সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:১৪ পি.এম
দিনাজপুর, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করা,হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে বিদ্যমান সমস্যা গুলো চিহ্নিত করা এবং পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে উভয় দেশের ব্যবসায়ীদের অংশ গ্রহণে যৌথ দ্বি-পাক্ষিক মতবিনিময় সভা গতকাল রোববার রাতে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার রাত ৮টা থেকে ১১টা পযন্ত ৩ ঘন্টাব্যাপী দিনাজপুর হাকিমপুর উপজেলার হিলি স্থলবন্দর এলাকায় হিলি কাস্টমস এবং সিএন্ডএফ এজেন্টস এসোসিয়েশনের উদ্যোগে এই সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে রাজশাহীতে নিযুক্ত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার শ্রী মনোজ কুমার।
বিশেষ অতিথি’র বক্তব্য রাখেন, দিনাজপুর হিলি স্থলবন্দর কাস্টমস বিভাগের সিএন্ডএফ এজেন্টস এসোসিয়েশনের সভাপতি মো. ফেরদৌস রহমান, সাধারণ সম্পাদক মো. শাহীনুর ইসলাম মণ্ডল, হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জর্জ মিত্র চাকমা এবং হাকিমপুর থানার ওসি পরিদর্শক মো. জাকির হোসেন।
এ সময় বাংলাদেশ ও ভারতের বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের নেতৃবৃন্দ, সিএন্ডএফ এজেন্ট প্রতিনিধি এবং স্থলবন্দর কেন্দ্রিক সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।
মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের দীর্ঘ দিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ভিত্তিতে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র সৃষ্টি হয়েছে। হিলি স্থলবন্দরকে কেন্দ্র করে পরিচালিত আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম উভয় দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। এই কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ ও বেগবাব করতে ব্যবসায়ীদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ এবং সমন্বয় করা প্রয়োজন।
প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার শ্রী মনোজ কুমার বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের বাণিজ্যিক সম্পর্ক পর্যায়ক্রমে আরও শক্তিশালী হচ্ছে। সীমান্ত বাণিজ্যের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে ব্যবসায়ীদের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতা বাড়াতে হবে। ব্যবসায়ীক ক্ষেত্রে যে কোনো যৌক্তিক সমস্যা আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথ খুঁজে বের করতে হবে।
সিএন্ডএফ এজেন্টস এসোসিয়েশনের সভাপতি মো. ফেরদৌস রহমান বলেন, দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর হিসেবে হিলির গুরুত্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে। বন্দরের কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও ব্যবসায়ী নেতাদের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। তিনি ব্যবসায়ীদের সুবিধার্থে ভারতীয় ভিসা প্রাপ্তি আরও সহজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সাধারণ সম্পাদক মো. শাহীনুর ইসলাম মণ্ডল বলেন, বন্দরের কার্যক্রম সহজ, স্বচ্ছ ও গতিশীল রাখতে দুই দেশের ব্যবসায়ী সংগঠনের মধ্যে নিয়মিত মতবিনিময় অব্যাহত রাখা প্রয়োজন। পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে বিদ্যমান সমস্যা গুলোর দ্রুত সমাধান সম্ভব।
সভায় অংশ গ্রহণকারী ব্যবসায়ী নেতারা সীমান্ত বাণিজ্যের বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে মতামত তুলে ধরেন এবং ভবিষ্যতে দুই দেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণে একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
বৈঠকের পূর্বে ভারতীয় সরকারী হাইকমিশনার শ্রী মনোজ কুমার হিলি স্থলবন্দরে কাস্টম বিভাগ ও ব্যবসায়ীদের অবকাঠামো এবং আমদানি রপ্তানি কার্যক্রমের অবস্থান পরিদর্শন করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ (এএফপি) : ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় পাপুয়া অঞ্চলে সোমবার একটি বাজারে আগুন লেগে ছয় শিশুসহ ১১ জনের প্রাণহানি হয়েছে।
স্থানীয় পুলিশের মুখপাত্র হেনরি জে. মানুরুঙ্গ জানান, মধ্য পাপুয়া প্রদেশের পানিয়াই শহরে মধ্যরাতের কিছু পর আগুনের সূত্রপাত হয় এবং দ্রুত তা বেশ কয়েকটি দোকানঘরে ছড়িয়ে পড়ে।
ইন্দোনেশিয়ার জয়াপুরা থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
হেনরি এক বিবৃতিতে বলেন, ‘পরিদর্শনের সময় কর্মকর্তারা দগ্ধ অবস্থায় ১১ জনের লাশ উদ্ধার করেন। মৃত ১১ জনের মধ্যে পাঁচজন প্রাপ্তবয়স্ক ও ছয়জন শিশু।’
তিনি জানান, শিশুদের বয়স দুই থেকে নয় বছরের মধ্যে।
তিন ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে জ্বলতে থাকা আগুনে অন্তত ৪০টি দোকান ও বাড়ি পুড়ে যায়। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ও পানির কামান মোতায়েন করা হলেও এ ক্ষয়ক্ষতি ঠেকানো যায়নি।
আগুন লাগার কারণ জানতে তদন্ত চলছে।
হেনরি বলেন, ‘আগুনের তীব্রতা এবং বাড়ি ও দোকানগুলো খুব ঘনবসতিপূর্ণ হওয়ায় আগুন নেভানোর কাজে বেশ সময় লেগেছে।’
ইন্দোনেশিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনা নতুন নয়।
গত ডিসেম্বরে মধ্য জাকার্তার একটি সাততলা অফিস ভবনে আগুন লেগে ২২ জন মারা যায়।
২০২৩ সালে দেশটির পূর্বাঞ্চলের একটি নিকেল প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানায় বিস্ফোরণে অন্তত ১২ জন মারা যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে ঠাকুরগাঁও প্রেস ক্লাবের নির্বাহী পরিষদের সদস্যগণ এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন।
ঠাকুরগাঁওয়ে রাষ্ট্রপতির বাসভবনে আজ সকালে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় রাষ্ট্রপতি বলেন, স্বাধীন ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যম গণতন্ত্র, সুশাসন ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্য। তিনি মফস্বলভিত্তিক সাংবাদিকদের তৃণমূল ও প্রান্তিক মানুষের কথা নিষ্ঠার সঙ্গে যথাযথভাবে তুলে ধরার আহ্বান জানান।
ঠাকুরগাঁওয়ের সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ দেশের মফস্বল সাংবাদিকদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি রাষ্ট্রপতির কাছে তুলে ধরেন। ঠাকুরগাঁও প্রেস ক্লাবের ভবন সম্প্রসারণ, ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় ঠাকুরগাঁওয়ের স্থানীয় নির্যাতিত সাংবাদিকদের জন্য সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দসহ সংবাদিকদের ওয়েজবোর্ড গঠনের ব্যাপারেও রাষ্ট্রপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
রাষ্ট্রপতি সাংবাদিকদের সমস্যা ও দাবি-দাওয়া পূরণে যথাযথ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন। একইসঙ্গে তিনি সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ থাকার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
এ সময় রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব সরওয়ার আলম, ঠাকুরগাঁও প্রেস ক্লাবের সভাপতি লুৎফর রহমান মিঠু ও সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান তানু, সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ এবং ঠাকুরগাঁও প্রেস ক্লাবের নির্বাহী পরিষদের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, রাষ্ট্রপতি দু’দিনের সফরে গতকাল ঠাকুরগাঁও পৌঁছান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্ববাজারে সোনার দাম কমে যাওয়ার পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন আলোচনা শুরু হওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ। চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যস্ফীতির দুটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশের আগে বিনিয়োগকারীরা বাজারে সতর্ক অবস্থান গ্রহণ করেছেন।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) গ্রিনিচ মান সময় ভোর ৪টা ২০ মিনিটে স্পট গোল্ডের দাম প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৪০২ দশমিক ৮৬ ডলারে নেমে এসেছে, যা শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ কম। এর আগে শুক্রবার আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম ১ শতাংশ কমেছিল।
ডিসেম্বর ডেলিভারির গোল্ড ফিউচারসের দামও শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৪৪৭ দশমিক ৬০ ডলারে পৌঁছেছে।
সোনার দামে চাপ সৃষ্টি করার পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারের সাম্প্রতিক তথ্যও একটি ভূমিকা রেখেছে। শুক্রবার প্রকাশিত পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, আগস্ট মাসে দেশের কর্মসংস্থান বৃদ্ধির গতি বেড়েছে। একই সময়ে বেকারত্বের হার ৪ দশমিক ১ শতাংশে অপরিবর্তিত ছিল। ফলে বিনিয়োগকারীরা ধারণা করছেন, শ্রমবাজারের দুর্বলতা কিছুটা কাটছে।
এই পরিস্থিতিতে চলতি মাসের বৈঠকে ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার নিয়ে সিদ্ধান্ত কী হতে পারে, তা নিয়ে নতুন করে হিসাব শুরু হয়েছে। বাজার এখন বিশেষভাবে মূল্যস্ফীতির তথ্যের জন্য অপেক্ষা করছে।
বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের উৎপাদক মূল্যসূচক (পিপিআই) এবং শুক্রবার ভোক্তা মূল্যসূচক (সিপিআই) প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই দুই প্রতিবেদনের ফল ফেডের পরবর্তী নীতিগত সিদ্ধান্ত সম্পর্কে বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশায় বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
কেসিএম ট্রেডের প্রধান বাজার বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার মন্তব্য করেন, কর্মসংস্থানের পরিসংখ্যান প্রত্যাশার চেয়ে ভালো হওয়ায় সোনার দামে চাপ তৈরি হয়েছে। তবে সেপ্টেম্বরের বৈঠকে সুদের হার বাড়ানোর বিষয়টি এখনো নিশ্চিত নয়। চলতি সপ্তাহে প্রকাশিত মূল্যস্ফীতির তথ্য সেই সিদ্ধান্তের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দিতে পারে।
তিনি বলেন, "মূল্যস্ফীতি প্রত্যাশার চেয়ে বেশি হলে সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা জোরালো হবে।" এর ফলে বন্ডের সুদহার বাড়তে পারে এবং সুদ না দেওয়া সোনার চাহিদা আরও কমে যেতে পারে।
সিএমইর ফেডওয়াচ টুলের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ ও ১৬ সেপ্টেম্বরের বৈঠকে ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা বর্তমানে ৫৮ দশমিক ৪ শতাংশ দেখছেন বাজারের ব্যবসায়ীরা।
সাধারণত মূল্যস্ফীতির সময় সোনাকে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কিন্তু সুদের হার বৃদ্ধি পেলে বিনিয়োগকারীদের কাছে সুদবিহীন সম্পদ হিসেবে সোনার আকর্ষণ কমে যায়। ফলে উচ্চ সুদের প্রত্যাশা সোনার বাজারে চাপ সৃষ্টি করতে পারে।
এদিকে সুদের হার নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ফেডারেল রিজার্ভের প্রতি চাপ অব্যাহত রেখেছেন। শুক্রবার তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ফেড সুদের হার না কমালে বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে এমন দেশগুলোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য বন্ধ করে দিতে পারে।
বাজারে ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রভাবও রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার মধ্যে ইরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞাজনিত অর্থনৈতিক চাপ মোকাবিলায় তারা আরও কঠোর পদক্ষেপ নেবে। দেশটির এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাও নতুন করে হামলা হলে কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
এদিকে অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও কমেছে। স্পট রুপার দাম শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৬৫ দশমিক ৮০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। প্লাটিনামের দাম ১ দশমিক ১ শতাংশ কমে হয়েছে ১ হাজার ৮০০ দশমিক ৫৯ ডলার। আর প্যালাডিয়ামের দাম শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ১ হাজার ৩৯৪ ডলারে নেমেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেটো রেংগলি। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাৎকালে সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবিরকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করায় অভিনন্দন জানান। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ও সুইজারল্যান্ডের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আগামী দিনে আরও জোরদার হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় অর্থনৈতিক খাতে সুইজারল্যান্ডের বিনিয়োগ আরও বাড়ানোর বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়। এ সময় উভয় পক্ষ অর্থনৈতিক অংশীদারত্বকে বাংলাদেশ-সুইজারল্যান্ড সম্পর্কের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করে।
বাংলাদেশের কর্মশক্তির কারিগরি ও বৃত্তিমূলক দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ বাড়াতে বাস্তবভিত্তিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়েও দুই পক্ষ একমত হয়।
সাক্ষাতে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, নিয়মিত যোগাযোগ ও মতবিনিময়ের মাধ্যমে দুই দেশের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরও গভীর করার পাশাপাশি জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্কও শক্তিশালী করা প্রয়োজন।
রাষ্ট্রদূত রেটো রেংগলি আশা প্রকাশ করেন, বার্নে বাংলাদেশের নতুন দূতাবাসের কার্যক্রম চালু হলে দুই দেশের বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও গভীর ও বহুমাত্রিক হবে।
বৈঠকে গণতন্ত্র, মানবাধিকার, বহুপক্ষীয়তাবাদ, আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধা এবং নিয়মভিত্তিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার মতো অভিন্ন মূল্যবোধের প্রতি দুই দেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়। এসব মূল্যবোধ সমুন্নত রাখতে বহুপক্ষীয় ফোরামগুলোতেও একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে উভয় পক্ষ।
এদিকে বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের উদারতার প্রশংসা করেন সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত। তিনি রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায়, নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসনে সুইজারল্যান্ডের অব্যাহত সমর্থনের কথা জানান।
রোহিঙ্গা সংকটের একটি স্থায়ী সমাধানে আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টায় সুইজারল্যান্ডের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলেও পুনর্ব্যক্ত করেন রাষ্ট্রদূত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ