ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দেশের ৩৮.৪% শিশু সিসাদূষণের ঝুঁকিতে, শিল্পাঞ্চলে পরিস্থিতি গুরুতর


দেশের ৩৮.৪% শিশু সিসাদূষণের ঝুঁকিতে, শিল্পাঞ্চলে পরিস্থিতি গুরুতর

দেশের ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৩৮ দশমিক ৪ শতাংশ শিশুর রক্তে সিসার মাত্রা প্রতি ডেসিলিটারে পাঁচ মাইক্রোগ্রাম বা তার বেশি পরিলক্ষিত হচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনায়, রক্তে এই মাত্রাকে জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগজনক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। পাঁচ বছরের কম বয়সী প্রতি ১০ শিশুর মধ্যে প্রায় চারজনের রক্তে সিসার মাত্রা উদ্বেগজনক পর্যায়ে রয়েছে। তাদের রক্তে প্রতি ডেসিলিটারে পাঁচ মাইক্রোগ্রাম বা তার বেশি সিসা পাওয়া গেছে। শিল্পাঞ্চলের আশপাশে বসবাসকারী শিশুদের অবস্থা আরো উদ্বেগজনক বলে মনে করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এবং ইউনিসেফের ২০২৫ সালের বহুমাত্রিক গুচ্ছ জরিপের (এমআইসিএস) তথ্য অনুযায়ী, ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৩৮ দশমিক ৪ শতাংশ শিশুর রক্তে সিসার মাত্রা প্রতি ডেসিলিটারে পাঁচ মাইক্রোগ্রাম বা তার বেশি রয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনায়, রক্তে এই মাত্রাকে জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগজনক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে শিশুদের জন্য সিসার এমন কোনো মাত্রা নেই, যা সম্পূর্ণ নিরাপদ বলা যায়।

জরিপের ফলাফল অনুযায়ী, শিল্পাঞ্চলের নিকটবর্তী বসবাসকারী ৮০ দশমিক ৬ শতাংশ শিশুর রক্তে সিসার মাত্রা নির্ধারিত সীমায় বা তার বেশি পাওয়া গেছে। এ ছাড়া, গর্ভবতী নারীদের ৭ দশমিক ৫ শতাংশের রক্তেও সিসার মাত্রা একই পর্যায়ে পাওয়া গেছে। গর্ভাবস্থায় সিসা মায়ের শরীর থেকে ভ্রূণের কাছে পৌঁছাতে পারে, যা শিশুর বিকাশের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

আরও পড়ুন: সারাদেশে ইউনিয়ন পর্যায়ে ফ্যামিলি ওয়েলবিং সেন্টার গঠন করবে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

শিশুদের রক্তে সিসার উপস্থিতির হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে। এ বিভাগে ৬৫ দশমিক ২ শতাংশ শিশুর রক্তে সিসার মাত্রা প্রতি ডেসিলিটারে পাঁচ মাইক্রোগ্রাম বা তার বেশি রয়েছে। সিলেটে এ হার ৪৬ দশমিক ৭ শতাংশ, চট্টগ্রামে ৪২ দশমিক ১ শতাংশ, ময়মনসিংহে ৩০ দশমিক ৬ শতাংশ, বরিশালে ২৯ শতাংশ, রংপুরে ১৯ দশমিক ৬ শতাংশ, খুলনায় ১৭ দশমিক ৮ শতাংশ এবং রাজশাহীতে ১৫ দশমিক ৯ শতাংশ।

শহরের শিশুরা তুলনামূলকভাবে বেশি ঝুঁকিতে থাকলেও গ্রামীণ এলাকা নিরাপদ নয়। এমআইসিএসের তথ্য অনুযায়ী, শহরের ৪০ শতাংশ এবং গ্রামের ৩৬ শতাংশ শিশুর রক্তে সিসার মাত্রা প্রতি ডেসিলিটারে পাঁচ মাইক্রোগ্রাম বা তার বেশি পরিলক্ষিত হয়েছে।

গবেষকরা ধারণা করছেন, শিল্পবর্জ্য, পুরনো ব্যাটারি পুনর্ব্যবহার, দূষিত ধুলা-মাটি, রং, খেলনা এবং বিভিন্ন গৃহস্থালি পণ্যের মাধ্যমে শিশুরা সিসার সংস্পর্শে আসতে পারে। তবে কোন উৎস থেকে কতটা দূষণ ঘটছে, তা নিশ্চিত করার জন্য আরো পরীক্ষা প্রয়োজন।

পরিবেশবাদী সংগঠন এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের (এসডো) জ্যেষ্ঠ কারিগরি উপদেষ্টা অধ্যাপক শাহরিয়ার হোসেন বলেছেন, "সিসা চোখে দেখা যায় না, কিন্তু শিশুদের মস্তিষ্কের স্থায়ী ক্ষতি করতে পারে।" তিনি বলেন, ক্ষতি আরো ছড়িয়ে পড়ার আগেই সিসার উপস্থিতি শনাক্ত করা, দূষণের উৎস চিহ্নিত করা এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে ১৬ হাজার কোটি টাকার টেন্ডার আহ্বান: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বিশেষজ্ঞদের মতে, সিসাদূষণ নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত রক্ত ও পরিবেশগত নমুনা পরীক্ষা, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিতকরণ এবং দূষণের উৎসের ওপর নজরদারি বাড়াতে হবে। পাশাপাশি সিসাযুক্ত রং ও পণ্যের মানদণ্ড কার্যকর করা এবং শিল্পবর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর জবাবদিহি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

এদিকে, ১৮ থেকে ২৪ অক্টোবর বাংলাদেশে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক সিসা বিষক্রিয়া প্রতিরোধ সপ্তাহ ২০২৬। এবারের প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘শনাক্তকরণ থেকে প্রতিরোধ’। সিসার বিষক্রিয়া ঘটার আগেই দূষণের উৎস শনাক্ত করে কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়াই এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজ নাটোর ও সুনামগঞ্জের কিছু এলাকায় ১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৩ এম


আজ নাটোর ও সুনামগঞ্জের কিছু এলাকায় ১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ

গাছের ডালপালা কর্তন ও বিদ্যুৎ লাইনের রক্ষণাবেক্ষণের কাজের জন্য শনিবার (২৪ অক্টোবর) দেশের নাটোর ও সুনামগঞ্জের কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। নাটোরের বড়াইগ্রামে সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত টানা ১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না। অন্যদিকে, সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারের কিছু এলাকায় সকাল ৮টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হবে।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিতরণ প্রতিষ্ঠানগুলোর পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ জানায়, গাছের ডালপালা কর্তন ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য বড়াইগ্রাম-১ (বনপাড়া) উপকেন্দ্রের ৪, ৭ ও ১০ নম্বর ফিডারে শনিবার সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

এ সময়ে বনপাড়া বাজার, সরদারপাড়া, হারোয়া, ছাতিয়ানগাছা, মালিপাড়া, কালিকাপুর, হালদারপাড়া, শ্রীখণ্ডি, ভবানীপুর, আহম্মেদপুর, বালিয়া, পার আহম্মেদপুর, কাচুটিয়া, কায়েমকোলা ও ফজলিতলা এলাকার গ্রাহকদের বিদ্যুৎবিহীন থাকতে হবে। তবে কাজের পরিস্থিতি অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। সাময়িক অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ।

অন্যদিকে, সুনামগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির দোয়ারাবাজার সাব জোনাল অফিস জানায়, শনিবার বাংলাবাজার উপকেন্দ্রের ৩৩ কেভি লাইনের কাছাকাছি গাছপালা কর্তন করা হবে।

এ কারণে সকাল ৮টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত বাংলাবাজার ইউনিয়ন, নরসিংপুর ইউনিয়ন, বোগলাবাজার ইউনিয়ন এবং লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের আংশিক এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপত্তার স্বার্থে সাময়িকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখার কারণে গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে দোয়ারাবাজার সাব জোনাল অফিস।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিজ সন্তানের নিরাপত্তায় কোনো ছাড় নেই: আব্দুল হাই মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৫ এম


নিজ সন্তানের নিরাপত্তায় কোনো ছাড় নেই: আব্দুল হাই মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ

ইসলামিক স্কলার আব্দুল হাই মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ মন্তব্য করেছেন, ‘নিজ সন্তানের নিরাপত্তায় কোনো ছাড় নেই, এটাই শেষকথা’। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি এই মন্তব্যটি করেন।

টঙ্গীর একটি মাদরাসায় এক শিশুকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগের পর শিক্ষক ও অভিভাবকের মধ্যে ঘটে যাওয়া অপ্রীতিকর ঘটনার প্রেক্ষিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে বিভিন্ন আলোচনা ও সমালোচনা। এই ঘটনার ফলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিশুদের নিরাপত্তা, শিক্ষকের নৈতিক দায়িত্ব এবং অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি নতুন করে সামনে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে ইসলামী আলোচক ও ইসলামিক স্কলার আব্দুল হাই মুহাম্মাদ সাইফুল্লাহ বিষয়টি নিয়ে তার অবস্থান তুলে ধরেছেন।

তিনি ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে উল্লেখ করেন, শিক্ষার্থীর প্রতি শাসন, স্নেহ ও যত্নের নির্দিষ্ট সীমারেখা রয়েছে। বিশেষ করে ধর্মীয় শিক্ষকদের ক্ষেত্রে এ নৈতিকতার মানদণ্ড আরও কঠোর হওয়া উচিত। তার মতে, ‘পিতার মতো’ কিংবা ‘বড় ভাইয়ের মতো’ সম্পর্কের পরিচয় কোনোভাবেই সীমালঙ্ঘনের বৈধতা দিতে পারে না।

আব্দুল হাই মুহাম্মাদ সাইফুল্লাহ পোস্টে বলেন, যিনি স্নেহ ও শাসনের সীমা বুঝতে পারেন না, তিনি শিক্ষকতার নৈতিক দায়িত্ব পালনের যোগ্যতা নিয়েই প্রশ্নের মুখে পড়া উচিত।

অভিযোগের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, অভিযোগ উঠলে তার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। অপরাধ প্রমাণিত হলে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। তবে তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই পক্ষপাতদুষ্ট সিদ্ধান্তে পৌঁছানো উচিত নয়। সত্য উদ্‌ঘাটন এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই হওয়া উচিত সবার লক্ষ্য।

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে অনৈতিকতার অভিযোগ ধামাচাপা দেওয়ার প্রবণতার সমালোচনা করে তিনি বলেন, এ ধরনের ঘটনা আড়াল করার চেষ্টা দ্বিগুণ ক্ষতিকর। এতে অপরাধের বিচার বাধাগ্রস্ত হয় এবং প্রতিষ্ঠানের গ্রহণযোগ্যতা ও মানুষের আস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

নিজেদের প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম আড়াল করে অন্যের অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার মানসিকতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন এই ইসলামিক আলোচক। তিনি লেখেন, ‘নিজেদের অন্যায় আড়াল করব, আর অন্যের অন্যায়ে সরব হবো—এ কেমন নৈতিকতা? এটা আবার ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান কেমনে হবে?’

তিনি আরও বলেন, অন্যায়কে অন্যায় হিসেবে স্বীকার করার সাহস না থাকলে নিজেদের সংশোধন করা সম্ভব নয়। যদি নিজেরা ভুল থেকে ফিরে আসতে না পারি, তাহলে অন্যদের নসিহত করার নৈতিক ভিত্তি কোথায়—এমন প্রশ্নও তোলেন তিনি।

পোস্টের শেষাংশে ন্যায়বিচারের ক্ষেত্রে ব্যক্তি, পদ কিংবা প্রতিষ্ঠানের পরিচয়কে বিবেচনায় না নেওয়ার আহ্বান জানান আব্দুল হাই মুহাম্মাদ সাইফুল্লাহ। তার ভাষায়, ন্যায়বিচারের মানদণ্ড ব্যক্তি, পদ কিংবা প্রতিষ্ঠানভেদে বদলাতে পারে না।

সবশেষে শিশুদের নিরাপত্তার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, ‘নিজ সন্তানের নিরাপত্তায় কোনো কোনো ছাড় নাই—এটাই শেষকথা। এ ক্ষেত্রে কে কী ভাবল বা বলল, তাতে গুল্লি মারেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খালি পেটে সকালে হরিতকি ভেজানো পানির উপকারিতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৫ এম


খালি পেটে সকালে হরিতকি ভেজানো পানির উপকারিতা

আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে হরিতকি ভেজানো পানি একটি অত্যন্ত উপকারী পানীয় হিসেবে বিবেচিত। সকালে খালি পেটে নিয়মিত হরিতকি ভেজানো পানি বা হরিতকি গুড়া মিশানো পানি গ্রহণ করলে শরীরে একাধিক ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যায়।

এক নজরে খালি পেটে সকালে এক গ্লাস হরিতকি পানি খাওয়ার উপকারিতাগুলো নিম্নরূপ:

১। কোষ্ঠকাঠিন্য দূরীকরণ: হরিতকির হালকা রেচক গুণ পেটের মল পরিষ্কার করতে এবং অন্ত্রের স্বাভাবিক গতি বজায় রাখতে সহায়তা করে।

২। ডিটক্সিফিকেশন: এটি লিভারকে সাহায্য করে শরীর থেকে ক্ষতিকর টক্সিন বা বর্জ্য দূর করতে।

৩। ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি: সকালে খালি পেটে উষ্ণ পানিতে হরিতকি চূর্ণ খেলে শরীরের অভ্যন্তরীণ পরিষ্কার হয়, ফলে ব্রণ ও অন্যান্য ত্বকের সমস্যা কমে যায়।

৪। মেটাবলিজম এবং ওজন নিয়ন্ত্রণ: এটি শরীরের বিপাকক্রিয়া বা ফ্যাট ঝরানোর প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে সহায়তা করে।

৫। ইমিউনিটি বৃদ্ধি: এতে থাকা ভিটামিন সি এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

৬। অন্যান্য: এটি রক্তচাপ ও অন্ত্রের খিঁচুনি কমাতে কিছুটা ভূমিকা রাখে। গলা ব্যথা বা মুখ ফুলে গেলে হরিতকি ভেজানো গরম পানি দিয়ে কুলকুচি বা গার্গল করলে আরাম পাওয়া যায়।

কীভাবে তৈরি ও সেবন করবেন

* এক গ্লাস পানিতে ১-২টি শুকনা হরিতকি বা সামান্য হরিতকি গুঁড়া সারারাত ভিজিয়ে রাখুন।

* পরের দিন সকালে খালি পেটে এই পানি ছেঁকে পান করুন।

* এছাড়া আমলকি ও বহেরার সঙ্গে মিশিয়ে ত্রিফলা হিসেবেও এটি খাওয়া যায়।

কিছু সতর্কতা

* ডায়রিয়া বা পেটের সমস্যা: অতিরিক্ত বা নিয়ম না মেনে খেলে ডায়রিয়া, পেট ব্যথা বা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হতে পারে।

* গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান: গর্ভাবস্থায় বা মায়েরা বুকের দুধ খাওয়ালে কোনো আয়ুর্বেদ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া হরিতকি খাওয়া উচিত নয়।

* ডায়াবেটিসের ওষুধ: এটি রক্তে শর্করার মাত্রা কমিয়ে দেয়, তাই ডায়াবেটিসের ওষুধ খেলে খাওয়ার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২৫০ শতাংশ শুল্কের হুমকিতে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ থামানোর দাবি ট্রাম্পের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৬ এম


২৫০ শতাংশ শুল্কের হুমকিতে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ থামানোর দাবি ট্রাম্পের

পারমাণবিক শক্তিধর প্রতিবেশী দেশ ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্ভাব্য সামরিক সংঘাত থামানোর কৃতিত্ব আবারও দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি নির্বাচনী প্রচারণার সময় এক ভাষণে উল্লেখ করেছেন যে, ২৫০ শতাংশ বাণিজ্য শুল্ক আরোপের চূড়ান্ত হুমকি দিয়েই তিনি এই দুই দেশের রক্তক্ষয়ী লড়াই বন্ধ করেছেন।

আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নিজের সাফল্য তুলে ধরে ট্রাম্প বলেন, ‘দুটি পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশ ভারত ও পাকিস্তানকে আমি থামিয়েছি। আমি বলেছিলাম, বন্ধুরা, তোমরা যদি এ যুদ্ধ চালিয়ে যাও, তবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আর কোনো বাণিজ্য করতে পারবে না। তোমাদের উভয়ের ওপর ২৫০ শতাংশ শুল্ক বসিয়ে দেব, যেন কোনো ব্যবসা না করতে পারো।’

এই হুমকির প্রভাবেই দুই দেশ পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে বলে দাবি করেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, ‘তারা খুব বিরক্ত ও ক্ষুব্ধ হয়েছিল, কিন্তু তাদের গোলাগুলি বন্ধ হলো এবং যুদ্ধ থেমে গেল। সেই লড়াইয়ে ১১টি বিমান ভূপাতিত হয়েছিল। আমি এসব যুদ্ধ বন্ধ করেছি এবং এটা করা সত্যিই এক পরম সম্মানের।’

আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে এমন মধ্যস্থতার পরেও কোনো সম্মাননা না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে ট্রাম্প যোগ করেন, ‘আমি আটটি যুদ্ধ থামিয়েছি। কিন্তু কোনো নোবেল পুরস্কার পেয়েছি কি? না, পাইনি।’

তবে ট্রাম্পের এই দাবি ভারত বরাবরই প্রত্যাখ্যান করে আসছে। সংঘাতের সময় ১১টি বিমান ভূপাতিত হওয়ার তথ্যকে ভুল আখ্যা দেওয়ার পাশাপাশি তৃতীয় কোনো দেশের মধ্যস্থতার সুযোগ শুরু থেকেই নাকচ করে এসেছে দিল্লি।

ভারতীয় কর্তৃপক্ষের মতে, ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর সময় যুদ্ধবিরতি চুক্তি মার্কিন হুমকির মুখে নয়, বরং পাকিস্তানি ডিরেক্টর জেনারেল অব মিলিটারি অপারেশন্সের (ডিজিএমও) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হয়েছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%