বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং
১২:৩৪ পি.এম
ঘটনার ২৭ বছর পর অবশেষে ৯/১১ হামলার বিচার শুরু হতে যাচ্ছে। বুধবার, একটি মার্কিন সামরিক আদালতের বিচারক খালিদ শেখ মোহাম্মদ, যিনি ৯/১১ হামলার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে অভিযুক্ত, এবং তার তিন সহযোগীর বিচারের জন্য ২০২৮ সালের ৫ জুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন।
প্রসিকিউটররা ২০২৭ সালের জানুয়ারি মাসে বিচার শুরুর জন্য আবেদন করেছিলেন। তবে বিচারক তার চেয়ে ১৮ মাস পিছিয়ে এই তারিখ নির্ধারণ করেছেন। বিমানবাহিনীর লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাইকেল এ শ্রামা তার আদেশে উল্লেখ করেছেন, "বিচার শুরুর আগের বিরোধগুলো মেটাতে এই অতিরিক্ত সময়ের প্রয়োজন।" এর মধ্যে বিচারে কোন কোন তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করা যাবে, তা নিয়ে মতদ্বৈধতাও রয়েছে।
আমেরিকার ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ এই হামলার পরিকল্পনাকারীকে বিচারের মুখোমুখি করতে মার্কিন সামরিক বাহিনী এবং একাধিক সরকার দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে লড়াই করছে। ২০২৮ সালের এই বিচার প্রক্রিয়া নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিভিন্ন লক্ষ্য ও মাইলফলক অর্জনের ওপর নির্ভর করছে এবং এটি আবারও পিছিয়ে যেতে পারে। ২০২১ সালেও একবার বিচারের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিল, যা পরে বাতিল হয়ে যায়। খালিদ শেখের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি অপহৃত যাত্রীবাহী বিমানগুলো ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার এবং পেন্টাগনে আছড়ে ফেলার পরিকল্পনা তৈরি ও তা পরিচালনা করেছেন।
খালিদ শেখের সঙ্গে তার তিন সহযোগী: ওয়ালিদ বিন আত্তাশ, আলী আব্দুল আজিজ আলী এবং মুস্তফা আল-হাউসাভিরও বিচারের মুখোমুখি হতে হবে। অভিযুক্তরা বর্তমানে কিউবার গুয়ান্তানামো বে-তে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে আটক থাকা শেষ বন্দিদের মধ্যে রয়েছেন।
বিচারের জন্য দীর্ঘ অপেক্ষার মধ্যে ২০২৪ সালে আসামিদের সঙ্গে একটি চুক্তি হওয়ার কথা ছিল, যেখানে মৃত্যুদণ্ডের পরিবর্তে আমৃত্যু কারাদণ্ডের শর্তে তারা দোষ স্বীকার করতে রাজি হয়েছিল। তবে রাজনৈতিক বিতর্ক এবং ভুক্তভোগীদের পরিবারের আপত্তির কারণে পরবর্তীতে জো বাইডেন প্রশাসন ও মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ সেই চুক্তি বাতিল করে দেয়। ফলে মামলাটি আবার সাধারণ বিচার প্রক্রিয়ায় ফিরে গেছে।
২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর সন্ত্রাসীরা চারটি যাত্রীবাহী বিমান ছিনতাই করে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন লক্ষ্যে হামলা চালায়। দুটি বিমান নিউইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের টুইন টাওয়ারের দুটি টাওয়ারই ধ্বংস করে দেয়। তৃতীয় বিমানটি আছড়ে পড়ে মার্কিন সামরিক দপ্তর পেন্টাগনে। যাত্রীদের প্রতিরোধের মুখে চতুর্থ বিমানটি পেনসিলভেনিয়ার একটি মাঠে বিধ্বস্ত হয়। এই হামলায় প্রায় ৩ হাজার মানুষ প্রাণ হারায়, যা শুধু আমেরিকা নয়, বিশ্বের ইতিহাসে ভয়াবহ একটি ঘটনা।
৯/১১ হামলার প্রায় ২৫ বছর পরেও এর বিচার শুরু করতে না পারাকে আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞ, মানবাধিকার কর্মী এবং ভুক্তভোগীদের পরিবারের একটি বড় অংশ আইনি ব্যবস্থার এক বিরাট ব্যর্থতা হিসেবে দেখছেন। হামলায় নিহত অনেক ভুক্তভোগীর বাবা-মা বা বয়োজ্যেষ্ঠ আত্মীয়রা কোনো বিচার না দেখেই পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছেন। হামলার প্রধান পরিকল্পনাকারী খালিদ শেখ মোহাম্মদ এবং তার সহযোগীদের বিচার মূলত আইনি এবং পদ্ধতিগত জটিলতার কারণে আটকে আছে।
মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ এই আসামিদের গ্রেপ্তারের পর গোপন কারাগারে রেখে কঠোর জিজ্ঞাসাবাদের নামে ওয়াটারবোর্ডিংসহ ব্যাপক শারীরিক নির্যাতন করেছিল। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, নির্যাতনের মাধ্যমে নেওয়া জবানবন্দি আদালতে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করা যায় না। ফলে, কোন প্রমাণ বৈধ আর কোনটা অবৈধ; তা নির্ধারণ করতেই বিচারপূর্ব বিতর্কেই ২০ বছরের বেশি সময় নষ্ট হয়েছে। মার্কিন বেসামরিক আদালতে বিচার না করে গুয়ান্তানামো বে-র বিশেষ সামরিক আদালতে এই বিচার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই আদালতের নিজস্ব নিয়মকানুন এবং আইনি বৈধতা নিয়ে বারবার সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ হয়েছে, যা প্রক্রিয়াটিকে অন্তহীনভাবে দীর্ঘায়িত করেছে।
প্রধান অভিযুক্ত খালিদ শেখ মোহাম্মদসহ অন্যরা ২০০৩ সাল থেকে বন্দি। কোনো চূড়ান্ত রায় ছাড়া দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে কাউকে এভাবে আটকে রাখা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের পরিপন্থী। ৯/১১ হামলার বিচার মার্কিন বিচার ব্যবস্থার ইতিহাসে অন্যতম দীর্ঘতম এবং জটিলতম একটি অমীমাংসিত অধ্যায় হয়ে রয়েছে। সাধারণ মানুষের চোখে এই দীর্ঘসূত্রতা মার্কিন বিচার ব্যবস্থার একটি বড় ব্যর্থতা। তবে আইনগতভাবে এটি আমেরিকার ইতিহাসের সবচেয়ে জটিল মামলা, যেখানে রাজনৈতিক প্রতিশোধের চেয়ে আইনের মর্যাদা রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেপালের উত্তরাঞ্চলে, তিব্বত-চীন সীমান্তের কাছে অবস্থিত রাসুয়া জেলায় বন্যার ফলে প্রাণহানি এবং নিখোঁজের সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই মারাত্মক দুর্যোগের মধ্যে বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও ‘কুঁড়েঘর’ ব্যান্ডের ভোকাল তাসরিফ খান সেখানে অবস্থান করছেন।
তবে তিনি এবং তাঁর পুরো দল নিরাপদে রয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন।
দুর্যোগের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর বুধবার (২৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় ফেসবুকে তাসরিফ লিখেছেন, ‘আমরা নেপালেই আছি এবং আল্লাহর অশেষ রহমতে এখন পর্যন্ত নিরাপদ আছি। আজ নেপালের ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ দুর্যোগ হয়েছে। নেপালের উত্তরাঞ্চলে, তিব্বত-চীন সীমান্তসংলগ্ন রাসুয়া জেলায় ভয়াবহ আকস্মিক ফ্ল্যাশ ফ্লাডের আঘাতে শত শত টুরিস্ট এখন পর্যন্ত নিখোঁজ রয়েছে এবং মৃতের সংখ্যা বাড়ছে।
প্রাকৃতিক দুর্যোগের খবর পাওয়ার পর ভক্তদের উদ্বেগ প্রকাশের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে তাসরিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, ‘খবরটি জানার পর থেকে দেশে ও দেশের বাইরে থেকে অসংখ্য শুভাকাঙ্ক্ষী ফোন ও মেসেজে আমাদের খোঁজ নিয়েছেন। আপনাদের এই আন্তরিক উদ্বেগ, দোয়া ও ভালোবাসার জন্য আমরা সত্যিই কৃতজ্ঞ।’
তাসরিফ শুধু নিজের এবং দলের নিরাপত্তার জন্য উদ্বিগ্ন নন, তিনি নেপালের স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতিও সমবেদনা জানিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, ‘এই দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ও বিপদগ্রস্ত সব মানুষের জন্য মন থেকে দোয়া করছি।
আল্লাহ সবাইকে হেফাজত করুন, বিপদগ্রস্ত মানুষদের দ্রুত নিরাপদে ফিরিয়ে আনুন এবং এই কঠিন পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক করে দিন।’ সবশেষে তিনি নিজের এবং দলের জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখা ছাত্রদল তার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে।
আজ এই কর্মসূচিটি অনুষ্ঠিত হয়। শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া, ঢাবি ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস এবং সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপনসহ বিশ্ববিদ্যালয় ও হল পর্যায়ের অন্যান্য নেতৃবৃন্দও এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে গণেশ চন্দ্র রায় সাহস বলেন, “জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে তাকে স্মরণ করছি।” তিনি আরও বলেন, “কবি নজরুলের সাম্য, মানবতা, সম্প্রীতি ও দেশপ্রেমের আদর্শকে ধারণ করে একটি সুন্দর, মানবিক ও বৈষম্যহীন সমাজ গড়ার প্রত্যয়ই হোক তার প্রতি আমাদের শ্রেষ্ঠ শ্রদ্ধাঞ্জলি।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জেলা পুলিশ ও গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) যৌথ অভিযানে বাগেরহাটে ৩১৫ পিস ইয়াবা, ২শ’ গ্রাম গাঁজা, ৪ লিটার চোলাই মদ, ৫৫টি ছুরি এবং ৯০ হাজার টাকার জাল নোট উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের অভিযানে মোট ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গতকাল বুধবার বিকেলে বাগেরহাট পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই তথ্য তুলে ধরেন বাগেরহাটের পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার।
পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, বাগেরহাট সদর থানার পৌরসভার নাগেরবাজার এলাকা সহ বিভিন্ন স্থানে জেলা পুলিশ ও গোয়েন্দা শাখা যৌথভাবে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের অংশ হিসেবে বিভিন্ন রাস্তায় ব্লকেড করে মাদক ব্যবসায়ী এবং অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দেহ তল্লাশি করা হয় এবং স্থানীয় সাক্ষীদের উপস্থিতিতে বসতঘরে তল্লাশি পরিচালিত হয়।
এই অভিযানের সময় ৭ জন পুরুষ ও ১ জন নারীসহ মোট ৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে ৩১৫ পিস ইয়াবা, ১৪০ পুরিয়া গাঁজা, যার মোট ওজন ২শ’ গ্রাম, ৪ লিটার চোরাই মদ এবং অপরাধকাজে ব্যবহৃত ৫৫টি ছুরি উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন নাগেরবাজারের বিষ্ণু রবি দাস (৩৫), পল্টু রবি দাস (৩৫), জয় রবি দাস (২৫), কৃষ্ণনগরের মো. রিফাত (২৪), সাবেকডাঙ্গার সিরাজ (২০), খেগরাঘাটের বিপ্লব মিস্ত্রী (৩৬), কচুয়া পট্টির নিমাই সাহা (৪০) এবং নাগেরবাজার পতিতালয় এলাকার পলি (৪৫)।
এদিকে, জেলা গোয়েন্দা শাখার পৃথক অভিযানে বাগেরহাট সদর থানাধীন খান জাহান আলী (রহ.)-এর মাজার সংলগ্ন পুকুরপাড় থেকে ৯০ হাজার টাকার জাল নোটসহ আরও ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্ধার করা জাল নোটগুলো প্রতিটি ১ হাজার টাকার।
জাল টাকা সংক্রান্ত মামলায় গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন পিরোজপুরের নাজিরপুর থানার রুহিতলাবুনিয়ার মো. আকলাস ভুইয়া (৫৫), বুড়িখালীর আশিকুর রহমান মোল্লা (২৩) এবং একই এলাকার মো. শিবলু ফকির (২৪)।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, অভিযানে মোট ৩১৫ পিস ইয়াবা, ২শ’ গ্রাম গাঁজা, ৪ লিটার চোলাই মদ, ৫৫টি ছুরি এবং ৯০ হাজার টাকার জাল নোট উদ্ধার করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের পূর্বে পাকিস্তান শিবিরে এসেছে একটি স্বস্তির খবর। বাবর আজম আঙুলের চোট কাটিয়ে অনুশীলনে ফিরেছেন। দলের বোলিং কোচ উমার গুল জানিয়েছেন, নেটে বাবরের ব্যাটিং দেখে লর্ডস টেস্টে তাকে পাওয়ার ব্যাপারে তারা আশাবাদী।
আগামী বৃহস্পতিবার লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাকিস্তান সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে মুখোমুখি হবে। প্রথম টেস্টে হেডিংলিতে বাবর খেলতে পারেননি। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে আঙুলে চোট পাওয়ার পর ইংল্যান্ড সফরের প্রস্তুতি ম্যাচে একই জায়গায় আবারও আঘাত পান তিনি।
তবে, এবার অনুশীলনে ফিরে বাবর বেশ স্বাচ্ছন্দ্যেই ব্যাটিং করেছেন। উমার গুল জানিয়েছেন, বাবর ফাস্ট বোলার, স্পিনার ও থ্রোডাউনের বিপক্ষে পুরো একটি ব্যাটিং সেশন কাটিয়েছেন। গুল বলেন, “বাবর নেটে ব্যাটিং করেছে। ফাস্ট বোলার, স্পিনার ও থ্রোডাউনের মুখোমুখি হয়েছে। আজ তাকে ভালো অবস্থায় দেখা গেছে। নেটে ভালো ব্যাটিং করেছে এবং পুরো একটি ব্যাটিং সেশন করেছে। আমরা আশা করছি, পরের ম্যাচে তাকে পাওয়া যাবে।”
প্রথম টেস্টে পাকিস্তানের ব্যাটিংয়ের দুর্বলতা ছিল স্পষ্ট। তারা দুই ইনিংসে কোনোটিতেই ২০০ রান করতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত ইনিংস ও ১০৩ রানের বড় ব্যবধানে হেরে সিরিজ শুরু করে সফরকারীরা। তাই বাবরের প্রত্যাবর্তন দলের ব্যাটিংয়ে বাড়তি শক্তি যোগ করতে পারে।
সাম্প্রতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরেও বাবর ব্যাট হাতে পাকিস্তানের সেরা ছিলেন। চার ইনিংসে দুটি ফিফটির সাহায্যে ১৯৩ রান করেন তিনি। ওই সিরিজের আগেই বাবরকে আবার পাকিস্তানের টেস্ট অধিনায়কত্ব দেওয়া হয়। লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ফিরতে পারলে, তিনি দেশটির মাটিতে প্রথমবার টেস্ট নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পাবেন। ২০২০ সালের পর ইংল্যান্ড সফরে পাকিস্তানের নেতৃত্বে এবারই প্রথম থাকবেন বাবর।
ইংল্যান্ডের মাটিতে বাবরের রেকর্ডও বেশ ভালো। এখন পর্যন্ত ছয় টেস্ট ইনিংসে তিনি তিনটি ফিফটি করেছেন, ব্যাটিং গড় ৬৫.৭৫। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সব মিলিয়ে ১৪ ইনিংসে তার গড় ৫৩.৮৩। এর মধ্যে সাত ইনিংসেই ফিফটি বা সেঞ্চুরি পেয়েছেন তিনি। তবে, বাবরের ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে উচ্ছ্বসিত হলেও আগের ম্যাচের ব্যর্থতা ভুলে যেতে রাজি নন উমার গুল। তার মতে, টেস্ট জিততে হলে দলের প্রতিটি বিভাগকেই নিজেদের দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন করতে হবে।
গুল বলেন, “আগের ম্যাচে আমরা যে ভুলগুলো করেছি, সেগুলো থেকে শিক্ষা নিতে হবে। টেস্ট জিততে হলে সব বিভাগেই ভালো করতে হবে। একটি বিভাগ আরেকটিকে সবসময় টেনে নিতে পারে না। এই কন্ডিশনে বোলারদের দায়িত্ব আরও বেশি। ২০ উইকেট না নিলে টেস্ট জেতা সম্ভব নয়।”
দ্বিতীয় টেস্টের আগে পাকিস্তান দলের অনুশীলনে ছিল বাড়তি তীব্রতা। গুলের বিশ্বাস, প্রথম ম্যাচের হতাশা পেছনে ফেলে লর্ডসে ঘুরে দাঁড়ানোর সামর্থ্য আছে তার দলের।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ