বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৫৭ পি.এম
কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ জানিয়েছেন যে, দেশে সারের কোনো সংকট নেই এবং বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে সারের সংকট হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার ঝিলিম ইউনিয়নের হোসেনডাঙ্গা এলাকায় কৃষি উদ্যোক্তা আতিক উদ্দিনের গ্রীষ্মকালীন টমেটো ক্ষেত এবং বিলবৈটা এলাকার উদ্যোক্তা মোহাম্মদ আলীর বাগান পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
কৃষিমন্ত্রী মাঠপর্যায়ের ফসলি জমির বর্তমান চিত্র তুলে ধরে বলেন, বর্তমানে জমিতে ফসলের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গেছে। এখন প্রায় সব জমিতে ধান রয়েছে। ধান কাটার পর আরেকটি ফসলের জন্য সারের প্রয়োজন হবে, যা আগামী ২৫ দিন বা এক মাস পরের বিষয়। তাই এই মুহূর্তে সারের সংকট হওয়ার কোনো কারণ তিনি দেখছেন না।
মন্ত্রী কৃষিবান্ধব নীতির কথা উল্লেখ করে বলেন, এই সরকার জনগণের সরকার এবং কৃষকের সরকার। সরকারের মূল উদ্দেশ্য হলো কৃষিকে স্বাবলম্বী করা, উৎপাদন বৃদ্ধি করা এবং কৃষিপণ্যকে রপ্তানিমুখী করা। তাই চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সব সার সরবরাহ করা হবে।
সারের ডিলার নিয়োগ প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, ডিলার নিয়োগের জন্য সরকারের সুনির্দিষ্ট নীতিমালা রয়েছে। নীতিমালা অনুযায়ী শর্ত পূরণ সাপেক্ষে বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে একাধিক ব্যক্তি জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেছিলেন। আবেদনগুলো তদন্তের দায়িত্ব উপজেলা কর্মকর্তাদের ওপর ছিল। তাদের পাঠানো তিনজনের নামের তালিকার শীর্ষে থাকা ব্যক্তিকে ডিলার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, ডিলার নিয়োগের পুরো প্রক্রিয়াটি জেলা প্রশাসকের (ডিসি) নেতৃত্বাধীন পূর্ণাঙ্গ কমিটির মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে। তিনি জানান, কোনো একক ব্যক্তির সিদ্ধান্তে এই নিয়োগ হয়নি। তবে যদি নীতিমালার বাইরে গিয়ে কোথাও কোনো নিয়োগ দেওয়া হয়ে থাকে, তাহলে সরকার সে বিষয়ে নতুন করে সিদ্ধান্ত নেবে।
পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মুসা জঙ্গি, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আতিকুল ইসলামসহ প্রশাসন ও কৃষি বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজবাড়ীতে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে নারীদের অংশগ্রহণ পুরুষদের তুলনায় অনেক কম হওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম। তিনি উল্লেখ করেছেন, যুবকদের পাশাপাশি নারীদেরও আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তোলা প্রয়োজন। নারীদের পিছিয়ে রেখে আত্মনির্ভর বাংলাদেশ গড়া সম্ভব নয়। এই কারণে প্রশিক্ষণে নারী ও পুরুষের অংশগ্রহণের ব্যবধান কমানোর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আরও উদ্যোগী হতে হবে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে রাজবাড়ীর আলাদিপুর যুব প্রশিক্ষণকেন্দ্রে জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে জেলা প্রশাসন ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর আয়োজিত আলোচনাসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
প্রশিক্ষণে নারী ও পুরুষের অংশগ্রহণের পরিসংখ্যান তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, চলতি অর্থবছরে বিভিন্ন প্রশিক্ষণে ৫২২ জন পুরুষ অংশগ্রহণ করেছেন। এর বিপরীতে নারীর সংখ্যা মাত্র ৬২ জন। অর্থাৎ প্রশিক্ষণে দুই পক্ষের অংশগ্রহণে একটি বড় ধরনের ব্যবধান রয়েছে। গবাদিপশু পালন, হাঁস-মুরগি পালন ও মৎস্য চাষের মতো প্রশিক্ষণেও নারীদের অংশগ্রহণ তুলনামূলকভাবে কম।
তিনি আরও বলেন, নারীদের এগিয়ে নিতে চাইলে প্রশিক্ষণের সুযোগেও তাদের সমানভাবে সম্পৃক্ত করতে হবে। কেন নারী প্রশিক্ষণার্থীর সংখ্যা এত কম, তা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের খতিয়ে দেখতে হবে। এই ক্ষেত্রে যথাযথ পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি থাকা প্রয়োজন।
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, আমাদের সরকার চায়, যুবক-যুবতীরা প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করে আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠুক। এ লক্ষ্যে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের কার্যক্রমকে আরও এগিয়ে নেওয়া হবে।
এ সময় চলতি অর্থবছরের প্রশিক্ষণ ও অন্যান্য কার্যক্রমের পৃথক হিসাব প্রস্তুত করে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন তিনি।
রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীনের সভাপতিত্বে সভায় পুলিশ সুপার মীর মনির হোসেন, জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক চায়না ব্যানার্জিসহ জেলা প্রশাসন ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং প্রশিক্ষণার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, রাজবাড়ী যুব প্রশিক্ষণকেন্দ্র প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত ১৩ হাজার ১৬৩ জনকে বিভিন্ন ট্রেডে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। চলতি অর্থবছরে গবাদিপশু পালন, হাঁস-মুরগি পালন, প্রাথমিক চিকিৎসা, মৎস্য চাষ, কৃষি ও হর্টিকালচারসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নিউইয়র্কের জ্যামাইকা এলাকার অন্যতম জনপ্রিয় মসজিদগুলোর মধ্যে একটি, মসজিদ আল আরাফা’র নতুন কমিটির কর্মকর্তারা শপথ গ্রহণ করেছেন। গত ১৬ অক্টোবর শুক্রবার সন্ধ্যায়, মসজিদে অনুষ্ঠিত একটি সাধারণ অনুষ্ঠানে ৯ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির কার্যকরী কমিটির কর্মকর্তারা শপথ গ্রহণ করেন। শপথবাক্য পাঠ করান শেখ শোয়েব, যিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত কর্মকর্তাদের শপথবাক্য পাঠ করান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মসজিদের ট্রাস্টিবোর্ডের সদস্যগণ এবং নিয়মিত মুসল্লীগণ।
সূত্রে জানা যায়, পূর্ববর্তী মামলার প্রেক্ষিতে আদালতের নির্দেশে নির্বাচন কমিশন গত ১২ আগস্ট নির্বাচনের আয়োজনের উদ্যোগ গ্রহণ করে। সেই অনুযায়ী আলোচনা করে নতুন কার্যকরী কমিটি গঠিত হয়।
নবগঠিত ৯ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির কর্মকর্তাগণ হলেন, সভাপতি খন্দকার তারিকুল ইসলাম, সহ সভাপতি মুহাম্মদ এ আলম, সাধারণ সম্পাদক শাহীন আব্দুল্লাহ, যুগ্ম সম্পাদক শেখ মোহাম্মদ এফ, ট্রেজারার সাদেক ইব্রাহীম, শিক্ষা ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক শাহীন রেজা চৌধুরী এবং কার্যকরী সদস্যগণ আজহার এম চৌধুরী, মোহাম্মদ এম রহমান ও জাকারিয়া খান।
নির্বাচন কমিশনের চার সদস্যের কর্মকর্তাগণ ছিলেন এম সাইদুর রহমান, মোহাম্মদ এন আহসান, মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন তালুকদার ও মোহাম্মদ আসিফ।
শপথ অনুষ্ঠানের পর নবনির্বাচিত সভাপতি খন্দকার তারিকুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক শাহীন আব্দুল্লাহ সংক্ষিপ্ত শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন। তাঁরা দায়িত্ব পালনে সবার সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অর্থনৈতিক সংকট যেন কোনো শিক্ষার্থীর উচ্চশিক্ষার পথে বাধা সৃষ্টি না করে, সেই মানবিক উদ্দেশ্যে আবারও পাশে দাঁড়িয়েছে কুমিল্লার পরিচিত মানবিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘আমেনা-জুনাব আলী ফাউন্ডেশন’। কলেজের ভর্তি ফি ও অন্যান্য খরচের ব্যবস্থা করার পর, এবার একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি হওয়া অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে সম্পূর্ণ বইয়ের সেট বিতরণ করেছে সংগঠনটি।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে কুমিল্লা নগরীর চর্থা নবাব বাড়ি চৌমুহনীতে অবস্থিত কুমিল্লা বিজ্ঞান কলেজের শিক্ষক মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষার্থীদের হাতে এই বইগুলো তুলে দেওয়া হয়।
জানা গেছে, চলতি বছরে একাদশ শ্রেণির ভর্তি কার্যক্রম চলাকালীন আমেনা-জুনাব আলী ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য ভর্তি ফি, আনুষঙ্গিক খরচ এবং প্রয়োজনীয় বই বিতরণের একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এই মানবিক সহায়তার আওতায় কুমিল্লা বিজ্ঞান কলেজের পাঁচজন এবং লালমাই সরকারি কলেজের একজন শিক্ষার্থী সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ভর্তির সুযোগ ও শিক্ষা উপকরণ লাভ করেন।
বই বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা বিজ্ঞান কলেজ গভর্নিং বোর্ডের পরিচালক সাইফুল ইসলাম টিপু, কলেজের অধ্যক্ষ আবু জাফর মোহাম্মদ সালমান, আমেনা-জুনাব আলী ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন এবং সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ও বিশিষ্ট সাংবাদিক সাদিক হোসেন মামুন।
কুমিল্লা বিজ্ঞান কলেজের পরিচালক ও অধ্যক্ষ মন্তব্য করেন, অর্থাভাবে কোনো শিক্ষার্থীর পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যাওয়া সমাজের জন্য একটি বড় ক্ষতি। আমেনা-জুনাব আলী ফাউন্ডেশন যেভাবে শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছে, তা প্রশংসনীয়। এই সহায়তা শিক্ষার্থীদের পড়ালেখায় আরও বেশি উদ্বুদ্ধ করবে।
এদিকে ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো. গোলাম সারোয়ার দেশের বাইরে থাকায় অডিও বার্তায় জানান, কেবল কুমিল্লা নগরীতেই নয়, সংগঠনের এই শিক্ষাবৃত্তি ও মানবিক কার্যক্রমের পরিধি দিন দিন আরও বাড়ছে। বর্তমানে কুমিল্লার বুড়িচং এলাকার বিভিন্ন স্কুল ও কলেজে অধ্যয়নরত সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিয়মিত শিক্ষা বৃত্তি প্রদান করে আসছে আমেনা-জুনাব আলী ফাউন্ডেশন। দানবীর ও শিক্ষানুরাগী মরহুম জুনাব আলীর স্বপ্ন পূরণে আগামীতেও শিক্ষার আলো ছড়াতে এই পথচলা অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাশিয়া ইরানের কাছে ৯০টি অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা বিক্রির জন্য সম্মতি প্রদান করেছে। এই লঞ্চারগুলো হেলিকপ্টার থেকে পরিচালিত হয় এবং এর মাধ্যমে নির্ভুল লক্ষ্যভেদী ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা সম্ভব। ইউক্রেন যুদ্ধে রুশ বাহিনীও এ ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের (এফটি) একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাশিয়ার প্রতিরক্ষা শিল্পের ২০২৪ ও ২০২৫ সালের উৎপাদনসংক্রান্ত নথিতে ‘এপিইউ-এল’ মডেলের ৯০টি লঞ্চারের রপ্তানির আদেশের তথ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সেখানে ক্রেতার নাম সরাসরি উল্লেখ না করে ‘কে-১০’ সাংকেতিক পরিচয় ব্যবহার করা হয়েছে।
রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় অস্ত্র রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের নথিতে এই সংকেত দিয়ে ইরানকে বোঝানো হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে, এসব সরঞ্জাম ইতোমধ্যে ইরানের কাছে পৌঁছেছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
লঞ্চারগুলো রাশিয়ার এমআই-২৮ মডেলের আক্রমণকারী হেলিকপ্টারে স্থাপন করা যায়। প্রতিটি লঞ্চারে দুটি করে ‘এলএমইউআর’ নির্ভুল লক্ষ্যভেদী ক্ষেপণাস্ত্র বহনের সক্ষমতা রয়েছে। আকাশে উড্ডয়নের সময়ও এসব ক্ষেপণাস্ত্রের গতিপথ পরিবর্তন করা সম্ভব। ফলে চলমান লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার সুযোগ তৈরি হয়।
এফটির প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ইরানের সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করেছে মস্কো। ‘সি৪৩০এল’ নামের একটি গোপন প্রকল্পের আওতায় রুশ প্রকৌশলীরা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের ইঞ্জিন ও জ্বালানি ব্যবস্থার উন্নয়নে কাজ করেছেন। সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি ভবিষ্যতে পারস্য উপসাগরে মোতায়েন করা মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলোর জন্য নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহারের জন্য এর আগে ইরানের কাছ থেকে শাহেদ ড্রোন সংগ্রহ করেছিল রাশিয়া। পাশাপাশি ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে মস্কো সহযোগিতা করছে।
বিশ্লেষকদের ধারণা, সামরিক ক্ষেত্রে দুই দেশের সম্পর্ক ক্রমেই ঘনিষ্ঠ হলেও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে সরাসরি অংশ নেওয়ার বিষয়ে সতর্ক রাশিয়া। যুক্তরাষ্ট্র ও মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য প্রভাবশালী শক্তির সঙ্গে কূটনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখাই ক্রেমলিনের অন্যতম লক্ষ্য।
এ কারণে রুশ সামরিক সহায়তায় ইরানের সক্ষমতা বাড়ার সম্ভাবনা থাকলেও তা আঞ্চলিক সংঘাতের সামগ্রিক পরিস্থিতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ