ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রাষ্ট্র সংস্কারে চিন্তা ও মূল্যবোধের পুনর্গঠন জরুরি


রাষ্ট্র সংস্কারে চিন্তা ও মূল্যবোধের পুনর্গঠন জরুরি

১.

পাঁচ আগস্টের আগে কেউ জানতো না, শেখ হাসিনা পালাবেন। এমনকি শেখ হাসিনাও জানতেন না, সেদিন তাকে এভাবে পালাতে হবে। কিন্তু পালাতে হলো তাকে। পালাতে হলো কারণ, সরকারপ্রধান হিসেবে তিনি বুঝতে পারতেন না, তার অপরাধটা আসলে কী! তিনি মাঝে মাঝে বিভিন্ন বক্তৃতায় গর্বের সঙ্গে বলতেন, ‘তার অপরাধ কী, তিনি তা বোঝেন না।’ একজন মানুষের চিন্তায় কতটা দৈন্য থাকতে পারে যে, হাজার অপরাধ করেও সে বুঝতে পারে না তার অপরাধ কী? যে ব্যক্তি ন্যায়-অন্যায়ের পার্থক্য বুঝতে পারে না, তার ন্যায়ের চেয়ে অন্যায় করার আশঙ্কাই বেশি থাকে। শেখ হাসিনার ক্ষেত্রে সেটাই ঘটেছে এবং তা তার জ্ঞানের সীমাবদ্ধতার কারণে হয়েছে।

বিশের দশকে ঢাকা থেকে প্রকাশিত শিখা পত্রিকার স্লোগান ছিল—‘জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব।’ শিখা পত্রিকার এই স্লোগানের তাৎপর্য হয়তো শেখ হাসিনা কখনোই উপলব্ধি করার চেষ্টা করেননি তার জ্ঞানবুদ্ধির সীমাবদ্ধতার কারণে। অন্যদিকে, যারা তাকে বুদ্ধি-পরামর্শ দিতেন, তারা কেউই শেখ হাসিনার মঙ্গল চাননি। তারা সবাই ছিলেন ধান্দাবাজ। স্বভাবগত কারণে ধান্দাবাজদের পরামর্শ হাসিনা পছন্দ করতেন এবং তাদের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞও ছিলেন।

আরও পড়ুন: ইসলামি ব্যাংকিং ও ইসলামি অর্থায়ন ভিন্ন: বাংলাদেশ ব্যাংকের গবেষণা

শেখ হাসিনার পরামর্শদাতা ধান্দাবাজদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন দিল্লির নীতিনির্ধারকরা। তারাই শেখ হাসিনাকে ফ্যাসিস্ট হয়ে ওঠার সব রসদ জুগিয়েছিলেন। শেখ হাসিনার ফ্যাসিস্ট হয়ে ওঠার পেছনে দিল্লির স্বার্থ ছিল বহুবিধ। এর মধ্যে ভৌগোলিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক স্বার্থ অন্যতম। দিল্লি এখনো সে স্বার্থ চরিতার্থ করার ফন্দি অব্যাহত রাখতে চাইছে। সে সুযোগও আছে; কারণ দিল্লির আশীর্বাদে এ দেশের অধিকাংশ রাজনীতিক বাংলাদেশ শাসনের স্বপ্ন দেখেন। এ কারণে বাংলাদেশের মানুষ সতর্ক না হলে হাসিনার অনুপস্থিতিতেও ’২৪-এর নতুন স্বপ্ন বাস্তবায়িত নাও হতে পারে।

২.

হাসিনা ও আওয়ামী লীগের রাজনীতি মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকেন্দ্রিক ছিল। বাংলাদেশের রাজনীতিতে মুক্তিযুদ্ধের অধ্যায়টি একটি গুরুত্বপূর্ণ টার্নিং পয়েন্ট। এজন্য দেশকে ঘিরে রাজনীতির সব নির্যাস এই অধ্যায়ে প্রবাহ সৃষ্টি করে। সেই রাজনীতির শুরুটা হয়েছিল পলাশী যুদ্ধের পর থেকে। ব্রিটিশরা ঢাকা ও মুর্শিদাবাদ কোনোটাকেই তাদের রাজধানী না রেখে কলকাতাকে (১৭৭২-১৯১১) রাজধানী করেছিল। সেখান থেকে এ দেশের রাজনীতি ও সংস্কৃতি নিয়ন্ত্রিত হতে থাকল।

ইংরেজরা এসেছিল ভারতবর্ষ থেকে মুনাফা করতে। মুনাফাকে নিরঙ্কুশ করতে গিয়ে তারা মুসলমানদের প্রতিপক্ষ হয়ে উঠেছিল। অন্যদিকে, মুসলমানদের স্বার্থ রক্ষার প্রশ্নে নিখিল ভারত মুসলিম লীগের জন্ম (১৯০৬) হয়েছিল। মুসলিম লীগের প্রতিরোধে ব্রিটিশ সরকার ভারতবর্ষ ছাড়তে বাধ্য হয়েছিল। কিন্তু ততদিনে তারা ভারতবর্ষকে মুসলমানদের স্বার্থবিরোধী করে গড়ে তুলেছিল। ব্রিটিশদের এই কৌশল আয়ত্তে রাখতে পেরেছিলেন ১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত কংগ্রেস নেতারাও।

আরও পড়ুন: বিমানবন্দরের আয়নায় বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি

ব্রিটিশদের ‘ডিভাইড অ্যান্ড রুল’ পলিসি প্রয়োগ করে তারা পাকিস্তান থেকে পূর্ব পাকিস্তানকে আলাদা করতে পেরেছিল। এটি সম্ভব হয়েছিল আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে। আওয়ামী লীগ পরিপূর্ণভাবে দিল্লির এজেন্ডা বাস্তবায়নের রাজনীতি করে এসেছে। আওয়ামী রাজনীতির এই জায়গাটা জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্বদানকারী ছাত্র-জনতা স্পষ্ট বুঝতে পেরেছিল বুয়েটের মেধাবী শিক্ষার্থী আবরার হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে। আবরার হত্যাকাণ্ড ছাত্রদের সামনে আওয়ামী রাজনীতির খোলসকে উন্মোচন করেছিল। ফলে আগস্ট বিপ্লবের ভিত্তি শক্ত হতে ও বিপ্লব সংঘটিত হতে খুব বেশি সময় লাগেনি।

এই বিপ্লবের পর জনমনে প্রত্যাশা যেমন সঞ্চারিত হয়েছে, তেমন শঙ্কাও দেখা দিয়েছে। শঙ্কার জায়গাটা হলো, কোন আদর্শকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশ সামনে এগিয়ে যাবে, তা বিপ্লবে নেতৃত্বদানকারী ছাত্র-জনতা এখনো পরিষ্কার করতে পারেনি। তারা এ দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর উদ্দেশে বলেছে, ‘বিপ্লবকে ধারণ করার মতো সহনশীল যোগ্যতা অর্জন করতে হবে।’ এই বক্তব্যে বোঝা যাচ্ছে, রাজনৈতিক দলগুলোর মতাদর্শগত সংস্কার প্রয়োজন। কিন্তু কোন মতাদর্শের ভিত্তিতে সংস্কার হতে হবে, তা স্পষ্ট নয়।

আওয়ামী লীগের রাজনীতির মূল চেতনা ধর্মনিরপেক্ষতা ও বাঙালি জাতীয়তাবাদ। বিএনপির আদর্শ বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ। জামায়াতের রাজনীতির লক্ষ্য ও আদর্শ হলো কোরআন-সুন্নাহর ভিত্তিতে রাষ্ট্র ও সমাজব্যবস্থা পরিচালনা করা। এখন বাংলাদেশ কোন দলের মতাদর্শকে আমলে নিয়ে চলবে, সেটা দ্রুত উত্থাপিত হওয়া জরুরি ছিল; কিন্তু তা হয়নি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সহকারী মাহফুজ আলম বলেছিলেন, ‘সংবিধানের চার মূলনীতির সংস্কার হওয়া দরকার।’ কিন্তু চার মূলনীতির পরিবর্তে কী হতে পারে, সেটা তিনি খোলাসা করেননি। এটি খোলাসা করতে পারলে রাজনৈতিক দলগুলো দ্রুত তাদের প্রয়োজনীয় সংস্কার করতে পারত।

৩.

আরও পড়ুন: প্রকৃতির রঙিন শিকারি মাছরাঙা, জলাশয় ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা

চিন্তা মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করে। আর চিন্তা তৈরি হয় শিক্ষা ও সংস্কৃতির মাধ্যমে। চিন্তার পরিবর্তন মানেই রাষ্ট্রের পরিবর্তন। কাজেই জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের চেতনায় রাষ্ট্রীয় দপ্তরগুলোর ভাবাদর্শগত সংস্কার হতে হবে। তার চেয়ে বেশি প্রয়োজন, যারা এই দপ্তরগুলো পরিচালনা করবেন, তাদের মনন, চিন্তা ও মূল্যবোধের পুনর্গঠন। রাজনৈতিক দলের নেতা ও আমলারাই রাষ্ট্রের বিভিন্ন দপ্তরের শীর্ষ পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করেন। এজন্য তাদের চিন্তার পুনর্গঠন হতে হবে আশাব্যঞ্জক। কিন্তু তাদের বুদ্ধি-বিবেচনা ও মন-মেজাজ বিপ্লবের চেতনায় পুনর্গঠিত না হলে দাপ্তরিক পরিকাঠামোর পরিবর্তন খুব একটা কাজে আসবে না।

রাজনৈতিক দলগুলোর সদস্য রিক্রুট প্রক্রিয়ায় আনতে হবে পরিবর্তন। সুনাগরিকতার মূল্যবোধে বিশ্বাসী লোকদের দলের সদস্য নির্বাচন করা যেতে পারে। দলের সদস্য হওয়ার শিক্ষাগত যোগ্যতাও নির্ধারণ করা যেতে পারে। আর সুনাগরিক তৈরির কাজটি করবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। সেজন্য শিক্ষাকে গুরুত্ব দেওয়া জরুরি। আমরা যদি বিশ্বাস করি, শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড, তাহলে শিক্ষা কমিশন গঠন করা অপরিহার্য। কিন্তু কী কারণে এখনো শিক্ষা কমিশন গঠিত হলো না, তা বোঝা যাচ্ছে না। বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় নানা ধরনের বিশৃঙ্খলা বিরাজমান। নিয়োগবাণিজ্য, পরিচালনা পর্ষদের স্বেচ্ছাচারিতা, শিক্ষক-কর্মচারীদের অবমূল্যায়ন, সরকারি-বেসরকারি বৈষম্যসহ হীন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কারিকুলাম যোগ্য নাগরিক তৈরিতে কোনো ভূমিকা রাখতে পারছে না।

শেখ হাসিনার শাসনামলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার দোহাই দিয়ে বিকৃত ইতিহাস গেলানোর মাধ্যমে মানবতার মৌলিক জ্ঞানভিত্তিক শিক্ষাকে পাঠ্যপুস্তক থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে। ফলে শিক্ষিত মানুষগুলোই হয়ে উঠেছে জাতির সর্বনাশের মূল কারিগর। দেশবিমুখ ও সমাজবিমুখ স্বার্থান্বেষী শিক্ষিত জনগোষ্ঠী তৈরিতে বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছে। এজন্যই দিল্লি বাংলাদেশে এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থাই সবসময় রাখতে চেয়েছে। আমরা খেয়াল করেছি, বাংলাদেশে একটি ভঙ্গুর শিক্ষাব্যবস্থা বহাল রাখতে দিল্লিপন্থি একটি শক্তিশালী চক্র কাজ করে যাচ্ছে। এই চক্রকে উচ্ছেদ করতে শিক্ষাকমিশন গঠন করা জরুরি। এই কমিশন করতে না পারলে জাতি ভুল জীবনদর্শনে পড়ে হাবুডুবু খাবে এবং জনগণের প্রত্যাশামাফিক কল্যাণরাষ্ট্র পেতে আরো বিলম্ব হতে পারে।

৪.

আরও পড়ুন: জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ও বর্তমান বাস্তবতা: নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন

রাষ্ট্র সংস্কারের যে সুযোগ এসেছে, এটাকে অবশ্যই কাজে লাগাতে হবে। ‘নিজে বাঁচলে বাপের নাম’—এই পুরোনো চিন্তা ও ধ্যান-ধারণা থেকে বের হয়ে নিজেদেরও পুনর্গঠিত হওয়া দরকার। নতুনের এই পথচলায় ঢাকাকেন্দ্রিক রাষ্ট্রের ধারণা থেকে বেরিয়ে গ্রামগঞ্জের দিকে দৃষ্টি দিতে হবে। রাষ্ট্রকে দায়িত্ব নিয়ে গ্রামীণ জনপদের উৎপাদনমুখী কৃষি এবং কৃষকের মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিত করার পদক্ষেপ নিতে হবে। কৃষক এবং কৃষকের সন্তান নাগরিক সুযোগ-সুবিধা থেকে আর যেন বঞ্চিত না হন, তার বন্দোবস্ত থাকতে হবে সংস্কারের তালিকায়।

গ্রামীণ অবকাঠামোর উন্নয়ন ও কৃষিপণ্যের বাজারজাতকরণ এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষককে বিনা সুদে ঋণ ও ক্ষতি পুষিয়ে ওঠার মতো এককালীন অর্থ-সহযোগিতার ব্যবস্থা রাষ্ট্রীয় সংস্কারের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। কৃষি ও কৃষক অবহেলিত—এই বক্তব্য যেন আর শুনতে না হয়, সেজন্য বুদ্ধিবৃত্তিক কর্মপরিকল্পনা এবং তার বাস্তবায়ন থাকা জরুরি।

বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল ভিত্তি কৃষি। কৃষি উৎপাদনের সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িত প্রান্তিক কৃষকেরা এখন মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তাদের জন্য ফ্রি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার ব্যবস্থা থাকা বাঞ্ছনীয়। কৃষকেরাও স্বপ্ন দেখেন—তাদের সন্তানও রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে দায়িত্ব পালন করুক। কৃষকের অর্জিত সম্পদ যেন কেউ নানা ফন্দির মাধ্যমে আত্মসাৎ করতে না পারে এবং তার পণ্যের যথাযথ মূল্য নিশ্চিত করা হয়—এটি একজন কৃষকের ন্যায্য দাবি। তাদের স্বপ্ন পূরণ ও দাবি বাস্তবায়নের অঙ্গীকার নিয়ে বিপ্লবোত্তর নতুন বাংলাদেশ গড়ে উঠবে, এমন প্রত্যাশা করে দেশের মানুষ। ‘কৃষক হাসলে বাংলাদেশও হাসবে’—এই চিন্তা সবার মাথায় রেখে সামনের পথ পাড়ি দিতে পারলেই কেবল একাত্তর ও চব্বিশ সফল হতে পারে।

লেখক: সহকারী অধ্যাপক, হাকিমপুর মহিলা কলেজ, দিনাজপুর

আরও পড়ুন: শ্রমজীবী মানুষের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিতের দাবি সংবিধান সংশোধনে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের ৩৮.৪% শিশু সিসাদূষণের ঝুঁকিতে, শিল্পাঞ্চলে পরিস্থিতি গুরুতর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৩ এম


দেশের ৩৮.৪% শিশু সিসাদূষণের ঝুঁকিতে, শিল্পাঞ্চলে পরিস্থিতি গুরুতর

দেশের ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৩৮ দশমিক ৪ শতাংশ শিশুর রক্তে সিসার মাত্রা প্রতি ডেসিলিটারে পাঁচ মাইক্রোগ্রাম বা তার বেশি পরিলক্ষিত হচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনায়, রক্তে এই মাত্রাকে জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগজনক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। পাঁচ বছরের কম বয়সী প্রতি ১০ শিশুর মধ্যে প্রায় চারজনের রক্তে সিসার মাত্রা উদ্বেগজনক পর্যায়ে রয়েছে। তাদের রক্তে প্রতি ডেসিলিটারে পাঁচ মাইক্রোগ্রাম বা তার বেশি সিসা পাওয়া গেছে। শিল্পাঞ্চলের আশপাশে বসবাসকারী শিশুদের অবস্থা আরো উদ্বেগজনক বলে মনে করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এবং ইউনিসেফের ২০২৫ সালের বহুমাত্রিক গুচ্ছ জরিপের (এমআইসিএস) তথ্য অনুযায়ী, ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৩৮ দশমিক ৪ শতাংশ শিশুর রক্তে সিসার মাত্রা প্রতি ডেসিলিটারে পাঁচ মাইক্রোগ্রাম বা তার বেশি রয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনায়, রক্তে এই মাত্রাকে জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগজনক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে শিশুদের জন্য সিসার এমন কোনো মাত্রা নেই, যা সম্পূর্ণ নিরাপদ বলা যায়।

জরিপের ফলাফল অনুযায়ী, শিল্পাঞ্চলের নিকটবর্তী বসবাসকারী ৮০ দশমিক ৬ শতাংশ শিশুর রক্তে সিসার মাত্রা নির্ধারিত সীমায় বা তার বেশি পাওয়া গেছে। এ ছাড়া, গর্ভবতী নারীদের ৭ দশমিক ৫ শতাংশের রক্তেও সিসার মাত্রা একই পর্যায়ে পাওয়া গেছে। গর্ভাবস্থায় সিসা মায়ের শরীর থেকে ভ্রূণের কাছে পৌঁছাতে পারে, যা শিশুর বিকাশের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

শিশুদের রক্তে সিসার উপস্থিতির হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে। এ বিভাগে ৬৫ দশমিক ২ শতাংশ শিশুর রক্তে সিসার মাত্রা প্রতি ডেসিলিটারে পাঁচ মাইক্রোগ্রাম বা তার বেশি রয়েছে। সিলেটে এ হার ৪৬ দশমিক ৭ শতাংশ, চট্টগ্রামে ৪২ দশমিক ১ শতাংশ, ময়মনসিংহে ৩০ দশমিক ৬ শতাংশ, বরিশালে ২৯ শতাংশ, রংপুরে ১৯ দশমিক ৬ শতাংশ, খুলনায় ১৭ দশমিক ৮ শতাংশ এবং রাজশাহীতে ১৫ দশমিক ৯ শতাংশ।

শহরের শিশুরা তুলনামূলকভাবে বেশি ঝুঁকিতে থাকলেও গ্রামীণ এলাকা নিরাপদ নয়। এমআইসিএসের তথ্য অনুযায়ী, শহরের ৪০ শতাংশ এবং গ্রামের ৩৬ শতাংশ শিশুর রক্তে সিসার মাত্রা প্রতি ডেসিলিটারে পাঁচ মাইক্রোগ্রাম বা তার বেশি পরিলক্ষিত হয়েছে।

গবেষকরা ধারণা করছেন, শিল্পবর্জ্য, পুরনো ব্যাটারি পুনর্ব্যবহার, দূষিত ধুলা-মাটি, রং, খেলনা এবং বিভিন্ন গৃহস্থালি পণ্যের মাধ্যমে শিশুরা সিসার সংস্পর্শে আসতে পারে। তবে কোন উৎস থেকে কতটা দূষণ ঘটছে, তা নিশ্চিত করার জন্য আরো পরীক্ষা প্রয়োজন।

পরিবেশবাদী সংগঠন এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের (এসডো) জ্যেষ্ঠ কারিগরি উপদেষ্টা অধ্যাপক শাহরিয়ার হোসেন বলেছেন, "সিসা চোখে দেখা যায় না, কিন্তু শিশুদের মস্তিষ্কের স্থায়ী ক্ষতি করতে পারে।" তিনি বলেন, ক্ষতি আরো ছড়িয়ে পড়ার আগেই সিসার উপস্থিতি শনাক্ত করা, দূষণের উৎস চিহ্নিত করা এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সিসাদূষণ নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত রক্ত ও পরিবেশগত নমুনা পরীক্ষা, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিতকরণ এবং দূষণের উৎসের ওপর নজরদারি বাড়াতে হবে। পাশাপাশি সিসাযুক্ত রং ও পণ্যের মানদণ্ড কার্যকর করা এবং শিল্পবর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর জবাবদিহি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

এদিকে, ১৮ থেকে ২৪ অক্টোবর বাংলাদেশে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক সিসা বিষক্রিয়া প্রতিরোধ সপ্তাহ ২০২৬। এবারের প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘শনাক্তকরণ থেকে প্রতিরোধ’। সিসার বিষক্রিয়া ঘটার আগেই দূষণের উৎস শনাক্ত করে কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়াই এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজ নাটোর ও সুনামগঞ্জের কিছু এলাকায় ১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৩ এম


আজ নাটোর ও সুনামগঞ্জের কিছু এলাকায় ১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ

গাছের ডালপালা কর্তন ও বিদ্যুৎ লাইনের রক্ষণাবেক্ষণের কাজের জন্য শনিবার (২৪ অক্টোবর) দেশের নাটোর ও সুনামগঞ্জের কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। নাটোরের বড়াইগ্রামে সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত টানা ১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না। অন্যদিকে, সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারের কিছু এলাকায় সকাল ৮টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হবে।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিতরণ প্রতিষ্ঠানগুলোর পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ জানায়, গাছের ডালপালা কর্তন ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য বড়াইগ্রাম-১ (বনপাড়া) উপকেন্দ্রের ৪, ৭ ও ১০ নম্বর ফিডারে শনিবার সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

এ সময়ে বনপাড়া বাজার, সরদারপাড়া, হারোয়া, ছাতিয়ানগাছা, মালিপাড়া, কালিকাপুর, হালদারপাড়া, শ্রীখণ্ডি, ভবানীপুর, আহম্মেদপুর, বালিয়া, পার আহম্মেদপুর, কাচুটিয়া, কায়েমকোলা ও ফজলিতলা এলাকার গ্রাহকদের বিদ্যুৎবিহীন থাকতে হবে। তবে কাজের পরিস্থিতি অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। সাময়িক অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ।

অন্যদিকে, সুনামগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির দোয়ারাবাজার সাব জোনাল অফিস জানায়, শনিবার বাংলাবাজার উপকেন্দ্রের ৩৩ কেভি লাইনের কাছাকাছি গাছপালা কর্তন করা হবে।

এ কারণে সকাল ৮টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত বাংলাবাজার ইউনিয়ন, নরসিংপুর ইউনিয়ন, বোগলাবাজার ইউনিয়ন এবং লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের আংশিক এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপত্তার স্বার্থে সাময়িকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখার কারণে গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে দোয়ারাবাজার সাব জোনাল অফিস।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিজ সন্তানের নিরাপত্তায় কোনো ছাড় নেই: আব্দুল হাই মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৫ এম


নিজ সন্তানের নিরাপত্তায় কোনো ছাড় নেই: আব্দুল হাই মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ

ইসলামিক স্কলার আব্দুল হাই মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ মন্তব্য করেছেন, ‘নিজ সন্তানের নিরাপত্তায় কোনো ছাড় নেই, এটাই শেষকথা’। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি এই মন্তব্যটি করেন।

টঙ্গীর একটি মাদরাসায় এক শিশুকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগের পর শিক্ষক ও অভিভাবকের মধ্যে ঘটে যাওয়া অপ্রীতিকর ঘটনার প্রেক্ষিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে বিভিন্ন আলোচনা ও সমালোচনা। এই ঘটনার ফলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিশুদের নিরাপত্তা, শিক্ষকের নৈতিক দায়িত্ব এবং অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি নতুন করে সামনে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে ইসলামী আলোচক ও ইসলামিক স্কলার আব্দুল হাই মুহাম্মাদ সাইফুল্লাহ বিষয়টি নিয়ে তার অবস্থান তুলে ধরেছেন।

তিনি ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে উল্লেখ করেন, শিক্ষার্থীর প্রতি শাসন, স্নেহ ও যত্নের নির্দিষ্ট সীমারেখা রয়েছে। বিশেষ করে ধর্মীয় শিক্ষকদের ক্ষেত্রে এ নৈতিকতার মানদণ্ড আরও কঠোর হওয়া উচিত। তার মতে, ‘পিতার মতো’ কিংবা ‘বড় ভাইয়ের মতো’ সম্পর্কের পরিচয় কোনোভাবেই সীমালঙ্ঘনের বৈধতা দিতে পারে না।

আব্দুল হাই মুহাম্মাদ সাইফুল্লাহ পোস্টে বলেন, যিনি স্নেহ ও শাসনের সীমা বুঝতে পারেন না, তিনি শিক্ষকতার নৈতিক দায়িত্ব পালনের যোগ্যতা নিয়েই প্রশ্নের মুখে পড়া উচিত।

অভিযোগের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, অভিযোগ উঠলে তার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। অপরাধ প্রমাণিত হলে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। তবে তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই পক্ষপাতদুষ্ট সিদ্ধান্তে পৌঁছানো উচিত নয়। সত্য উদ্‌ঘাটন এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই হওয়া উচিত সবার লক্ষ্য।

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে অনৈতিকতার অভিযোগ ধামাচাপা দেওয়ার প্রবণতার সমালোচনা করে তিনি বলেন, এ ধরনের ঘটনা আড়াল করার চেষ্টা দ্বিগুণ ক্ষতিকর। এতে অপরাধের বিচার বাধাগ্রস্ত হয় এবং প্রতিষ্ঠানের গ্রহণযোগ্যতা ও মানুষের আস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

নিজেদের প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম আড়াল করে অন্যের অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার মানসিকতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন এই ইসলামিক আলোচক। তিনি লেখেন, ‘নিজেদের অন্যায় আড়াল করব, আর অন্যের অন্যায়ে সরব হবো—এ কেমন নৈতিকতা? এটা আবার ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান কেমনে হবে?’

তিনি আরও বলেন, অন্যায়কে অন্যায় হিসেবে স্বীকার করার সাহস না থাকলে নিজেদের সংশোধন করা সম্ভব নয়। যদি নিজেরা ভুল থেকে ফিরে আসতে না পারি, তাহলে অন্যদের নসিহত করার নৈতিক ভিত্তি কোথায়—এমন প্রশ্নও তোলেন তিনি।

পোস্টের শেষাংশে ন্যায়বিচারের ক্ষেত্রে ব্যক্তি, পদ কিংবা প্রতিষ্ঠানের পরিচয়কে বিবেচনায় না নেওয়ার আহ্বান জানান আব্দুল হাই মুহাম্মাদ সাইফুল্লাহ। তার ভাষায়, ন্যায়বিচারের মানদণ্ড ব্যক্তি, পদ কিংবা প্রতিষ্ঠানভেদে বদলাতে পারে না।

সবশেষে শিশুদের নিরাপত্তার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, ‘নিজ সন্তানের নিরাপত্তায় কোনো কোনো ছাড় নাই—এটাই শেষকথা। এ ক্ষেত্রে কে কী ভাবল বা বলল, তাতে গুল্লি মারেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খালি পেটে সকালে হরিতকি ভেজানো পানির উপকারিতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৫ এম


খালি পেটে সকালে হরিতকি ভেজানো পানির উপকারিতা

আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে হরিতকি ভেজানো পানি একটি অত্যন্ত উপকারী পানীয় হিসেবে বিবেচিত। সকালে খালি পেটে নিয়মিত হরিতকি ভেজানো পানি বা হরিতকি গুড়া মিশানো পানি গ্রহণ করলে শরীরে একাধিক ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যায়।

এক নজরে খালি পেটে সকালে এক গ্লাস হরিতকি পানি খাওয়ার উপকারিতাগুলো নিম্নরূপ:

১। কোষ্ঠকাঠিন্য দূরীকরণ: হরিতকির হালকা রেচক গুণ পেটের মল পরিষ্কার করতে এবং অন্ত্রের স্বাভাবিক গতি বজায় রাখতে সহায়তা করে।

২। ডিটক্সিফিকেশন: এটি লিভারকে সাহায্য করে শরীর থেকে ক্ষতিকর টক্সিন বা বর্জ্য দূর করতে।

৩। ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি: সকালে খালি পেটে উষ্ণ পানিতে হরিতকি চূর্ণ খেলে শরীরের অভ্যন্তরীণ পরিষ্কার হয়, ফলে ব্রণ ও অন্যান্য ত্বকের সমস্যা কমে যায়।

৪। মেটাবলিজম এবং ওজন নিয়ন্ত্রণ: এটি শরীরের বিপাকক্রিয়া বা ফ্যাট ঝরানোর প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে সহায়তা করে।

৫। ইমিউনিটি বৃদ্ধি: এতে থাকা ভিটামিন সি এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

৬। অন্যান্য: এটি রক্তচাপ ও অন্ত্রের খিঁচুনি কমাতে কিছুটা ভূমিকা রাখে। গলা ব্যথা বা মুখ ফুলে গেলে হরিতকি ভেজানো গরম পানি দিয়ে কুলকুচি বা গার্গল করলে আরাম পাওয়া যায়।

কীভাবে তৈরি ও সেবন করবেন

* এক গ্লাস পানিতে ১-২টি শুকনা হরিতকি বা সামান্য হরিতকি গুঁড়া সারারাত ভিজিয়ে রাখুন।

* পরের দিন সকালে খালি পেটে এই পানি ছেঁকে পান করুন।

* এছাড়া আমলকি ও বহেরার সঙ্গে মিশিয়ে ত্রিফলা হিসেবেও এটি খাওয়া যায়।

কিছু সতর্কতা

* ডায়রিয়া বা পেটের সমস্যা: অতিরিক্ত বা নিয়ম না মেনে খেলে ডায়রিয়া, পেট ব্যথা বা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হতে পারে।

* গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান: গর্ভাবস্থায় বা মায়েরা বুকের দুধ খাওয়ালে কোনো আয়ুর্বেদ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া হরিতকি খাওয়া উচিত নয়।

* ডায়াবেটিসের ওষুধ: এটি রক্তে শর্করার মাত্রা কমিয়ে দেয়, তাই ডায়াবেটিসের ওষুধ খেলে খাওয়ার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%