১০:৩১ এম
গোপালগঞ্জের কৃষি উদ্যোক্তা হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বর্ণপদক অর্জন করেছেন ফারহিন রিসতা বিনতে বেনজীর। এমন এক সময়ে এই পদকে ভূষিত হন, যখন তিনি নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছেন রাজধানীতে।
এ রকম খবর শোনার পর একজন বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া তরুণীর কৃষি উদ্যোক্তা হিসেবে রাষ্ট্রীয় পুরস্কার অর্জনের কাহিনী সম্পর্কে জানা অত্যন্ত আকর্ষণীয়। পড়াশোনার ফাঁকে বিভিন্ন জীবনের গল্প আমাদের জানা। কিন্তু এই ফারহিন কী ধরনের কৃষিকাজ করছেন? কোথায় তাঁর খামার? এসব প্রশ্ন নিয়ে শুরু হয় আমাদের অনুসন্ধান।
২০২৪ সালের মার্চের প্রথম সপ্তাহে এক দিন।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে ইউনিক্লোর প্রতি উদ্যোগ: প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান
ঢাকায় ভোরের আলো তখনো ফোটেনি। গুলিস্তানে একটি নন-এসি বাসে চেপে বের হয়ে গেলাম আমরা। আমাদের গন্তব্য গোপালগঞ্জ। ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে ধরে ছুটতে ছুটতে মাথায় বহুসংখ্যক প্রশ্ন—আমরা কি শুধুই একটি কৃষিখামারের খোঁজে বের হয়েছি, নাকি এর নেপথ্যে রয়েছে আরো অনেক অজানা গল্প!
যার খোঁজে আমরা বের হয়েছি, তিনি যে আর কেউ নন, সেই তৎকালীন আইজিপি বেনজীর আহমেদ এবং তাঁর পরিবার।
বেনজীর আহমেদ নামটি তখন ক্ষমতার আরেক নাম হয়ে উঠেছিল। চরম পরাক্রমশালী এবং দোর্দণ্ড প্রতাপশালী—এসব শব্দ বোধহয় কিছুই কম।
আমরা পৌঁছালাম গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের বৈরাগীটোল গ্রামে। এখানে একটি নিভৃত পল্লী। কোনো যান্ত্রিকতা নেই।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের দশম স্থলবাহিনী সংলাপ ঢাকা সেনানিবাসে সফলভাবে সম্পন্ন
শহরের তুলনায় যান-জনের ও জটলার অভাব এখানে। এমন এক গ্রামের বুক ফুঁটে দাঁড়িয়ে রয়েছে অবিশ্বাস্য একটি স্থাপনা। নাম—সাভানা ইকো রিসোর্ট অ্যান্ড ন্যাচারাল পার্ক। ফারহিন রিসতা বিনতে বেনজীরের কৃষিতে স্বর্ণপদক লাভের সঙ্গে এই রিসোর্টের সম্পর্কের বিষয়টি আমাদের কাছে ছিল।
রিসোর্টে প্রবেশ করতেই চক্ষু যেন চড়কে যায়। গাছপালা, পুকুর, শান-বাঁধানো ঘাট, কৃত্রিম ঝরনা—কী নেই এখানে? রিসোর্টজুড়ে স্বচ্ছলতার ভাষা। জমির পরিমাণ প্রায় এক হাজার ৪০০ বিঘা। সঠিক সংখ্যা গুনে দেখা যায় ১৫টি পুকুর রয়েছে। প্রতিটি পুকুরই পরিপূর্ণ গার্ডওয়াল দ্বারা ঘেরা। রিসোর্টের পার্শ্বে বিলাসবহুল ডুপ্লেক্স কটেজ রয়েছে। এগুলোর ভাড়া প্রতি রাতের জন্য ১৫ হাজার টাকা।
মাটি ভরাট করে তৈরি করা হয়েছে কৃত্রিম টিলা-পাহাড়। একইসঙ্গে এখানে সাগরের কৃত্রিম ঢেউ ওঠার সুইমিংপুলের ব্যবস্থা রয়েছে। হাজারের অধিক ভিয়েতনামি নারকেলগাছ এবং বিভিন্ন প্রকার ফলফলাদির গাছও এখানে রয়েছে। উন্নতমানের সাউন্ড সিস্টেমসহ বিশাল আকারের কনসার্ট হলও দেখতে পাওয়া যায়। পুরো রিসোর্টই আলোতে ঝলমল করছে।
রিসোর্টের ম্যানেজারের সঙ্গে পরিচিত হয়ে আলোচনা শুরু করলাম। তখনই নিশ্চিত হলাম, এটি সাবেক আইজি বেনজীর আহমেদের মালিকানাধীন। এখানে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরের গোপালগঞ্জেই জন্মভিটা বেনজীর আহমেদের। এত বড় রিসোর্ট তৈরি হওয়ার পর ওই এলাকার নামই হয়ে গিয়েছে 'বেনজীরের চক'।
আরও পড়ুন: শাকিলের জানাজায় এমপির বিরুদ্ধে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান
কিন্তু আসল গল্প তখনো জানা হয়নি। রিসোর্টের প্রধান ফটকের পাশে একটি চায়ের দোকান রয়েছে। রিসোর্ট থেকে বেরিয়ে সেখানে ঢুকতেই দেখি, একটি বৃদ্ধ চায়ের কাপ হাতে নিয়ে বসে আছেন। বয়স সত্তরের কাছে। চায়ের চুমুক দিতে দিতে আলাপকালে জানতে চাইলাম, 'এত বড় রিসোর্টের সামনে দোকান বসিয়েছেন, কেউ কিছু বলে না?'
জানতে পেরে বৃদ্ধের চোখমুখ লাল হয়ে ওঠে। শুরু করেন ক্ষোভের সুরে মন্তব্য, 'রিসোর্ট যত বড়, সেখানে আমাদের জমিজমা সব; সেই বেনজীর জোর খাটিয়ে সব দখল করে রেখেছে।'
এই একটি বাক্য পুরো অনুসন্ধানের গতিপথ বদলে দেয়। অমীমাংসিত প্রশ্নের দরজা খুলে দেয়।
দোকানি বৃদ্ধের সঙ্গে কথোপকথন করতে করতে আরেও বেশ কিছু লোক এসে জড়ো হয়ে যায়। তাঁদের সবার গল্পই প্রায় এক। কারো জমি গেছে, কারো পুকুর গেছে, কারো বাপ-দাদার ভিটামাটি চলে গেছে ওই রিসোর্টের কারণে। তবে ভয় পেয়ে কেউ কিছু বলতে পারেননি।
আরও পড়ুন: জামায়াতের মহিলা বিভাগের প্রতিবাদ: নারী উদ্যোক্তা সাথী আক্তার গ্রেপ্তার
সেদিন সন্ধ্যায় আমরা গোপালগঞ্জে থেকে গেলাম। পরদিন সকালেই আবার বেরিয়ে পড়লাম। কয়েক দিন এলাকায় ঘুরে বেড়ালাম। অনেকের সঙ্গে কথা বললাম। আমরা সবার অভিযোগ-বক্তব্য শুনলাম। ধীরে ধীরে নানা সত্য তথ্য প্রকাশিত হতে শুরু করল।
দেখা গেল, সাভানা ইকো রিসোর্টের ভেতরের অধিকাংশ জমি স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের। বিশেষ করে 'বল' সম্প্রদায়ের বহু পরিবার নিজেদের জমি হারানোর অভিযোগ করছে।
আরো নানা বিস্ময়কর তথ্য মাথাতে নিয়ে আমরা ঢাকায় ফিরে এলাম। পরবর্তী অনুসন্ধানের কাজ শুরু হলো। অনুসন্ধানী সেলের সবাই একসাথে কাজ করা শুরু করলেন।
এর মধ্যে সামনে আসল আরেকটি বিস্ময়কর তথ্য। যিনি কৃষি পদক লাভের জন্য আলোচনায় এসেছেন, সেই ফারহিনের জন্য নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে কেনা হয়েছে প্রায় সাড়ে তিন হাজার বর্গফুটের একটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট। শুধুমাত্র ক্লাসের ফাঁকে মেয়ের বিশ্রামের সুবিধায় বাবা বেনজীর এই ফ্ল্যাট কিনে দিয়েছেন। এর বাজারমূল্য প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা।
আরও পড়ুন: চুয়াডাঙ্গায় মাটির নিচে ঘাঁটি গেড়ে সাধনা করছেন নারী লাভলী শাহ ফকির রানী
এরপর জানলাম, তিনি কৃষি নয়, বরং জাতীয় মৎস্য পদক-২০২২ লাভ করেছেন। তখন তাঁর বাবা বেনজীর আহমেদ ছিলেন পুলিশপ্রধান এবং মা জীশান মীর্জা বাংলাদেশ পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতির (পুনাক) সভানেত্রী।
আমাদের অনুসন্ধানের কাজ চলতে লাগল।
আমরা বেনজীরের আরেকটি বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্টের সন্ধান পেলাম গুলশান ১ নম্বরে। ১৩০ নম্বর সড়কের 'র্যাংকন আইকন টাওয়ার লেক ভিউ' প্রাঙ্গণে ১২ ও ১৩তম তলায় বেনজীরের আট হাজার ৬০০ বর্গফুটের একটি বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট রয়েছে। এক বিকেলে আমরা সেই বাড়িতে হাজির হয় নিযুক্ত নিরাপত্তারক্ষী মো. সবুজ নিশ্চিত করেন, ওই বাড়ির দুই ফ্লোরের মালিক বেনজীর। তবে প্রবেশের অনুমতি না পাওয়ায় ভেতরের অবস্থা সরাসরি জানার সুযোগ হয়নি।
তখন আমরা ভবনটির নির্মাতা র্যাংকন ডেভেলপমেন্টের ওয়েব সাইটে গিয়ে থ্রিডি ভিজ্যুয়াল দেখে ভবনের ভেতরের সম্ভাব্য অবকাঠামো, নকশা এবং বিলাসিতা সম্পর্কে ধারণা পেয়ে যাই। আট হাজার ৬০০ বর্গফুটের অ্যাপার্টমেন্টের বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ২০ কোটি টাকা।
আরও পড়ুন: ঈশ্বরদীতে বাড়িঘর ভাঙচুর-লুটপাট, খোলা আকাশের নিচে দুই পরিবার
নানা তথ্যের ভান্ডারে আমরা চমকে উঠছিলাম। এর মধ্যে আমরা রেজিস্ট্রার অব জয়েন স্টক, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ, ভূমি অফিসসহ সংশ্লিষ্ট সব জায়গায় তালাশ দিয়ে বেনজীরের সাম্রাজ্যের অসংখ্য নথিপত্র জোগাড় করি। প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে চলছিল আমাদের অনুসন্ধান।
বেনজীরের বিশাল সাম্রাজ্যের মূল্য কত কোটি টাকা, এই হিসাব করা তখনো সম্ভব হচ্ছিল না। কারণ, একের পর এক এলাকায় পরিবারটির সম্পদের তথ্য বের হচ্ছিল। তবে গোপালগঞ্জ জেলা সদরের সাহাপুর ইউনিয়নের বৈরাগীটোল এলাকায় বিনিয়োগের পরিমাণ ৫০০ কোটি টাকার বেশি বলে ধারণা তৈরি হয়।
তখন আমরা শনাক্ত করি, ৩৪ বছর সাত মাসের চাকরিজীবনে বেতন-ভাতা মিলিয়ে দুই কোটি টাকার মতো আয় করেছেন বেনজীর আহমেদ। সেখান থেকে আবার পরিবারের ভরণ-পোষণ হয়েছে। তাহলে কীভাবে তিনি এই বিস্ময়কর সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন, এই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।
তখন আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায়। তাদের স্বৈরাচারী আচরণের শিকার হচ্ছিল গণমাধ্যম। কিছুই লেখার সুযোগ নেই। দুঃসাহস দেখালেই হয়তো জেলে या গুমের আশঙ্কা—এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে কালের কণ্ঠ সিদ্ধান্ত নেয়, বেনজীরের এই নজিরবিহীন দুর্নীতির গল্পটি প্রকাশ করা হবে। কারণ দেশের মানুষ তাঁর ক্ষমতার প্রকৃতি দেখে হলেও অবৈধ সাম্রাজ্য সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে কিছুই জানে না।
অনুসন্ধান শেষ হলো মার্চের শেষ সপ্তাহে। ৩১ মার্চ ২০২৪ কালের কণ্ঠে প্রকাশিত হলো 'বেনজীরের ঘরে আলাদীনের চেরাগ'। প্রথম কভারে ছয় কলামের মধ্যে পাঁচ কলামে চারটি স্টোরি ছাপা হয়। 'মেয়ের বিশ্রামের জন্য সাড়ে তিন কোটি টাকার ফ্ল্যাট' এবং 'বেনজীরের বৈধ আয় কত ছিল' শিরোনামে দুটি সাইড স্টোরি ছিল সেই নিউজ-ব্যাচে।
৩১ মার্চ সকালের আলো ফোটার আগে দেশজুড়ে সংকট তৈরি হলো। পরিচিত বেনজীরকে দেশে নতুন করে চিনতে হলো। মাঝে একদিনে বিরতি দিয়ে ২ এপ্রিল কালের কণ্ঠে প্রকাশিত হলো অনুসন্ধানের দ্বিতীয় পর্ব। এবার মূল শিরোনাম 'বনের জমিতে বেনজীরের রিসোর্ট'। এটিতে 'সেন্ট মার্টিন-কক্সবাজারেও ভূ-সম্পত্তি' শিরোনাম সাইড স্টোরি।
দেশের অংশে বেনজীরের দখলবাজির বিরুদ্ধে স্থানীয় জনতা রুখে দাঁড়ানোর মধ্যেই ২১ এপ্রিল বেনজীরের দুর্নীতি তদন্তে দুদকে আবেদন করেন হিতকারী আইনজীবী হিসেবে পরিচিত ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। নিরস্ত্র হতে বাধ্য হয় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ নিয়ে সরকারের অন্যান্য গণমাধ্যমেরও অনুপ্রাণিত হয়। একইসাথে শুরু হয় বেনজীরের অপকর্মের বর্ণনা। পাশাপাশি গণমাধ্যমে উঠে আসে সরকারি চাকরি কমিশনের প্রশ্ন ফাঁসের হোতা ড্রাইভার আবেদ আলীর কাহিনী। ওই বছরের জুনে সামনে চলে আসে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য মতিউর রহমানের বিলাসী দুর্নীতির কাহিনীর সংবাদ—ছাগলকাণ্ড। এভাবে সাংবাদিকতার ভেতরের বরফখণ্ড ধীরে ধীরে গলতে শুরু করে।
কিন্তু তার আগে কালের কণ্ঠের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের নাটকীয় প্রতিক্রিয়ায় বেনজীর আহমেদ একটি ফেসবুক পোস্টে জানান, 'কুৎসার কিসসা আভি ভি বাকি হ্যায়।' পাশাপাশি দুর্নীতির প্রমাণ দিতে পারলে সে সম্পদ বিনামূল্যে লেখার চ্যালেঞ্জও রাখেন, আরেক ফেসবুক পোস্টে।
কিন্তু বেনজীরের হুমকির পরেও অনুসন্ধানী সেলের সাংবাদিকরা কাজ বন্ধ করেননি। তারা পরপর আরো প্রতিবেদন তুলে ধরেছেন। '২৪০ বিঘা জমির মালিক বেনজীরের স্ত্রী', 'মাদারীপুরেও বেনজীরের স্ত্রীর সাম্রাজ্য', '১৯ কোম্পানির মালিক বেনজীর পরিবার', 'চাকরির শেষ ৩ বছরে কেনেন ৪৬৬ বিঘা', 'বেনজীরের কালো ৩ হাত', 'পুলিশ টেলিকমেও বেনজীরের ভূত', 'ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে ইটভাটা দখলে নেন বেনজীরের শ্যালক', 'বেনজীর পরিবারের ৫০ বিঘা জমি গাজীপুরেও'—এইসব অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ধারাবাহিকভাবে কালের কণ্ঠে প্রকাশ হতে থাকে।
একের পর এক নিউজাঘাতে শেষ পর্যন্ত আর নিজের চ্যালেঞ্জে দাঁড়িয়ে থাকতে পারেননি বেনজীর। ২০২৪ সালের ৪ মে বিমানবন্দর দিয়েই দেশের বাইরে পালিয়ে যান তিনি।
দুর্নীতির অকাট্য তথ্য-প্রমাণ কালের কণ্ঠে একের পর এক প্রতিবেদনে প্রকাশের পরেও সরকার তাঁর সম্পর্কে নীরব থাকার কারণে জনগণের মধ্যে ক্ষোভ বেড়ে যেতে থাকে।
এসব পরিস্থিতি নিয়ে দেশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। মানুষের মধ্যে প্রতিবাদের আগুন জ্বলে ওঠে। সাধারণ মানুষের মধ্যে বিদ্যমান দীর্ঘদিনের ক্ষোভ একটুও অগ্নিতে রূপ নেয়। সেই আগুনে পুড়ে যায় আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ ১৬ বছরের আত্মবিশ্বাস। সাধারণ একটি কোটা সংস্কার আন্দোলন নাটকীয়ভাবে সরকারের পতনের আন্দোলনে রূপ নেয়। এর পরের ইতিহাস সবার জানা।
যাইহোক, কালের কণ্ঠের সেই ধারাবাহিক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন এবং তাদের ফলোআপ রিপোর্ট প্রকাশের পর দুদকের কার্যক্রম অব্যাহত ছিল। সমস্ত আইনি প্রক্রিয়ার অধীনে বেনজীরকে গ্রেপ্তারের জন্য ইন্টারপোলের সাহায্য নেয় সরকার। শেষ পর্যন্ত গত ১২ জুন সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশ সরকারের প্রাক্তন আইজিপি বেনজীর আহমেদকে গ্রেপ্তার করে দুবাই পুলিশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন