ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দক্ষিণ সুদানে সোনার খনি ধসে নিহত ৬০ শ্রমিক


দক্ষিণ সুদানে সোনার খনি ধসে নিহত ৬০ শ্রমিক

দক্ষিণ সুদানের একটি সোনার খনি ধসে অন্তত ৬০ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে যাওয়া দুই শ্রমিক বার্তা সংস্থা এএফপিকে এ তথ্য জানিয়েছেন। মঙ্গলবার পশ্চিম কর্দোফান অঞ্চলের এল-নাহুদ শহরের কাছে আল-জারা সোনার খনিতে একের পর এক খনির সুড়ঙ্গ ধসে পড়তে শুরু করে। পরদিন সকাল পর্যন্ত ধ্বংসস্তূপ থেকে ৬০টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে খনির ভেতরে আরও কতজন আটকা পড়ে আছেন, তা এখনো জানা যায়নি। নিখোঁজ শ্রমিকদের অনেকেই মারা গেছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বেঁচে যাওয়া শ্রমিক খায়ের আল-সাইয়েদ জাবারা এএফপিকে জানান, তারা রাতভর সহকর্মী শ্রমিকদের সঙ্গে উদ্ধারকাজ চালিয়েছেন। খনি থেকে সোনা উত্তোলনে যে সাধারণ সরঞ্জাম ব্যবহার করা হয়, সেগুলো দিয়েই তারা উদ্ধারকাজ চালান।

উদ্ধারকাজে নিয়োজিত শ্রমিকরা ধ্বংসস্তূপ থেকে মরদেহ বা জীবিত কাউকে উদ্ধারের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন। তবে পাথর ও মাটি সরানো কঠিন হয়ে পড়েছে। এ জন্য ভারী যন্ত্রপাতির প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন উদ্ধারকারীরা। ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে সুদানে সেনাবাহিনী ও আধাসামরিক বাহিনী র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) মধ্যে যুদ্ধ চলছে। এই সংঘাতে দুই পক্ষের যুদ্ধ পরিচালনার অর্থের একটি বড় অংশ সোনা শিল্প থেকে আসে। পাশাপাশি তারা বিদেশি সহায়তাও পেয়ে থাকে।

আরও পড়ুন: সততার কারণে এক বছরে দুই বার বদলি

দীর্ঘস্থায়ী এই সংঘাত সুদানের আগে থেকেই দুর্বল অর্থনীতিকে আরো বিপর্যস্ত করেছে। দেশটির বিপুলসংখ্যক মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়ায় অনেকেই জীবিকার সন্ধানে ঝুঁকিপূর্ণভাবে সোনা উত্তোলনের কাজে জড়িয়ে পড়েছেন। সুদান থেকে পাচার বা রপ্তানি হওয়া সোনার প্রায় পুরোটাই সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) মাধ্যমে যায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে আরএসএফকে ব্যাপকভাবে অস্ত্র সরবরাহ করার অভিযোগ অস্বীকার করেছে ইউএই।

আল-জারার মতো পরিত্যক্ত খনি বা অনানুষ্ঠানিক এলাকায় স্থানীয় ও ক্ষুদ্র পরিসরে সোনা উত্তোলনের কাজ হয়। দেশটিতে উত্তোলন করা সোনার বেশিরভাগই এই ধরনের ক্ষুদ্র ও কারিগরি খনি থেকে আসে।

আল-জারা খনির বাইরে মঙ্গলবার কাজ করছিলেন আরেক শ্রমিক আল-আমিন সুলাইমান। তিনি এএফপিকে বলেন, ‘এখানকার সবগুলো খনির সুড়ঙ্গ একে অপরের খুব কাছাকাছি। একটি সুড়ঙ্গ ধসে পড়লে পাশের সুড়ঙ্গগুলোও ধসে পড়ে।’

তিনি বলেন, ‘এখানেও সেটিই ঘটেছে। এখন পর্যন্ত ৬০টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে গতকাল থেকে আরো অনেকে মাটির নিচে আটকা পড়ে আছেন। তারা বেঁচে আছেন বলে আমার মনে হয় না।’

আরও পড়ুন: গ্রিস ও সাইপ্রাসের পার্লামেন্টে ইসরায়েলের সহযোগিতামূলক কমিটি গঠন

পশ্চিম কর্দোফান বর্তমানে আরএসএফের নিয়ন্ত্রণে থাকায় সেখানে বড় পরিসরে উদ্ধার অভিযান চালানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এর পাশের দারফুর অঞ্চলও আরএসএফের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এই বাহিনীর বিরুদ্ধে সেখানে গণহত্যার অভিযোগ রয়েছে। আরএসএফ একটি সমান্তরাল সরকার গঠনের ঘোষণা দিলেও তাদের প্রশাসনিক সক্ষমতা এখনও সীমিত। ফলে পশ্চিম সুদানের মানুষ বেঁচে থাকার জন্য মূলত মানবিক সহায়তা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সহযোগিতার ওপর নির্ভরশীল।

যুদ্ধের কারণে সুদানের প্রায় ২ কোটি মানুষ তীব্র খাদ্যসংকটে পড়ার আগেও দেশটির ক্ষুদ্র পরিসরের সোনা খনি শিল্পে ২০ লাখের বেশি মানুষ কাজ করতেন বলে শিল্পসংশ্লিষ্ট পরিসংখ্যানে উল্লেখ করা হয়েছে। আফ্রিকার তৃতীয় বৃহত্তম দেশ সুদান মহাদেশের অন্যতম প্রধান সোনা উৎপাদনকারী দেশ। দেশটি জানিয়েছে, গত বছর সুদানে ৭০ টন সোনা উৎপাদিত হয়েছে, যা পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ উৎপাদন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিগারেট কারখানায় কর্মকর্তার প্রবেশ, ৭২ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি উদঘাটন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৩১ পি.এম


সিগারেট কারখানায় কর্মকর্তার প্রবেশ, ৭২ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি উদঘাটন

ভ্যাট গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর সিগারেট উৎপাদনে ব্যান্ডরোলের অপব্যবহার এবং ভ্যাট চালান ছাড়া পণ্য বিক্রির মাধ্যমে সরকারের প্রায় সাড়ে ৭২ কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকির তথ্য উদঘাটন করেছে।

গাজীপুরের কাউলতিয়ায় অবস্থিত ভার্গো টোব্যাকো লিমিটেডের কারখানায় অভিযান পরিচালনা করে এই ফাঁকির তথ্য পাওয়া যায়। অভিযানের সময় প্রায় ৫০ লাখ শলাকা জাল ব্যান্ডরোলযুক্ত সিগারেট পুড়িয়ে ফেলার ঘটনাও ধরা পড়ে।

গত ২ সেপ্টেম্বর গোপন তথ্যের ভিত্তিতে নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর, মূল্য সংযোজন কর, ঢাকার একটি প্রতিরোধী দল কারখানাটিতে অভিযান চালায়। একই সময়ে কারখানা ও কাছের একটি গুদামে দুটি দল অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযানকারী দল গিয়ে দেখতে পায়, বাইরে থেকে গেট বন্ধ রেখে ভেতরে সিগারেট উৎপাদন চলছে। বারবার গেট খুলতে বলা হলেও কেউ সাড়া দেয়নি। পরে কর্মকর্তারা দেয়াল টপকে ভেতরে প্রবেশ করেন। সেখানে ব্যবহৃত ব্যান্ডরোল ও জাল ব্যান্ডরোলযুক্ত সিগারেট পুড়িয়ে ফেলা হচ্ছিল। প্রতিষ্ঠানটি এগুলো ধ্বংসের অনুমোদনসংক্রান্ত কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। পরে প্রতিষ্ঠানের মহাব্যবস্থাপক লিখিতভাবে প্রায় ৫০ লাখ শলাকা জাল ব্যান্ডরোলযুক্ত সিগারেট পুড়িয়ে ফেলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পোড়া ব্যান্ডরোলের অবশিষ্টাংশ জব্দ করা হয়।

তল্লাশির সময় কারখানা ও সংলগ্ন গুদাম থেকে ব্যবহৃত স্ট্যাম্প ও ব্যান্ডরোল, সিগারেট তৈরির কাঁচামাল এবং তিনটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। কিছু বিদেশি ব্র্যান্ডের সিগারেটের নমুনা ও খালি প্যাকেটও পাওয়া যায়।

জব্দ করা মোবাইল ফোনের বার্তা, বিক্রির তথ্য ও হিসাবের ছবি বিশ্লেষণ করে গোয়েন্দারা দেখতে পান, উৎপাদিত সিগারেটের একটি বড় অংশ ভ্যাট চালান বা মূসক-৬.৩ ছাড়াই বাজারে সরবরাহ করা হচ্ছিল। এসব তথ্য মূল হিসাবের বাইরে রাখা হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।

প্রাথমিক হিসাবে ভ্যাট ও সম্পূরক শুল্ক বাবদ প্রায় সাড়ে ৭২ কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকির তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ১৪ সেপ্টেম্বর মামলা করা হয়েছে। মামলার নম্বর ১৭/২০২৬। জাল ব্যান্ডরোল ব্যবহার ও রাজস্ব ফাঁকি বন্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নারীদের উদ্দেশে সাফা কবির: ‘তুমি যথেষ্ট, তুমি নিজেই সম্পূর্ণ’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৩৬ পি.এম


নারীদের উদ্দেশে সাফা কবির: ‘তুমি যথেষ্ট, তুমি নিজেই সম্পূর্ণ’

সাফা কবিরের শোবিজে পথচলা এক যুগেরও বেশি সময় ধরে। তিনি ছোট পর্দায় অভিনয় করে দর্শকদের কাছে পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কাজের ব্যস্ততা কমিয়ে এখন বেছে বেছে পর্দায় উপস্থিত হচ্ছেন এই অভিনেত্রী।

নারী হিসেবে নিজের সাফল্য ও পথচলার স্বীকৃতি পেয়েছেন সাফা। সম্প্রতি তিনি ‘সম্পূর্ণা পুরস্কার ২০২৬’ সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন। এই স্বীকৃতি পেয়ে তিনি আনন্দিত। পুরস্কার গ্রহণের আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার পাশাপাশি অন্য নারীদেরও নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে এগিয়ে যাওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় সাফা উল্লেখ করেছেন, ‘প্রতিটি নারীকে আজ শুধু একটা কথাই বলতে চাই—তুমি যথেষ্ট। তুমি নিজেই সম্পূর্ণ। নিজের শক্তিকে চিনে নাও, নিজের জায়গা তৈরি করো, আর নিজের পৃথিবীটা জয় করো।’

পুরস্কার পাওয়ার আগে আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন সাফা। তিনি লিখেছেন, ‘প্রতিটি স্বীকৃতিই আমার কাছে বিশেষ, কারণ এগুলো আমাকে আরো পরিশ্রম করতে এবং সামনে এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করে।’

সর্বশেষ কোরবানির ঈদে সাফা কবিরকে পর্দায় দেখা গেছে। ঈদ উপলক্ষে প্রচারিত একাধিক নাটকে অভিনয় করেছেন তিনি। নাটকগুলো দর্শকদের কাছ থেকে প্রশংসা ও জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।

কিছুদিন আগে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিরে এসেছেন এই অভিনেত্রী। দেশে ফিরলেও নতুন কোনো কাজের ঘোষণা এখনো দেননি তিনি। আপাতত কাজ থেকে কিছুটা দূরে থেকে নিজেকে সময় দিচ্ছেন সাফা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশকে বিব্রতকর রেকর্ড থেকে মুক্তি দিল আফগানিস্তান, ভারত সিরিজ জিতল ৭ উইকেটে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৩৭ পি.এম


বাংলাদেশকে বিব্রতকর রেকর্ড থেকে মুক্তি দিল আফগানিস্তান, ভারত সিরিজ জিতল ৭ উইকেটে

বাংলাদেশের জন্য এই রেকর্ডটি ছিল অত্যন্ত বিব্রতকর। ভারতের কাছে টানা ৯ টি-টোয়েন্টি হারের রেকর্ডটি বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের মধ্যে যৌথভাবে ছিল।

কিন্তু গতকাল (১৫ সেপ্টেম্বর) রাতে আফগানিস্তান বাংলাদেশকে এই বিব্রতকর রেকর্ড থেকে মুক্তি দিয়েছে। ভারতের কাছে টানা ১০ টি-টোয়েন্টি হারিয়ে এখন এককভাবে এই অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ডের অধিকারী আফগানরা।

দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ভারত আফগানিস্তানকে ৭ উইকেটে পরাজিত করেছে। এই জয়ের মাধ্যমে শ্রেয়াস আইয়ারের দল সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে, এক ম্যাচ বাকি রেখেই। একই সঙ্গে আফগানদের বিপক্ষে ভারতীয়দের টানা টি-টোয়েন্টি জয়ের সংখ্যা ১০-এ পৌঁছেছে।

আফগানিস্তানের এই পরাজয়ের শুরু ২০১০ সালে। এরপর থেকে ভারতের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত প্রতিটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচেই তারা পরাজিত হয়েছে। ২০২৪ সালের বেঙ্গালুরুতে একটি ম্যাচ টাই হয়েছিল, তবে দুই সুপার ওভারে গড়ানো সেই ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত ভারতই জিতেছিল।

ভারতের কাছে বাংলাদেশের টানা ৯ টি-টোয়েন্টি হারের ধারাটি ২০১৯ থেকে ২০২৫ পর্যন্ত ছিল। ২০১৯ সালে দিল্লিতে ভারতের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টি ম্যাচ জিতেছিল বাংলাদেশ। এরপর থেকে গত বছরের এশিয়া কাপ পর্যন্ত তারা টানা ৯ ম্যাচে পরাজিত হয়েছে।

ভারতের কাছে টানা ৮ টি-টোয়েন্টি হেরে তালিকার তিনে অবস্থান করছে জিম্বাবুয়ে। সিকান্দার রাজা এবং ব্লেসিং মুজারাবানিরা গত দুই বছরের মধ্যে এতগুলো ম্যাচ হেরেছে।

ভারতের কাছে টি-টোয়েন্টিতে টানা হার

আফগানিস্তান ১০ ম্যাচ (২০১০-২০২৬)

বাংলাদেশ ৯ ম্যাচ (২০১৯-২০২৫)

জিম্বাবুয়ে ৮ ম্যাচ (২০২৪-২০২৬)

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘এক ভালোবাসা ও আফসোসের নাম সজীব’—নির্মাতার মৃত্যুতে খায়রুল বাসার শোক প্রকাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৩৮ পি.এম


‘এক ভালোবাসা ও আফসোসের নাম সজীব’—নির্মাতার মৃত্যুতে খায়রুল বাসার শোক প্রকাশ

নাট্যকার ও নির্মাতা মারুফ হোসেন সজীবের আকস্মিক মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে শোবিজ অঙ্গনে। মঙ্গলবার ভোর ৫টার দিকে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি না ফেরার দেশে পাড়ি জমান। প্রিয় সহকর্মীকে হারিয়ে শোকাহত রয়েছেন তাঁর দীর্ঘদিনের সহকর্মী ও বন্ধুরা।

সজীবের সঙ্গে কাজের স্মৃতি স্মরণ করে আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেতা খায়রুল বাসার। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া সেই বার্তায় তিনি উল্লেখ করেন, সজীবের সঙ্গে সিনেমা বানানোর পরিকল্পনা ছিল তাঁদের। কিন্তু সেই স্বপ্ন আর পূরণ হলো না।

খায়রুল বাসার লিখেছেন, ‘কথা ছিল আমরা একদিন সিনেমা বানাব। কথা ছিল আমাদের আরো কতশত গল্প বলতে হবে। সেসব গল্প দর্শকের মনের অলিগলি ঘুরবে, হারিয়ে যাবে না। অথচ আমার ভাইটাই হারিয়ে গেল, খুব অপ্রস্তুত করে চলে গেলো সে। শুরু থেকেই আমরা ভাই-বন্ধু ছিলাম। শত শত কিলোমিটার পথ হেঁটেছি আর কত পরিকল্পনা, কথা-কাটাকাটি, যুক্তি-তর্ক হলো! শুধু নীরবতার সময়টায় আমাদের মন চোখ বলেছে, আমরা ভালো কিছু করতে চাই। আমরা আমাদের ভালো চাই। আমরা আমাদের ভালোবাসি।’

বন্ধুকে হারানোর বেদনা প্রকাশ করে তিনি আরো লিখেছেন, ‘এক ভালোবাসা ও আফসোসের নাম হয়ে রইলেন নির্মাতা মারুফ হোসেন সজীব। এই আমাদের শেষ ছবি, আমাদের শেষ কাজ - ‘বকপক্ষীর পিরিতি’। এখনও কাজটা রিলিজ হলো না। ভাই আমার চলে গেলেন। আল্লাহ তায়ালা আপনি আমার ভাইকে শান্তিতে রাখুন। আপনারা আমার ভাইয়ের রুহের মাগফিরাত কামনা করবেন।’

সজীবের মৃত্যুতে শুধু সহকর্মী নয়, তার নির্মিত নাটকের দর্শকরাও শোকাহত। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি বেশ কিছু জনপ্রিয় নাটক নির্মাণ করেছেন। তার উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে ‘বিলোপ’, ‘বাবুই পাখির বাসা’, ‘রঙিন কাগজ’, ‘আধার’, ‘সিকিউরিটি গার্ল’, ‘তোমাকে পাওয়ার জন্য’, ‘হাসি’, ‘বিকেল বেলার ছাদ’, ‘দুষ্ট মিষ্টি প্রেম’, ‘আদরের চাঁদ’, ‘জোড়া শালিকের ঘর’সহ আরো বেশ কিছু নাটক।

জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত কাজের সঙ্গেই ছিলেন মারুফ হোসেন সজীব। ‘বকপক্ষীর পিরিতি’ ছিল খায়রুল বাসারের সঙ্গে তার শেষ কাজ। ছবিটি এখনো মুক্তি পায়নি। তার আগেই না ফেরার দেশে চলে গেলেন এই নির্মাতা।

তার আকস্মিক মৃত্যুতে শোবিজ অঙ্গনে নেমে এসেছে গভীর শোক। সহকর্মীদের স্মৃতিতে এখন সজীবের সঙ্গে কাটানো দিন, আড্ডা, পরিকল্পনা আর অসম্পূর্ণ স্বপ্নগুলোই বারবার ফিরে আসছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%