ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

ইইউতে পোশাক রপ্তানি ৬৪০ মিলিয়ন ডলার কমেছে


ইইউতে পোশাক রপ্তানি ৬৪০ মিলিয়ন ডলার কমেছে

চলতি অর্থবছরের জুলাই-মে সময়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি হয়েছে ১৭ দশমিক ৩৬ বিলিয়ন ডলার। যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৬৪০ মিলিয়ন ডলার কম।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে বাংলাদেশ থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নে পোশাক রপ্তানি কমেছে। মে মাসে শক্তিশালী পুনরুদ্ধার লক্ষণ দেখা দিলেও, মোট হিসাব করলে এ বাজারে চাহিদা কমে যাওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।

এর আগে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ইইউতে বাংলাদেশের রপ্তানি ভালো অবস্থানে ছিল। ওই বছরে রপ্তানি ৯ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে ১৯ দশমিক ৭১ বিলিয়ন ডলারে পৌছেছিল।

আরও পড়ুন: পতেঙ্গায় শিশু সোহাগ হত্যা: ইমাম হোসেনের মৃত্যুদণ্ড

যাহোক, শিল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ওই প্রবৃদ্ধি মূলত উচ্চ দামের কারণে হয়েছে, ক্রয়াদেশের পরিমাণ বাড়ার কারণে নয়। মে মাসের পুনরুদ্ধারের পরও এ বছরটির বড় অংশ জুড়ে রপ্তানির প্রত্যাশার চেয়ে অনেক কম ছিল।

জুলাইয়ে ১ দশমিক ৯৮ বিলিয়ন ডলার থেকে সেপ্টেম্বরে রপ্তানি কমে ১ দশমিক ৩৪ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসে। পরে ফেব্রুয়ারি ও মার্চে তা আবার কমে যথাক্রমে ১ দশমিক ৩৫ বিলিয়ন ও ১ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর পরিচালক আলমগীর হোসেন বলেছেন, ‘অর্থবছরের শুরুর মাসগুলোতে রপ্তানির পতন বেশি ছিল। তবে সাম্প্রতিক তথ্য ধীরে ধীরে পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত দিচ্ছে।’

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইইউ বাজারে উন্নতির লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। চাহিদা পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকলে অর্থবছরের বাকি সময়েও এই ইতিবাচক ধারা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন।

আরও পড়ুন: আ.লীগ ও অন্তর্বর্তী সরকারের আমলের অনিয়ম-দুর্নীতির তথ্য চেয়েছে সংসদীয় কমিটি

এপ্রিলের ৩১৬ দশমিক ২ মিলিয়ন ডলার থেকে মে মাসে জার্মানিতে রপ্তানি বেড়ে ৪০৯ দশমিক ৩ মিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। তবে, রপ্তানি এখনো জুলাইয়ের সর্বোচ্চ ৪৭১ দশমিক ৮ মিলিয়ন ডলারের নিচে রয়েছে; এতে বোঝা যাচ্ছে, চাহিদা এখনো আগের পর্যায়ে ফেরেনি।

মে মাসে ইউরোপীয় ইউনিয়নে বাংলাদেশের মোট পোশাক রপ্তানির প্রায় ২২ দশমিক ৫ শতাংশের বেশি জার্মানিতে গেছে। স্পেন দ্বিতীয় বৃহত্তম গন্তব্য হিসেবে অবস্থান ধরে রেখেছে। মে মাসে দেশটিতে ৩০০ দশমিক ১ মিলিয়ন ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়েছে, যা এপ্রিলের ২৮৫ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের তুলনায় কিছুটা বেশি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘মা মাথা নত করলে আজ আমার অস্তিত্ব থাকত না’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

০১:০৭ পি.এম


‘মা মাথা নত করলে আজ আমার অস্তিত্ব থাকত না’

 

কন্যাসন্তান হওয়ার কারণে জন্মের পরপরই চরম অবহেলা ও নিষ্ঠুরতার শিকার হতে হয়েছিল বলিউড অভিনেত্রী ও সাবেক মিস ইন্ডিয়া পূজা চোপড়াকে। এতদূর পর্যন্ত গিয়েছিল যে, তাকে মেরে ফেলার সিদ্ধান্তও নিয়েছিল তার বাবার পরিবার।

সম্প্রতি, এক সাক্ষাৎকারে এই অভিনেত্রী নিজের জীবনের সেই অন্ধকার ও কষ্টদায়ক অধ্যায়ের কথা ফুটিয়ে তুলেছেন। তিনি মায়ের অদম্য সাহসের ফলেই কিভাবে আজকের অবস্থানে এসে পৌঁছেছেন, সে গল্পও শেয়ার করেছেন।

সাক্ষাৎকারের সময় পূজার পাশাপাশি তার মা নীরা চোপড়াও উপস্থিত ছিলেন। তিনি জানিয়েছেন, তাদের প্রথম সন্তানের জন্মও এক মেয়ে ছিল।

দ্বিতীয়বার গর্ভবতী হওয়ার পর, স্বামী এবং শ্বশুরবাড়ির পক্ষ থেকে ছেলে সন্তানের জন্য তার ওপর প্রবল চাপ দেওয়া হতে থাকে। কিন্তু যখন জানা যায়, তিনি আবারও কন্যাসন্তান জন্ম দিতে চলেছেন, তখন পরিস্থিতি আরো ভয়ংকর হয়ে ওঠে। নীরাকে গর্ভপাত করানোর জন্যও চাপ দেওয়া হয়েছিল। তবে, সব বাধা উপেক্ষা করে তিনি তার সন্তানকে পৃথিবীর আলো দেখানোর সাহসী সিদ্ধান্ত নেন।

পূজা বলেন, তার জন্মের পর বাবার পরিবার কোনোভাবেই তাকে গ্রহণ করতে পারেনি। কন্যাসন্তান হওয়ার অপরাধে তার বাবা স্ত্রী নীরা এবং দুই মেয়েকে একা ফেলে চলে যান। এর পর চরম অর্থনৈতিক অনটন, সামাজিক কটূক্তি এবং একাকীত্বের সঙ্গে লড়াই করে দুই মেয়েকে মানুষের মতো মানুষ করার চেষ্টা করেন তার মা।

মায়ের এই দীর্ঘ লড়াইয়ের কথা বলতে গিয়ে সাক্ষাৎকারে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন পূজা চোপড়া। মায়ের প্রতি নিজের কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার জীবনের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা আমার মা। যদি মা সেই সময় সমাজ ও পরিবারের চাপের কাছে মাথা নত করতেন, তাহলে হয়তো আজ আমার কোনো অস্তিত্বই থাকত না। মায়ের সংগ্রাম আর সাহসের কারণেই আমি আজ এই জায়গায় পৌঁছাতে পেরেছি।’

সূত্র : এই সময়

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকার এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী, ২৫ হাজার ধাত্রী নিয়োগ দেবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

০১:১৩ পি.এম


সরকার এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী, ২৫ হাজার ধাত্রী নিয়োগ দেবে

১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেবে সরকার, যাতে দেশের স্বাস্থ্যসেবাকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়। এই পরিকল্পনার পাশাপাশি, আগামী তিন বছরের মধ্যেই ধাত্রীবিদ্যায় দক্ষ আরো ২৫ হাজার মিডওয়াইফ (ধাত্রী) নিয়োগের ব্যবস্থা করা হবে। রবিবার পর্তুগালের লিসবন সফর শেষে দেশে ফিরে সচিবালয়ে সমসাময়িক বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার। বিপুলসংখ্যক মিডওয়াইফ নিয়োগের পূর্বে তাদের মাঠপর্যায়ে সেবার মান আরও উন্নত করতে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার জানান, প্রশিক্ষণের মানোন্নয়ের জন্য সরকার ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ আগামী তিন থেকে চার বছরের মধ্যে প্রায় এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেবে। এর ফলে আমরা স্বাস্থ্যসেবাকে প্রত্যেকটি মানুষের, বিশেষ করে প্রিভেন্টিভ স্বাস্থ্যসেবাকে প্রত্যেকটা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে পারব। সেইসাথে, আগামী তিন থেকে চার বছরে ২৫ হাজার মিডওয়াইফও পর্যায়ক্রমে নিয়োগ দেওয়া হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চলতি বছরের শেষে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল উদ্বোধন করবে বিমানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

০১:১৬ পি.এম


চলতি বছরের শেষে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল উদ্বোধন করবে বিমানমন্ত্রী

চলতি বছরের শেষে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল উদ্বোধন করা হবে বলে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম জানিয়েছেন।

আজ রবিবার (২১ জুন) সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে আগামী ৩০ বছরের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে এই কথা বলেন মন্ত্রী।

আফরোজা খানম উল্লেখ করেন, ‘বগুড়া বিমানবন্দরের কাজসহ দেশের অন্যান্য বিমানবন্দরগুলোর কাজ শুরু করে বাংলাদেশকে এভিয়েশন হাব করা হবে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘আজকের নেওয়া সিভিল এভিয়েশনের এ মাস্টারপ্ল্যানের মাধ্যমে আগামী ২০ থেকে ৩০ বছর বা তারও অধিক সময়ের জন্য বাংলাদেশের বিমান চলাচল খাতের উন্নয়ন লক্ষ্য, অগ্রাধিকার এবং কৌশলগত দিকনির্দেশনা নির্ধারণ করবে।

তিনি আরও বলেন, ‘এ পরিকল্পনার আওতায় বিমানবন্দরের অবকাঠামো উন্নয়ন, এয়ার ন্যাভিগেশন সেবার আধুনিকায়ন, এয়ারলাইনস খাতের সম্প্রসারণ, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা, নিরাপত্তা ও সুরক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন, পরিবেশগত টেকসই নিশ্চিতকরণ এবং আন্তর্জাতিক মান ও চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন করা সম্ভব হবে।’

দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সমন্বিত জাতীয় বেসামরিক বিমান চলাচল মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত এ কর্মশালায় বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয়, বেবিচক, সশস্ত্রবাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সামান্থা রুথ মা হতে চলেছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

০১:১৯ পি.এম


সামান্থা রুথ মা হতে চলেছেন

অবশেষে সুখবর দিলেন দক্ষিণী অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু। তিনি মা হতে চলেছেন। পরিচালক রাজ নিদিমরুকে বিয়ের ৬ মাস পর এ তারকা দম্পতির সংসারে নতুন অতিথি আসছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, সামান্থার নতুন সিনেমা ‘মা ইনতি বানগারাম’-এর সাফল্য উদ্‌যাপনের মুহূর্তে অভিনেত্রীর উপস্থিতি সবার নজর কাড়ে।

অনুষ্ঠানে নায়িকার বেবি বাম্প স্পষ্ট হয়ে ওঠে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই মুহূর্তের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর ভক্তরা প্রিয় অভিনেত্রীকে অভিনন্দন জানাতে শুরু করেছেন। যদিও এই বিষয়ে তারকা দম্পতি এখনও কোনো অফিশিয়াল মন্তব্য করেননি।

ওয়েব সিরিজ ‘দ্য ফ্যামিলি ম্যান’-এ কাজ করতে গিয়ে প্রেমের সম্পর্কে জড়ান রাজ ও সামান্থা। সম্পর্ককে পরিণয়ে রূপ দিতে গত বছর ১ ডিসেম্বর ভারতের লিং ভৈরবী মন্দিরে তারা বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন। বিয়ের ৬ মাস পর তাদের সুখের সংসারে নতুন অতিথি আসছে।

প্রসঙ্গত, সামান্থা এর আগে ২০১৭ সালের ৬ অক্টোবর অভিনেতা নাগা চৈতন্যকে ভালোবেসে বিয়ের পিঁড়িতে বসেছিলেন। ৪ বছর সংসার করার পর সম্পর্কের মধ্যে চিড় ধরলে ২০২১ সালে তাদের ডিভোর্স ঘটে। এরপর ২০২৪ সালের ৪ ডিসেম্বর নাগা শোভিতা ধুলিপালাকে বিয়ে করেন। সাবেক স্বামীর বিয়ের ২ বছর গড়ানোর পর পরিচালক রাজকে বিয়ে করেন সামান্থা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%