ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং
লালমনিরহাটে

অপহরণ ও ছিনতাই মামলায় ৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড


অপহরণ ও ছিনতাই মামলায় ৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

লালমনিরহাটের পাটগ্রামে ভারতীয় একজন ট্রাকচালককে অপহরণ, কুপিয়ে জখম এবং অর্থ ছিনতাইয়ের ঘটনা নিয়ে চাঞ্চল্যকর মামলায় আদালত তিন আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন। পাশাপাশি প্রত্যেক আসামিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে, আর অনাদায়ে তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়ার আদেশ রয়েছে। সোমবার, ২৭ জুলাই দুপুরে লালমনিরহাটের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-২ এর বিচারক এসএম. শফিকুল ইসলাম এই রায় দেন।

এই মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, পাটগ্রাম উপজেলার উফারমারা সোনারভিটা এলাকার মো. শফিকুল ইসলামের ছেলে মোঃ সবুজ মিয়া (পলাতক), একই উপজেলার হাদীসপাড়া এলাকার মোহাম্মদ আলী ওরফে বুলুর ছেলে মোঃ রমজান আলী এবং ভাটিয়াবাড়ি এলাকার শামছুল হক ওরফে সামছুর রহমানের ছেলে মোঃ আরিফুল ইসলাম ওরফে তানজিদ।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২০১৯ সালের ২১ আগস্ট দুপুরে পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা ও বুড়িমারী স্থলবন্দর হয়ে পাথর বহনকারী একটি ভারতীয় ট্রাক যান্ত্রিক কারণে বুড়িমারী রোডে আটকে যায়। ওই দিন গভীর রাতে, রাত ১টার দিকে আসামিরা পে-লোডার বা ক্রেন দিয়ে ট্রাকটি উদ্ধারের লোভ দেখিয়ে ভারতীয় চালক লক্ষ্ণীনন্দর সিংকে (৩৭) একটি মোটরসাইকেলে করে নির্জন স্থানে নিয়ে যায়।

আরও পড়ুন: তাহিরপুরে প্রবাসীর স্ত্রী ও পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে উধাও নাজমুল, পরিবার উদ্বিগ্ন

পরবর্তীতে, ২২ আগস্ট রাত ৩টার দিকে পাটগ্রামের শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ইসলামপুর ভোটবাড়ী এলাকায় চালক লক্ষ্ণীনন্দর সিংকে ধারালো চাকু দিয়ে মারাত্মকভাবে জখম করা হয়। পরে তার কাছে থাকা ৮ হাজার ভারতীয় রুপি ছিনিয়ে নিয়ে তাকে রাস্তার পাশে ফেলে আসামিরা পালিয়ে যায়। পরবর্তী সময়ে টহল পুলিশ ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় গুরুতর আহত অবস্থায় চালককে উদ্ধার করে পাটগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এই ঘটনার পর শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ মো. মতিয়ার রহমান বাদী হয়ে পাটগ্রাম থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষে সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত দণ্ডবিধির ৩৬৫ ধারায় ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৩৯৪ (দস্যুতা ও আঘাত) ধারায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করেন। রায়ে উল্লেখ করা হয়, এই সাজা দুটি একই সঙ্গে চলবে। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে সবুজ মিয়া শুরু থেকেই পলাতক রয়েছেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সামসুল আলম মিলন বলেন, বিজ্ঞ আদালত দীর্ঘ শুনানি শেষে যে রায় দিয়েছেন, তাতে আমরা অত্যন্ত সন্তোষ প্রকাশ করছি। একজন বিদেশি নাগরিককে অপহরণ ও ডাকাতির মতো ন্যক্কারজনক ঘটনার এই রায় সমাজে একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

আরও পড়ুন: সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের সঙ্গে ‘দাদা ভাই বাহিনী’র বন্দুকযুদ্ধে ৫ জেলে উদ্ধার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্রান্সের দাবানল তৈরি করছে বজ্রপাত, কিন্তু কীভাবে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৫৯ এম


ফ্রান্সের দাবানল তৈরি করছে বজ্রপাত, কিন্তু কীভাবে?

ফ্রান্সের ভয়াবহ দাবানল পরিস্থিতি এবার এক অজানা ও ভয়ঙ্কর রূপ নিচ্ছে। সেখানকার দাবানলগুলো থেকে এখন তৈরি হচ্ছে বিশাল মেঘ এবং সেই মেঘ থেকেই ঝরছে বজ্রপাত! জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের জন্যই ফ্রান্সে প্রথমবারের মতো এমন বিরল ‘ফায়ার ক্লাউড’ বা আগুনের মেঘ দেখা যাচ্ছে।

ফরাসি গবেষক জ্যঁ-বাপতিস্ত ফিলিপি জানান, পর্তুগাল, ক্যালিফোর্নিয়া বা অস্ট্রেলিয়ায় এমন ঘটনা সাধারণ থাকলেও ফ্রান্সে এটি একেবারেই নতুন ঘটনা। মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দেশটিতে পরপর তিনটি তাপপ্রবাহ আঘাত হানা ও তৈরি হওয়া ঘটে এই ভয়ংকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে।

কীভাবে তৈরি হয় এই ফায়ার ক্লাউড? ফিলিপির মতে, আগুনের প্রচণ্ড তাপে জলীয় বাষ্প ঘনীভূত হয়ে বিশাল ‘কিউমুলোনিম্বাস’ বা বজ্রগর্ভ মেঘে পরিণত হয়। এই মেঘের কারণে ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার বেগে বাতাস ওপরের দিকে উঠতে থাকে। মজার ব্যাপার হলো, এই মেঘ থেকে বৃষ্টি পড়লেও তা মাটিতে পড়ার আগেই বাষ্পীভূত হয়ে যায়। ফলস্বরূপ, বায়ুমণ্ডল হঠাৎ ঠান্ডা হয়ে শক্তিশালী নিম্নমুখী ঝোড়ো বাতাস সৃষ্টি করে, যা দাবানলকে আরও উসকে দেয়।

বর্তমানে দমকলকর্মীদের দক্ষিণ-পশ্চিম ফ্রান্সের গিরোন্দ অঞ্চলে এই নতুন বিপাদের সাথে লড়াই করতে হচ্ছে। আবহাওয়া দপ্তর সাধারণ বজ্রপাতের পূর্বাভাস দিতে পারলেও, এই ‘ফায়ার ক্লাউড’ ঠিক কোথায় তৈরি হবে তা ধারণা করা প্রায় অসম্ভব। এই মেঘগুলো এতটাই অপ্রত্যাশিত যে, এরা মুহূর্তের মধ্যে বাতাসের দিক পরিবর্তন করে ফেলে। এমনকি এই মেঘ জ্বলন্ত অঙ্গার শুষে নিয়ে দূর-দূরান্তে ছড়িয়ে দিচ্ছে। ফলে দাবানল কল্পনাতীত বেগে নতুন নতুন এলাকায় ভয়ংকর রূপ নিয়ে ছড়িয়ে পড়ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইসরায়েলকে পাত্তা না দিয়ে তুরস্ককে এফ-৩৫ দিচ্ছেন ট্রাম্প?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:০৪ এম


ইসরায়েলকে পাত্তা না দিয়ে তুরস্ককে এফ-৩৫ দিচ্ছেন ট্রাম্প?

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, যিনি ইসরায়েলের আপত্তি উপেক্ষা করে তুরস্কের কাছে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রির সম্ভাবনার ওপর দৃঢ় অবস্থান নিয়েছেন, তিনি আঙ্কারাকে অসাধারণ একটি মিত্র হিসেবে অভিহিত করেছেন। স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, মার্কিন প্রতিরক্ষা উপকরণের বিক্রয় নীতি নির্ধারণে বাইরের কোনো দেশের প্রভাবে ঠেকা দেওয়া হবে না, এমনকি ইসরায়েলেরও। এ মন্তব্যগুলো, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে নির্ধারিত বৈঠকের আগে তিনি করেন।

ওয়াশিংটন থেকে মিশিগান যাওয়ার পথে, এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, তুরস্ক বরাবরই যুক্তরাষ্ট্রের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বন্ধু ও মিত্র। তিনি তুরস্ক এবং ইসরায়েলের মধ্যে দীর্ঘ দিনের রাজনৈতিক মতবিরোধ এবং নেতানিয়াহুর সঙ্গে আঙ্কারার উত্তেজনাপূর্ণ সম্পর্কের কথা স্বীকার করেন। তবে একই সঙ্গে তুরস্কের সামরিক সক্ষমতার ভূয়সী প্রশংসা করেন। ট্রাম্প উল্লেখ করেন, তুরস্কের সেনাবাহিনী এই অঞ্চলের মধ্যে অন্যতম শক্তিশালী এবং সুসজ্জিত সেনাবাহিনী।

তিনি সিরিয়া সংকটে তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের ভূমিকারও প্রশংসা করেন। সম্প্রতি ন্যাটো সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের সঙ্গে বৈঠকের পর ট্রাম্প আঙ্কারার ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া এবং এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রির বিষয়ে উন্মুক্ত ইঙ্গিত দেন। এরপর ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এ সম্ভাব্য চুক্তির প্রকাশ্য সমালোচনা করেন। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নেতানিয়াহুর এই মন্তব্যে ট্রাম্প ক্ষুব্ধ হন এবং হোয়াইট হাউসের সূত্র জানায়, ট্রাম্প মনে করেন মার্কিন অস্ত্র বিক্রির বিষয়ে নাক গলানোর অধিকার নেই ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে তুরস্ক রাশিয়ার এস-৪০০ বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ক্রয় করার পর যুক্তরাষ্ট্র আঙ্কারাকে এফ-৩৫ যুদ্ধ কর্মসূচি থেকে বাদ দেয় এবং নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। অথচ তুরস্ক এই বহুমুখী যুদ্ধবিমান প্রকল্পের অন্যতম প্রধান উৎপাদন অংশীদার ছিল। তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান বারবার এই সিদ্ধান্তকে অন্যায্য বলে আখ্যায়িত করে আসছেন এবং ন্যাটোর সম্মিলিত নিরাপত্তার স্বার্থে, তুরস্ককে পুনরায় এই কর্মসূচিতে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়ে আসছেন। যদিও ন্যাটো জোটের দ্বিতীয় বৃহত্তম সামরিক শক্তির অধিকারী হওয়া সত্ত্বেও, তুরস্ক অতীতে বিভিন্ন মিত্রের কাছ থেকে অস্ত্র নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়েছে। তবে এর মোকাবিলায় আঙ্কারা গত দুই দশকে নিজেদের প্রতিরক্ষা খাতকে স্বাবলম্বী করে তুলেছে এবং বর্তমানে ড্রোন, মিসাইল, সাঁজোয়া যান থেকে শুরু করে নিজস্ব পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান তৈরি করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ওয়াইফাইয়ের গতি বৃদ্ধি করার পদ্ধতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১২ এম


ওয়াইফাইয়ের গতি বৃদ্ধি করার পদ্ধতি

ধীরগতির ওয়াই-ফাই সংযোগের সমস্যায় যারা ভুগছেন, তারা সাধারণত রাউটারের স্থান পরিবর্তন বা এর অ্যান্টেনা ঠিক করার চেষ্টা করে থাকেন। তবে নেটওয়ার্ক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আরেকটি প্রায় উপেক্ষিত রাউটার সেটিং এই সমস্যার লক্ষণীয় সমাধান করতে পারে। চ্যানেল উইডথ বা চ্যানেল ব্যান্ডউইথ নামক এই সেটিংটি নির্ধারণ করে যে ডেটা প্রেরণের জন্য একটি রাউটার কতটা ওয়্যারলেস স্পেকট্রাম বা বর্ণালী ব্যবহার করবে। অধিকাংশ আধুনিক রাউটারে ডিফল্ট বা পূর্বনির্ধারিতভাবে ২.৪ গিগাহার্জ ব্যান্ডের জন্য ৪০ মেগাহার্জ এবং ৫ গিগাহার্জ ব্যান্ডের জন্য ৮০ মেগাহার্জ ব্যবহার করার ব্যবস্থা থাকে, অথবা এই সেটিংটি কেবল অটো মোডে রাখা হয়। তাত্ত্বিকভাবে বৃহত্তর চ্যানেলগুলো উচ্চ গতি প্রদান করতে সক্ষম হলে, এগুলো প্রতিবেশী ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কগুলোর ইন্টারফেয়ারেন্স বা সংকেত বাধার মুখে পড়ার বেশি ঝুঁকিতে থাকে; বিশেষ করে অ্যাপার্টমেন্ট বিল্ডিং এবং ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় যেখানে অনেক রাউটার একই ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে। বিশেষজ্ঞরা ব্যাখ্যা করেন যে আশপাশের ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কগুলোর বাধা সীমিত করে সংযোগের স্থায়িত্ব উন্নত করতে ২.৪ গিগাহার্জ চ্যানেল উইডথ কমিয়ে ২০ মেগাহার্জ করা যেতে পারে। ২.৪ গিগাহার্জ ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডে ওভারল্যাপ করে না এমন চ্যানেল খুব কম রয়েছে, যার অর্থ হলো বৃহত্তর চ্যানেল উইডথগুলো আরও বেশি স্পেকট্রাম দখল করে এবং সংকেত জট বা কনজেশনের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়। এর বিপরীতে, ৫ জিএইচজেড এবং ৬ গিগাহার্জ ব্যান্ডগুলো আরও বেশি চ্যানেল অফার করে এবং সাধারণত কম সংকেত বাধার মুখোমুখি হয়, যদিও স্থায়িত্বের সমস্যা দেখা দিলে ব্যবহারকারীরা এই ব্যান্ডগুলোর ক্ষেত্রেও চ্যানেল উইডথ কমাতে পারেন। এই সেটিং পরিবর্তন করতে ব্যবহারকারীরা তাদের রাউটারের অ্যাডমিনিস্ট্রেশন পেজে লগ ইন করতে পারেন—সাধারণত ব্রাউজারে নির্দিষ্ট আইপি অ্যাড্রেস টাইপ করে এটি করা যায়—এরপর ওয়্যারলেস সেটিংসে গিয়ে চ্যানেল উইডথ সামঞ্জস্য করে পরিবর্তনগুলো সেভ করতে হবে। নেটওয়ার্ক বিশেষজ্ঞরা নতুন কনফিগারেশনটি কয়েক দিন ধরে পরীক্ষা করে দেখার পরামর্শ দিয়েছেন। সংযোগ যদি কম স্থিতিশীল হয়ে ওঠে, তবে ব্যবহারকারীরা খুব সহজেই ডিফল্ট সেটিংসে ফিরে যেতে পারেন। কম জটপূর্ণ বা পরিষ্কার চ্যানেলগুলো শনাক্ত করতে ওয়াই-ফাই অ্যানালাইজার অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারেরও পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা, কারণ উপযুক্ত চ্যানেল উইডথের পাশাপাশি একটি পরিষ্কার চ্যানেল নির্বাচন করা ওয়্যারলেস পারফরম্যান্সকে আরও উন্নত করতে পারে। তবে তারা সতর্ক করে বলেছেন যে এর কোনো সর্বজনীন সমাধান নেই এবং আদর্শ কনফিগারেশনটি আশপাশের ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক, বাড়ির নকশা এবং রাউটার মডেলের মতো বিভিন্ন বিষয়ের ওপর নির্ভর করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরান যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নৌ অবরোধ প্রত্যাহারের আকুতি জানাচ্ছে: ট্রাম্পের দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১৬ এম


ইরান যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নৌ অবরোধ প্রত্যাহারের আকুতি জানাচ্ছে: ট্রাম্পের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর নৌ অবরোধের কারণে বর্তমানে ইরান দিশেহারা হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় তারা অবরোধ প্রত্যাহারের জন্য ওয়াশিংটনের কাছে আকুতি জানাচ্ছে এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এমন দাবি করেছেন।

মিশিগানে অনুষ্ঠিত জেনারেল মোটরসের অনুষ্ঠান চলাকালীন এক ভাষণে ট্রাম্প বলেন, 'আমাদের নৌবাহিনীর অবরোধ কতটা শক্তিশালী তা ভাবুন! একটি নৌকাও বর্তমানে সেখানে ঢুকতে পারছে না। আর ইরান বারবার বলে—দয়া করে, দয়া করে অবরোধ তুলে নিন।'

মার্কিন প্রেসিডেন্ট তার দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে ইরানের নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, শীর্ষ নেতৃত্ব ও বিমানবিধ্বংসী অস্ত্রগুলো সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দিয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, তাদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির সক্ষমতাও নিদারুণভাবে কমে গেছে। ট্রাম্পের ভাষ্যমতে, সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংসের ফলে বর্তমানে ইরানের ড্রোন উৎপাদন মাত্র সাত শতাংশে নেমে এসেছে।

ইরানকে মধ্যপ্রাচ্যের 'ত্রাস' হিসেবে আখ্যা দিয়ে ট্রাম্প সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার নীতি নিয়ে কড়া সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, 'ওবামা ভেবেছিলেন, ইরানকে ঘুষ দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। কিন্তু ট্রাম্পের নীতি হলো—তাদের ঘুষ নয়, বরং পিটিয়ে সোজা করতে হবে। আর যুক্তরাষ্ট্র এখন ঠিক সেটাই করছে।'

ট্রাম্প মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রের এমন কঠোর পদক্ষেপের ফলেই তেহরান এখন সমঝোতায় আসতে চাইছে। তিনি বলেন, 'যদি আমরা তাদের সঙ্গে কঠোর না হতাম, তবে কোনো আলোচনা হতো না। তবে বর্তমানে আমাদের তাদের সঙ্গে অত্যন্ত বন্ধুত্বপূর্ণ আলোচনা চলছে। শেষ পর্যন্ত কী ঘটে, সেটাই এখন দেখতে হবে.'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%