ঢাকা রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

বেনাপোলে মাদক ব্যবসায়ী থাকবে, না হলে পুলিশ থাকবে- যোগদানের পাঁচ দিনেই কঠোর বার্তা ওসির


বেনাপোলে মাদক ব্যবসায়ী থাকবে, না হলে পুলিশ থাকবে- যোগদানের পাঁচ দিনেই কঠোর বার্তা ওসির

বেনাপোল পোর্ট থানায় যোগদান করার মাত্র পাঁচ দিনের মধ্যে নবাগত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহীদ তিতুমীর মাদকবিরোধী কঠোর অবস্থান গ্রহণ করে স্থানীয় জনগণের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। একের পর এক অভিযান পরিচালনা, পাড়া-মহল্লায় সরাসরি উপস্থিতি এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে আলোচনা করে তিনি মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা প্রদান করছেন। তাঁর এই উদ্যোগের ফলে বেনাপোলজুড়ে নতুন আশার সঞ্চার ঘটেছে।

সম্প্রতি, স্থানীয় একটি মসজিদে নামাজ আদায় করার সময় মুসল্লিদের সামনে মাদক নির্মূলে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন ওসি শহীদ তিতুমীর। এ সময় তিনি উল্লেখ করেন, "হয় বেনাপোলে মাদক ব্যবসায়ীরা থাকবে, না হয় পুলিশ থাকবে।" তাঁর এই বক্তব্য উপস্থিত মুসল্লি ও স্থানীয় জনগণের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

যোগদান করার পর থেকেই মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম শুরু করেছেন তিনি। পুলিশ বারোপোতা বাজারে অভিযান চালিয়েছে, যা মাদক চোরাচালানের অন্যতম প্রবেশপথ হিসেবে পরিচিত। পাশাপাশি, ছোটআঁচড়া-শিকড়ি সড়ক, বেনাপোল পৌরগেটসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: শ্রমিক আন্দোলনে আ.লীগ ও বিরোধী দলের ভাঙচুর-লুটপাটের অভিযোগ মুজিবুরের

এখানেই থেমে থাকেননি ওসি। বেনাপোল পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন বাড়িতে গিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্ক করেছেন। তিনি মাদক ব্যবসা ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর বার্তা হলো, "প্রয়োজনে দুই হাত-পা দিয়ে পরিশ্রম করে জীবিকা নির্বাহ করতে হবে, তবুও মাদক বিক্রির মতো অপরাধে জড়ানো যাবে না।"

মাদকের পাশাপাশি কিশোর ও তরুণদের মোবাইল আসক্তি এবং অনলাইন জুয়া নিয়েও তিনি কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। বিশেষ করে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের মোবাইলের অপব্যবহার ও অনলাইন জুয়ার ফাঁদে পা না দিতে অভিভাবকদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

বেনাপোল দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর ও সীমান্তবর্তী এলাকা। এই অঞ্চলে মাদক চোরাচালান প্রতিরোধ পুলিশের জন্য বরাবরই একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তাই শুধুমাত্র অভিযান নয়, অপরাধ দমনে ধারাবাহিক নজরদারি এবং স্থানীয় জনগণের সহযোগিতাও অত্যাবশ্যক।

যোগদানের পাঁচ দিনের মধ্যে ওসি শহীদ তিতুমীরের এই কার্যক্রম স্থানীয় জনগণের মধ্যে প্রত্যাশা তৈরি করেছে। তবে এই কঠোর অবস্থান কতটা কার্যকর ও দীর্ঘস্থায়ী হবে, সেটাই এখন দেখার বিষয়। এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, মাদক ও অপরাধ দমনে তাঁর এই উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে এবং বেনাপোল পোর্ট থানা সুনাম ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।

আরও পড়ুন: বিএনপির অধীনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠু সম্ভব নয় : এটিএম আজহার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হরিরামপুরে কাঠের ভাঙ্গা সেতুই ১৫ গ্রামের মানুষের যাতায়াতের একমাত্র ভরসা, জলদূর্ভোগ চরমে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:১৯ পি.এম


হরিরামপুরে কাঠের ভাঙ্গা সেতুই ১৫ গ্রামের মানুষের যাতায়াতের একমাত্র ভরসা, জলদূর্ভোগ চরমে

মানিকগঞ্জের হরিরামপুরের দুর্গম চরাঞ্চল লেছড়াগঞ্জ ইউনিয়নের নটাখোলা এলাকায় অবস্থিত ভাঙাচোরা কাঠের সেতুটি প্রায় ১৫টি গ্রামের মানুষের জন্য একমাত্র ভরসা হিসেবে কাজ করছে। সেতুটির দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থার কারণে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন যে, জনপ্রতিনিধিরা মেরামতের কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করেননি। এই ভাঙা সেতুর উপর দিয়ে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন ইউনিয়নের শত শত মানুষ। চলাচল করছে চলাঞ্চলের একমাত্র বাহন হিসেবে শত শত মোটরসাইকেল চালকেরাও।

‎

প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, প্রায় ১৫ বছর আগে সাবেক চেয়ারম্যান প্রয়াত শেখ আলমাসের উদ্যোগে এই কাঠের সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছিল। সেতুটি সিমেন্টের খুঁটির ওপর কাঠ দিয়ে নির্মিত হয়। নির্মাণের দুই বছর পর থেকেই সেতুটির বিভিন্ন অংশ ভাঙতে শুরু করে। বর্তমানে দীর্ঘদিনের ব্যবহারে সেতুটির রেলিংসহ নিচের পাটাতন অনেক স্থানে ভেঙে গেছে। নটাখোলা থেকে লেছড়াগঞ্জ, সুতালড়ী ও আজিমনগর তিনটি ইউনিয়নের হাজার হাজার জনগণ এই সেতু দিয়ে চলাচল করে। কবিরপুর, মুনছুরাবাদ, আটত্রিশদাগ, চর ইসলামপুর (ভগবানচর), কাজিকান্দা, এনায়েত পুর, নারান্দিয়া, বসনপুর, বালিয়াচক, গঙ্গাধরদী, পাটগ্রাম, হালুয়াঘাটা, ন'টাখোলাসহ ১৫টি গ্রামের মানুষের যোগাযোগের জন্য এই সেতুটি অপরিহার্য।

‎

এছাড়াও, ৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা ঝুঁকিপূর্ণ এ কাঠের সেতু ব্যবহার করে বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়া করে। সেতুটির মেরামত না হওয়ার কারণে এ অঞ্চলের কৃষকেরা কৃষি পণ্য নিয়ে বিভিন্ন হাটবাজারে যেতে পারছেন না। শুকনো মৌসুমে সেতুর নিচ দিয়ে ঘোড়ার গাড়িতে মালামাল আনানেয়া করতে পারলেও বছরের প্রায় ছয় থেকে সাত মাস খালে পানি থাকায় নিচ দিয়ে কোনো প্রকার যানবাহন চলাচল করতে পারে না।

‎

নটাখোলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মুক্তা আক্তার জানান, চরাঞ্চলের জন্য এই রাস্তা অত্যন্ত জনগুরুত্বপূর্ণ। এই রাস্তা দিয়েই বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা যাতায়াত করে। কিন্তু কাঠের সেতুটির বিভিন্ন স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। দুই পাশের রেলিং এবং অনেক স্থানে নেই। সেতুর পাশে উঠার জায়গায় অনেকটা ফাঁকা। সেখানকার কাঠ ভেঙে গেছে। ঝুঁকি নিয়ে মোটরসাইকেলসহ মানুষজন পায়ে হেঁটে চলাচল করছে। সেতুটির পুনঃসংস্করণ করা খুবই জরুরী হয়ে পড়েছে। এখানে একটি স্থায়ী ব্রিজ হলে এ অঞ্চলের মানুষের জন্য সবচেয়ে উপকার হবে। এই সেতুর জন্য মানুষের দুর্ভোগের যেন শেষ নেই।

‎

নটাখোলা আফরোজা উচ্চ বিদ্যালয়ের সরকারি শিক্ষক মো. হান্নান মিয়া জানান, এই সেতুটি প্রায় ১৫ বছর আগে নির্মাণ করা হয়েছিল। নির্মাণের পর দুই বছর অতিবাহিত না হতেই ভাঙন দেখা দেয়। এরপর আর সংস্কার করা হয়নি। সিমেন্টের পিলারের উপরে নির্মিত এই কাঠের সেতুটি বর্তমানে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এর ফলে চলাঞ্চলের কয়েক হাজার মানুষ দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। তাদের দাবি, এখানে একটি স্থায়ী ব্রিজ নির্মাণ করে চরাঞ্চলের জনগণের যাতায়াতের সুব্যবস্থা করা হোক।

‎

ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালক আনিস জানান, এই রাস্তাটি তাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন চলাঞ্চলের প্রায় শত শত মোটরসাইকেল এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করে। বর্তমান সেতুটির যে অবস্থা, মোটরসাইকেল তো দূরের কথা, পায়ে হেঁটে চলাচল করাও খুব কষ্টকর। মোটরসাইকেল নিয়ে উঠলে তাদের আত্মায় পানি থাকে না। তাদের দাবি, এখানে একটি পাকা ব্রিজ নির্মাণ করে সমস্যার সমাধানের স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

‎

৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোহাম্মদ মোতালেব হোসেন জানান, প্রায় দুই বছর আগে এখানে ব্রিজ নির্মাণের জন্য সয়েল টেস্ট করা হয়েছিল। এরপর থেকে আর কোনো খোঁজ খবর পাওয়া যায়নি। এই সেতুটি প্রতিবছরই মেরামত করতে হয়। এখানে একটি ব্রিজ অতি জরুরি হয়ে পড়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে তাদের দাবি, এখানে জরুরি ভিত্তিতে একটি স্থায়ী ব্রিজ নির্মাণের ব্যবস্থা করা হলে অঞ্চলের জনগণের অনেক উপকার হবে।

‎

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ শাহীনুজ্জামান ইনকিলাবকে জানিয়েছেন, "গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে এখানে ব্রিজের বিষয়ে মানিকগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মঈনুল ইসলাম খান শান্ত স্যারের ডিও লেটার সহ মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাবনা দেওয়া আছে। প্রস্তাবনা প্রকল্পটি অনুমোদন পেলেই কাজ শুরু করা হবে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লালবাগে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে যুবকের প্রাণ গেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:১৯ পি.এম


লালবাগে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে যুবকের প্রাণ গেল

লালবাগের শহিদ নগর এলাকায় একটি নির্মীয়মাণ ভবনের সামনে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে বিপ্লব (২৬) নামে এক যুবকের মৃত্যু ঘটেছে। রবিবার (১ নভেম্বর) দুপুরের দিকে এই ঘটনাটি ঘটে।

নিহত যুবক মো. দেলোয়ারের পুত্র হিসেবে পরিচিত। তিনি শহিদ নগরে বসবাস করতেন। রবিবার দুপুরে দুর্বৃত্তরা তার ওপর হামলা চালালে বিপ্লব দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু দুর্বৃত্তরা তাকে ধরে কুপিয়ে হত্যা করে।

লালবাগ থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মো. রাশেদুজ্জামান ঘটনাস্থল থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ‘শহিদ নগর ৬ নম্বর গলিতে দুর্বৃত্তরা বিপ্লবকে কুপিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যায়।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা পুরো বিষয়টি তদন্ত করছি। মরদেহ উদ্ধার প্রক্রিয়াসহ আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আইনিভাবে কথা বলবেন শরিফুল রাজ, মুক্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:২০ পি.এম


আইনিভাবে কথা বলবেন শরিফুল রাজ, মুক্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা

ঢাকাই সিনেমার অভিনেতা শরিফুল রাজ ‘ঠিকানা’ সিনেমা নিয়ে আইনি জটিলতায় জড়িয়ে পড়েছেন। সিনেমাটির প্রযোজক শাহরিন আক্তার তাকে চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন ও আর্থিক ক্ষতির অভিযোগে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন। নোটিশে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জবাব দেওয়ার জন্য সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। প্রযোজক জানিয়েছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব না পেলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে অভিনেতা শরিফুল রাজ তার অবস্থান তুলে ধরেছেন। তিনি দাবি করেছেন, প্রযোজকপক্ষের আসলে টাকা বা শিডিউল নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। আইনি নোটিশ প্রসঙ্গে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “একবার বলে টাকার কথা, আমি নাকি টাকা দিচ্ছি না। আবার বলে শিডিউলের কথা। তারা আসলে কী চায়? টাকা চাইলে নিয়ে যাক। আর যদি শিডিউল চায়, সেটা তো অবশ্যই দিব। আমি তো সিনেমা করতে এসেছি।”

রাজ জানান, আসন্ন ঈদে সিনেমা মুক্তির পরিকল্পনা থাকলেও চুক্তিতে অন্য কোনো সিনেমায় কাজ করার বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা ছিল না। তিনি দাবি করেন, প্রযোজকের পাঠানো আইনি নোটিশে ছবিটি ঈদের পর মুক্তির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সিনেমাটি ঈদেই আসবে। আর কোনো সিনেমা করা যাবে না, বিষয়টা এমন নয়। তাদের ইচ্ছা ঈদে মুক্তি দিবে, ওকে। কিন্তু অন্য কোনো সিনেমা করা যাবে না- এটা তো চুক্তিতে নাই।”

চুক্তির শর্ত নিয়ে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে রাজ বলেন, চুক্তির ৪.১১ ধারা এবং আইনি নোটিশের দ্বিতীয় ধারায় সিনেমাটির মুক্তি ও শিডিউল সংক্রান্ত বিষয় উল্লেখ রয়েছে। তবে ছবিটি ঠিক কবে মুক্তি পাবে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কিছু বলা হয়নি। আইনি নোটিশ পাঠানোর পর তিনি আইনিভাবে বিষয়টির মোকাবিলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

রাজ বলেন, “এখন আমিও আইনিভাবে কথা বলব। চুক্তির ভিন্নতা নিয়ে অনেক কিছুই বলতে পারি। আমার কাজ শিডিউল দেওয়া, শুটিং করা। এখন বছরে তো আমি একটা ছবি করছি না।” তিনি আরও জানান, পেশাগত জায়গায় কাজ নিয়ে বেশি ভাবতে চান এবং প্রযোজক-পরিচালকের প্রতি যথেষ্ট সম্মান রয়েছে।

প্রযোজক ও অভিনেতার পাল্টাপাল্টি বক্তব্যের মধ্যে ‘ঠিকানা’ সিনেমার ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তবে বিষয়টি শেষ পর্যন্ত কোন দিকে গড়ায়, সেটি দেখার অপেক্ষা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পোশাকশ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধির দাবি ৩০ হাজার টাকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:২০ পি.এম


পোশাকশ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধির দাবি ৩০ হাজার টাকার

তিন বছর আগে পোশাকশ্রমিকদের জন্য ন্যূনতম বেতন সাড়ে ১২ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। সম্প্রতি, শ্রমিকরা রাজধানী মিরপুর ও গাজীপুরের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করে ৩০ হাজার টাকার বেতন বৃদ্ধির দাবি জানাচ্ছেন। পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষও ঘটেছে।

আজ রবিবার (১ নভেম্বর) সরকার পোশাকশিল্পের শ্রমিকদের মজুরি পুনর্নির্ধারণের জন্য একটি ছয় সদস্যের মজুরি বোর্ড গঠন করেছে। শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে নতুন বোর্ডের ঘোষণা দেন।

শ্রম আইন, ২০০৬-এর সংশোধিত ধারা ১৩৯ অনুযায়ী, বোর্ডের দায়িত্ব হবে সংশ্লিষ্ট শিল্প খাতের শ্রমিকদের জন্য নিম্নতম মজুরি নির্ধারণের সুপারিশ করা। সরকার বোর্ডের সুপারিশ পর্যালোচনা করে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত করবে এবং গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে তা কার্যকর করবে।

এর আগে ২০২৩ সালের ১২ নভেম্বর পোশাকশ্রমিকদের জন্য ন্যূনতম মজুরির পাশাপাশি গ্রেডভিত্তিক মজুরি নির্ধারণ করে সরকার গেজেট প্রকাশ করেছিল, যা বর্তমানে কার্যকর রয়েছে।

বর্তমান মজুরিকাঠামোয় ১ নম্বর গ্রেডের পোশাকশ্রমিকদের সর্বোচ্চ মোট মজুরি ১৪ হাজার ৭৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। গ্রেড ২–এ মোট মজুরি ১৪ হাজার ১৫০ টাকা, গ্রেড ৩–এ ১৩ হাজার ৫৫০ টাকা এবং গ্রেড ৪–এ ১৩ হাজার ২৫ টাকা ঘোষণা করা হয়েছে। সর্বশেষ গ্রেড ৫–এ ন্যূনতম মজুরি সাড়ে ১২ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, পোশাকশিল্পের কর্মচারীদের জন্য ন্যূনতম মজুরি ১২ হাজার ৮০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। কর্মচারীদের জন্য চারটি গ্রেড নির্ধারণ করা হয়েছে, যার সর্বোচ্চ গ্রেডে মোট মজুরি ১৮ হাজার ৮০০ টাকা এবং শিক্ষানবিশ কর্মচারীর মজুরি ৯ হাজার ৯৫০ টাকা।

২০২৩ সালের আগে সর্বশেষ পোশাকশিল্পের মজুরিকাঠামো ২০১৮ সালে ঘোষিত হয়েছিল। সেবার শ্রমিকদের জন্য ৭টি গ্রেডে মজুরি নির্ধারণ করা হয়েছিল, যেখানে ন্যূনতম শ্রমিক মজুরি ৮ হাজার টাকা ছিল।

১৯৯৪ সালে প্রথম মজুরি বোর্ডে পোশাকশ্রমিকদের জন্য নিম্নতম মজুরি ৯৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এরপর ২০০৬ ও ২০১০ সালে মজুরি বৃদ্ধি পায়। ২০১৩ সালে পোশাকশ্রমিকদের নিম্নতম মজুরি ৭৬ শতাংশ বৃদ্ধি করে ৫ হাজার ৩০০ টাকা করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%