ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

স্পেনে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা ৫০


স্পেনে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা ৫০

স্পেনে দুটি উচ্চগতির ট্রেনের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ফলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ৫০ জনে পৌঁছেছে। এই হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনায় আরও অন্তত ১৭৯ জন মারাত্মকভাবে আহত হয়েছেন। স্থানীয় ও আঞ্চলিক প্রশাসন আশঙ্কা প্রকাশ করেছে যে, ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও অনেকে আটকা পড়ে থাকায় নিহতের সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে পারে।

স্থানীয় সময় বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ৮টা ৫৪ মিনিটে স্পেনের তোলোদো প্রদেশের মোরা, ওরগাজ এবং উরদা গ্রামের মধ্যবর্তী স্থানে এই দুর্ঘটনা ঘটে। মাদ্রিদ থেকে আন্দালুসিয়াগামী উচ্চগতির রেললাইনে রাষ্ট্রীয় ট্রেন পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ‘রেনফে’-এর একটি এভিই ট্রেন সামনে থাকা বেসরকারি সংস্থা ‘ইরিও’-এর ট্রেনের পেছনের অংশে সজোরে ধাক্কা দেয়। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ইরিও ট্রেনটি লাইনে থেমে ছিল অথবা অত্যন্ত ধীরগতিতে চলছিল। দুর্ঘটনার তীব্রতায় ইরিও ট্রেনের বেশ কয়েকটি বগি লাইনচ্যুত হয়ে পাহাড়ের ঢাল বেয়ে খাদে পড়ে যায়। দুর্ঘটনাকবলিত রেনফে ট্রেনে ৩৯৭ জন এবং ইরিও ট্রেনে ১৪৭ জন যাত্রী ছিলেন।

দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ইউনিট, ১৬টি অ্যাম্বুলেন্স এবং ৩টি উদ্ধারকারী হেলিকপ্টার পাঠানো হয়। কাস্তিয়া-লা মাঞ্চা অঞ্চলের রাজ্য সরকার তাত্ক্ষণিকভাবে জরুরি আপদকালীন পরিকল্পনা সক্রিয় করেছে। বিশাল উদ্ধার তৎপরতার কারণে মাদ্রিদ ও আন্দালুসিয়ার মধ্যকার সমস্ত দ্রুতগতির ট্রেন চলাচল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন: এমপি আব্দুল আজিজের আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, ক্ষোভ বৃদ্ধি

স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ এই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় তিনি জানান, তিনি এই দুর্ঘটনায় স্তম্ভিত ও মর্মাহত। তিনি পরিবহন মন্ত্রী এবং স্থানীয় প্রাদেশিক প্রধানদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন বলে জানান। প্রধানমন্ত্রী নিহতদের স্বজন এবং আহতদের প্রতি গভীর সমবেদনা, ভালোবাসা ও পূর্ণ সংহতি জ্ঞাপন করেছেন।

সূত্র: এরাউন্ড প্রাগ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আইনজীবী নেতাদের কাছে চাঁদা দাবি, মোল্লা ইয়ামিন ও তার পরিবার গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:০১ পি.এম


আইনজীবী নেতাদের কাছে চাঁদা দাবি, মোল্লা ইয়ামিন ও তার পরিবার গ্রেফতার

খুলনার পাইকগাছা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সম্পাদকের কাছে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে চাঁদা দাবি করার ঘটনায় পুলিশ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন— কথিত ডন বাবু ওরফে গ্রেনেড বাবু খ্যাত মোল্লা ইয়ামিন, তার মা এবং স্ত্রী। তাদের বাগেরহাট থেকে পাইকগাছা থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত ১৭ অক্টোবর পাইকগাছা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জিএম আব্দুস সাত্তার ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. আক্কাজ আলীর কাছে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে চাঁদা দাবি করেন মোল্লা ইয়ামিন ওরফে ডন বাবু ওরফে গ্রেনেড বাবু। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে অ্যাডভোকেট আব্দুস সাত্তার ও অ্যাডভোকেট আক্কাজ আলী পাইকগাছা থানায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেন।

পরে জেলা পুলিশ সুপার সরকার ওমর ফারুকের নির্দেশনায় মোবাইল প্রযুক্তির সাহায্যে আসামিদের শনাক্ত করার চেষ্টা করেন পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ আব্দুল আউয়াল কবির।

এ প্রসঙ্গে মঙ্গলবার রাতে বাগেরহাট জেলার রামপাল এলাকা থেকে মোল্লা ইয়ামিন (৩০), তার মা শাহিদা বেগম (৫০) ও স্ত্রী হিরা আক্তারকে (২৬) গ্রেফতার করে পুলিশ।

পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ আব্দুল আউয়াল কবির জানান, মোবাইল ফোনে চাঁদাবাজির ঘটনায় তিন আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছি। এছাড়া ২৬ অক্টোবর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহসানারা বিনতে আহমেদের কাছে চাঁদা দাবি করা আসলাম শিকদারকেও আটক করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘কেইন-রুটের মত হয়ত আর কাউকে কখনো দেখব না’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:০২ পি.এম


‘কেইন-রুটের মত হয়ত আর কাউকে কখনো দেখব না’

হ্যারি কেন এবং জো রুট, দুই ধ্রুপদী ইংলিশ অধিনায়ক, তাদের অনন্য খেলোয়াড়সুলভ আচরণ ও পারফরম্যান্সের মাধ্যমে ঐতিহ্যগত ব্রিটিশ মূল্যবোধকে ফুটিয়ে তুলেছেন। সম্প্রতি ফুটবলার হ্যারি কেন এবং ক্রিকেটার জো রুটের দীর্ঘস্থায়ী অবদান, মাঠের সংযম ও নেতৃত্বকে সম্মান জানিয়ে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ-এ একটি সম্পাদকীয় নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে।

নিবন্ধটিতে আলোচনা করা হয়েছে কীভাবে এই দুই তারকা স্যার আলফ র‍্যামসি বা ব্রায়ান ক্লোজের মতো কিংবদন্তি ইংলিশ ড্রেসিংরুমের সোনালী যুগের সঙ্গে বর্তমানের এক নিখুঁত সেতু বন্ধন তৈরি করেছেন।

এই নিবন্ধে ইংল্যান্ডের দুই সফল অধিনায়ক—হ্যারি কেন (ফুটবল) এবং জো রুট (ক্রিকেট)—এর অনন্য সাংস্কৃতিক এবং ক্রীড়াঙ্গনভিত্তিক পরিচয়কে তুলে ধরা হয়েছে। অতি-বাণিজ্যিক এবং আমেরিকান ধাঁচের চটকদার ক্রীড়া বিনোদনের এই যুগেও তারা কীভাবে নিজেদের মাটির মানুষ হিসেবে ধরে রেখেছেন, লেখায় তারই প্রশংসা করা হয়েছে।

খ্যাতি আর প্রাচুর্যের চূড়ায় পৌঁছেও কীভাবে নিজেদের অপরিবর্তিত রাখা যায়, হ্যারি কেইন ও জো রুট তার জলন্ত উদাহরণ। ক্যারিয়ারের শুরুতে লেটন ওরিয়েন্ট কিংবা মিলওয়ালের মতো ছোট ও সাধারণ ক্লাবে খেলা কেইন আজ ইংল্যান্ড ফুটবল দলের সফল অধিনায়ক। অথচ তাঁর স্বভাব ও আচরণে বিন্দুমাত্র অহংকারের ছোঁয়া লাগেনি। ঠিক এই জায়গাতেই তাঁকে মনে হয় ইংল্যান্ডের ক্রিকেট অধিনায়ক জো রুটের আপন ভাই মনে হয়। রুটও ঠিক কেইনের মতোই একজন নিরহংকার মানুষ, যাকে এক দেখায় একদম আদর্শ এক জামাতা বলে মনে হয়। ব্রিটিশ খেলাধুলায় আমূল পরিবর্তন আনার মূল ভিত্তি হিসেবে পরিচিত ভিক্টোরিয়ান যুগের বিখ্যাত উপন্যাস ‘টম ব্রাউনস স্কুল ডেস’-এর পাতা থেকেই যেন সোজা উঠে এসেছেন এই দুই সোনালী তারকা।

ঐতিহ্যবাহী ব্রিটিশ খেলাধুলার মূল লক্ষ্য যদি খেলোয়াড়দের উন্নত চরিত্র গঠন করা হয়ে থাকে, তবে জো রুট এবং হ্যারি কেন সেই ভাবধারার সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপন। আধুনিক তারকা খ্যাতির চটকদার মোহ, পপ-স্টার জীবনসঙ্গী, দামি ও অতিরঞ্জিত গাড়ি কিংবা অদ্ভুত হেয়ারস্টাইল—এসবের কোনোটাই তাঁদের ছুঁতে পারেনি। কেন তাঁর শৈশবের ভালোবাসা কেট-কে বিয়ে করে চার সন্তান নিয়ে এক নিভৃত, শান্ত জীবন কাটাচ্ছেন। অন্যদিকে রুট তাঁর স্ত্রী ক্যারির দেখা পেয়েছিলেন ইয়র্কশায়ারের ঘরের মাঠ হেডিংলিতে।

এটা আজ প্রায় নিশ্চিত যে, কেইন এবং রুট তাঁদের নিজ নিজ খেলায় ইংল্যান্ডের ইতিহাসের সর্বকালের সেরা খেলোয়াড় হিসেবেই ইতিহাসে জায়গা করে নেবেন। অথচ এত বড় মহাতারকা হওয়া সত্ত্বেও, ছুটির দিনে স্থানীয় কোনো সাধারণ ক্লাবের হয়ে মাঠে নেমে পড়তে তাঁদের একটুও দ্বিধা হবে না। খাঁটি বা অকৃত্রিম হওয়া বলতে এটাই বোঝায়—কোটি টাকার তারকা হয়েও তাঁরা এখনো সাধারণ খেলাধুলার সেই তৃণমূল পরিবেশের সাথে নিজেদের নাড়ির টান রেখে দিয়েছেন, যেখান থেকে একদিন তাঁদের উত্থান হয়েছিল।

রুটের ক্রিকেটের হাতেখড়ি হয়েছিল শেফিল্ডের ক্লাব দিয়ে। বাবা ম্যাট যখন মাঠে খেলতেন, তখন রুট এবং তাঁর ভাই বিলি (যিনি পরে গ্ল্যামারগনের হয়ে পেশাদার ক্রিকেট খেলেন) মাঠের সীমানার বাইরে ছোট ছোট ব্যাট-বল নিয়ে মেতে থাকতেন। অন্যদিকে কেইনের শুরুটা পুরোপুরি হ্যাকনি মার্শের মতো বিখ্যাত ফুটবল মাঠ থেকে না হলেও, সেটি খুব দূরের কিছু ছিল না। আট বছর বয়সে আর্সেনাল একাডেমিতে মাত্র একটি ব্যর্থ মৌসুম কাটানো ছাড়া, কেইনের শৈশবের সিংহভাগ সময় কেটেছিল স্থানীয় পার্কের 'রিজওয়ে রোভার্স' ক্লাবের হয়ে সাধারণ ফুটবল খেলে।

এই দুই খেলোয়াড়ের কাছে শুরু থেকেই খেলাটাই ছিল ধ্যান-জ্ঞান, যা আজও অপরিবর্তিত রয়েছে। নিজেদের অসাধারণ প্রতিভার জোরে তাঁরা আজ কোটি কোটি টাকার মালিক, তবুও মনে হয় ১৯৬০-এর দশকের খেলোয়াড়দের মতো সামান্য বেতনেও তাঁরা সমান সুখে খেলে যেতে পারতেন—যদি কেবল মাঠে নামার সুযোগটুকু থাকত। তাঁদের মধ্যে এক ধরনের চিরন্তন এবং সাধারণ মানুষের গুণাবলি রয়েছে। আজ যদি স্যার আলফ রামসে বা ব্রায়ান ক্লোজের মতো অতীত যুগের কিংবদন্তি কঠোর মেজাজের কোচদের ড্রেসিংরুমেও কেইন বা রুটকে বসিয়ে দেওয়া হয়, তাঁরা সেখানেও নিমেষেই মানিয়ে নেবেন; কারণ তাঁরা খেলাধুলার মূল ভাষাটা বোঝেন।

ব্যালন ডি'অর জয়ের পর কেইন তাঁর টুইটারে একটি গভীর অর্থপূর্ণ কথা লিখেছিলেন, ‘নীরবে কঠোর পরিশ্রম করো। তোমার সাফল্যকেই তোমার হয়ে আওয়াজ করতে দাও।’ রুটের মতো কেইনও খেলার প্রতি এক অদ্ভুত নিঃস্বার্থ ভালোবাসা ধরে রেখেছেন, যার সাথে যুক্ত হয়েছে বিশ্বমানের পেশাদার কাজের নৈতিকতা।

তবে প্রশ্ন হলো, আমরা কি ভবিষ্যতে আর কখনো তাঁদের মতো খেলোয়াড় দেখতে পাব?

ব্রিটিশ ক্রীড়া সংস্কৃতি এখন দ্রুত আমেরিকান বাণিজ্যিক মডেলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে। ঘরোয়া ক্রিকেটে এখন চারপাশের ঐতিহ্যবাহী টুর্নামেন্ট বাদ দিয়ে ‘দ্য হান্ড্রেড’কে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। প্রিমিয়ার লিগ এখন স্থানীয় ঘরের ছেলেদের চেয়ে বৈশ্বিক তারকাদের বেশি প্রাধান্য দেয়। এমনকি রাগবির মতো খেলা, যা একসময় অহংকার ও লোকদেখানো আচরণ কঠোরভাবে এড়িয়ে চলত, তারাও এখন নতুন তারকা হিসেবে মাঠ কাঁপানো চটপটে ও বাচাল খেলোয়াড়দের দিকে ঝুঁকছে।

খেলাধুলার জগৎ এখন দ্রুত বদলে যাচ্ছে, চারপাশ এখন ঔদ্ধত্যে ভরা চরিত্রদের দখলে। তাই কেইন এবং রুটের মতো প্রাচীন, খাঁটি ও নম্র মূল্যবোধের খেলোয়াড়দের খেলা যতদিন সম্ভব উপভোগ করা উচিত। বছরের পর বছর অবিরাম অনুশীলন আর ক্লান্তির ধকল নেওয়ার পরেও তাঁদের এই নিখাদ নম্রতা সত্যিই অলৌকিক। তাঁরা যখন সেঞ্চুরি করেন বা গোল করেন—কিংবা ব্যালন ডি'অর জেতেন—তখন সাধারণ ক্রীড়াপ্রেমীদের আনন্দটা বহুগুণ বেড়ে যায়; কারণ মনে হয়, তাঁদের এই মাটির মানুষ হয়ে জেতার সাফল্যে আমাদেরও ছোট্ট একটা অংশ রয়েছে।

—দ্য টেলিগ্রাফের জনপ্রিয় ক্রীড়া লেখক সাইমন ব্রিগসের কলাম থেকে অনূবাদিত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হুতি বিদ্রোহীদের এডেন বিমানবন্দর খালি করার নির্দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:০৪ পি.এম


হুতি বিদ্রোহীদের এডেন বিমানবন্দর খালি করার নির্দেশ

হুতি বিদ্রোহীরা এডেন বিমানবন্দর খালি করার জন্য নির্দেশনা জারি করেছে, যা ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তাদের দাবি, বিমানবন্দরে একটি সামরিক সরঞ্জামবাহী কার্গো বিমান অবতরণ করেছে, যা টার্গেট করা হবে।

বুধবার, টেলিগ্রামে প্রকাশিত এক পোস্টে হুতিদের সামরিক শাখার মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারে বলেন, এডেন বিমানবন্দরের বর্তমান অবস্থানে যারা আছেন, তাদের অবিলম্বে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিচ্ছে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী।

তিনি আরও জানান, সেখানে সৌদি শত্রুদের একটি সামরিক কার্গো বিমানের উপস্থিতি রয়েছে। এই বিমানের মাধ্যমে ইয়েমেনের সন্তানদের হত্যা করার উদ্দেশ্যে অস্ত্র সরবরাহ করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাউখালীতে ইউএনওর আকস্মিক শ্রেণিকক্ষ পরিদর্শন, শিক্ষার্থীদের পাঠদান করালেন রেহেনা আক্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কাউখালী (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:০৬ পি.এম


কাউখালীতে ইউএনওর আকস্মিক শ্রেণিকক্ষ পরিদর্শন, শিক্ষার্থীদের পাঠদান করালেন রেহেনা আক্তার
 

 

 

 

পিরোজপুরের কাউখালীতে শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের পাঠাভ্যাস বৃদ্ধি এবং বিদ্যালয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে আকস্মিকভাবে বিভিন্ন শ্রেণিকক্ষ পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেহেনা আক্তার। এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে লেখাপড়া নিয়ে আলোচনা করেন, রিডিং পড়া শোনেন এবং বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন করে তাদের পাঠদানের অগ্রগতি যাচাই করেন।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কাজী হারুন অর রশিদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শ্রেণিকক্ষে উপস্থিত হয়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রমে অংশ নেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ওয়াহিদুর রহমান।
পরিদর্শনকালে ইউএনও শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার খোঁজখবর নেন এবং পাঠ্যবই থেকে রিডিং পড়তে বলেন। পাশাপাশি বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন করলে শিক্ষার্থীরা সঠিক উত্তর দেয়। এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসা, মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করা এবং প্রতিদিন রিডিং পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেহেনা আক্তার বলেন, তোমরাই জাতির মেরুদণ্ড। তোমাদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসতে হবে এবং রিডিং পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। মনোযোগ দিয়ে নিয়মিত পড়াশোনা করলে পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করা সম্ভব। এ জন্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থী উভয়কেই আন্তরিক হতে হবে।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষকদের প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে নিজের সন্তানের মতো বিবেচনা করে পাঠদান করতে হবে। শিক্ষকরা আন্তরিকভাবে শিক্ষার্থীদের যত্ন নিলে তাদের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ বাড়বে এবং ভালো ফলাফল অর্জন করা সহজ হবে। শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের আদব-কায়দা, নম্রতা ও শিষ্টাচারও শিখতে হবে।
এদিকে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার এ ধরনের আকস্মিক শ্রেণিকক্ষ পরিদর্শনকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন অভিভাবকেরা। তাঁদের মতে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়মিতভাবে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে পাঠদান কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করলে শিক্ষার্থীদের মনোবল বাড়বে। পাশাপাশি বিদ্যালয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বৃদ্ধি পাবে এবং শ্রেণিকক্ষে পড়াশোনার পরিবেশ আরও উন্নত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%