ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মাদরাসায় নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগে স্থানীয়দের বিক্ষোভ, অধ্যক্ষের পদত্যাগ


মাদরাসায় নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগে স্থানীয়দের বিক্ষোভ, অধ্যক্ষের পদত্যাগ

কুড়িগ্রামের রাজারহাটের রাজমাল্লীহাট সিদ্দিকিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদরাসায় চারটি পদে নিয়োগের প্রক্রিয়া নিয়ে অনিয়ম ও নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগে স্থানীয় বাসিন্দা ও সচেতন নাগরিকরা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছে। বিক্ষোভের এক পর্যায়ে প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোখলেছুর রহমান পদত্যাগপত্রে সই করেছেন।

রবিবার (৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মাদরাসা মাঠে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচির বক্তারা মাদরাসার চারটি পদে নিয়োগ প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করার দাবি জানান। তারা নিয়োগ পরীক্ষা মাদরাসায় আয়োজনের পাশাপাশি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে পরীক্ষার মানবণ্টনসহ প্রয়োজনীয় তথ্য স্পষ্টভাবে প্রকাশের দাবি জানান।

স্থানীয়দের অভিযোগ, মাদরাসাটিতে ল্যাব সহকারী, নৈশপ্রহরী, পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও আয়া পদে নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব পদে নিয়োগের জন্য ৫০ লাখ টাকা লেনদেনের মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়ার পাঁয়তারা চলছে বলে তাদের দাবি। তারা এই অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানায়।

আরও পড়ুন: সাইবার সিকিউরিটি আইন সংশোধনে কাজ করছে সরকার: তথ্যমন্ত্রী

মানববন্ধনে বক্তারা মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের পদত্যাগ এবং পরিচালনা কমিটি বিলুপ্ত বা পুনর্গঠনের দাবি জানান। তারা বর্তমান কমিটির কোনো সদস্যকে ভবিষ্যতে কমিটিতে না রাখার দাবিও তোলেন।

বিক্ষোভ চলাকালে নিয়োগ বাণিজ্যে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে মাদরাসার শিক্ষক প্রতিনিধি মিজানুর রহমান সাজুর ওপরও ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিক্ষোভকারীরা। পরে তাদের দাবির মুখে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোখলেছুর রহমান পদত্যাগপত্র জমা দেন।

তবে নিয়োগ বাণিজ্যের পাঁয়তারা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোখলেছুর রহমান। তিনি জানান, কয়েক দিন আগে স্বেচ্ছায় পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন। তবে মাদরাসা পরিচালনা কমিটি তা গ্রহণ করেনি। এলাকাবাসীর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বিক্ষোভকারীদের সম্মুখে স্বেচ্ছায় পদত্যাগপত্রে সই করেছেন তিনি।

মানববন্ধনে ম্যানেজিং কমিটির অভিভাবক সদস্য মো. মাইদুল ইসলাম, বিদ্যুৎসাহী সদস্য মো. দুলাল সরকার, প্রাক্তন ছাত্র সালমান ফারসিসহ স্থানীয়রা বক্তব্য দেন।

আরও পড়ুন: ভারতের পথে যুব মহিলা লীগ নেত্রী সুলতানা বেগম আটক

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি সুজনের ঢামেকে মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:১৮ পি.এম


ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি সুজনের ঢামেকে মৃত্যু

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে (কেরানীগঞ্জ) বন্দি এক কয়েদী, যিনি সুজন (৪৬) নামে পরিচিত, ঢামেক হাসপাতালে মারা গেছেন। তিনি কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার গোড়ই গ্রামের সিরাজ মিয়ার পুত্র।

রবিবার (৪ অক্টোবর) বিকালে, কারাগার থেকে অসুস্থ অবস্থায় তাকে জরুরি চিকিৎসার জন্য ঢামেক হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে পৌঁছানোর পর চিকিৎসকরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক মো. সেলিম হোসেন জানান, মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কারখানার বর্জ্যে দূষিত টঙ্গী খাল, খালপারের বাসিন্দাদের দুর্বিসহ জীবন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:১৯ পি.এম


কারখানার বর্জ্যে দূষিত টঙ্গী খাল, খালপারের বাসিন্দাদের দুর্বিসহ জীবন

শিল্প অধ্যুষিত এলাকা গাজীপুর ও টঙ্গীর বিভিন্ন শিল্প কারখানার বর্জ্য টঙ্গী খাল দিয়ে তুরাগ ও বালু নদীতে পড়ছে। খালের পানি কারখানা ও বাসাবাড়ির অপরিশোধিত বর্জ্য বহন করে নদীতে যাচ্ছে। এর ফলে নদী-খালপারের মানুষ দুর্বিসহ জীবনযাপন করছে।

রবিবার (৪ অক্টোবর) পর্যন্ত গত তিন দিন ধরে তুরাগ, বালু ও শীতলক্ষ্যা নদীর তীর ও টঙ্গী খালপাড় এলাকা ঘুরে সেখানকার মারাত্মক দূষণ দৃশ্যমান হয়েছে।

বিভিন্ন সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, গাজীপুরের গাছা থেকে সৃষ্ট টঙ্গী খাল টঙ্গীর বনমালা হয়ে তুরাগ ও বালু নদে মিশেছে। খালের দুই পারের শত শত বাসিন্দা বাধ্য হয়ে দুর্বিসহ পরিবেশে বসবাস করছেন। দুর্গন্ধময় ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাসের কারণে সারা বছরই তারা শ্বাসকষ্টসহ নানা জটিল রোগে ভুগছেন।

খালপারের বাসিন্দারা জানাচ্ছেন, দুর্গন্ধময় পরিবেশের কারণে তাদের ছোটখাটো পারিবারিক অনুষ্ঠানও অন্য কোনো এলাকায় আত্মীয়ের বাড়িতে করতে হয়। খালপারের কোনো বাসায় অনেকে বেড়াতে এমনকি দরকারি কাজেও আসতে চায় না।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, টঙ্গীর দুই শতাধিকসহ গাজীপুরের প্রায় সাত হাজার ছোট-বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠানের বর্জ্য যে খাল বা নদীতেই পড়ুক না কেন, তা ঘুরে ফিরে টঙ্গী খাল এবং তুরাগ, শীতলক্ষ্যা ও বালু নদীতেই পড়ে। ফলে নদী-খালের পানি দূষণের প্রভাব এই এলাকায় বেশি।

শিল্পাঞ্চলগুলোর পানি পরীক্ষা করে অনুমোদিত সীমার চেয়ে বেশি মাত্রায় ভারী ধাতুর উপস্থিতি দেখা গেছে। সেখানকার পানি খুবই অ্যাসিডিক। একসময় যেসব জলাশয় স্থানীয় মানুষের জীবিকার উৎস ছিল, তা এখন তাদের স্বাস্থ্য ও জীবনধারণের জন্য বিরাট হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সরেজমিন টঙ্গী খাল পরিদর্শনে গিয়ে দেখা যায়, ময়লা-আবর্জনায় পচে পানি কুচকুচে কালো রং ধারণ করেছে।

স্থানীয়দের মতে, ১৯৯০-এর দশক থেকে গাজীপুরজুড়ে শিল্পকারখানা সম্প্রসারণের সঙ্গে সঙ্গে এই পরিস্থিতি শুরু হয়েছে। বর্তমানে দিন দিন অবস্থার অবনতি হচ্ছে।

বনমালা খালপাড়ের চা বিক্রেতা ইমাম উদ্দিন (৭৫) বলেন, ‘আগে আমরা এই খালে মাছ ধরতাম। এখন মাছ নেই, বিষাক্ত গন্ধে মাছ তো মরছেই, আমরাও অসুস্থ হয়ে যাই। তাই খালে গোসলও করতে যাই না।’

শুকুন্দিবাগের সোহেল রানা (৫৬) বলেন, ‘এই খালে একসময় ধান চাষ করতাম। কিন্তু এই পানির কারণে এখন আর আবাদ করতে পারি না। বাধ্য হয়ে জমি বিক্রি করে দিয়েছি।’

খালপারের বাসিন্দারা বলছেন, দুর্গন্ধময় পরিবেশের কারণে তারা অনেকটা একাকী হয়ে যাচ্ছেন। আগের মতো আত্মীয়-স্বজনও এখন আসে না। ছোটখাটো অনুষ্ঠান অন্য জায়গায় হয়। সব ঠিকঠাক হওয়ার পর বিয়েও ভেঙে যাচ্ছে।

খালপাড়ের বাসিন্দা মতিউর রহমান বলেন, 'আমাদের এলাকায় কেউ বিয়ের সম্বন্ধ নিয়ে এলেও পরে অন্য কোনো বিকল্প পেলে বিয়ে ভেঙে দেয়। অনেক সময় আমরা এই দূষণের গল্প চেপে যাওয়ার চেষ্টা করি এবং চুপচাপ বিয়ের আয়োজন করি। প্রয়োজনে অন্য জায়গায় বিয়ের অনুষ্ঠান করি।

ভয়াবহ পরিবেশ দূষণে অতিষ্ঠ জীবনের এই গল্প টঙ্গী খালপারের হাজীপাড়া, টেকপাড়া, গোজারিয়ার টেক, দিলারটেক, নিমতলী, মাজুখান, বনমালা এবং নিমতলী ও হায়দরাবাদ বিলের বাসিন্দাদের।

এদিকে, দুর্গন্ধের চেয়েও ভুক্তভোগীদের কাছে বড় সংকট বায়ুদূষণ। বায়ুদূষণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি অধ্যাপক আবদুস সালাম বলেন, এই দুর্গন্ধ রাসায়নিক দূষণের স্পষ্ট ইঙ্গিত দেয়। কিছু রাসায়নিক পদার্থ পানি থেকে বাষ্পীভূত হয়ে বাতাসে মেশে, যা এলাকায় বসবাসকারী মানুষের স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। ধাতু ও টিন ক্ষয়ে যাওয়ার পেছনেও বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা রয়েছে।

এই গবেষক বলেন, 'ওয়াশিং প্ল্যান্টগুলোতে সেখানকার লোকজন ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করেন। এতে ক্লোরিন থাকে। এছাড়া অন্যান্য রাসায়নিকের মধ্যে সালফার থাকে। এই রাসায়নিকগুলো ধাতুতে মরচে ও ক্ষয় সৃষ্টি করতে পারে।'

নদী ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞ এবং বাংলাদেশ নদী পরিব্রাজক দলের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মনির হোসেনের মতে, এই দূষণের বড় একটি অংশ পোশাক কারখানার ওয়াশিং প্ল্যান্ট, ওষুধ কারখানা ও রাসায়নিক শিল্পের অপরিশোধিত বা অপর্যাপ্ত পরিশোধিত বর্জ্য থেকে আসছে। ওয়াশিং প্ল্যান্টগুলোতে কস্টিক সোডা, পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট, সোডিয়াম হাইপোক্লোরাইট এবং সালফারভিত্তিক উপাদান যেমন সোডিয়াম মেটাবাইসালফাইট ব্যবহার করা হয়।

এগুলোর মাত্রা ও পরিশোধনের ধরনের ওপর নির্ভর করে রাসায়নিকগুলো বর্জ্য পানির গুণাগুণ বদলে দেয় এবং জলজ জীবন ও মানবস্বাস্থ্যকে ঝুঁকিতে ফেলে।

শিল্পাঞ্চলের আশপাশের এলাকা এবং তুরাগ নদীর উপরিভাগের পানি পরীক্ষা করে দেখা গেছে, তাতে সীসা, ক্যাডমিয়াম, ক্রোমিয়াম, নিকেল এবং আয়রনের মাত্রা বাংলাদেশ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্ধারিত স্ট্যান্ডার্ডের চেয়ে অনেক বেশি। কিছু পানির নমুনায় পিএইচ-এর মাত্রা পাওয়া গেছে ২ থেকে ৪, যা এর অতিরিক্ত অ্যাসিডিক বা অম্লীয় অবস্থার কথা জানায়।

পিএইচ স্কেল ০ থেকে ১৪ পর্যন্ত হয়ে থাকে। বিশুদ্ধ পানির পিএইচ মাত্রা ৭; আর এর নিচে হলে তা অ্যাসিডিক হিসেবে ধরা হয়।

২০২৫ সালে 'সায়েন্স ডিরেক্ট'-এ প্রকাশিত 'গাজীপুরের শিল্পাঞ্চলের পানির ভারী ধাতুজনিত দূষণ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি মূল্যায়ন' শীর্ষক গবেষণার অন্যতম প্রধান গবেষক রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব ও খনিজবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক এ এইচ এম সেলিম বলেন, গাজীপুরের কিছু স্থানে দ্রবীভূত আয়রনের পরিমাণ নিরাপদ সীমার পাঁচ গুণ, সীসা ৩০ গুণ, ক্রোমিয়াম পাঁচ গুণ এবং নিকেল ছয় গুণ পাওয়া গেছে।

গবেষণার ফলে অনুযায়ী, এই পানি ব্যবহারের সম্পূর্ণ অনুপযোগী এবং পরিবেশগত ভারসাম্যের জন্য মারাত্মক হুমকি। নিরাপদ সীমার চেয়ে অতিরিক্ত ক্যাডমিয়ামের উপস্থিতির কারণে এটি প্রাপ্তবয়স্ক ও শিশুদের জন্য ক্যান্সারের ঝুঁকি তৈরি করছে বলেও গবেষণায় উঠে এসেছে।

এসব বিষয়ে গাজীপুর পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আরেফিন বাদল কালের কণ্ঠকে বলেন, গাজীপুর জেলায় প্রায় সাত হাজার শিল্প কারখানা রয়েছে। এর মধ্যে নিবন্ধিত ৬৮৮ কারখানায় বর্জ্য পরিশোধনে ইটিপি থাকা সত্ত্বেও তারা অপরিশোধিত তরল বর্জ্য বাইরে পাঠিয়ে দিচ্ছে। এসব কারখানা তদারকির দায়িত্বে থাকা পরিবেশ অধিদপ্তরের কার্যালয়ে পরিদর্শক রয়েছেন মাত্র তিনজন। পরিদর্শকসহ মোট কর্মকর্তা-কর্মচারী পাঁচজন।

উপপরিচালক বলেন, 'এখানে যদি ৫০ জন পরিদর্শকও দেওয়া হয়, তাহলেও এতগুলো শিল্পকারখানা তদারকি করা সম্ভব নয়।' তিনি বলেন, 'শুধু শিল্প কারখানাকে এককভাবে দোষ দেওয়া যায় না, কারণ জেলার বহু বাসাবাড়ির পয়োনিষ্কাশন লাইনও সরাসরি খাল ও নদীতে যুক্ত হয়েছে।'

এ বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের এনফোর্সমেন্ট অ্যান্ড মনিটরিং উইং গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, লোকবল সংকট সত্ত্বেও দূষণকারীদের বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের জুন মাসের মধ্যে তুরাগ নদী দূষণের দায়ে ৪১টি প্রতিষ্ঠানকে তিন কোটি ২৪ লাখ টাকা জরিমানা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত দুই কোটি ৯ লাখ টাকা আদায় করা সম্ভব হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দোকান খোলা রাখার সময় পরিবর্তনের প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো চিঠি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:২০ পি.এম


দোকান খোলা রাখার সময় পরিবর্তনের প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো চিঠি

দুর্গাপূজা উপলক্ষে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি দেশের মার্কেট, বিপণিবিতান ও দোকানগুলোর খোলার সময় রাত ৮টার পরিবর্তে রাত ১০টা পর্যন্ত বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ে সংগঠনটির সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন এবং মহাসচিব মো. জহিরুল হক ভূঁইয়া একটি চিঠি পাঠান।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে মন্ত্রণালয়ের ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে বর্তমানে সারা দেশে মার্কেট, বিপণিবিতান ও দোকান রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। সংকটকালীন সময়ে ব্যবসায়ীরা জ্বালানি সাশ্রয়ে সহযোগিতা করে আসছেন।

চিঠিতে ব্যবসায়ীরা জানান, ইতোমধ্যে জ্বালানি সংকট এবং বিদ্যুতের লোডশেডিং নিয়ন্ত্রণে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের সমস্যার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দুর্গাপূজা উপলক্ষে ৫ অক্টোবর থেকে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত রাত ৮টার পরিবর্তে রাত ১০টা পর্যন্ত মার্কেট, বিপণিবিতান ও দোকান খোলা রাখার অনুমতি দেওয়ার জন্য মন্ত্রণালয়ের কাছে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সংগঠনটির দাবি, উৎসবের সময় দোকান খোলা রাখার সময় দুই ঘণ্টা বাড়ানোর ফলে ব্যবসায়ীরা অতিরিক্ত বেচাকেনার সুযোগ পাবেন এবং এতে তাদের চলমান আর্থিক চাপ কিছুটা কমতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৯ জেলায় বিএনসিসি, আনসার-ভিডিপি, স্কাউটস ও ফায়ার সার্ভিসের সক্ষমতা বৃদ্ধির পাইলট প্রকল্প শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:২১ পি.এম


৯ জেলায় বিএনসিসি, আনসার-ভিডিপি, স্কাউটস ও ফায়ার সার্ভিসের সক্ষমতা বৃদ্ধির পাইলট প্রকল্প শুরু

সাভার (ঢাকা), ৪ অক্টোবর, ২০২৬ : যুবশক্তির উন্নয়ন এবং জাতীয় নিরাপত্তার সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিএনসিসি, আনসার-ভিডিপি, স্কাউটস এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য একটি পাইলট প্রকল্পের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম আজ দেশের ৯টি জেলায় একযোগে শুরু হয়েছে।

রাজধানী সাভারের বাইপাইলে বিএনসিসি ট্রেনিং একাডেমিতে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, পিএসসি, জি।

প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি জানান, একই সঙ্গে ঢাকা জেলার সাভার ছাড়াও টাঙ্গাইল, সিলেট, চট্টগ্রাম, বরিশাল, বগুড়া, গাজীপুর, পটুয়াখালী ও রাজশাহীতে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

অনুষ্ঠানে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উপ-প্রেস সচিব জানান, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা প্রশিক্ষণার্থীদের প্রশিক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরে শৃঙ্খলা, দায়িত্ববোধ, আত্মবিশ্বাস এবং প্রয়োজনীয় ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে নিজেদের সক্ষমতা বৃদ্ধি করার জন্য আন্তরিকভাবে প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।

প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের আওতায় আনসার-ভিডিপি ও বিএনসিসি’র সদস্যদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের তত্ত্বাবধানে সক্ষমতা বৃদ্ধির বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।

এছাড়া, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের তত্ত্বাবধানে আনসার-ভিডিপি ও স্কাউটসের সদস্যদের বেসামরিক প্রতিরক্ষা বা সিভিল ডিফেন্স বিষয়ে সপ্তাহব্যাপী প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, বিএনসিসি, আনসার-ভিডিপি, স্কাউটস এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সক্ষমতা বৃদ্ধির এই পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে প্রশিক্ষণার্থীদের দক্ষতা ও প্রস্তুতি আরও জোরদার হবে। প্রকল্পের কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, প্রশিক্ষক ও প্রশিক্ষণার্থীদের আন্তরিক সহযোগিতা এবং দায়িত্বশীল অংশগ্রহণ প্রত্যাশা করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%