ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

১৬ জুলাই: আবু সাঈদ-ওয়াসিমসহ ৬ জন নিহত, নতুন মোড় নেয় আন্দোলন


১৬ জুলাই: আবু সাঈদ-ওয়াসিমসহ ৬ জন নিহত, নতুন মোড় নেয় আন্দোলন

১৬ জুলাই তারিখে পুলিশের গুলিতে নিহত হন ৬ জন, যার মধ্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বয়ক আবু সাঈদ এবং চট্টগ্রামের ছাত্রদল নেতা ওয়াসিম আকরাম। সেদিন গুলির সামনে দুই হাত প্রসারিত করে দাঁড়িয়ে থাকা আবু সাঈদের মৃত্যুর দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সারাদেশে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। ছাত্রনেতারা বিষয়টি উল্লেখ করতে গিয়ে বলেছেন, ১৬ জুলাই থেকেই আন্দোলন নতুন গতি পায়। সেদিন সারাদেশজুড়ে ছাত্রলীগ ও পুলিশের হামলায় ৬ জন নিহত এবং কয়েকশ শিক্ষার্থী আহত হন।

২০২৪ সালের ১৪ জুলাই কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের নিয়ে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি বক্তব্যে ছাত্র সমাজ ক্ষোভে ফেটে পড়ে। তিনি বলেন, ‘রাজাকারের নাতিপুতিরা পাবে? সেটা আমার প্রশ্ন। দেশবাসীর কাছেও প্রশ্ন। যে রাজাকার নাতিপুতিরা সবকিছু পাবে, মুক্তিযোদ্ধারা পাবে না।’

সেদিন রাত থেকেই বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা ওই বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবিতে জড়ো হতে শুরু করেন। শেষে মধ্যরাতে হলের গেট ভেঙে হাজার হাজার শিক্ষার্থী রাজপথে নেমে আসেন। ছাত্রলীগের বাধা উপেক্ষা করে মেয়েরাও হলের তালা ভেঙে আন্দোলনে অংশ নেন। শেখ হাসিনার ওই বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করে ক্যাম্পাসজুড়ে স্লোগান ওঠে। সেদিনই প্রথম রাজনৈতিক স্লোগান ব্যবহার করা হয় এবং ছাত্র সমাজ শেখ হাসিনাকে ‘স্বৈরাচার’ আখ্যা দেয়।

আরও পড়ুন: মিরপুরে চেকপোস্ট এড়িয়ে পালানোর চেষ্টা, পিস্তলসহ দুই মোটরসাইকেল আরোহী আটক

জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবিদুল ইসলাম খান বলেন, ছাত্রদলের পক্ষ থেকে আন্দোলনে অংশ নেয়া শিক্ষার্থীদের একটি গ্রুপকে এমন একটি স্লোগান তৈরির নির্দেশনা দেওয়া হয়, যাতে শেখ হাসিনাকে ‘স্বৈরাচার’ হিসেবে তুলে ধরা যায়। তৎকালীন জিয়া হল ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও সমন্বয় কমিটির সহ-সমন্বয়ক রিজভী আলম রাজু প্রথম স্লোগান দেন-‘তুমি কে, আমি কে? রাজাকার, রাজাকার। কে বলেছে, কে বলেছে? স্বৈরাচার, স্বৈরাচার।’

এরপর আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপ দেয়ার চেষ্টা করে আওয়ামী লীগ। ১৫ জুলাই সকাল থেকেই ছাত্রলীগ ও সরকারের মন্ত্রীরা আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে শুরু করেন। তৎকালীন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশে রাজাকার যারা হতে যাবে, তাদের কোনো দাবি মানা হবে না।’

সেদিন দুপুর থেকেই ছাত্রলীগের সশস্ত্র কর্মীরা বিভিন্ন হলে শিক্ষার্থীদের খুঁজতে থাকে। বহিরাগতদের নিয়ে ক্যাম্পাসে হামলা চালানো হয় এবং বিভিন্ন স্থানে গুলিও ছোড়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে যাওয়া শিক্ষার্থীদের ওপরও হামলার ঘটনা ঘটে। ইসলামি ছাত্র শিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল সিগবাতুল্লাহ জানান, হাসপাতালে হামলার ঘটনায় জড়িতদের প্রতিরোধের পরিকল্পনা ছিল। সে অনুযায়ী ঢাকার কয়েকটি এলাকায় গিয়ে হামলাকারীদের ধাওয়া দিয়ে সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

১৫ জুলাই রাতে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উত্তাল হয়ে ওঠে। ওই রাতেই বিভিন্ন হল থেকে ছাত্রলীগের কর্মীদের বের করে দেয়া হয়। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের মতে, সেদিন থেকেই আন্দোলন নতুন দিকে মোড় নেয়। আরো পড়ুন: আবু সাঈদের সেই দৃশ্য ছিল জাতির ভয় জয়ের প্রতীক: প্রধানমন্ত্রী।

আরও পড়ুন: দেশের উন্নয়নের প্রধান অন্তরায় মাদক: ডা. জাহিদ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্য সচিব মাহিন সরকার বলেন, নারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার পর সব বাধা ভেঙে যায়। ওই রাতেই প্রতিটি হলে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে এবং ছাত্রলীগকে হলগুলো থেকে বিতাড়িত করা হয় চূড়ান্তভাবে। ১৬ জুলাই সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিক্ষোভ শুরু হয়। অধিকার আদায়ের দাবিতে বুক উচু করে দাঁড়িয়ে যান রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক আবু সাঈদ। বুলেটের সামনে বুক চিতিয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে আবু সাঈদ।

একই দিনে চট্টগ্রামে নিহত হন ছাত্রদল নেতা ওয়াসিম আকরাম। তাদের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারাদেশে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। সেদিন রাজধানীর সায়েন্সল্যাব ও নিউমার্কেট এলাকায় ছাত্রলীগ আবারও হামলা করে। মূলত ১৬ জুলাই আন্দোলন নতুন মোড় নেয়। সেদিনেই সারাদেশে ৬ জন নিহত হন। ফ্যাসিবাদবিরোধী ছাত্র সংগঠনের নেতারা বলেন, আবু সাঈদ ও ওয়াসিম আকরামের মৃত্যু আন্দোলনে নতুন গতি আনে। এরপর আন্দোলন শুধু শিক্ষার্থীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে সাধারণ মানুষের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়ে।

ইসলামি ছাত্র শিবিরের সাবেক সভাপতি জাহিদ হোসেন বলেন, আবু সাঈদের আত্মত্যাগ এবং দুই হাত প্রসারিত করে গুলির সামনে দাঁড়িয়ে থাকার দৃশ্য আন্দোলনের একটি প্রতীকী মুহূর্তে পরিণত হয়। এটি ফ্যাসিবাদবিরোধী অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করে। এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব রিফাত রশিদ জানান, আবু সাঈদ ও ওয়াসিম আকরামের মৃত্যুর খবর একসঙ্গে পাওয়ার পর তারা বুঝতে পারি, আন্দোলন আর শুধু কোটা সংস্কারের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; সামনে আরও বড় পরিসরে ভাবতে হবে। ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির বলেন, ১৫ জুলাইয়ের ঘটনার ধারাবাহিকতায় ১৬ জুলাই থেকেই মূল গণঅভ্যুত্থানের গতি শুরু হয়। এদিকে, ১৬ জুলাই রাতেই বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) এক প্রজ্ঞাপনে দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করে এবং শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশ দেয়।

আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সেনা মোতায়েনের দাবি জামায়াতের

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদকের আখড়ায় পরিণত শিবচরের নির্মাণাধীন নার্সিং কলেজ, ২৮ কোটি টাকা বিলের পরও থমকে প্রকল্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাদারীপুর প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:২৪ এম


মাদকের আখড়ায় পরিণত শিবচরের নির্মাণাধীন নার্সিং কলেজ, ২৮ কোটি টাকা বিলের পরও থমকে প্রকল্প

দক্ষ নার্সের সংকট নিরসন ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায় আধুনিক নার্সিং কলেজ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।

প্রায় ৩৩ কোটি ২৫ লাখ ৪৬ হাজার টাকা ব্যয়ের এ প্রকল্পের ৮৮ শতাংশ কাজ সম্পন্ন দেখানো হয়েছে। কিন্তু ২৮ কোটি ২৫ লাখ টাকা বিল পরিশোধ করার পরও নির্ধারিত সময়ে নির্মাণকাজ শেষ হয়নি। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় দুই বছর ধরে কাজ বন্ধ থাকায় অরক্ষিত ভবনটি এখন মাদকসেবী ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িতদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হয়ে উঠেছে।

সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নির্মাণাধীন কলেজ ক্যাম্পাসজুড়ে জন্মেছে ঘন আগাছা ও লতাপাতা। ভবনের বিভিন্ন কক্ষে পড়ে রয়েছে মাদক সেবনের সরঞ্জাম। চারদিকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে থাকলেও সেখানকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কোনো নিরাপত্তাকর্মী কিংবা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নেই। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, দিনের বেলায় এই স্থানটি অত্যন্ত নির্জন থাকলেও সন্ধ্যার পর নিয়মিত মাদকসেবীদের আসা-যাওয়া থাকে। দীর্ঘদিন অরক্ষিত থাকায় ভবনের বিভিন্ন কক্ষ থেকে বৈদ্যুতিক সরঞ্জামসহ মূল্যবান নির্মাণসামগ্রী চুরির ঘটনাও ঘটেছে।

স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের সূত্রে জানা গেছে, শিবচর উপজেলার বড় বাহাদুরপুর ও বড়দোয়ালী মৌজায় ২০২১ সালের ১০ মার্চ নার্সিং কলেজ নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল। মিরপুরের পূর্ব শেওড়াপাড়াভিত্তিক দুটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান—মেসার্স এমএনএইচসিএল ও এইচএমএইচই (জেভি)—যৌথভাবে প্রকল্পটির দায়িত্ব পায়। চুক্তি অনুযায়ী ২০২৪ সালের ২০ জুন কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। ৮৮ শতাংশ কাজ সম্পন্ন দেখিয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ২৮ কোটি ২৫ লাখ টাকা বিল পরিশোধ করা হয়। তবে সময়মতো কাজ সম্পন্ন না করায় প্রতিষ্ঠান দুটির কার্যক্রম বাতিল করা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আলী হোসেন বলেন, "সরকার পরিবর্তনের পর থেকেই নির্মাণকাজ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। দীর্ঘদিন ধরে কোনো শ্রমিক বা প্রকৌশলীকে এখানে দেখা যাচ্ছে না। এখন ভবনটি এলাকার বখাটে ও মাদকসেবীদের আড্ডাখানায় পরিণত হয়েছে।"

আরেক বাসিন্দা সাব্বির হোসেন বলেন, "দিনে জায়গাটি নির্জন থাকলেও রাতে ভিন্ন চিত্র দেখা যায়। নিরাপত্তার অভাবে সাধারণ মানুষ সন্ধ্যার পর এ এলাকায় আসতে ভয় পান। দ্রুত নির্মাণকাজ শেষ করে কলেজটি চালু করা জরুরি।"

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) শিবচর উপজেলা শাখার সভাপতি আবুল খায়ের খান বলেন, "দেশে দক্ষ নার্সের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। তাই প্রকল্পটি দ্রুত শেষ করে কলেজ চালু করা গেলে একদিকে দক্ষ জনবল তৈরি হবে, অন্যদিকে স্বাস্থ্যসেবার মানও উন্নত হবে।"

এ বিষয়ে মাদারীপুর স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান হাবীব বলেন, "অবশিষ্ট নির্মাণকাজ দ্রুত শেষ করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কালো তালিকাভুক্ত করে দরপত্র বাতিল করা হয়েছে। নতুন করে দরপত্র আহ্বান করে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করা হবে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌদি আরবের কাছে ১.৯৬ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিল যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:২৯ এম


সৌদি আরবের কাছে ১.৯৬ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিল যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরবের কাছে ১.৯৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের ‘অ্যাডভান্সড প্রিসিশন কিল ওয়েপন সিস্টেম’ বিক্রির সম্ভাব্য অনুমোদন দিয়েছে বলে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে।

এই চুক্তির আওতায়, সৌদি আরব ১০ হাজারটি এয়ার-টু-এয়ার গাইডেন্স সেকশন এবং ১০ হাজারটি এয়ার-টু-গ্রাউন্ড গাইডেন্স সেকশন কিনতে চেয়েছে। এসব প্রযুক্তি ক্ষেপণাস্ত্রকে আরও নির্ভুলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে সহায়তা করবে।

চুক্তির প্রধান ঠিকাদার হিসেবে বিএই সিস্টেমস কাজ করবে। চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ১৫ জন সরকারি কর্মকর্তা এবং ১৫ জন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিকে সৌদি আরবে পাঠানোর পরিকল্পনা করেছে। তারা সামরিক কার্যক্রম, প্রযুক্তিগত মূল্যায়ন, প্রশিক্ষণ এবং রক্ষণাবেক্ষণ কাজে সহায়তা করবেন।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর উল্লেখ করেছে, এই অস্ত্র বিক্রি সৌদি আরবের নিরাপত্তা শক্তিশালী করবে, যা আঞ্চলিক রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন বজায় রাখতে সাহায্য করবে, সেইসাথে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তা লক্ষ্য বাস্তবায়নেও সহায়ক হবে।

পররাষ্ট্র দপ্তরের মতে, এই চুক্তির ফলে সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা শক্তিশালী হবে এবং যুক্তরাষ্ট্র, ন্যাটো ও অন্যান্য মিত্র দেশের বাহিনীর সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার সক্ষমতাও বৃদ্ধি পাবছে।

এছাড়া সৌদি আরব বর্তমান ও ভবিষ্যতের নিরাপত্তা হুমকি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকবে। এই নতুন অস্ত্র ব্যবস্থা দেশটির বিমানবাহিনীর কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করবে এবং শত্রু বিমান ও স্থলভিত্তিক লক্ষ্যবস্তুর বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার সক্ষমতা উন্নত করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইংল্যান্ড কোচকে নিয়ে সমালোচনায় সাবেক ফুটবলাররা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৩৪ এম


ইংল্যান্ড কোচকে নিয়ে সমালোচনায় সাবেক ফুটবলাররা

ফাইনালের লড়াইয়ে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ২-১ গোলের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছে ইংল্যান্ড। এই পরাজয়ে দেশটির সাবেক খেলোয়াড়রা কোচ থমাস টুখেলকে সমালোচনার শিকার করছেন। তাদের মতে, অতিরিক্ত রক্ষণাত্মক হয়ে পড়ার কারণে ইংল্যান্ডের এই দশা।

এদিকে, টুখেল নিজে জানিয়েছেন যে, তিনি কৌশলগত সিদ্ধান্ত নিয়ে কোনো ‘আক্ষেপ নেই’। তার বক্তব্য, সমস্যাটি কৌশলগত কাঠামোর কারণে হয়নি।

টুখেল বলেন, "আমরা অবশ্যই দ্বিতীয় গোলটি পেতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আমার মনে হয়নি আক্রমণাত্মক খেলোয়াড় নামানোতে কোনো লাভ হবে। আমরা আমাদের ৪-৪-২ ছকে খেলেছি। কিন্তু আমরা ক্রমশ আরও বেশি রক্ষণাত্মক হয়ে পড়ছিলাম।"

ইংল্যান্ডের সাবেক তারকা ওয়েইন রুনি, অ্যালেন শিয়েরার এবং জো হার্ট কোচের অতিরিক্ত রক্ষণাত্মক হওয়ার বিষয়ে সমালোচনা করেছেন। ম্যাচ-পরবর্তী আলাপচারিতা করতে গিয়ে ওয়েইন রুনি বলেন, লিড নেওয়ার পর আক্রমণাত্মক খেলোয়াড় তুলে রক্ষণাত্মক ফুটবলার নামানো ছিল টুখেলের সবচেয়ে বড় ভুল।

রুনি এর সঙ্গে যোগ করেন, "আপনি যদি একজন আক্রমণাত্মক খেলোয়াড় হন এবং ১-০ গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর ম্যানেজারের পরিবর্তনগুলো দেখেন, তাহলে আপনার আত্মবিশ্বাস কমে যাবে। কতবার আর এভাবে পার পাওয়া যায়? তখন আপনি চিন্তা করতে শুরু করবেন, ‘ওহ না, আমরা কি এতক্ষণ রক্ষণভাগে সময় কাটাব? এভাবে আমরা ম্যাচটি শেষ করব কীভাবে?"

সাবেক গোলরক্ষক জো হার্ট বলেন, "থমাস টুখেলকে আমরা যতটা প্রশংসা করেছি, যেভাবে তিনি দ্রুত পরিবর্তন এনেছেন তাতে মনে হয় তিনি তার দলের ওপর বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছেন। তাঁকে মনে হয়নি তারা আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে অধিক আক্রমণ চালাতে পারবে।"

ইংল্যান্ডের সর্বকালের অন্যতম সেরা স্ট্রাইকার অ্যালেন শিয়েরারও এ বিষয়ে মত প্রকাশ করেছেন যে, টুখেলের রক্ষণাত্মক পরিকল্পনাই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে। তিনি বলেন, "কোচ খুব দ্রুত তার কৌশল পরিবর্তন করেছিলেন। আশা ছিল এভাবে রক্ষণ সামলে ম্যাচ বের করে নেবেন, কিন্তু তার সিদ্ধান্ত বুমেরাং হয়েছে। এই সিদ্ধান্তগুলোই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বে চীনের গ্রহণযোগ্যতা এখন যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে বেশি: পিউ গবেষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৩৬ এম


বিশ্বে চীনের গ্রহণযোগ্যতা এখন যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে বেশি: পিউ গবেষণা

বিশ্বের বহু দেশে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় চীনের প্রতি বেশি ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান পিউ রিসার্চ সেন্টারের নতুন এক বৈশ্বিক জরিপে এটি সামনে এসেছে।

এই প্রতিষ্ঠানটি ২০০২ সাল থেকে বিভিন্ন সময়ে জরিপ করছে এবং এবারই প্রথম এত বেশি দেশে চীনের প্রতি মানুষের ইতিবাচক মনোভাব যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে বেশী দেখা গেছে।

পিউ রিসার্চ সেন্টার জানিয়েছে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চীন সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা আজ ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি মানুষের ইতিবাচক ধারণা আগের তুলনায় আরও কমেছে। জরিপে আরও দেখানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং—দুজনের প্রতি মানুষের আস্থা তুলনামূলকভাবে দারুণভাবে কমেছে।

তবে বেশিরভাগ দেশে ট্রাম্পের চেয়ে শি চিনপিংয়ে আস্থা প্রকাশ করেছেন, কিছুটা বেশি। এই গবেষণার জন্য চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে মে মাসের মধ্যে বিশ্বের ৩৬টি দেশের ৪২,০০০ এর বেশি মানুষের মতামত নেওয়া হয়। তাদের প্রশ্ন করা হয়েছিল, তারা যুক্তরাষ্ট্র ও চীনকে খুব ইতিবাচক, কিছুটা ইতিবাচক, কিছুটা নেতিবাচক নাকি খুব নেতিবাচকভাবে দেখেন। জরিপে অংশগ্রহণকারী ৩৬টি দেশের মধ্যে ২৫টিতে চীনের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব প্রদর্শনকারী মানুষের সংখ্যা যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় বেশি।

মাত্র ছয়টি দেশে এখনো যুক্তরাষ্ট্রকে চীনের চেয়ে বেশি ইতিবাচকভাবে দেখা হয়েছে। দেশগুলো হল পোল্যান্ড, ফিলিপাইন, দক্ষিণ কোরিয়া, ভারত, জাপান ও ইসরায়েল। এগুলোর বেশিরভাগ যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র।

পিউ রিসার্চ সেন্টারের গবেষক জনাথন শুলম্যান বলেছেন, ২০০২ সাল থেকে তারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বড় শক্তিধর দেশগুলো সম্পর্কে মানুষের মতামত সংগ্রহ করছেন। কিন্তু এবারে প্রথমবারের মতো এত বেশি দেশে চীনকে যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় বেশি ইতিবাচকভাবে দেখা হয়েছে।

তিনি জানান, অতীতের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয়তা কমেছে এবং বিশেষ করে ২০০৮ সালে জর্জ ডব্লিউ বুশ প্রশাসনের শেষ দিকে এবং ২০১৭ সালে ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদের শুরুর দিকে এই প্রবণতা দেখা গিয়েছিল। তবে সে সময়ে চীনের ভাবমূর্তি সাধারণত যুক্তরাষ্ট্রের সমান বা কিছুটা কম ছিল। এবারের জরিপে চীনের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব সবচেয়ে বেশি বেড়েছে স্পেন, ইন্দোনেশিয়া, ইতালি, গ্রিস এবং কানাডায়। এছাড়া ইতালি, স্পেন, কলম্বিয়া, মেক্সিকো, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, নাইজেরিয়া ও তুরস্কে চীন সম্পর্কে ইতিবাচক মতামত ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। জরিপে দেখা গেছে, মধ্যম আয়ের দেশগুলোর মানুষ সাধারণভাবে চীনকে তুলনামূলকভাবে বেশি ইতিবাচকভাবে দেখে। অন্যদিকে ধনী দেশগুলোর চীন সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা তুলনামূলকভাবে বেশি।

এই প্রবণতার একটি ব্যতিক্রম সিঙ্গাপুর। মাথাপিছু আয়ের দিক থেকে জরিপে থাকা দেশগুলোর মধ্যে সিঙ্গাপুর শীর্ষে থাকলেও দেশটিতে চীনের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব শক্তিশালী। জরিপে সবচেয়ে বেশি ইতিবাচক মত পাওয়া গেছে পাকিস্তান থেকে। সেখানে প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ চীনকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন। অন্যদিকে সবচেয়ে কম ইতিবাচক মত পাওয়া গেছে জাপান থেকে। সেখানে মাত্র ১১ শতাংশ মানুষ চীন সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা প্রকাশ করেছেন।

জরিপে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিদের কাছে আরও জানতে চাওয়া হয়েছিল, বিশ্ব রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে তারা ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং শি চিনপিংয়ের ওপর কতটা আস্থা রাখেন। ফলাফল থেকে দেখা যায়, দুই নেতার প্রতি আস্থার হার বেশিরভাগ দেশে ৫০ শতাংশের নিচে। তবে অনেক দেশে ট্রাম্পের তুলনায় শি চিনপিংয়ের প্রতি মানুষের আস্থা বেশি। শি চিনপিংয়ের প্রতি সবচেয়ে বেশি আস্থা দেখা গেছে পাকিস্তানে, যেখানে ৮৩ শতাংশ মানুষ তার ওপর আস্থা প্রকাশ করেছেন। বিপরীতে সবচেয়ে কম আস্থা দেখা গেছে জাপানে। সেখানে মাত্র ৭ শতাংশ মানুষ শির ওপর আস্থা রাখেন। অন্যদিকে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি সবচেয়ে বেশি আস্থা প্রকাশ করেছেন ফিলিপাইনের মানুষ। সেখানে তার প্রতি আস্থার হার ৬৮ শতাংশ। আর সবচেয়ে কম আস্থা দেখা গেছে পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে। সেখানে মাত্র ৪ শতাংশ মানুষ ট্রাম্পের ওপর আস্থা প্রকাশ করেছেন।

গবেষক জনাথন শুলম্যান বলেছেন, শি চিনপিংকে নিয়ে মানুষের মতামত সাধারণত খুব শক্ত অবস্থানের হয় না। কিন্তু ট্রাম্পের ক্ষেত্রে মানুষ অনেক বেশি স্পষ্ট এবং চরম অবস্থান থেকে মতামত দিয়েছেন।

জরিপে দেখা গেছে, এখনো বেশিরভাগ মানুষ মনে করেন, চীনের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্র সরকার নিজেদের নাগরিকদের ব্যক্তিগত স্বাধীনতাকে অনেক বেশি সম্মান করে। তবে আগের তুলনায় এই ব্যবধান কমে এসেছে। অন্যদিকে, পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। মধ্যম আয়ের কয়েকটি দেশের করা অতিরিক্ত জরিপে ৭৫ শতাংশ মানুষ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অনেক বেশি হস্তক্ষেপ করে। একই প্রশ্নে চীনের ক্ষেত্রে এই মত দিয়েছেন ৪৫ শতাংশ মানুষ। সাম্প্রতিক কিছু বছরে অন্যান্য আন্তর্জাতিক গবেষণায়ও একই ধরনের প্রবণতা দেখা গেছে। জরিপকারী প্রতিষ্ঠান গ্যালাপ জানিয়েছে, গত বছর বৈশ্বিক গ্রহণযোগ্যতার দিক থেকে চীন প্রথমবার যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়িয়ে গেছে। গত দুই দশকে এটিই ছিল সবচেয়ে বড় ব্যবধান।

তবে এশিয়া সোসাইটির আরেকটি গবেষণায় বলা হয়েছে, করোনা মহামারির সময় চীনের যে ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল, তা এখনও সীমিত পরিসরে উন্নতি করতে পেরেছে। কার্নেগি চায়নার গবেষক ড. চং জা ইয়ান বলেন, পিউর সর্বশেষ ফল তার কাছে অস্বাভাবিক মনে হয়নি। তার মতে, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতির ঘন ঘন পরিবর্তন, শক্তি প্রয়োগের প্রবণতা এবং এর অর্থনৈতিক প্রভাব অনেক দেশকে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। যার ফলে অনেক দেশের মানুষ চীনকে তুলনামূলকভাবে বেশি স্থিতিশীল ও পূর্বানুমানযোগ্য অংশীদার হিসেবে দেখতে শুরু করেছেন। তিনি আরও বলেন, বিশেষ করে যে উন্নয়নশীল দেশগুলোর সাথে সম্পর্ক উন্নত করতে চীন দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে, তাদের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করে ড. চং মনে করে যে, এর প্রভাবও এখন দৃশ্যমান। যদিও ড. চং মনে করেন, চীনের প্রতি ইতিবাচক ধারণা বাড়ছে, তবে শি চিনপিংয়ের প্রতিও মানুষের আস্থা তুলনামূলকভাবে কম রয়েছে। তার মতে, অনেক মানুষ চীনকে একটি স্থিতিশীল রাষ্ট্র হিসেবে দেখেন। তবে একই সঙ্গে তারা শি চিনপিংকে একজন শক্তিশালী কর্তৃত্ববাদী নেতা হিসেবেও মনে করেন। তিনি আরও বলেন, শি জিনপিংয়ের নেতৃত্বে চীন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরো দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে এবং বিভিন্ন ইস্যুতে নিজেদের অবস্থান অন্য দেশগুলোর ওপরও জোর দিয়ে তুলে ধরছে। এ ছাড়া দেশটিতে সংখ্যালঘু অধিকার ও তাদের সঙ্গে আচরণ নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রশ্ন রয়েছে। তার মতে, অনেক মানুষ প্রযুক্তি ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির মতো ইতিবাচক বিষয়গুলো চীনের সাফল্য হিসেবে দেখেন। তবে কঠোর নীতি ও চাপ সৃষ্টি করা সিদ্ধান্তগুলোর জন্য ব্যক্তিগতভাবে শি চিনপিংকে দায়ী করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%