রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:১৬ পি.এম
ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে জনগণকে সম্পৃক্ত করে দেশজুড়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ রবিবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় তিনি ডেঙ্গু পরিস্থিতি ও করণীয় বিষয়ে এ নির্দেশনা প্রদান করেন।
সভায় প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র সরকারি সংস্থার ওপর নির্ভর না করে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি বলেন, বাড়িঘর ও আশপাশ পরিষ্কার রাখা, জমে থাকা পানি অপসারণ করা, ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করা এবং মশার প্রজননস্থল তৈরি হতে না দেওয়ার বিষয়ে জনগণকে আরও সচেতন করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রমে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা স্বেচ্ছাসেবকদের পাশাপাশি বিএনসিসি, রোভার স্কাউট ও রেড ক্রিসেন্ট কর্মীদের যুক্ত করার নির্দেশ দেন।
তিনি বলেন, তাদের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ের জনগণকে যুক্ত করে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করতে হবে।
সভায় উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসাসুবিধা ও রোগী ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়টি গুরুত্ব পায়। হাসপাতালের ভর্তি ডেঙ্গু রোগীদের ব্যবহারের জন্য মশারি সরবরাহের বিষয়েও আলোচনা হয়, যাতে আক্রান্ত রোগীকে কামড়ানো মশার মাধ্যমে অন্যদের মধ্যে ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি কমানো যায়।
সভায় নেওয়া সিদ্ধান্তগুলোর বাস্তবায়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মাঠে এর প্রতিফলন থাকতে হবে।
ডেঙ্গু মোকাবিলায় প্রতিরোধকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্টদের সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ব্যাপকভাবে সচেতনতামূলক উদ্যোগ গ্রহণের ওপর জোর দেন তিনি।
সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান, প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আবদুস সালাম, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী শাকিরুল ইসলাম খানসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিব এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেট জেলা বিএনপি সাবেক অর্থমন্ত্রী এম. সাইফুর রহমানের ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে।
গতকাল শনিবার, মাগরিবের নামাজের পর হযরত শাহজালাল (রহ.) এর দরগাহ মসজিদ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয় এই আলোচনা ও দোয়া।
আলোচনায় জেলা বিএনপির সভাপতি এবং সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আবদুল কাইয়ূম চৌধুরী বলেন, "এম সাইফুর রহমান বাংলাদেশের অর্থনীতির শক্ত ভিত্তি তৈরি করে গেছেন। দেশ ও মাটির প্রতি তার ভালোবাসা এবং দূরদর্শী নেতৃত্ব আজও আমাদের অনুপ্রেরণা জোগায়।" তিনি আরও বলেন, "আজকের আধুনিক সিলেটের দৃষ্টিনন্দন উন্নয়ন, রাস্তাঘাট, সেতু ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভাগের চার জেলায় অজস্র অবকাঠামো নির্মাণ হয়েছে এম সাইফুর রহমানের হাত ধরে। সিলেটের সাধারণ মানুষ তাকে হৃদয়ে ধারণ করে রেখেছে। আজও যেকোনো উন্নয়নের কথা উঠলে মানুষ শ্রদ্ধার সঙ্গে তার নাম স্মরণ করে।"
তিনি উল্লেখ করেন, সাইফুর রহমান জাতীয় সংসদে রেকর্ড সংখ্যক ১২ বার বাজেট পেশ করেছেন। সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার সরকারের অধীনে তিনি অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ভাষা আন্দোলনে তার অবদানের জন্য ২০০৫ সালে তাকে দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘একুশে পদকে ভূষিত করা হয়।
দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি নাজিম উদ্দীন লস্কর, উপদেষ্টা আহমেদুর রহমান চৌধুরী মিলু, অধ্যক্ষ জিল্লুর রহমান সোয়েব, কামরুল হাসান শাহিন, সালেক চৌধুরী, যুগ্ম সম্পাদক কোহিনূর আহমেদ, শাকিল মোর্শেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আল আসলাম মুমিন, প্রচার সম্পাদক লোকমান আহমদ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুল ইসলাম তুরন, সহ-প্রচার সম্পাদক শাহিন আলম জয়, সহ-ধর্মবিষয়ক সম্পাদক আহমেদ সোলেমান, আতাউর রহমান কাচা, শওকত মিয়া, সেলিম আহমদ, সাহেদ আহমদ, মিজানুর রহমান বেলাল, মোস্তাক আহমদ, মাহবুব হাসান, জাহেদূর রহমান মুক্তার আহমদ, জুনেদ আহমদ, আব্দুল মজিদ, রাজু আহমেদ, রাসেল আহমেদ, নাছিম আহমেদ এবং ফয়সাল আহমদ প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংসদ ভবন, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন আজ বিকেল ৩টা ৩১ মিনিটে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে পুনরায় শুরু হয়েছে।
অধিবেশনটি পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম মন্তব্য করেছেন যে, জনসংখ্যাকে মানবসম্পদে রূপান্তর করা আমাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। তিনি উল্লেখ করেন, জনমিতিক লভ্যাংশের সুযোগ গ্রহণ করে আমরা উন্নতির পথে এগিয়ে যেতে পারি। এ ক্ষেত্রে নারী ও পুরুষ উভয়ের সমান ভূমিকা অত্যাবশ্যক।
স্পিকার বলেন, "দেশের উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় নারী ও পুরুষের সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।"
আজ (রোববার) জাতীয় সংসদের শপথকক্ষে এসপিসিপিডি প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত ‘জনসংখ্যা বোনাস, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা এবং আইসিপিডি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সংসদের ভূমিকা’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি এবং ইউএনএফপিএ-এর বাংলাদেশ প্রতিনিধি ক্যাথেরিন ব্রিন ক্যামকং।
স্পিকার উল্লেখ করেন, "দীর্ঘ ১৫ বছরের স্বৈরাচারী শাসনের অবসানের পর সর্বশেষ অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।" তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে, যা প্রশংসনীয়।
তিনি বলেন, "জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হিসেবে জাতীয় সংসদ কাজ করে যাচ্ছে।"
স্পিকার আরও বলেন, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা নিরসন, কিশোরী শিক্ষা ও নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে আমাদের সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। একইসাথে, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ও উপকূলীয় এলাকায় লবণাক্ততা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
তিনি বলেন, "এসব সমস্যা নিরসনে সংসদ-সদস্যদের নিজ এলাকার জনগণের মাঝে জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও উন্নয়নমূলক উদ্যোগ কাজে লাগাতে হবে।"
জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল মন্তব্য করেন, "বাংলাদেশের জনসংখ্যাকে সংখ্যাগত দিক দিয়ে দেখার সুযোগ নেই। আমাদের জনসংখ্যাকে প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত করে তাদের কর্মসংস্থান সুনিশ্চিত করে মানবসম্পদে রূপান্তর করতে হবে।"
তিনি বলেন, "এসডিজি বাস্তবায়নে আমাদের সমন্বিত পরিকল্পনা ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।" এর জন্য সংসদীয় কার্যক্রমে শুধু আইন প্রণয়ন নয়, জনগণের সমস্যা সমাধানে নীতি ও পরিকল্পনা গ্রহণের প্রয়োজন রয়েছে।
জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি বলেন, "একটি দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ থাকলেই অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি নিশ্চিত হয় না; দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো দক্ষ ও শিক্ষিত জনগোষ্ঠী।" তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে বাংলাদেশকে তার বিপুল কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীকে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করতে হবে।
জাতিসংঘের জনসংখ্যা উন্নয়ন বিষয়ক তহবিল (ইউএনএফপিএ) এর বাংলাদেশ প্রতিনিধি ক্যাথেরিন ব্রিন ক্যাম্পকং বলেন, "বাংলাদেশ সরকার জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিরোধ, কিশোর-কিশোরীদের প্রজনন স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং জনসংখ্যার সামাজিক সুরক্ষায় জনবান্ধব নীতি প্রণয়ন করে উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোকে সহযোগিতা করছে।"
স্পিকার এসময় নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, হুইপ, সংসদ-সদস্যবৃন্দ, ইউএনএফপিএ ও এসপিসিপিডি প্রকল্পের প্রতিনিধিবৃন্দ এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, মানবিক সহায়তার পাশাপাশি রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই রাজনৈতিক সমাধান নিশ্চিত করতে হবে।
আজ (রোববার) রাজধানীর বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) মিলনায়তনে ইনস্টিটিউট ফর গ্লোবাল কোঅপারেশন ফাউন্ডেশন (আইজিসিএফ) কর্তৃক আয়োজিত ‘দ্য রোহিঙ্গা ক্রাইসিস : ইমার্জিং চ্যালেঞ্জেস অ্যান্ড রিফ্রেমিং রেসপনসিবিলিটিজ’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে ‘গেস্ট অব অনার’ হিসেবে বক্তব্য রাখেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ।
তিনি রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রশাসনিক সমন্বয়ের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রয়োজন। রোহিঙ্গাদের মর্যাদাপূর্নভাবে মায়ানমারে ফেরত পাঠাতে চেষ্টা করবে সরকার।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুটি যেন জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক রাডারে সর্বদা সক্রিয় থাকে এবং অন্য কোনো বৈশ্বিক রাজনৈতিক সংঘাত বা সংকটের আড়ালে চাপা পড়ে না যায়।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের যৌথ প্রচেষ্টা ও কার্যকর কূটনীতির মাধ্যমে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিজ মাতৃভূমি মিয়ানমারে দ্রুত মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে হবে।
মন্ত্রী বলেন, আশ্রয় পাওয়া প্রায় ১.৫ মিলিয়ন (ইউএনএইচসিআর-এর হিসাবে ১.২ মিলিয়ন) বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিককে (এফডিএমএন) যেন আমরা পূর্ণ মর্যাদা ও নিরাপত্তার সাথে তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে পারি। এজন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অব্যাহত সহায়তা ও রাজনৈতিক ভূমিকা অত্যন্ত জরুরি।’
মন্ত্রী বলেন, ১৯৭৮ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সফল নেতৃত্বে এবং ১৯৯২ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দূরদর্শী কূটনৈতিক উদ্যোগে বাংলাদেশ সফলভাবে মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন সম্পন্ন করেছিল। অতীতের সেই সফল অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে বর্তমান সরকার আবারও শতভাগ সফল প্রত্যাবাসন বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর।
মন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গতিশীল নেতৃত্বে ইতোমধ্যে ‘ন্যাশনাল স্ট্র্যাটেজি ফর্মুলেশন কমিটি অন রোহিঙ্গা অ্যাফেয়ার্স’ গঠিত হয়েছে। পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও সার্বিক সমন্বয়ের জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে অপর একটি উচ্চপর্যায়ের জাতীয় কমিটি সক্রিয় রয়েছে।
এসময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, রোহিঙ্গা পূনর্বাসন নিয়ে সরকার আশাবাদী। বাংলাদেশ মানবিক সহযোগিতা বহাল রাখবে। তবে মিয়ানমারের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় রোহিঙ্গাদের নিরাপদে সেখানে পৌছাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রয়োজন।
আইজিসিএফ-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা চৌধুরী আদনান রহমানের স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে গোলটেবিল আলোচনাটি শুরু হয়। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. বুলবুল সিদ্দিকী।
গোলটেবিল আলোচনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশে ইউএনএইচসিআর প্রতিনিধি আইভো ফ্রেইসেন, বিআইআইএসএস-এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল এ এস এম রিদওয়ানুর রহমান, শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের শরণার্থী সেলের প্রধান ও যুগ্মসচিব মোহাম্মদ নাজমুল আবেদীন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও সংঘাত অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ সিদ্দিকী, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. নিলয় রঞ্জন বিশ্বাস, আইইউবি’র অধ্যাপক ড. কাজী মাহমুদুল রহমান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. নুরুল হুদা সাকিব এবং ইউল্যাব-এর সহকারী অধ্যাপক মিসেস অবন্তী হারুন, অ্যাকশন-এইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ কবির এবং দৈনিক প্রথম আলোর বিশেষ প্রতিনিধি রাহীদ এজাজ প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ