ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

‘আমরা না পারলে কেউ তেল বিক্রি করতে পারবে না’, কড়া হুঁশিয়ারি ইরানের


‘আমরা না পারলে কেউ তেল বিক্রি করতে পারবে না’, কড়া হুঁশিয়ারি ইরানের

ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, তেহরান যে অঞ্চলে তেল বিক্রি করতে পারবে না, সেখানে অন্য দেশও তেল বিক্রি করতে পারবে না।

শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে গত ২২ জুলাইয়ের একটি পুরোনো বার্তা পুনরায় প্রকাশ করে এ মন্তব্য করেন তিনি। হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন নিয়ন্ত্রণ ও ইরানের তেল রফতানি বন্ধের দাবির জবাবেই গালিবাফ এমন হুঁশিয়ারি দেন।

তিনি বলেন, ‘হয় সবাই, নয়তো কেউ নয়।’ একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেখানে মার্কিন সেনার উপস্থিতি না থাকার ওপর জোর দেন তিনি।

আরও পড়ুন: মোজতবা খামেনি বাবার পথ বেছে নিয়েছেন, সরকার উৎখাতই একমাত্র উপায়: নেতানিয়াহু

গালিবাফের বক্তব্যের মাধ্যমে আঞ্চলিক তেল বাণিজ্য ও হরমুজ প্রণালি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া বার্তা দিল ইরান।-পার্সটুডে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কলাপাড়ায় ভাঙ্গাচোরা, জরাজীর্ণ ভাসমান সেতু দিয়ে চলাচল করছে জনগন ও পাঁচ শতাধিক সবজি চাষি, দুই যৃগেও হয়নি কোন স্থায়ী সেতু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:২৪ পি.এম


কলাপাড়ায় ভাঙ্গাচোরা, জরাজীর্ণ ভাসমান সেতু দিয়ে চলাচল করছে জনগন ও পাঁচ শতাধিক সবজি চাষি, দুই যৃগেও হয়নি কোন স্থায়ী সেতু

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় পাখিমারা খালের ওপর স্থায়ী সেতু না থাকার কারণে পাঁচ শতাধিক সবজি ও কৃষিপণ্য উৎপাদনকারী কৃষক চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। প্রায় ৩০ বছর ধরে কলাপাড়ার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের কুমিরমারা, নেয়ামতপুর ও এলেমপুর গ্রামের কৃষকদের প্রতিদিন কাদা, নৌকা ও ঝুঁকিপূর্ণ ভাসমান সেতু পার হয়ে পাখিমারার পাইকারি বাজারে কৃষিপণ্য নিয়ে যেতে হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, এসব গ্রাম থেকে প্রতিবছর প্রায় ২০ থেকে ২৫ কোটি টাকার সবজি ও অন্যান্য কৃষিপণ্য উৎপাদিত হয়। এ অঞ্চলে কলাপাড়া উপজেলার প্রায় ৭০ শতাংশ সবজির চাহিদা পূরণ হয়। স্থানীয় চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি উদ্বৃত্ত সবজি প্রতিদিন বাস, ট্রাক ও পিকআপে দেশের বিভিন্ন এলাকার আড়তে পাঠানো হয়।

শনিবার সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০১৬ সালে চাকামইয়া এলাকার আরপাঙ্গাশিয়া নদীর ওপর ভেঙে পড়া একটি আয়রন ব্রিজের মালামাল এনে পাখিমারা খালের ওপর একটি সেতু নির্মাণ করা হয়েছিল। কিন্তু নির্মাণের দুই বছরের মধ্যেই সেটি নষ্ট হয়ে যায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই সেতু নির্মাণে ভালো মানের খুঁটি ও স্লিপার সরিয়ে নিম্নমানের বা অকেজো মালামাল ব্যবহার করা হয়েছিল। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সেতুটি ভেঙে যাওয়ার পর থেকেই ভাসমান ড্রাম সেতুই কৃষকদের একমাত্র ভরসা। বছরের পর বছর ধরে এমন পরিস্থিতি চললেও স্থায়ী সমাধান না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, প্রতিবছর কোটি কোটি টাকার কৃষিপণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা এই এলাকার যোগাযোগব্যবস্থা দ্রুত স্থায়ী করা প্রয়োজন। নির্বাচনের সময় বিভিন্ন পক্ষ সেতু নির্মাণের আশ্বাস দিলেও পরে তা বাস্তবায়ন হয় না বলেও অভিযোগ তাদের।

কৃষকদের অভিযোগ, বর্ষা মৌসুমে দুর্ভোগ কয়েক গুণ বেড়ে যায়। গ্রামগুলোর অভ্যন্তরীণ মাটির রাস্তাগুলো কাদায় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। তখন দূরের কৃষকদের নৌকায় করে পাখিমারার বাজারে আসতে হয়। অথচ কৃষিপণ্য পরিবহনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই পথে দীর্ঘ তিন দশকেও একটি স্থায়ী গার্ডার ব্রিজ নির্মাণ করা হয়নি। স্থানীয় কৃষকদের প্রত্যাশা, আর আশ্বাস নয়-দ্রুত প্রকল্প অনুমোদন করে পাখিমারা খালের ওপর স্থায়ী গার্ডার ব্রিজ নির্মাণ করা হবে। এতে কৃষকদের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কমার পাশাপাশি কৃষিপণ্য পরিবহন সহজ হবে এবং এলাকার কৃষি অর্থনীতি আরও গতিশীল হবে।

স্থানীয় কৃষক জলিল প্যাদা জানান, পাখিমারার প্রায় ৩০০ ফুট প্রশস্ত খাল পারাপারে বর্তমানে কৃষকরা নিজেদের অর্থায়নে ড্রামের ওপর নির্মিত ভাসমান কাঠের পাটাতনের সেতুর ওপর নির্ভরশীল। নিজেদের উদ্যোগে এবং বিভিন্ন এনজিওর সহায়তায় কয়েক দফা এটি মেরামত করা হলেও দীর্ঘস্থায়ী সমাধান হয়নি।

কুমিরমারার কৃষক মজিদ মিয়া বলেন, ‘৪০-৪৫ বছর ধরে সবজি চাষ করছি। কুমিরমারাসহ তিনটি গ্রামের অন্তত সাড়ে পাঁচশ কৃষক প্রতিবছর ২০ থেকে ২৫ কোটি টাকার সবজি ও অন্যান্য কৃষিপণ্য উৎপাদন করেন। এসব পণ্য পাখিমারার আড়তে নিতে হয়। বর্ষায় কাদা ও নৌকার কারণে দুর্ভোগ আরও বাড়ে। এত বছরেও এখানে একটি পাকা ব্রিজ হয়নি।’

এবিষয়ে নীলগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. নাহিদ হাসান জানান, পাখিমারা খালের ওপর একটি গার্ডার ব্রিজ নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এটি বাস্তবায়ন করবে। নীলগঞ্জের সবজি চাষিদের দুর্ভোগ কমানো এবং কৃষিপণ্য পরিবহনের সুবিধার জন্যই প্রকল্পটি নেওয়া হয়েছে।

কলাপাড়া উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, কুমিরমারার সবজি চাষিসহ এলাকার কৃষকদের কৃষিপণ্য আনা-নেওয়া ও যোগাযোগ সুবিধার জন্য পাখিমারা খালের ওপর ৪৯০ মিটার দীর্ঘ একটি গার্ডার ব্রিজ নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর ডিজাইন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পথে। নেভিগেশন ছাড়পত্রও নেওয়া হয়েছে। এখন একনেকের অনুমোদন পাওয়া গেলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের আশা করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষার্থীদের মানবিক ও দায়িত্বশীল মানুষ হওয়ার আহ্বান ইউজিসি চেয়ারম্যানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:২৪ পি.এম


শিক্ষার্থীদের মানবিক ও দায়িত্বশীল মানুষ হওয়ার আহ্বান ইউজিসি চেয়ারম্যানের

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নবীন শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, যেন তারা মানবিক মূল্যবোধ, নৈতিকতা ও দায়িত্ববোধে সমৃদ্ধ যোগ্য মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠেন।

শনিবার (২৯ আগস্ট) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান।

অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি একটি অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়া। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাওয়া শিক্ষার্থীরা মেধাবীদের মধ্যে অন্যতম। তাদের মেধার উৎকর্ষ ও স্বপ্ন পূরণের যাত্রা শুরু হয়েছে, যা অব্যাহত রাখতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, "মানুষ স্বপ্ন না দেখলে স্বপ্ন পূরণ হয় না।"

এ কারণে নিজেদের স্বপ্ন পূরণের জন্য শিক্ষার্থীদের নিরন্তর চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে নিজেদের আলোকিত করার জন্য জ্ঞানের আলোয় আসছেন। অর্জিত জ্ঞান, মেধা ও সৃজনশীলতা দিয়ে তাদের দেশ ও সমাজকে আলোকিত করতে হবে। তিনি বলেন, "জ্ঞান যত বেশি অর্জন করা যাবে, জীবন তত সুন্দর ও সমৃদ্ধ হবে।"

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার জন্য যে সুযোগ-সুবিধা ও অবকাঠামো রয়েছে, তার সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে হবে।

ইউজিসি চেয়ারম্যান মানবিক মূল্যবোধের বিকাশের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, শিক্ষার্থীদের মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ হতে হবে। সমাজে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি গড়ে তুলতে তাদের ভূমিকা রাখতে হবে। জীবনে ব্যর্থতা বা হতাশা আসলে, নিজের সক্ষমতার ওপর আস্থা রেখে সেখান থেকে শিক্ষা নিয়ে আবার উঠে দাঁড়াতে হবে।

মুক্তচিন্তা ও মতপ্রকাশের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে যুক্তিনির্ভর মুক্তচিন্তা ও মতপ্রকাশের সুযোগ থাকতে হবে। তবে, নিজের মত প্রকাশের সময় অন্যের অধিকার, মর্যাদা ও মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকতে হবে। অধিকার ও দায়িত্বের মধ্যে ভারসাম্য রেখে স্বাধীনতার চর্চা করতে হবে।

শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি গবেষণা, খেলাধুলা, বিতর্ক, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, স্বেচ্ছাসেবা, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। যোগাযোগ, নেতৃত্ব, দলগতভাবে কাজ করা ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতা অর্জনের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বে বৈশ্বিক কর্মক্ষেত্রের জন্য প্রস্তুত হতে হবে।

অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বিশ্ববিদ্যালয় ও সমাজের মধ্যে কার্যকর সংযোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে সমাজ ও দেশের প্রয়োজনের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত হতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে উৎপাদিত জ্ঞান ও গবেষণার ফল মানুষের কল্যাণ ও জাতীয় উন্নয়নে কাজে লাগাতে হবে।

রাবির উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, ইউজিসি বিশ্ববিদ্যালয়টির উন্নয়নে মনোযোগ দিয়েছে। আগামী পাঁচ বছরের উন্নয়ন পরিকল্পনা পর্যালোচনা করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিভিন্ন চাহিদা পূরণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে ধাপে ধাপে স্মার্ট ক্যাম্পাসে রূপান্তরের উদ্যোগের কথাও জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন, রাবির উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মো. আব্দুল আলিম ও উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মামুনুর রশীদ। বক্তব্য দেন ছাত্র-উপদেষ্টা অধ্যাপক এ এইচ এম খুরশীদ আলম ও প্রক্টর অধ্যাপক মো. মাহবুবর রহমান।

উল্লেখ্য, ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে রাবির ১২টি অনুষদের ৫৯টি বিভাগ ও পাঁচটি ইনস্টিটিউটে প্রায় ৪ হাজার ৩০০ শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছেন। ভর্তির জন্য প্রায় ২ লাখ ৭৩ হাজার শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেন।

 

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ছুটি ভুলে উন্নয়নের মাঠে ইউএনও জিল্লুর রহমান: রহনপুর পৌরবাসীর সেবায় দৃষ্টান্তমূলক তদারকি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ শাহিন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:২৬ পি.এম


ছুটি ভুলে উন্নয়নের মাঠে ইউএনও জিল্লুর রহমান: রহনপুর পৌরবাসীর সেবায় দৃষ্টান্তমূলক তদারকি

সরকারি ছুটির দিনগুলোতে যখন সাধারণ কর্মব্যস্ততা থমকে যায়, তখনই জনসেবা এবং সার্বিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করার জন্য কর্মমুখর এক অনন্য উদাহরণ স্থাপন করেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিল্লুর রহমান। তিনি রহনপুর পৌরসভার প্রশাসক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

শনিবার (২৯ আগস্ট) নাগরিকসেবার মান নিশ্চিতকরণ এবং পৌর এলাকার চলমান উন্নয়নকাজে গতি ফেরাতে জিল্লুর রহমান রহনপুর পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডের উন্নয়নমূলক কাজ সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনের সময় ইউএনও জিল্লুর রহমান রাস্তাঘাট নির্মাণ, ড্রেন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং সাধারণ নাগরিকদের নির্বিঘ্ন চলাচলের সুবিধা নিশ্চিতকরণের জন্য সার্বিক অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি কাজের গুণগত মান এবং শতভাগ স্বচ্ছতা বজায় রেখে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সকল কাজ সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্টদের কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেন। এছাড়া, পৌর এলাকাকে আরও পরিচ্ছন্ন ও নাগরিকবান্ধব হিসেবে গড়ে তুলতে তাৎক্ষণিক প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনাও দেন।

ছুটির দিনেও আরাম-আয়েশ ত্যাগ করে মাঠপর্যায়ে ইউএনও-র এমন সক্রিয় উপস্থিতি, কর্মনিষ্ঠা এবং উন্নয়নকাজের প্রতি নিবিড় তদারকি স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে দারুণ উৎসাহ ও সন্তোষের সৃষ্টি করেছে। সাধারণ মানুষ তাঁর এই মানবিক ও জনবান্ধব মনোভাবের ভূয়সী প্রশংসা করছেন।

পরিদর্শনের সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন আইইউজিআইপি প্রকল্পের সহকারী প্রকৌশলী শাহরিয়ার, উপ-সহকারী জুবায়ের আহমেদ, রহনপুর পৌরসভার উপ-সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) আবু সায়েম, এবং কনজারভেন্সি ইন্সপেক্টর আনিসুর রহমান (টেক্কা)-সহ পৌরসভার অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

কর্মকর্তাদের মতে, মাঠপর্যায়ে একজন প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তার ধারাবাহিক মনিটরিং এবং আন্তরিকতার ফলে রহনপুর পৌরসভার উন্নয়নকাজ আরও গতিশীল হবে এবং এটি একটি আদর্শ নাগরিকবান্ধব পৌরসভায় রূপ নেবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান জানাল বাসিজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:২৭ পি.এম


ইরানে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান জানাল বাসিজ

 

ইরানের আধাসামরিক বাহিনী বাসিজ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে যে, জাতীয় ঐক্য বজায় রাখতে হবে। এই আহ্বানটি দেশটির ‘সরকারি সপ্তাহ’ উপলক্ষে একটি বিবৃতির মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়।

 

শনিবার, দেশটির আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা মেহর নিউজ এজেন্সির উদ্ধৃতি দিয়ে সংবাদমাধ্যম

 

বাসিজ এক বিবৃতিতে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের প্রশংসা করে বলেছে, দেশের শত্রুদের ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় সরকার যে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, তা প্রশংসনীয়। একইসাথে, সংগঠনটি সরকারের কাছে এই ‘পরিমিত ও ভারসাম্যপূর্ণ’ নীতি অব্যাহত রাখার জন্য আহ্বান জানিয়েছে।

বাসিজ আরও উল্লেখ করেছে, জাতীয় ঐক্য বজায় রাখতে ইরানের সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কথা শোনা প্রয়োজন এবং তাদের ‘ন্যায্য দাবিগুলোর’ প্রতি গুরুত্বসহকারে মনোযোগ দেওয়া উচিত।

 

সংগঠনটি সতর্ক করে বলেছে, ইরানের প্রতিপক্ষরা দেশের অভ্যন্তরীণ বিভাজনকে কাজে লাগিয়ে সামাজিক সংহতি দুর্বল করার চেষ্টা করতে পারে।

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) একটি শাখা এবং স্বেচ্ছাসেবী আধাসামরিক বাহিনী হিসেবে পরিচিত বাসিজ আরও জানিয়েছে, তারা সরকারকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে প্রস্তুত রয়েছে। পাশাপাশি, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও সাধারণ জনগণের মধ্যে আরও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা গড়ে তোলার জন্য সংগঠনটি আহ্বান জানিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%