ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ব্যালন ডি’অর: কাভারেস্খেইয়া যেভাবে ইউরোপ জয় করল


ব্যালন ডি’অর: কাভারেস্খেইয়া যেভাবে ইউরোপ জয় করল

ব্যালন ডি’অরের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে সম্প্রতি পিএসজি ও জর্জিয়ার ফরোয়ার্ড খিচা কাভারেস্খেইয়াকে নিয়ে একটি বিশেষ ফিচার প্রকাশ করা হয়েছে। এই ফিচারে ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অরের জন্য মনোনীত এই তারকার ক্যারিয়ারের বিভিন্ন রূপকথা ও টার্নিং পয়েন্টগুলো চমৎকারভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। রাশিয়া ও ইতালির লিগে ঝলক দেখানোর পর কীভাবে তিনি প্যারিসের বুকে নিজের সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন, নিবন্ধে তারই গল্প তুলে ধরা হয়েছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ক্যারিয়ারের সেরা স্বর্ণালী সময় পার করছেন এই জর্জিয়ান তারকা। গত মৌসুমে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ১০টি গোল করার পাশাপাশি ৬টি গোলে সহায়তা (অ্যাসিস্ট) করেছেন তিনি। এর মাধ্যমে পিএসজির ইতিহাসে ইউরোপ সেরা এই টুর্নামেন্টের একক কোনো আসরে সর্বোচ্চ গোল অবদানের নতুন রেকর্ড গড়েছেন কাভারেস্খেইয়া।

তার খেলার গতি ও উচ্চমানের ফুটবলীয় বুদ্ধিমত্তার প্রশংসা করে নিবন্ধে উল্লেখ করা হয়েছে, মাঠের ধারাবাহিকতাই তাকে বর্তমান বিশ্বের অন্যান্য ফরোয়ার্ডদের থেকে আলাদা করে তুলেছে। অসাধারণ ড্রিবলিং, ক্ষিপ্র গতিতে ডিফেন্ডারদের বোকা বানানোর ক্ষমতা এবং দুই পায়েই সমান দক্ষতা দেখেই লিওনেল মেসি, নেইমার ও কিলিয়ান এমবাপ্পে পরবর্তী যুগে তাকে বড় অঙ্কের অর্থ খরচ করে দলে টানে প্যারিসের ক্লাবটি।

আরও পড়ুন: মজুরি বৃদ্ধির হার মূল্যস্ফীতির নিচে, সেপ্টেম্বরের মূল্যস্ফীতি ৮.৩৪%

ইতালিতে ‘কভারাদোনা’ হয়ে ওঠা

পিএসজিতে আসার আগে ইতালিয়ান ক্লাব নাপোলিতে কাটানো তিন বছর কাভারেস্খেইয়ার ক্যারিয়ারের মূল ভিত গড়ে দেয়। ব্যালন ডি’অরের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, নাপোলিতে থাকাকালীন তিনি বিশ্ব ফুটবলের শীর্ষ আক্রমণভাগের তারকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন এবং দলকে দুটি লিগ শিরোপা জেতাতে মূল ভূমিকা রাখেন।

নাপোলির জার্সিতে তার চোখধাঁধানো পারফরম্যান্স দেখে ক্লাবটির সমর্থকেরা ভালোবেসে তার নাম দেন ‘কভারাদোনা’। আর্জেন্টিনার প্রয়াত ফুটবল মহাতারকা দিয়েগো ম্যারাডোনার নামের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা এই উপাধির মর্যাদা তিনি মাঠের পারফরম্যান্স দিয়েই ধরে রেখেছেন।

বিশেষজ্ঞের চোখে কাভারেস্খেইয়ার প্রভাব

আরও পড়ুন: বাংলাদেশকে ফাইনালে যেতে আফগানিস্তানকে ১১৯ রানে আটকে রাখতে হবে

ফুটবল সাংবাদিক জেরোমি স্মিথের মতে, কাভারেস্খেইয়া কেবল মাঠের তারকা দ্যুতিই নন, বরং দলের ভেতর তৈরি করেছেন কঠোর পরিশ্রমের এক দারুণ সংস্কৃতি। তিনি আধুনিক ও ঐতিহ্যবাহী ফুটবলের এক অপূর্ব মিশ্রণ—টাচলাইন ধরে আক্রমণে ওঠেন, নিখুঁত টেকনিকে প্রতিপক্ষকে ছিটকে দেন এবং দল বল হারালে দ্রুত নিচে নেমে রক্ষণভাগকেও সহায়তা করেন।

স্মিথ আরও যোগ করেন, বড় কোনো ট্রফি জিততে হলে কেবল কৌশল বা ভাগ্যই যথেষ্ট নয়, দলের প্রধান খেলোয়াড়কেও নিজের সাধারণ সীমানা ছাড়িয়ে অসাধারণ কিছু করে দেখাতে হয়। গত দুই মৌসুমে পিএসজির জার্সিতে কাভারেস্খেইয়া ঠিক সেই কাজটিই করে দেখাচ্ছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দিরাইয়ের পূর্বাঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী চেপ্টিয়ার হাওরে পাকা ধান তলিয়ে কৃষকের হাহাকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

হামিদুল ইসলাম, বিশেষ প্রতিনিধি

শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৫৩ পি.এম


দিরাইয়ের পূর্বাঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী চেপ্টিয়ার হাওরে পাকা ধান তলিয়ে কৃষকের হাহাকার

সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার পূর্বাঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী চেপ্টিয়ার হাওর একসময় কৃষকের স্বপ্ন ও সম্ভাবনার অন্যতম ক্ষেত্র। প্রতি বছর বোরো মৌসুমে এই হাওরের বিস্তীর্ণ জমিতে সোনালি ধানের সমারোহ দেখা যায়। কিন্তু ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসে টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পানির কারণে পাকা ধান ঘরে তোলার আগেই কৃষকের সেই স্বপ্নে নেমে আসে দুর্যোগ।
ধান যখন পাকার শেষ পর্যায়ে, ঠিক সেই সময় বৃষ্টির পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে হাওরের নিচু জমিতে ঢুকে পড়ে। অনেক কৃষক সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ধান কাটার চেষ্টা করলেও পানি, কাদা, শ্রমিক সংকট ও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে সব জমির ধান ঘরে তোলা সম্ভব হয়নি। দিরাইয়ের বিভিন্ন হাওরে কৃষকদের নৌকা ও কোমরসমান পানিতে নেমে পাকা ধান কাটার চেষ্টার কথাও সংবাদ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। 
পাকা ধান পানির নিচে চলে যাওয়ায় কৃষকের চোখে-মুখে দেখা দেয় হতাশা। বছরের প্রধান ফসল হারানোর আশঙ্কায় অনেক পরিবার খাদ্য, গবাদিপশুর খাদ্য এবং কৃষিঋণসহ ভবিষ্যৎ খরচ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়ে। কাটা ধানও রোদ না থাকায় ঠিকমতো শুকানো সম

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সব মন্ত্রণালয়ের জন্য অভিন্ন প্রশিক্ষণ সিলেবাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৫৪ পি.এম


প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সব মন্ত্রণালয়ের জন্য অভিন্ন প্রশিক্ষণ সিলেবাস

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমকে একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় এনে অভিন্ন সিলেবাসে প্রশিক্ষণ ও সনদ প্রদানের ব্যবস্থা করার নির্দেশনা প্রদান করেছেন।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (এনএসডিএ) গভর্নিং বডির তৃতীয় সভায় সভাপতিত্বকালে তিনি এ নির্দেশনা দেন।

সভায় প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদার ভিত্তিতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এনএসডিএ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বাংলাদেশের দক্ষ জনশক্তির চাহিদা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এটি আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্মও।

 

তিনি বলেন, দেশের যুবসমাজের দক্ষতা উন্নয়ন অত্যন্ত জরুরি। যদিও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অধীনে অনেক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে, তবে যথাযথ সমন্বয়ের অভাবে এসব প্রশিক্ষণ ও সনদ অনেক ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না। এর ফলে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এসব সনদের বিপরীতে তরুণ প্রজন্ম কাঙ্ক্ষিত স্বীকৃতি পাচ্ছে না।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, এনএসডিএর গভর্নিং বডিকে অল্প সময়ের মধ্যে একটি ছোট কমিটির মাধ্যমে প্রয়োজনীয় নীতিমালা প্রণয়ন করে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দক্ষতা উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমকে একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় আনতে হবে। তিনি অভিন্ন সিলেবাসের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ ও সনদ প্রদানের ব্যবস্থা করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি উল্লেখ করেন, অভিন্ন ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন প্রশিক্ষণ এবং সনদায়ন ব্যবস্থা চালু হলে দেশের তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নের পাশাপাশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে তাদের গ্রহণযোগ্যতা ও স্বীকৃতি বৃদ্ধি পাবে।

 

সভায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ, শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুণ, এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুল আওয়াল, এনএসডিএর নির্বাহী চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব ও অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ময়লার ভাগাড়ে মশার উপদ্রব ও ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে গোয়ালন্দে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:০১ পি.এম


ময়লার ভাগাড়ে মশার উপদ্রব ও ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে গোয়ালন্দে

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে ঢাকা-খুলনা মহাড়কের পাশে পদ্মার মোড় নামক স্থানে একটি ময়লার ভাগাড় গড়ে উঠেছে। এই স্থান থেকে মশা প্রজননের পাশাপাশি পচা দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে, যা এলাকার পরিবেশকে দূষিত করছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, এই এলাকায় মশাবাহিত বিভিন্ন রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে, যার মধ্যে ডেঙ্গুর প্রকোপও রয়েছে। প্রতিদিন নারী ও শিশু সহ আক্রান্ত রোগীদের ভিড় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোয়ালন্দ পৌরসভা ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। পৌর এলাকার পরিচ্ছন্নতা রক্ষার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট পৌরসভার, কিন্তু এলাকাবাসীর মতে, তারা এই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করছে না। পৌর এলাকায় বিভিন্ন স্থানে ময়লা-আবর্জনার স্তূপ থাকলেও সেগুলো সরানোর কোনো উদ্যোগ নেই।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পদ্মার মোড় নামক এলাকায় ঢাকা-খুলনা মহাড়কের পাশে পৌরসভার পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা নিয়মিত ময়লা-আবর্জনা ফেলে আসছেন। এই ময়লার ভাগাড় থেকে মশা প্রজননের পাশাপাশি দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে, যা পরিবেশকে আরও বিপদে ফেলছে।

এদিকে গোয়ালন্দ পৌর শহরে প্রয়োজনীয় গণশৌচাগারের অভাব রয়েছে। পর্যাপ্ত ডাস্টবিনের অভাবে শহরের আবর্জনা শহরের মধ্যেই ফেলা হচ্ছে।

গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মারুফ হাসান বলেন, গোয়ালন্দ পৌরসভাসহ উপজেলা এলাকায় মশাবাহিত নানা রোগ দেখা দিচ্ছে। ডেঙ্গুর প্রকোপও বাড়ছে। প্রতিদিন জ্বরে আক্রান্ত বহু রোগী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবা নিতে আসছেন। অনেকের মধ্যে ডেঙ্গুর আলামত দেখা যাচ্ছে।

ডা. মারুফ আরও বলেন, রক্ত পরীক্ষা করে প্রকৃত ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের এই হাসপাতালে ভর্তি করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

মহাসড়কের পাশে ময়লার ভাগাড় সৃষ্টি প্রসঙ্গে গোয়ালন্দ পৌরসভার প্রকৌশল বিভাগ জানিয়েছে, ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্রকল্পের আওতায় প্রায় পৌনে পাঁচ কোটি টাকা ব্যয়ে গোয়ালন্দ পৌরসভার বর্জ্য পরিশোধনাগার নির্মাণকাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

সূত্র বলছে, ১০০ শতাংশ জায়গার ওপর ডাম্পিং পয়েন্ট নির্মাণকাজের প্রায় ৯৮ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। বাকি কাজ শেষ হলে বর্জ্য পরিশোধনাগারটির কার্যক্রম চালু হলে গোয়ালন্দ পৌর শহরসহ এলাকায় কোথাও ময়লা-আবর্জনা জমা থাকবে না।

গোয়ালন্দ পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হেমায়েত হোসেন কালের কণ্ঠকে জানিয়েছেন, ‘গোয়ালন্দ পৌরসভার প্রশাসক মহোদয় মশক নিধনে অভিযান শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন। প্রয়োজনীয় মেডিসিন (মশা মারার ওষুধ)-সহ ফগার মেশিন প্রস্তুত রয়েছে। দ্রুত পৌর এলাকায় মশা নিধনে অভিযান চালানো হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘নারীরা কারও সম্পত্তি নয়’, মন্তব্য করে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন হানিয়া আমির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:০২ পি.এম


‘নারীরা কারও সম্পত্তি নয়’, মন্তব্য করে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন হানিয়া আমির

নারীদের চেহারা, শরীর, বয়স এবং ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে হাস্যরস ও কনটেন্ট তৈরির প্রবণতার বিরুদ্ধে পাকিস্তানের জনপ্রিয় অভিনেত্রী হানিয়া আমির সরব হয়েছেন। তার মতে, নারীদের নিয়ে এমন বিষয়কে রসিকতা বা মতপ্রকাশের স্বাধীনতা হিসেবে গ্রহণ করা উচিত নয়। একই সঙ্গে, তিনি এই ধরনের কনটেন্ট তৈরি এবং দেখার মাধ্যমে যারা সেটিকে জনপ্রিয় করে তুলছেন, তাদের দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার, ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন হানিয়া। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, ‘২০২৬ সালে নারীদের শরীর, চেহারা, সৌন্দর্য, বয়স ও ব্যক্তিগত জীবনকে রসিকতার বিষয় বানানো হাস্যকর।’

হানিয়া বলেন, কোনো বিষয়কে ‘মতামত’ বা ‘হাস্যরস’ বললেই সেটি গ্রহণযোগ্য হয়ে যায় না। তিনি মন্তব্য করেন, নারীর ব্যক্তিগত জীবনকে বিনোদনের উপকরণ বানানোর মধ্যে একটি স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে।

অভিনেত্রীর মতে, মানুষের বলা কথার প্রভাব শুধুমাত্র সেই মুহূর্তেই সীমাবদ্ধ থাকে না। বিশেষ করে যখন কোনো জনপ্রিয় ব্যক্তি মন্তব্য করেন, তখন তার অনুসারীদের ওপরও সেই বক্তব্যের প্রভাব পড়ে।

হানিয়ার ভাষায়, ‘আপনি শূন্যে কথা বলছেন না। আপনি অন্যরা কোন বিষয়কে স্বাভাবিক, মজার ও গ্রহণযোগ্য মনে করবে, সেটি তৈরি করছেন।’

শুধু কনটেন্ট নির্মাতাদের নয়, দর্শকদেরও এ বিষয়ে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন হানিয়া। তিনি বলেন, লাখো মানুষ যখন কোনো কনটেন্ট দেখছেন, তখন সম্মিলিতভাবে ঠিক হচ্ছে নারীদের সম্পর্কে কী ধরনের কথা বলা গ্রহণযোগ্য।

সম্প্রতি গানের জগতে অভিষেক হয়েছে হানিয়ার। সেখান থেকেই তিনি বলেন, সমাজের কাছ থেকে ভালো আচরণ প্রত্যাশা করার পাশাপাশি সেই আচরণের বিপরীত বিষয়কে জনপ্রিয় করে তোলা উচিত নয়।

নারীদের নিয়ে নিজের অবস্থান আরো স্পষ্ট করে হানিয়া বলেন, ‘নারীরা কারও সম্পত্তি নয়। তাদের শরীর জনসমক্ষে মন্তব্য করার বিষয় নয়, আর তাদের চেহারাও জনসমক্ষে আলোচনার উপকরণ হওয়া উচিত নয়। এতদিনে আমাদের এসব থেকে এগিয়ে আসা উচিত ছিল।’

এ ধরনের কনটেন্ট জনপ্রিয় না করার আহ্বান জানিয়ে অভিনেত্রী বলেন, ‘এ ধরনের কনটেন্টকে ছড়িয়ে পড়ার সুযোগ দেওয়া বন্ধ করুন। নারীদের নিয়ে তামাশা করা এবং সেটিকে বিনোদন বলা বন্ধ করুন। আমরা এর চেয়ে ভালো কিছু করতে পারি।’

তবে, নিজের বক্তব্যে নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা কনটেন্ট নির্মাতার নাম উল্লেখ করেননি হানিয়া। তার এই মন্তব্যের সময় ভারতে অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার বিষয়টি আলোচনায় ছিল। সন্তান জন্মের পর দীর্ঘদিন পর প্রকাশ্যে আসার পর ক্যাটরিনাকে নিয়ে অনলাইনে নানা ধরনের মন্তব্য করা হয়।

পাকিস্তানেও নারীদের নিয়ে অনলাইনে বিদ্রূপ ও নেতিবাচক মন্তব্যের বিরুদ্ধে এর আগে সরব হয়েছেন অভিনেত্রী জালাই সারহাদি এবং আমনা ইলিয়াস। তাদের বক্তব্য ছিল, এ ধরনের আচরণের প্রভাব শুধুমাত্র পরিচিত নারীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না; সমাজের অপেক্ষাকৃত কম ক্ষমতাসম্পন্ন নারীরাও এর কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%