বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:৪১ পি.এম
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ বুধবার ব্রিটেনে দুই দিনের সফর শুরু করতে যাচ্ছেন। সফরের প্রথম দিনে তিনি ঐতিহাসিক বেয়ো ট্যাপেস্ট্রির বিশেষ প্রদর্শনীর উদ্বোধনে অংশগ্রহণ করবেন। বৃহস্পতিবার তিনি ডাউনিং স্ট্রিটে ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহামের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে মিলিত হবেন।
এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) কোনো নেতা হিসেবে প্রথমবারের মতো বার্নহামের সঙ্গে ডাউনিং স্ট্রিটে বৈঠক করার সুযোগ।
মাখোঁর লন্ডন সফরের প্রতীকী গুরুত্ব রয়েছে। বুধবার তিনি বেয়ো ট্যাপেস্ট্রির প্রদর্শনীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনে অংশগ্রহণ করবেন। পরের দিন বার্নহামের সঙ্গে বৈঠক করবেন।
প্রায় ৯৫০ বছরের পুরোনো এই ট্যাপেস্ট্রি ব্রিটিশ মিউজিয়ামে প্রদর্শনের জন্য ফ্রান্স থেকে ধার দেওয়ার উদ্যোগে মাখোঁ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। আগামী বছরের জুলাই পর্যন্ত এটি ব্রিটিশ মিউজিয়ামে প্রদর্শিত হবে।
কূটনৈতিক দিক থেকে বার্নহাম মাখোঁর সঙ্গে বৈঠক থেকে কিছু বাস্তব ফলাফলের প্রত্যাশা করছেন। ব্রেক্সিটের পর ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে ব্রিটেনের সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ করার লক্ষ্য তার রয়েছে।
জুলাইয়ে কিয়ার স্টারমারকে সরিয়ে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর বার্নহাম মূলত দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়গুলোর প্রতি বেশি মনোযোগ দিয়েছেন। তবে তিনি ধীরগতির ব্রিটিশ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর পাশাপাশি ইংলিশ চ্যানেল পেরিয়ে ব্রিটেনে আসা অভিবাসীদের ঠেকাতে ফ্রান্সের সহযোগিতা পাওয়ার চেষ্টা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
২০২৪ সালের নির্বাচনে বড় সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় এলেও নানা ভুল সিদ্ধান্ত, কেলেঙ্কারি ও নীতিতে বারবার পরিবর্তনের কারণে স্টারমারকে শেষ পর্যন্ত নিজের দল মধ্য-বামপন্থি লেবার পার্টির কাছেই প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়তে হয়।
প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর বার্নহাম অভ্যন্তরীণ নীতিতে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। তবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজের অবস্থান তুলে ধরার ব্যাপারে তিনি আগ্রহী বলে মনে হচ্ছে। বিশেষ করে ২০২২ সালে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসনের পর ইউক্রেনের প্রতি লন্ডনের সমর্থন অব্যাহত রাখার বিষয়টি তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ।
স্টারমার এ ক্ষেত্রে কিছুটা সফলতা অর্জন করেছিলেন। তিনি মাখোঁর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছেন এবং মিত্র দেশগুলোর প্রশংসা পেয়েছেন।
‘সমান গুরুত্বপূর্ণ’
কিংস কলেজ লন্ডনের ইউরোপীয় রাজনীতি ও পররাষ্ট্রবিষয়ক অধ্যাপক আনন্দ মেনন সতর্ক করে দিয়েছেন যে, এই সফর ‘বিষয়বস্তুর চেয়ে বেশি আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ’ হয়ে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে। ইউক্রেন ইস্যুর মতো ইইউর বাইরের বিষয়ে ব্রিটেন ও ফ্রান্সকে ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে দেখা হলেও অর্থনৈতিক বিষয়গুলোতে তাদের মধ্যে মতপার্থক্য রয়ে গেছে।
তিনি এএফপিকে বলেন, ‘বাস্তব বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে, বিশেষ করে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ওপর যেসব বিষয়ের প্রভাব রয়েছে, সেখানে পরিস্থিতি এখনো খুবই জটিল।’
বার্নহামের আগে দায়িত্ব পালন করা ব্রিটেনের পাঁচ প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে স্টারমারের সঙ্গেই মাখোঁ সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন।
ইউক্রেনকে সমর্থনকারী দেশগুলোর তথাকথিত ‘কোয়ালিশন অব দ্য উইলিং’-এও তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ‘ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্য ইস্যুতে প্রেসিডেন্ট মাখোঁ প্রধানমন্ত্রী স্টারমারের সঙ্গে অত্যন্ত বন্ধুত্বপূর্ণ ও কার্যকর সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন।’
বার্নহামের সঙ্গেও সমন্বয় ‘সমান গুরুত্বপূর্ণ এবং নিয়মিত’ হবে বলে আশা করা হচ্ছে বলে ওই কর্মকর্তা জানান।
নেদারল্যান্ডস সফর শেষে ব্রিটেনে আসছেন মাখোঁ। তার বর্তমান মেয়াদের শেষ ছয় মাসের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সময় এই সফর তার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।
যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরশীল না হয়ে ইউরোপের নিজস্ব কৌশলগত সক্ষমতা ও স্বাধীনতার পক্ষে মাখোঁ দীর্ঘদিন ধরে কথা বলে আসছেন। ব্রেক্সিটের পরও এই পরিকল্পনায় ব্রিটেনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার কর্মধা ইউনিয়নের নুনা হুসনাবাদ গ্রামের বাসিন্দা, হাসামপুর জামে মসজিদের ইমাম এবং লংলা রাশিদিয়া শমশেরিয়া হাফিজিয়া মাদরাসা ও জকিয়া বেগম এতিমখানা ও ছাত্রাবাসের শিক্ষক হাফিজ ক্বারী আব্দুল মতিন ইন্তেকাল করেছেন।
তিনি বুধবার ২ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টার দিকে হাসামপুর জামে মসজিদে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর ইন্তেকালের খবর শুনে স্থানীয় মুসল্লি, শিক্ষার্থী, সহকর্মী ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
মরহুম হাফিজ ক্বারী আব্দুল মতিন দীর্ঘকাল ধরে হাসামপুর জামে মসজিদের ইমাম হিসেবে এবং লংলা রাশিদিয়া শমসেরিয়া হাফিজিয়া মাদরাসা ও জকিয়া বেগম এতিমখানা ও ছাত্রাবাসে শিক্ষক হিসেবে দ্বীনি শিক্ষা ও খেদমতে নিয়োজিত ছিলেন।
মরহুমের প্রথম জানাজা বিকাল ৪ ঘটিকায় লংলা রাশিদিয়া মাদ্রাসা মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। দ্বিতীয় জানাজার নামাজ আজ বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে কর্মধা ইউনিয়ন বাজার শাহী ইদগাহ মাঠে অনুষ্ঠিত হবে।
মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে পরিবারের পক্ষ থেকে সকলের কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে। মহান আল্লাহ তায়ালা তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে ধৈর্য ধারণের তাওফিক দান করুন। আমিন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) অঞ্চল-২ (খিলগাঁও-তিলপাপাড়া) আঞ্চলিক কার্যালয়ের আকস্মিক পরিদর্শন করেন ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।
আজ বুধবার সকাল ১০টায় তিনি এই কার্যালয়টি পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনের শুরুতে আঞ্চলিক কার্যালয়ের মূল ফটক বন্ধ করে দেওয়া হয়, যাতে পরিদর্শন শুরুর পর বিলম্বে আসা কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী কার্যালয়ে প্রবেশ করতে না পারেন।
পরিদর্শনের সময় প্রশাসক কার্যালয়ের বিভিন্ন কক্ষ সরেজমিনে পরিদর্শন করেন এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি যাচাই করেন। তিনি প্রতিটি শাখার হাজিরা খাতা পরীক্ষা করেন এবং অনুপস্থিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হাজিরা খাতায় তাৎক্ষণিকভাবে ‘অনুপস্থিত’ হিসেবে চিহ্নিত করার নির্দেশ দেন।
অনুপস্থিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ জারি করার নির্দেশনা দেন এবং পরবর্তীতে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবু আসলামকে নির্দেশ দেন প্রশাসক।
এ সময় প্রশাসক নাগরিক সেবার মান উন্নত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি নাগরিকদের দ্রুত ও কাঙ্ক্ষিত সেবা নিশ্চিত করতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্বশীলতা এবং কর্মস্থলে নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেন।
একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে আঞ্চলিক কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সরাসরি সম্পৃক্ত হওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। এসব কার্যক্রম নিয়মিত সরেজমিনে মনিটরিং এবং কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন প্রশাসক।
তিনি বলেন, নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের গাফিলতি বা দায়িত্বে অবহেলা গ্রহণযোগ্য হবে না।
সিটি কর্পোরেশনের মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি নাগরিকদের প্রত্যাশা অনুযায়ী সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের বিভিন্ন অভিযানে ২৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতের দিকে নগরীর বিভিন্ন থানা ও ডিবি পুলিশের কার্যক্রমের মাধ্যমে তাদের আটক করা হয়।
আজ বুধবার দুপুরে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া সেল থেকে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ২ জন ওয়ারেন্টভুক্ত, ৫ জন মাদক মামলায় এবং ১৯ জন অন্যান্য মামলায় অভিযুক্ত। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপাত্র উপ পুলিশ কমিশনার গাজিউর রহমান বাসস’কে জানিয়েছেন, রাজশাহী মেট্রোপলিটনের থানা ও ডিবি পুলিশের পৃথক অভিযানে ২৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মঙ্গলবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সতর্ক করে বলেছেন, যুদ্ধ চলাকালীন ইউক্রেনের ড্রোনের কারণে রাশিয়ার আকাশসীমা ‘সম্পূর্ণ অনিরাপদ’ হয়ে উঠেছে।
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিন জেলেনস্কির এই মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ইউক্রেনকে ‘রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদ’-এর অভিযোগে অভিযুক্ত করেছেন।
এএফপি সংবাদ সংস্থার খবর অনুযায়ী, রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার ইউক্রেন অভিযান চার বছর পেরিয়ে গেলেও যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা এখনও অচলাবস্থায় রয়েছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে উভয় পক্ষই দূরপাল্লার হামলা আরও জোরদার করেছে।
মঙ্গলবার রাতে দেওয়া এক ভাষণে জেলেনস্কি বলেন, ‘রাশিয়ার আকাশপথ ব্যবহারকারী প্রতিটি বিমান সংস্থা, প্রতিটি বিমা প্রতিষ্ঠান এবং যারা এখনো রাশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দরগুলো ব্যবহার করছে— তাদের সবাইকে আমরা সতর্ক করতে চাই, রাশিয়ার আকাশপথ সম্পূর্ণ অনিরাপদ হয়ে উঠেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ইউক্রেন বেসামরিক বিমান চলাচলের বিরুদ্ধে কোনো হুমকি দিচ্ছে না— একটিও বেসামরিক বিমানকে নয়। তবে রাশিয়ার আকাশে এমন বিপুলসংখ্যক ড্রোন থাকবে, যার বিষয়টি সবাইকে বিবেচনায় নিতে হবে।’
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইউক্রেনীয় ড্রোনের কারণে রাশিয়ার বিভিন্ন বিমানবন্দরে বারবার বিমান চলাচল ব্যাহত হয়েছে। একই সময়ে এসব ড্রোন হামলার সংখ্যা বেড়েছে।
জেলেনস্কি বলেন, ‘ড্রোনে ভরা আকাশ বেসামরিক বিমান চলাচলের জন্য নিরাপদ নয়। যুদ্ধ যতদিন চলবে, ততদিন রাশিয়ার আকাশ ড্রোনের দখলেই থাকবে।’
জেলেনস্কির মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় পুতিন জেলেনস্কির বক্তব্যকে ‘রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদের ঘোষণা’ বলে অভিহিত করেছেন।
টেলিভিশনে প্রচারিত এক সংবাদ সম্মেলনে পুতিন বলেন, ‘তারা আমাদের আবার আলোচনায় বসতে বলছে... কিন্তু সন্ত্রাসীদের সঙ্গে আলোচনা করা যায় না।’
উভয় পক্ষের অবস্থান কঠোর হওয়ার মধ্যে রাশিয়ার নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় কিয়েভ ও আশপাশের এলাকায় অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছেন।
জেলেনস্কি বলেন, ‘আমরা ইউক্রেনে নিরপরাধ মানুষের প্রাণহানি চাই না। এ কারণেই আমরা আমাদের অংশীদারদের সতর্ক করছি— রাশিয়ার আকাশে নিরাপদ দিন শেষ হয়ে গেছে।’
‘হামলার গতি বাড়ছে’
রাশিয়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের ব্যবহার বাড়িয়েছে। ইউক্রেনের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় পর্যাপ্ত গোলাবারুদের ঘাটতি থাকায় এসব ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকাতে কিয়েভকে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
তবে ইউক্রেনও রাশিয়ার বিভিন্ন অবকাঠামো, বন্দর এবং এমনকি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের গুদামেও হামলা চালিয়ে পাল্টা জবাব দিচ্ছে।
পুতিন তার ভাষণে স্বীকার করেন যে, ইউক্রেনের হামলায় রাশিয়ার ভেতরেও অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘শত্রুপক্ষ আমাদের তেল শোধনাগারসহ বেসামরিক স্থাপনাগুলোতে হামলা শুরু করেছে।’
এতে কোনো ক্ষতি হয়েছে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, হ্যাঁ, হয়েছে।
পুতিন আরও বলেন, এসব স্থাপনা সুরক্ষিত ছিল না, তাই ক্ষতি হয়েছে।
তবে পুতিন দাবি করেন যে যুদ্ধক্ষেত্রে রাশিয়া এগিয়ে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘সবকিছুর পরও বিশেষ সামরিক অভিযানের এলাকায় রুশ বাহিনী তাদের আক্রমণের গতি বাড়িয়ে চলেছে।’
জেলেনস্কি তার রাতের ভাষণে বলেন, কূটনৈতিক উদ্যোগ ও আলোচনার স্বার্থে তাদের অংশীদাররা অনুরোধ করলে ইউক্রেন রাশিয়ার আকাশ থেকে ড্রোন সরিয়ে নেবে।
তিনি বলেন, ‘কূটনীতির স্বার্থে, আলোচনার স্বার্থে... নির্দিষ্ট সময়ের জন্য এবং নির্দিষ্ট এলাকায় আমরা এটি করতে প্রস্তুত।’
তবে ফেব্রুয়ারিতে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত বন্ধের প্রচেষ্টা অনেকটাই স্থবির হয়ে আছে।
তবু যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতা প্রচেষ্টার গুরুত্বপূর্ণ দুই ব্যক্তি স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনারের বিষয়ে পুতিন তুলনামূলকভাবে ইতিবাচক সুরে কথা বলেছেন।
তিনি বলেন, ‘মি. কুশনার ও মি. উইটকফ দুজনই এখানে সবসময় স্বাগত অতিথি। আমরা তাদের সঙ্গে কাজ করতে পেরে আনন্দিত।’ তিনি তাদের ‘আন্তরিক’ বলেও উল্লেখ করেন।
ওয়াশিংটনের মধ্যস্থতা উদ্যোগের অংশ হিসেবে উইটকফ ও কুশনার রাশিয়ার সঙ্গে একাধিক দফা বৈঠক করেছেন। সর্বশেষ তারা জানুয়ারিতে মস্কো সফর করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ