০৪:৩৯ পি.এম
পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এমপি বলেছেন, নদীভাঙন, ভূমিক্ষয় ও মাটির ক্ষয় রোধে বিন্না ঘাস একটি কার্যকর, পরিবেশবান্ধব ও স্বল্পব্যয়ী প্রাকৃতিক সমাধান হতে পারে। তিনি বলেছেন, নদীর তীর, বাঁধের ঢাল, হাওরাঞ্চল এবং ক্ষয়প্রবণ এলাকায় পরিকল্পিতভাবে বিন্না ঘাস রোপণের মাধ্যমে মাটির স্থায়িত্ব বৃদ্ধি করা সম্ভব।
রোববার রাজধানীর পান্থ পথে পানি ভবনে বিন্না ঘাস পলিসি ফর বাংলাদেশ বিষয়ক সভায় বক্তৃতায় এসব কথা বলেন মন্ত্রী। উল্লেখ্য যে, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এমপি এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী আরও বলেছেন, বিন্না ঘাসের শিকড় মাটির গভীরে প্রবেশ করে শক্তভাবে মাটিকে আঁকড়ে ধরে রাখে। এর ফলে বৃষ্টির পানি, ঢেউ ও স্রোতের কারণে মাটির ক্ষয় কমাতে এটি সহায়ক ভূমিকা পালন করে। বিশেষ করে নদী ও খালের তীর, বাঁধ, পাহাড়ি ঢল এবং হাওর অঞ্চলে এ ঘাসের ব্যবহার শুধুমাত্র পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে না, বরং অবকাঠামোর স্থায়িত্বও বাড়াতে পারে। বাংলাদেশে নদীর পাড় ও বাঁধের মাটি রক্ষায় বিন্না ঘাসের ব্যবহার বৃদ্ধি করার জন্য তিনি আহ্বান জানান।
আরও পড়ুন: গ্রাহকদের জন্য প্রি-পেইড মিটারে রিচার্জের জরুরি নির্দেশনা দিল ডেসকো
পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় জানিয়েছেন যে, দেশের নদী, খাল, বাঁধ ও জলাধার সংরক্ষণে টেকসই ও পরিবেশবান্ধব উদ্যোগকে তারা অগ্রাধিকার দিচ্ছে বলেও জানান মন্ত্রী।
প্রতিমন্ত্রী আজাদ বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দেশে বন্যা, নদীভাঙন, অতিবৃষ্টি ও ভূমিক্ষয়ের ঝুঁকি বাড়ছে। এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় তিনি বলেন যে, কেবল কংক্রিটের অবকাঠামোর ওপর নির্ভর না করে প্রকৃতিনির্ভর ও পরিবেশবান্ধব সমাধানকে গুরুত্ব দিতে হবে। শেষ পর্যন্ত, বিন্না ঘাস সেই ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে বলে তিনি জানান।
সভায় বিন্না ঘাসের উপকারিতা ও সম্ভাবনা বিষয়ে পাওয়ারপয়েন্ট উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম। সহযোগিতার জন্য মন্ত্রণালয় ও দপ্তর সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দও এসময় উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: গণ-অভ্যুত্থানের পর হাসনাত-সারজিসের গাদ্দারি খুঁজে পাওয়া যাবে: রাশেদ খান
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন