বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং
১২:৫৭ এম
সেনবাগে নেশার টাকা না পেয়ে ৯ম শ্রেণির এক স্কুল ছাত্র মাশরাফিকে দলবদ্ধভাবে নির্যাতন চালানোর অভিযোগ উঠে আসছে। মারধরের পর হামলার ভিডিও কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। নির্যাতনের শিকার মাশরাফি ছিলোনীয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণির ছাত্র। সে উত্তর গোরকাটা গ্রামের সৌদি প্রবাসী নুরুল আজমের পুত্র। মাশরাফির খালাতো ভাই ইয়াকুব হোসেন বাবু জানান, গতকাল সন্ধ্যায় মাশরাফি প্রাইভেট শেষ করে নিজ গ্রাম উত্তর গোরকাটার দিকে রওনা দেয়। পথে কাদরা ফরিদ মেম্বার বাড়ি সংলগ্ন রাস্তায় পৌঁছালে, একদল বখাটে কিশোর গ্যাং তার পথরোধ করে নেশার জন্য টাকা দাবি করে। মাশরাফি টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সেই বখাটেরা অতর্কিতভাবে তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং দলবদ্ধভাবে পিটিয়ে তাকে গুরুতর আহত করে। লোকলজ্জার ভয়ে আহত মাশরাফি প্রথমে পরিবারকে সড়ক দুর্ঘটনার (এক্সিডেন্ট) কথা জানালেও, পরবর্তীতে বখাটেদের ছড়িয়ে দেওয়া নির্মম নির্যাতনের ভিডিওটি ইন্টারনেটের মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার ফলে পরিবারের সদস্যরা আসল সত্যটির ব্যাপারে জানেন। জানা গেছে, এই কিশোর গ্যাংয়ের ২/৩ জনের বাড়ি কাদরা ফরিদ মেম্বার বাড়ির কাছেই এবং বাকিরা আশেপাশের এলাকা থেকে এসেছে। এই চাঞ্চল্যকর ও ন্যাক্কারজনক ঘটনার পর সেনবাগ থানায় মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান সেনবাগ থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মোঃ আবদুর রহিম সরকার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁদপুর জেলার পুলিশ সুপার রবিউল হাসান জানিয়েছেন, ধর্মীয় অবমাননাময় ফেসবুক গুজবের বিষয়ে সকলকেই সজাগ থাকতে হবে। বর্তমানে এটি একটি ট্রেন্ডিং হয়ে উঠেছে যেখানে একে অপরকে ফাঁসানোর চেষ্টা চলছে। কথায় কথায় ধর্ম অবমাননার ঘটনা ঘটছে এবং এর মাধ্যমে মব তৈরি হচ্ছে। যদিও দেশের হিন্দু সম্প্রদায় এতে বেশি ক্ষতির শিকার হচ্ছে। সুতরাং, যদি কোনো ফেক আইডি বা গুজব সম্পর্কিত কিছু নজরে আসে, তাহলে অবশ্যই পুলিশকে অবহিত করতে হবে। ২৪ জুন বুধবার পুলিশ সুপারের হল রুমে জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ এবং জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সঙ্গে সাম্প্রতিক নানা ইস্যু ও নিরাপত্তা নিয়ে এক মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
পুলিশ সুপার রবিউল আরও উল্লেখ করেন, রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে আপনাদের যতটুকু নিরাপত্তা প্রয়োজন, তা নিশ্চিত করার জন্য পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে। সনাতনসহ ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায় এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা করার জন্য আমরা কাজ করবো। এছাড়া আসন্ন রথযাত্রা উৎসবকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলার যেকোন বিষয়ে আমাদেরকে জানালে আমরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেব। আমরা পুলিশি কার্যক্রম সুন্দরভাবে পরিচালনা করব, এজন্য আপনারা আমাদের তথ্য সহায়তা করবেন, এটা আমাদের প্রত্যাশা।
সভাটি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফর রহমানের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুভাষ রায়, সাধারণ সম্পাদক তমাল কুমার ঘোষ, সহসভাপতি গোপাল সাহা, জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক বিনয় ভূষণ মজুমদার, সদস্য সচিব অজিত সাহা, জেলা যুব ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক অমরেশ দত্ত জয়, জেলা মহিলা ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক শিপ্রা মজুমদার, কচুয়া উপজেলা ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়তোষ পোদ্দারসহ দুই সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁদপুরে গাঁজাসহ একজন মাদক কারবারিকে আটক করার ঘটনা ঘটেছে। এফএনএস (মিজানুর রহমান; চাঁদপুর) সংবাদে জানানো হয়েছে যে, মাদকের বিরুদ্ধে চাঁদপুর কোস্ট গার্ডের অভিযানে ১৬ কেজি গাঁজাসহ ওই মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। বুধবার ২৪ জুন ২০২৬ বিকালে কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য উপস্থাপন করেন।
তিনি আরও জানান, চাঁদপুরের সদর থানাধীন বড় স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় বুধবার দুপুর ২ টায় কোস্ট গার্ড স্টেশন চাঁদপুর কর্তৃক গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একটি বিশেষ অভিযান সুসম্পন্ন হয়। এই অভিযান চলাকালীন উক্ত এলাকায় সন্দেহজনক একজন ব্যক্তিকে তল্লাশি করার সময় তার সাথে থাকা লাগেজ ও ব্যাগ থেকে প্রায় ৪ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা মূল্যের ১৬ কেজি গাঁজা জব্দসহ তাকে আটক করা হয়।
আটক মাদক কারবারির নাম মো: শামীম মোল্লা (২৬)। তিনি গোপালগঞ্জ জেলার কাশীয়ানী থানা ফুকরা গ্রামের কদম আলী মোল্লা'র ছেলে হিসেবে পরিচিত। জব্দকৃত গাঁজা ও আটককৃত মাদক কারবারির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা আরও মন্তব্য করেন যে, ভয়াবহ মাদকের বিস্তার রোধে কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে নোয়াখালী সাংবাদিক ইউনিয়নের (এনইউজে) আয়োজনে ‘ফল উৎসব ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ৯ টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত নোয়াখালী প্রেসক্লাব অডিটোরিয়ামে এই উৎসবের আয়োজন করা হয়। নোয়াখালী সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি অধ্যাপক লিয়াকত আলী খানের সভাপতিত্বে সিনিয়র সহ-সভাপতি আজাদ ভূঁইয়া এবং দপ্তর সম্পাদক নাসিম শুভ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর আলো, নোয়াখালী জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন, নোয়াখালী জেলা সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মোঃ মনির হোসেন, নোবিপ্রবির ব্যবসা প্রশাসন অনুষদের ডিন ড. আব্দুল কাইয়ুম মাসুদ। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ইউসুফ আলী, নোয়াখালী সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ কাজী মোহাম্মদ রফিক উল্লাহ, জেলা জামায়াতের আমির ইসহাক খন্দকার, সেক্রেটারি মাওলানা বোরহান উদ্দিনসহ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নোবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, বর্তমানে দেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক সহাবস্থান এবং গণতান্ত্রিক সৌন্দর্যের ওপর বিশেষ গুরুত্বарোপ করেন। তিনি বলেন, দেশে একটি গণতান্ত্রিক সত্তা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ভবিষ্যতে আবার নতুন করে নির্বাচন হবে এবং সেখানে জনগণই বিচার করবে তারা কাদেরকে সরকারে দেখতে চায়। এটিই হলো গণতন্ত্রের আসল সৌন্দর্য। দীর্ঘদিন পর আমরা এই মুক্ত বাতাসের সুবাস পাচ্ছি। প্রেসক্লাবে রাজনৈতিক দলগুলোর এই সম্মিলিত অংশগ্রহণকে সাধুবাদ জানিয়ে উপাচার্য বলেন, “আজ এখানে সব দল মিলে একত্রে বসে আপনারা এই আনন্দ উপভোগ করছেন, এর চেয়ে সুন্দর দৃশ্য আর কিছু হতে পারে না। এখানে উপস্থিত সাংবাদিক ভাইদের ভেতরে হয়তো ভিন্ন ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শ থাকতে পারে, কিন্তু সবাই মিলে একসাথে বসা এবং কাজ করার এই যে অনন্য সুযোগ, তা আমরা বর্তমান পরিবর্তিত পরিস্থিতির কারণেই পেয়েছি। তিনি আরও যোগ করেন, “আমাদের মধ্যে রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকবেই, কিন্তু পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা অটুট রাখতে হবে। এই সম্মিলিত প্রয়াস এবং একসাথে কাজ করার মানসিকতা যদি জাগ্রত হয়, তবে আমরা নোয়াখালী জেলাকে উন্নয়নের এক অন্যতম উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারবো।” নোয়াখালীর সামগ্রিক উন্নয়ন এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সহ সকল প্রতিষ্ঠানের অগ্রগতিতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, সাংবাদিক ও রাজনৈতিক দলগুলোকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। অনুষ্ঠানে বক্তারা বাঙালির ঐতিহ্যবাহী ফল উৎসবের এই চমৎকার আয়োজনের জন্য নোয়াখালী সাংবাদিক ইউনিয়নকে ধন্যবাদ জানান। একই সাথে তাঁরা পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি এ ধরণের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। এ ছাড়া ফল উৎসবে উপস্থিত ছিলেন, নোয়াখালী সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ও দিনকাল নোয়াখালী প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলম, সিনিয়র সহ-সভাপতি ও আমার দেশ নোয়াখালী প্রতিনিধি আজাদ ভূঁইয়া, সহ-সভাপতি ও এটিএন বাংলা নোয়াখালী প্রতিনিধি তাজুল ইসলাম মানিক ভূঁইয়া, সহ-সভাপতি ও সাপ্তাহিক চলতিধারা সম্পাদক এমবি আলম, সহ-সভাপতি ও ইনকিলাব নোয়াখালী সংবাদদাতা এহসানুল আলম খসরু, সহ-সভাপতি এস এম রিজোয়ান, সিনিয়র যুগ্ন সাধারন সম্পাদক ও কালবেলা জেলা প্রতিনিধি মোঃ মোজাম্মেল হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক মোজাম্মেল কামাল, যুগ্ম সম্পাদক ইমাম উদ্দিন আজাদ, ইসলামিক টিভির জেলা প্রতিনিধি ও কোষাধ্যক্ষ কামরুল কানন, প্রতিদিনের সংবাদ জেলা প্রতিনিধি ও সাংগঠনিক সম্পাদক জুয়েল রানা লিটন, এখন টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টর ও দপ্তর সম্পাদক নাসিম শুভ, স্টার নিউজের জেলা প্রতিনিধি এবং সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া রাহাত, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা মেইল এবং টাইমস অপ বাংলাদেশ জেলা প্রতিনিধি মোঃ মাহবুবুর রহমান, ক্রীড়া ও প্রচার সম্পাদক ও ভোরের আলো জেলা প্রতিনিধি ফজলুল কাদের রাজু। নির্বাহী সদস্য ও দৈনিক দিশারী সম্পাদক আকাশ মোঃ জসিম, নির্বাহী সদস্য এ কে এম আনোয়ার তোহা, মোঃ সালাহ উদ্দিন, সিরাজ উদ্দিন শাহিন, মুজাহিদুল ইসলাম সোহেল, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম শায়েস্তানগরী, এম এস জামাল। এ ছাড়া উপদেষ্টাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, দৈনিক সংগ্রামের জেলা প্রতিনিধি ডা: বোরহান উদ্দিন, সময় টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টার সাইফুল্লাহ কামরুল, এনটিভির স্টাফ রিপোর্টার মাসুদ পারভেজ, প্রথম আলোর স্টাফ রিপোর্টার মাহবুবুর রহমান, নয়া দিগন্তের স্টাফ রিপোর্টার মোহাম্মদ হানিফ ভূঁইয়া। জেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কালেক কন্ঠের নিজস্ব সংবাদদাতা শামসুল হাসান মিরন, যমুনা টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টার মোতাসিম বিল্লাহ সবুজ, চ্যানেল নাইন নোয়াখালী প্রতিনিধি মোঃ আজিজ সহ আরো অনেকে। এসময় বিভিন্ন দেশীয় ও মৌসুমি ২০ ধরনের ফল দিয়ে বৈচিত্র্যময় চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়। এটি আগত অতিথিদের মাঝে বেশ প্রশংসিত হয়েছে। অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত অতিথিদের বিভিন্ন রকমের রসালো ও সুস্বাদু ফল দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাসিরনগরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরকারি খাস জমিতে নির্মাণ করা টিনশেড ও সেমিপাকা দোকানঘর এবং বসতঘরগুলো ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমায় উচ্ছেদ করা হয়েছে। আজ বুধবার দুপুরে গোকর্ণ ইউনিয়নের নুরপুর এলাকায় খাস জায়গায় নির্মিত স্থাপনাগুলোকে উচ্ছেদ করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নাসিরনগর উপজেলার নূরপুর মৌজায় ১ নং খাস খতিয়ানভূক্ত ১৬৭ শতক ভূমির উপর টিনশেডের দোকান ও সেমিপাকা দোকানঘরসহ বসতঘর নির্মাণ করা হয়েছিল। স্থানীয় রাস্তা ও খাল শ্রেণির জায়গার উপর নির্মিত অবৈধ স্থাপনাসমূহের উচ্ছেদের জন্য মামলা নং ১২/২০২৫ এর রায়ের আলোকে এসব স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয়েছে। এ অভিযানটি সহকারি কমিশনার ভূমি ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সাহেল আহমদের নেতৃত্বে এবং নাসিরনগর থানার পুলিশের সহযোগিতায় পরিচালিত হয়।
অভিযানে ১৮ টি অবৈধ স্থাপনা টিনশেডের দোকান এবং সেমিপাকা বসতঘর উচ্ছেদ করা হয়েছে। সহকারি কমিশনার ভূমি সাহেল আহমদ উচ্ছেদের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, নূরপুর মৌজায় ১ নং খাস খতিয়ানভূক্ত উচ্ছেদ মামলা নং ১২/২০২৫ এর রায় বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ১৬৭ শতক খাল শ্রেণি ভূমি থেকে ১৮ টি টিনশেড এবং সেমিপাকা বসতঘরসহ দোকানঘর উচ্ছেদ করা হয়। তিনি জানান, উপজেলার বাকি অবৈধ স্থাপনাগুলোও পর্যায়ক্রমে ভেঙে দেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ