ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শেরপুরে বৈদ্যুতিক মোটরে সংযোগ দিতে গিয়ে যুবক বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু


শেরপুরে বৈদ্যুতিক মোটরে সংযোগ দিতে গিয়ে যুবক বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু

বগুড়ার শেরপুরে বৈদ্যুতিক মোটরে সংযোগ দেওয়ার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মো. জিহাদ হোসেন (২৬) নামের এক যুবকের মৃত্যু ঘটেছে। এই দুর্ঘটনাটি বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার খামারকান্দি গ্রামের দহপাড়া এলাকায় তার নিজ বাড়িতে ঘটে।

মৃত জিহাদ হোসেন ছিলেন ওই গ্রামের মো. তোফাজ্জল হোসেনের একমাত্র পুত্র।

স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায়, দুপুরের সময় গবাদিপশুকে গোসল করানোর উদ্দেশ্যে বৈদ্যুতিক মোটরে সংযোগ দেওয়ার সময় তিনি বিদ্যুতায়িত হন। পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

আরও পড়ুন: ৮ বছর ধরে বিদ্যুৎ খুঁটি-মিটার থাকলেও সুবর্ণচরের মোহাম্মদপুরে নেই বিদ্যুৎ

সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক অদ্বিতীয় দে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাত বছর অতিবাহিত হলেও শেরপুরের মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে কার্যক্রম নেই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:০২ পি.এম


সাত বছর অতিবাহিত হলেও শেরপুরের মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে কার্যক্রম নেই

বগুড়ার শেরপুরে নির্মিত তিনতলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনটি বীর মুক্তিযোদ্ধাদের দাপ্তরিক কাজ, সভা-সেমিনার, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণ ও কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নির্মাণ করা হয়েছিল। প্রায় দুই কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই ভবনটি ২০১৯ সালে হস্তান্তর করা হয়। তবে সাত বছর অতিবাহিত হওয়ার পর ভবনটির প্রধান ফটকে তালা ঝুলছে। চারপাশে আগাছা জন্মেছে। বাউন্ডারি দেয়ালের কিছু অংশ ভেঙে গেছে এবং কোথাও ফাটল দেখা দিয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক জানিয়েছেন, ভবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম ভাঙচুরের পর চুরি হয়ে গেছে। সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা যায়, কমপ্লেক্সের প্রধান ফটক বন্ধ রয়েছে। ভবনের ভেতরে নিয়মিত কোনো কার্যক্রম চলছে না। ফটকের বাইরে ও চারপাশে আগাছা জন্মে গেছে। বাউন্ডারি দেয়ালের কিছু অংশ ভাঙা অবস্থায় রয়েছে। ভবনে দায়িত্বে থাকা নৈশপ্রহরী বা অন্য কোনো কর্মীকেও সেখানে পাওয়া যায়নি।

উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় ৩ হাজার ৫০০ বর্গফুট জায়গার ওপর ভবনটি নির্মাণ করা হয়। এর চুক্তিমূল্য ছিল ১ কোটি ৯৪ লাখ ৯ হাজার ২০৭ টাকা। ভবনের প্রথম ও দ্বিতীয় তলায় মার্কেট এবং তৃতীয় তলায় অফিস, লাইব্রেরি, কনফারেন্স রুম ও মিউজিয়াম করার ব্যবস্থা রয়েছে। মার্কেটে ছয়টি দোকান রয়েছে। বিদ্যুতের বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে ১ হাজার ২০০ ওয়াটের সোলার প্যানেলও স্থাপন করা হয়েছিল।

সরকারি পরিকল্পনা অনুযায়ী, মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সাংগঠনিক ও দাপ্তরিক কার্যক্রমের পাশাপাশি সভা-সেমিনার, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণ এবং বিভিন্ন জাতীয় দিবসের কর্মসূচি পালনের কথা ছিল। ভবনের দোকান ও বিভিন্ন কক্ষ ভাড়া বা বরাদ্দ দিয়ে যে অর্থ আয় হবে, তা মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণ তহবিলে জমা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।

কিন্তু শেরপুরে বর্তমানে ভবনটির সেই উদ্দেশ্যে নিয়মিত ব্যবহার হচ্ছে না। উপজেলা পর্যায়ে তালিকাভুক্ত বীর মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ১৮১ জন, যাদের মধ্যে ৯২ জন মারা গেছেন। একই মন্ত্রণালয়ের অধীনে শতাধিক জুলাই যোদ্ধা রয়েছেন। শেরপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ওবায়দুর রহমান জানান, ভবনটি বুঝে পাওয়ার পর কমিটি না থাকায় সেখানে কার্যক্রম ছিল না। ২০২৫ সালে নতুন এডহক কমিটি হওয়ার পর কিছু দোকান ভাড়া দেওয়া হয়েছিল, তবে ৫ আগস্টের পর সেগুলোও বন্ধ হয়ে যায়। তিনি জানান, ভবন থেকে বিভিন্ন সরঞ্জাম চুরি যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ভাঙচুরের পর জেনারেটর, সোলার, পানির পাম্প, থাই গ্লাস ও বৈদ্যুতিক তার পর্যন্ত চুরি হয়েছে। স্থায়ীভাবে দেখাশোনার জন্য কেউ না থাকায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। পাশের বাড়ির একজন ব্যক্তি ভবনটি দেখাশোনা করতেন। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, ভবন নির্মাণের পর কিছু সময় সেখানে কার্যক্রম চলেছে, কিন্তু বর্তমানে নিয়মিত মানুষের আনাগোনা নেই। দীর্ঘদিন তালাবদ্ধ থাকায় ভবনের চারপাশ অপরিচ্ছন্ন হয়ে পড়েছে। তারা দ্রুত ভবনটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে নিয়মিত কার্যক্রম চালুর দাবি জানান।

এ বিষয়ে শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইদুজ্জামান হিমু বলেন, সম্প্রতি বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে নিয়ে তিনি কমপ্লেক্সটি পরিদর্শন করেছেন। ভবনটির ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা হয়েছে। দ্রুত সংস্কার করে সেখানে বীর মুক্তিযোদ্ধারা বসতে পারেন, সেই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। জুলাই যোদ্ধাদের ওই ভবনে বসার বিষয়ে কোনো নির্দেশনা এখনো তাঁদের কাছে আসেনি। তিনি বলেন, পুরো ভবন সংস্কারে অনেক অর্থের প্রয়োজন। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী সময়ে অর্থ বরাদ্দ পাওয়া গেলে বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজশাহীতে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:০২ পি.এম


রাজশাহীতে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

রাজশাহীতে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা পরিবেশ সংরক্ষণ, দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজন করা হয়।

এই সভাটি বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর, রাজশাহীর যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের অর্থায়নে পরিবেশ অধিদপ্তরের বাস্তবায়নাধীন ‘মনিটরিং টিমের সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণ ও মান উন্নয়ন এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণ’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. লুৎফর রহমান। সভাপতিত্ব করেন রাজশাহীর জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাজী শহিদুল ইসলাম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মো. লুৎফর রহমান উল্লেখ করেন, "পরিবেশ সংরক্ষণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণে সরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।" তিনি আরও বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বায়ু, পানি ও মাটি দূষণ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি পরিবেশ আইন যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। পরিবেশের ক্ষতি করে এমন কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে সংশ্লিষ্টদের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় পরিবেশ সংরক্ষণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। পরিবেশ অধিদপ্তরের সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে নজরদারি জোরদার এবং দূষণকারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও জনগণের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম বলেন, "পরিবেশ রক্ষা শুধু সরকারের একার দায়িত্ব নয়, এটি সমাজের প্রতিটি মানুষের দায়িত্ব।" তিনি জনসচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি আইন মেনে চলার সংস্কৃতি গড়ে তোলার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

তিনি আরও বলেন, রাজশাহীর পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর সমন্বিতভাবে কাজ করছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, জলাশয় সংরক্ষণ, বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর কর্মকাণ্ড বন্ধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য ও দূষণমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

অনুষ্ঠানে পরিবেশ অধিদপ্তর বিভাগীয় কার্যালয়, রাজশাহীর পরিচালক (উপসচিব) নিলুফা ইয়াছমিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. সবুর আলী, পরিবেশ অধিদপ্তর রাজশাহীর উপপরিচালক মোছা. তাছমিনা খাতুন, সহকারী পরিচালক মো. কবির হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কর্মসূচিতে পরিবেশ সংরক্ষণ, দূষণ নিয়ন্ত্রণ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং পরিবেশ বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাবনায় মিছিলের প্রস্তুতিকালে আ.লীগের সভাপতিসহ ১৫ জন আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:০২ পি.এম


পাবনায় মিছিলের প্রস্তুতিকালে আ.লীগের সভাপতিসহ ১৫ জন আটক

পাবনা শহরের মধ্যে নাশকতা ও মিছিলের প্রস্তুতির কারণে কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ার পর পাবনার সুজানগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল ওহাবসহ ১৫ জন নেতাকর্মীকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) আটক করেছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে পাবনা শহরের আব্দুল হামিদ রোডের ইন্দিরা মোড়ের সামনে থেকে তাদের আটক করা হয়। আব্দুল ওহাব ছাড়া আটককৃত অন্যান্যদের তাৎক্ষণিক নাম পরিচয় জানা যায়নি।

পাবনা জেলা ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুস সালাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, তারা শহরের মধ্যে নাশকতার পরিকল্পনা করছিলেন। নাশকতার অংশ হিসেবে মাইক্রোবাসে করে এসে শহরের মধ্যে মিছিলের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পাবনা সদর থানায় পাঠানো হয়েছে।

এটি আব্দুল ওহাবের জন্য তৃতীয়বারের মতো আটক হওয়া। এর আগে ২০২৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি মথুরাপুর এলাকা থেকে পুলিশ তাকে আটক করেছিল। সেই সময় তাকে পুলিশ ভ্যানে তোলার সময় স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয়। এ ঘটনার সময় আটজন পুলিশ সদস্য আহত হন। ছিনিয়ে নেওয়ার তিনদিন পর ৫ ফেব্রুয়ারি পুলিশ আবারও আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল ওহাবকে গ্রেফতার করে। পরে জামিনে মুক্তি পেয়ে সুজানগর এলাকায় আবারো আওয়ামী লীগের কার্যক্রম চালানোর চেষ্টা করেন আব্দুল ওহাব এবং তার সমর্থকরা। চলতি বছরের ২৩ এপ্রিল দিবাগত রাতের অভিযানে পুলিশ আব্দুল ওহাবসহ নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ২১ নেতাকর্মীকে আটক করেছিল। এই ঘটনার কয়েক সপ্তাহ পর তারা জামিনে মুক্তি পান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাঁথিয়ায় শিয়ালের কামড়ে নারী-শিশুসহ ১১ জন আহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:০৩ পি.এম


সাঁথিয়ায় শিয়ালের কামড়ে নারী-শিশুসহ ১১ জন আহত

পাবনা জেলার সাঁথিয়ায় লোকালয়ে প্রবেশ করা একটি পাগলা শিয়ালের কামড়ে নারী ও শিশুসহ অন্তত ১১ জন আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পরে গ্রামবাসীরা একত্রিত হয়ে শিয়ালটিকে পিটিয়ে হত্যা করেছে। আজ বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪ টা থেকে সাড়ে ৫ টার মধ্যে সাঁথিয়া পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের শালঘর মহল্লা ও সাতবিলা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। আহতদের চিকিৎসার জন্য সাঁথিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়েছে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, শালঘর মহল্লার মো. রফিকের বাড়ির পাশে পুকুর পাড়ে বেঁধে রাখা একটি ছাগল প্রথমে শিয়ালের হামলার শিকার হয়। এরপর শিয়ালটি একে একে গ্রামের বিভিন্ন বাড়িতে ঢুকে আরও কয়েকজনকে কামড়ে আহত করে। আহতদের মধ্যে শালঘর এলাকার বাদশার মেয়ে জুবাইদা (০৪), মংলা খাতুন (৭০), আলেয়া (২৫), ওয়াজ কুরুনি (০৭), শাহিদা (৫০), সোনিয়া (১৪) রয়েছেন।

এছাড়াও গৌরীগ্রাম ইউনিয়নের সাতবিলা গ্রামের সাব্বিরের মেয়ে সিনহা (০৩), লাকি (৩০), বায়জিদ (০৬), রেহেনা (৪২), সামসুর (২২) পাগলা শিয়ালের আক্রমণের শিকার হন। এই ঘটনায় পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে আত্মরক্ষার্থে গ্রামবাসীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে রাস্তায় নেমে আসে। বিকেল ৫ টার দিকে গ্রামের শতাধিক মানুষ শিয়ালটিকে খুঁজতে বের হয় এবং পাশের একটি ঝোপ থেকে সন্ধ্যা সাড়ে পাঁচটার সময় সেটিকে ধরে পিটিয়ে হত্যা করে মহল্লাবাসী।

সাঁথিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মাফুজ জানিয়েছেন, আহতদের জলাতঙ্ক প্রতিরোধে প্রাথমিক চিকিৎসা ও ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। যদিও শিয়ালটি মারা গেছে, তবুও আহতদের পরিবার এবং পুরো এলাকায় উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%