। এই মামলায় মোট ১১ জন আসামির নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই এই মামলাকে ঘিরে নানা প্রশ্ন ও বিতর্ক বিদ্যমান। সম্প্রতি অভিনেতা ডনের গ্রেফতারের পর ঘটনাটি নিয়ে আবারও নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।

এদিকে, সামিরা সত্যিই দেশ ত্যাগ করেছেন কি না, কিংবা ভারতে এখন অবস্থান করছেন কি না- এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সালমান শাহের মরদেহ উদ্ধার করা হয় এবং প্রথমে একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছিল।

আরও পড়ুন: নেতানিয়াহুকে ঠেকাতে বিদেশ থেকে দেশে ফিরছেন হাজার হাজার ইসরাইলি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাহাজ নির্মাণ শিল্পকে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন খাতে রূপান্তরে সমন্বিত উদ্যোগে গুরুত্বারোপ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৩৭ এম


জাহাজ নির্মাণ শিল্পকে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন খাতে রূপান্তরে সমন্বিত উদ্যোগে গুরুত্বারোপ

দেশের জাহাজ নির্মাণ ও জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের বিদ্যমান আইন, বিধি, নীতিমালা ও চ্যালেঞ্জ পর্যালোচনা করে পরিবেশসম্মত, নিরাপদ, টেকসই এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন শিল্পখাত প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সচিবালয়ে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দুটি পৃথক সভায় এ গুরুত্বারোপ করা হয়।

এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এবং নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান। সংশ্লিষ্ট শিল্পের বিদ্যমান আইন, বিধি ও নীতিমালা পর্যালোচনা এবং প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রণয়নের লক্ষ্যে এ সভা দু’টির আয়োজন করা হয়েছে।

সভায় জাহাজ নির্মাণ ও জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণে টেকসই উন্নয়ন, পরিবেশ সুরক্ষা, শ্রমিকের নিরাপত্তা, আন্তর্জাতিক মান পরিপালন, প্রযুক্তিগত আধুনিকায়ন, দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টি এবং অর্থায়ন সুবিধা সম্প্রসারণের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।

জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প বিষয়ক উপস্থাপনায় বাংলাদেশের এ খাতের অর্থনৈতিক গুরুত্ব, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দেশীয় ইস্পাত শিল্পে কাঁচামাল সরবরাহ এবং সার্কুলার অর্থনৈতিক সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক পরিবেশ ও নিরাপত্তা মান অনুসরণ, ঝুঁকিপূর্ণ বর্জ্যের নিরাপদ ব্যবস্থাপনা, বর্জ্যপানি শোধন, বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ, মাটি পুনরুদ্ধার এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়।

এতে জাতীয় পর্যায়ে ট্রিটমেন্ট, স্টোরেজ এন্ড ডিজপোজাল ফ্যাসিলিটি ( টিএসডিএফ) প্রতিষ্ঠা ও কার্যকর ব্যবস্থাপনা, ঝুঁকিপূর্ণ বর্জ্য শোধন, ইনসিনারেটর স্থাপন, উপকরণ পুনঃব্যবহার এবং উপকূলীয় ও ম্যানগ্রোভ প্রতিবেশ সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।

একই সঙ্গে দক্ষ জনবল তৈরি, প্রশিক্ষণ, টেস্টিং ল্যাব স্থাপন, আর্থিক সহায়তা এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর সমন্বয়ের ওপরও জোর দেয়া হয়। অন্যদিকে, জাহাজ নির্মাণ শিল্পবিষয়ক উপস্থাপনায় বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান, তুলনামূলক শ্রম ব্যয়, কারিগরি সক্ষমতা, অভ্যন্তরীণ বাজার এবং রফতানির সম্ভাবনাকে এ খাতের প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

আধুনিক ড্রাইডক, মডুলার শিপ বিল্ডিং, রফতানিমুখী শিপইয়ার্ড, প্রযুক্তিগত আধুনিকায়ন, গবেষণা ও উন্নয়ন এবং দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়। বিশ্ব নৌপরিবহন খাতে উদীয়মান পরিবর্তনের সঙ্গে বাংলাদেশের জাহাজ নির্মাণ শিল্পকে খাপ খাইয়ে নেয়ার বিষয় নিয়েও সভায় গুরুত্ব দেয়া হয়। উপস্থাপনায় আইএমওর নেট-জিরো ফ্রেমওয়ার্ক, বিকল্প ও কম-কার্বন জ্বালানি, এলএনজি, গ্রিন স্টিল, কার্বন ট্রেডিং এবং শিপইয়ার্ডের মতো বৈশ্বিক প্রবণতার কথা উল্লেখ করা হয়।

জাহাজ নির্মাণ শিল্পে পরিবেশ সুরক্ষার অংশ হিসেবে বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্যপানি শোধন, ঝুঁকিপূর্ণ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং ম্যানগ্রোভ রক্ষার ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়। পাশাপাশি, শিল্পের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নে অর্থায়ন, গ্রিন ফাইন্যান্স, সরকারি গ্যারান্টি, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব এবং রফতানি ঋণের মতো সুবিধার প্রয়োজনীয়তাও তুলে ধরা হয়।

সভায় জাহাজ নির্মাণ ও জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের টেকসই উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, দফতর, সংস্থা ও বেসরকারি খাতের মধ্যে শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করা হয়। বিদ্যমান সমস্যা ও প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করে বাস্তবসম্মত সুপারিশ প্রণয়ন, আন্তর্জাতিক মান অনুসরণ এবং পরিবেশ ও শ্রমিক নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিয়ে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

সভা দুইটির আলোচনায় দেশের জাহাজ শিল্পকে পরিবেশবান্ধব, প্রযুক্তিনির্ভর, নিরাপদ ও বিশ্ববাজারে আরও প্রতিযোগিতামূলক করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সমন্বিতভাবে কাজ করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেয়া হয়।

সভায় অর্থ বিভাগের সচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার, শিল্প সচিব আব্দুন নাসের খান, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দফতর ও সংস্থার প্রতিনিধি, নৌপরিবহন খাতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, শিল্পখাতের প্রতিনিধি এবং অন্যান্য অংশীজনও অংশগ্রহণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১৪ আগস্ট: ইতিহাসের এই দিনে আলোচিত ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৪১ এম


১৪ আগস্ট: ইতিহাসের এই দিনে আলোচিত ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা

প্রতিদিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনাবলী কালক্রমে ইতিহাসে পরিণত হয়। সেসব ঘটনাই সেখানে স্থান পায়, যা কিছু ভালো, যা কিছু প্রথম, যা কিছু মানবসভ্যতার অভিশাপ-আশীর্বাদ হয়ে ওঠে। ইতিহাস আমাদের পথ দেখায় নতুন দিগন্তের চূড়ায়।

আজ ১৪ আগস্ট ২০২৬, শুক্রবার। নানা উল্লেখযোগ্য ঘটনার দিক থেকে ইতিহাসের এই দিনটিও গুরুত্বপূর্ণ এবং স্মরণীয়। আসুন, এক নজরে জানি ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম ও মৃত্যুর দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

১৪৩৭ - মুদ্রণ যন্ত্রের আবিষ্কার ঘটে।

১৫৫১ - তুরস্কের নৌবাহিনী ত্রিপোলি দখল করে।

১৫৮৫ - রানি প্রথম এলিজাবেথ নেদারল্যান্ডসের সার্বভৌমত্ব খারিজ করে দেন।

১৭৬২ - ইংল্যান্ডের নৌবাহিনী হাভানা দখল করে।

১৭৯০ - সুইডেন এবং রাশিয়া শান্তিচুক্তি করে।

১৮২৫ - ব্রিটিশ পদার্থ বিজ্ঞানী ও রসায়নবিদ মাইকেল ফ্যারাড অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং গবেষণার পর অপরিশোধিত তেল থেকে পেট্রোল আবিষ্কার করতে সক্ষম হন।

১৮৪৮ - ওরেগন এলাকা গঠিত হয়।

১৮৮৫ - জাপান জং প্রতিরোধক রং প্যাটেন্ট করে।

১৯০০ - ২০০ মার্কিন নৌ-সেনা অবতরণ করে পিকিং দখল করে নিলে বক্সার বিদ্রোহের সমাপ্তি ঘটে।

১৯১২ - মার্কিন মেরিন সেনা নিকারাগুয়া দখল করে।

১৯৩১ - কুমিল্লার অষ্টম শ্রেণীর দুই ছাত্রী ইলা সেন এবং মীরা দেবী ব্রিটিশবিরোধী বিপ্লবী তৎপরতার অংশ হিসেবে কুমিল্লার ম্যাজিস্ট্রেট সিজি স্টিভেন্সকে গুলি করে হত্যা করে।

১৯৪১ - রুজভেল্ট এবং চার্চিল আটলান্টিক চার্টার নামক শান্তিচুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

১৯৪৫ - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অন্তিম পর্যায়ে জাপান রাশিয়ার কাছে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে।

১৯৪৭ - ব্রিটিশ শাসন হতে পাকিস্তানের স্বাধীনতা লাভ ঘটে।

২০০৮ - গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে পুরুষদের ১০০ মিটার ফ্রিস্টাইল সাঁতার প্রতিযোগিতা শেষ হয়। একই দিনে মহিলাদের ৮০০ মিটার, ১০০ মিটার ও পুরুষদের ৫০ মিটার ফ্রিস্টাইল সাঁতার প্রতিযোগিতা শুরু হয়। মহিলাদের ৮০০ মিটার ফ্রিস্টাইল সাঁতার প্রতিযোগিতা চলাকালীন, রেবেকা অ্যাডলিংটন ২০০০ সালের অলিম্পিকের ব্রুক বেনেটের অলিম্পিক রেকর্ড প্রাথমিক পর্যায়ের ৪নং হিটেই ৮:১৮.০৬ সময়ে ভাঙেন।

জন্ম

১২৫৭ - জাপানের সম্রাট হানাজোনো।

১৭৭৭ - হান্স ক্রিশ্চিয়ান ওরস্টেড, ড্যানিশ পদার্থবিজ্ঞানী এবং রসায়নবিদ।

১৮৬৭ - নোবেলজয়ী ইংরেজ ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার জন গ্যালসওয়ার্দি।

১৮৯৭ - লাবণ্য প্রভা ঘোষ, ভারতের একজন গান্ধীবাদী স্বাধীনতা সংগ্রামী এবং মানভূম জেলায় অনুষ্ঠিত বাংলা ভাষা আন্দোলনের একজন নেত্রী ছিলেন।

১৯২৩ - প্রথিতযশা প্রবীণ ভারতীয় সাংবাদিক কুলদীপ নায়ার।

১৯২৬ - রনে গোসিনি, ফরাসি কমিকস সম্পাদক এবং পোলিশ বংশোদ্ভূত লেখক।

১৯৪২ - আমজাদ হোসেন, বাংলাদেশের অভিনেতা, লেখক এবং চলচ্চিত্রকার।

১৯৪২ - শহীদ কাদরী, বাংলাদেশি কবি ও সাহিত্যিক।

১৯৪৫ - স্টিভ মার্টিন, মার্কিন অভিনেতা, কৌতুকাভিনেতা, লেখক, প্রযোজক, নাট্যকার এবং সংগীতজ্ঞ।

১৯৪৫ - ভিম ভেন্ডার্স, জার্মান চলচ্চিত্রনির্মাতা, নাট্যকার, লেখক ও আলোকচিত্রী।

১৯৫৯ - মার্সিয়া গে হার্ডেন, আমেরিকান অভিনেত্রী।

১৯৬২ - রমিজ রাজা, সাবেক পাকিস্তানি ডান-হাতি ব্যাটসম্যান ক্রিকেটার।

১৯৬৪ - পল্লব কীর্তনিয়া, বাঙালি গায়ক-গীতিকার, লেখক, অভিনেতা এবং চলচ্চিত্র পরিচালক।

১৯৬৬ - হ্যালি বেরি, মার্কিন মডেল, অভিনেত্রী এবং প্রযোজক এবং ১৯৮৬ সালের বিশ্ব সুন্দরী।

১৯৬৮ - প্রবীণ আম্রে, সাবেক ভারতীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।

১৯৭১ - প্রমোদ্যা বিক্রমাসিংহে, সাবেক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।

১৯৮১ - কফি কিংস্টন, ঘানা-মার্কিন পেশাদার কুস্তিগির।

১৯৮৩ - মিলা কুনিস, ইউক্রেনীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন অভিনেত্রী।

১৯৮৩ - সুনিধি চৌহান, ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী।

মৃত্যু

১৪৩৩ - পর্তুগালের রাজা প্রথম জোহান।

১৭৭৪ - জোহান জ্যাকব রেইস্ক, জার্মান চিকিৎসক ও পণ্ডিত।

১৯৩৫ - নোবেলজয়ী ফরাসি পদার্থবিদ ফ্রেদেরিক জোলিও-ক্যুরি।

১৯৩৮ - হিউ ট্রাম্বল, বিখ্যাত অস্ট্রেলীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ও অধিনায়ক।

১৯৪১ - নোবেলজয়ী ফরাসি রসায়নবিদ পোল সাবাতিয়ে।

১৯৫৬ - বের্টল্ট ব্রেখট, একজন জার্মান নাট্যকর্মী, নাট্যকার ও কবি।

১৯৫৮ - ফ্রেদেরিক জোলিও-কুরি, বিখ্যাত ফরাসি পদার্থবিশারদ।

১৯৬৬ - টিপ স্নুক, দক্ষিণ আফ্রিকান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ও অধিনায়ক।

১৯৭২ - ফরাসি ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও কবি ঝুল রম্যাঁ।

১৯৮১ - ডাডলি নোর্স, দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটার।

১৯৮৫ - গেল সন্ডারগার্ড, একজন মার্কিন অভিনেত্রী।

১৯৯৪ - ইলিয়াস ক্যানেটি সাহিত্য Nobel Prize বিজয়ী।

২০০৪ - চেসোয়াফ মিওশ, পোলীয়-মার্কিনী কবি, লেখক, শিক্ষাবিদ এবং অনুবাদক।

২০১১ - শাম্মী কাপুর, ভারতের মুম্বইয়ের চলচ্চিত্র জগতের জনপ্রিয় চিত্রতারকা, শিল্পী ও পরিচালক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফের কেন স্বর্ণের দিকে ঝুঁকছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৪৩ এম


ফের কেন স্বর্ণের দিকে ঝুঁকছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো?

বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে স্বর্ণের দাম আবারও বাড়ছে। বিশেষ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর চাহিদা বাড়ানোর ফলে মূল্যবান এই ধাতুটির বাজারে নতুন গতি তৈরি হয়েছে।

কয়েক সপ্তাহ ধরে প্রতি আউন্স প্রায় ৪ হাজার ডলারে স্থির থাকার পর আগস্টের শুরু থেকে স্বর্ণের দাম প্রায় ৪০০ ডলার বা ১০ শতাংশ বেড়েছে। এর ফলে চলতি আগস্টে স্বর্ণের দাম এই শতাব্দীর সেরা মাসগুলোর একটি দিকে এগোচ্ছে। এর আগে কোনো মাসে স্বর্ণের দাম ১৩ শতাংশ বা তার বেশি বেড়েছিল ১৯৯৯ সালের সেপ্টেম্বরে।

স্বর্ণের সাম্প্রতিক এই উত্থানের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ কাজ করছে। এর মধ্যে রয়েছে ফেডারেল রিজার্ভের নমনীয় সুদনীতি, দুর্বল কর্মসংস্থানের তথ্য এবং তুলনামূলক সহনীয় মুদ্রাস্ফীতি। এসব কারণে ফেডের সুদের হার বাড়ানোর প্রত্যাশা কমেছে এবং ডলারের দরও কমেছে। সাধারণত দুর্বল ডলার স্বর্ণের দাম বাড়াতে সহায়তা করে।

তবে এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ভূ-রাজনৈতিক ও নীতিগত পরিস্থিতি, যা কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর কাছে স্বর্ণের আকর্ষণ বাড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধের পরিস্থিতি আবারও তীব্র হয়েছে। ফলে একটি শান্তি 'চুক্তি'র সম্ভাবনাও ক্রমশ ক্ষীণ হয়ে আসছে। নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য পরিস্থিতি থেকে বের হয়ে আসার পথ সংকুচিত হয়ে পড়ছে। সংঘাত বাড়ানো বা আত্মসমর্পণই একমাত্র বিকল্প নয়। তবে পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, তা নিয়ে কিছু বিশ্লেষক উদ্বিগ্ন।

এদিকে ফেডারেল রিজার্ভের স্বাধীনতা এবং এর চেয়ারম্যান কেভিন ওয়ার্শের মুদ্রাস্ফীতি মোকাবেলার সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন বাড়ছে। জুলাইয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ২ শতাংশ মুদ্রাস্ফীতি লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ওয়ার্শের মন্তব্যে বিনিয়োগকারীরা সন্তুষ্ট হননি।

গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিয়োগের পর থেকে ট্রাম্প ওয়ার্শকে একাধিকবার ফোন করেছেন। পাশাপাশি ফেডের গভর্নর লিসা কুককে বরখাস্ত করার প্রচেষ্টাও আবার শুরু হয়েছে।

এসব ঘটনা বন্ড বাজারেও অস্থিরতা তৈরি করেছে। বেঞ্চমার্ক ১০ বছর মেয়াদি মার্কিন ট্রেজারি নোটের ইল্ড গত ১৮ মাসে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। একই সময়ে ৩০ বছর মেয়াদি বন্ড এবং ৩০ বছর মেয়াদি মুদ্রাস্ফীতি-সুরক্ষিত বন্ডের ইল্ড যথাক্রমে ২০০৭ ও ২০০৮ সালের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো নিউইয়র্ক ফেডে তাদের কাস্টডিতে থাকা মার্কিন ট্রেজারির পরিমাণও কমিয়ে চলেছে। এসব সম্পদের পরিমাণ ২০১২ সালের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে।

অর্থনীতিবিদ ফিল সাটল গত সপ্তাহে লিখেছেন, বিশ্বের রিজার্ভ মুদ্রা সরবরাহের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র যে বৈশ্বিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণের সুবিধা পেয়েছে, তা এখন শেষ হওয়ার পর্যায়ে রয়েছে। এর পরের ধাপে বিদেশি সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো মার্কিন ঋণ ধরে রাখার বিষয়ে আরও উদ্বিগ্ন হয়ে উঠতে পারে।

এসব কারণে স্বর্ণের দামে এত বড় উত্থান ঘটানোর জন্য যথেষ্ট নয়। কিন্তু সবগুলো বিষয় একসঙ্গে বিবেচনা করলে স্বর্ণের দাম বাড়ার পেছনে শক্তিশালী কারণ তৈরি হয়। বিশেষ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর জন্য বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

প্রথম প্রান্তিকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর স্বর্ণ কেনার গতির কিছুটা কম থাকলেও দ্বিতীয় প্রান্তিকে তা আবার বেড়েছে। ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলের তথ্যমতে, এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো মোট ২৮৯ টন স্বর্ণ কিনেছে। আগের তিন মাসের তুলনায় যা পাঁচ গুণেরও বেশি। দ্বিতীয় প্রান্তিকে এটি ছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর স্বর্ণ কেনার রেকর্ড।

গড় দাম বিবেচনায় ডয়চে ব্যাংকের বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন, দ্বিতীয় প্রান্তিকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর স্বর্ণ কেনার পরিমাণ ছিল রেকর্ড ৪৫ বিলিয়ন ডলার।

এটি খুব শিগগির ভেঙে যেতে পারে এমন রেকর্ড। জুনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর ওপর ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলের এক জরিপে দেখা গেছে, রেকর্ড ৪৫ শতাংশ উত্তরদাতা আগামী ১২ মাসে নিজেদের স্বর্ণের মজুদ বাড়ানোর পরিকল্পনা করছেন।

প্রাথমিক তথ্যও সেই প্রবণতার ইঙ্গিত দিচ্ছে। চীনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক জুলাইয়ে মোট ২০ মেট্রিক টন স্বর্ণ কিনেছে, যা আগের মাসের তুলনায় দশমিক ৯ শতাংশ বেশি। এটি ২০২৩ সালের অক্টোবরের পর মাসিক হিসাবে সবচেয়ে বড় বৃদ্ধি।

এতে চীনের মোট স্বর্ণের রিজার্ভ বেড়ে রেকর্ড ২ হাজার ৩৭৭ দশমিক ৫ টনে দাঁড়িয়েছে। চীন আবারও উল্লেখযোগ্যভাবে স্বর্ণের রিজার্ভ বাড়াচ্ছে। এ বিষয়ে বিএনওয়াইয়ের বিশ্লেষকরা গত সপ্তাহে বলেছেন, স্বর্ণ সরাসরি ফেডের নীতির সংকেত না হলেও সরকারি খাতের অব্যাহত চাহিদা ও বিনিয়োগকারীদের নতুন করে আগ্রহ, মুদ্রাস্ফীতি, মুদ্রা ও ভূ-রাজনৈতিক ঝুঁকি কমানোর উপায় হিসেবে স্বর্ণের গুরুত্ব বাড়াচ্ছে।

তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো স্বর্ণের প্রতি আগ্রহ বাড়ালেও তারা খুব ধীরগতিতে এগোচ্ছে। ফলে স্বর্ণের সঙ্গে তাদের নতুন করে সম্পর্ক তৈরির পুরো চিত্র স্পষ্ট হতে আরও কয়েক মাস সময় লাগতে পারে।

এটি একমুখী প্রবণতাও নাও হতে পারে। গত কয়েক বছরে স্বর্ণের দামে নজিরবিহীন অস্থিরতার পর মূল্যবান এই ধাতু আগের মতো চূড়ান্ত নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে না। এমনকি কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর কাছে থেকেও নয়। যদিও তারা সবচেয়ে রক্ষণশীল, দাম নিয়ে কম সংবেদনশীল এবং দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকারী হিসেবে পরিচিত।

গত মাসে প্রকাশিত আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, স্বর্ণ অত্যন্ত অস্থিতিশীল এবং এটি কেবল নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে ঝুঁকি মোকাবিলা ও বিনিয়োগে বৈচিত্র্য আনার সুবিধা দেয়। তারল্য নিশ্চিত করার জন্য স্বর্ণ কেনা উচিত নয় বলেও গবেষণাটিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

গবেষণার লেখকরা বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর স্বর্ণকে উচ্চঝুঁকির রিজার্ভ সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। স্বর্ণের মজুত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিতে হবে কৌশলগত সম্পদ বণ্টন ও যথাযথ নীতি বিশ্লেষণের ভিত্তিতে।

তাই কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো স্বর্ণের সাম্প্রতিক ঊর্ধ্বগতির পেছনে অন্ধভাবে ছুটবে, এমন সম্ভাবনা কম। তবে বিশ্বের রিজার্ভ সম্পদের ওপর আস্থা কমতে থাকলে স্বর্ণের আকর্ষণ শিগগির ম্লান হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টিভিতে আজকের খেলার সময়সূচি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৪৫ এম


টিভিতে আজকের খেলার সময়সূচি

আজ বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া প্রথম টেস্টের দ্বিতীয় দিন। পাশাপাশি চলছে ১০০ বলের ক্রিকেট 'দ্য হানড্রেড'।

ক্রিকেটের অংশে, ডারউইন টেস্টের ২য় দিন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বাংলাদেশের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার খেলা শুরু হবে সকাল ৬টা ৩০ মিনিটে, সম্প্রচারিত হবে ট্যাপম্যাড ও স্টার স্পোর্টস ১ পত্রিকায়।

এ আদ্যক্ষরে অনুষ্ঠিত হবে ২য় ওয়ানডে। বাংলাদেশ অ–২৩ দল এবং মালয়েশিয়ার মধ্যে খেলা শুরু হবে সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে, যে ম্যাচটি দেখা যাবে টি স্পোর্টসে।

অন্যদিকে, 'দ্য হানড্রেড' ক্রিকেট টুর্নামেন্টে আজকের খেলা। সাউদার্ন-লিডস (নারী) ম্যাচটি সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে সম্প্রচারিত হবে স্টার স্পোর্টস ২ পত্রিকায়।

পুরুষদের মধ্যে ম্যানচেস্টার-লিডস ম্যাচটি রাত ১১টায় দেখানো হবে স্টার স্পোর্টস ২ তে।

ফুটবলের চিত্রেও আজকের খেলা রয়েছে। ইংলিশ লিগ চ্যাম্পিয়নশিপের আওতায় উলভস এবং ব্ল্যাকবার্নের ম্যাচ রাত ১টায় সম্প্রচারিত হবে ফ্যানকোডে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%