১১:০০ এম
মাদকবিরোধী অভিযানসহ নগরীর চার থানা ও গোয়েন্দা পুলিশের পৃথক অভিযান, উদ্ধার ১৮০ গ্রাম গাঁজা ও ২০ পিস ইয়াবা
বরিশাল মহানগরীর সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, মাদকদ্রব্যের বিস্তার রোধ এবং অপরাধ দমনে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ (বিএমপি)। গত ৩ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে মহানগর পুলিশের চারটি থানা ও গোয়েন্দা শাখার পৃথক অভিযানে মাদকদ্রব্যসহ বিভিন্ন অপরাধে মোট ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বুধবার (৪ নভেম্বর) বিএমপির মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিএমপি সূত্রে জানা গেছে, নগরীর সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অপরাধপ্রবণতা নিয়ন্ত্রণ এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে মহানগর পুলিশের চারটি থানা ও গোয়েন্দা শাখার বিশেষ আভিযানিক দল নগরীর বিভিন্ন স্থানে পৃথকভাবে অভিযান পরিচালনা করে।
এসব অভিযানে মাদকদ্রব্যসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে ১৮০ গ্রাম গাঁজা ও ২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে নগরীতে মাদকবিরোধী কার্যক্রম অব্যাহত থাকার বিষয়টি আবারও সামনে এসেছে।
বিএমপির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, অভিযানে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে বিভিন্ন মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত ছয়জন রয়েছেন। নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে দুজনকে। এ ছাড়া অন্যান্য আইনে চারজন এবং বরিশাল মহানগর অধ্যাদেশে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সব মিলিয়ে মাদকদ্রব্যসহ গ্রেপ্তার তিনজন, গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত ছয়জন, নিয়মিত মামলার দুইজন, অন্যান্য আইনে চারজন এবং মহানগর অধ্যাদেশে দুইজনসহ মোট ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে বিএমপির আভিযানিক দল।
নগরীতে মাদকদ্রব্যের বিস্তার, অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ও অপরাধীদের তৎপরতা নিয়ন্ত্রণে পুলিশের এমন বিশেষ অভিযান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। পাশাপাশি অপরাধ দমনে পুলিশের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সচেতনতা ও তথ্য সহযোগিতাও প্রয়োজন।
এদিকে মাদক সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য দিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ। তথ্যদাতার পরিচয় গোপন রাখার আশ্বাস দিয়ে মাদক সংক্রান্ত তথ্য জানানোর জন্য দুটি হটলাইন নম্বরও প্রকাশ করা হয়েছে।
মাদক সংক্রান্ত তথ্য জানাতে বিএমপির হটলাইন:
☎️ ০১৩২০-০৬৪০০০
☎️ ০১৩২০-০৬৪০৪৪
বিএমপি জানিয়েছে, মাদক সংক্রান্ত তথ্য প্রদানকারীর পরিচয় গোপন রাখা হবে।
নগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, মাদক নির্মূল এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন