০৩:৪৬ এম
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে কুকুরের কামড়ে আহত হয়ে ২৫ জন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা গ্রহণ করেছেন। এ ঘটনা গত বুধবার, মঙ্গলবার এবং সোমবার মুকসুদপুর পৌরসভার কমলাপুর, চন্ডিবর্দি ও টেংরাখোলা এলাকার পতিত পাগলা কুকুরের কামড়ে ঘটেছে।
আহতদের মধ্যে তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী লামিয়াও রয়েছে, যার বাড়ি গোপিনাথপুর গ্রামে। মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে এবং এন্টি র্যাবিস ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে।
হাসপাতালের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রায়হান ইসলাম শোভন বলেন, ‘গত ৩ দিনে আমরা কুকুরের কামড়ে আহত ২৫ জনকে চিকিৎসা দিয়েছি। তাদের এন্টি র্যাবিস ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। আমাদের হাসপাতালের কাছে পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন মজুত রয়েছে। তবে কুকুর থেকে সবাইকে সাবধানে থাকতে হবে।’
আরও পড়ুন: ইনানীতে ৪২ ঘণ্টা ধরে জ্বলছে আগুন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি
মুকসুদপুর পৌরসভার চন্ডিবর্দি এলাকার বাসিন্দা মীর হাবীবুল্লাহ জানান, পৌরসভার সদর বাজার, কমলাপুর, চন্ডিবর্দি ও চেংরাখোলাসহ বিভিন্ন স্থানে বেওয়ারিশ পাগলা কুকুর ঘুরে বেড়াচ্ছে। তারা স্কুলছাত্রী, পথচারী যাকেই পাচ্ছে, কামড় দিয়ে গভীর ক্ষতের সৃষ্টি করছে।
টেংরাখোলা এলাকার বাসিন্দা মুরসলিন সামস বলেন, এ অবস্থা চলতে থাকলে পৌর এলাকায় অনেক মানুষের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে। অতএবি, দ্রুত কুকুরটির বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন।
মুকসুদপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সরকার আইন করে কুকুর নিধন বন্ধ করেছে। সেজন্য বেওয়ারিশ কুকুর নিধনের কোনো ব্যবস্থা আমরা অথবা পৌরসভা নিতে পারি না। তবে যে বেওয়ারিশ পাগলা কুকুরটি কামড়িয়েছে, সেটিকে ধরে আমাদের হাসপাতালে নিয়ে এলে আমরা চিকিৎসা দিতে সক্ষম হব।’
আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ৯ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা প্রত্যাহার, নতুন কর্মকর্তাদের নিয়োগ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন