ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দুটো টাকার জন্য কত কিছু করতে হয়: কৌশানী


দুটো টাকার জন্য কত কিছু করতে হয়: কৌশানী

ভারতীয় বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় ও আবেদনময়ী অভিনেত্রী কৌশানী মুখার্জি, ‘বহুরূপী’র সাফল্যের পর, দুই বছরের আড়াল ভেঙে আবার বড় পর্দায় ফিরছেন ঝিমলি চরিত্রে।

নন্দিতা রায় ও শিবপ্রসাদ মুখার্জির পরিচালনায় ‘বহুরূপী’র সিক্যুয়েল ‘বহুরূপী দ্য গোল্ডেন ডাকু’ দিয়ে তিনি আবারও পর্দা মাতাতে আসছেন।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ভারতের সংবাদমাধ্যম আজকালের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: জয়ের বাবার সঙ্গে স্পিকারের পুরোনো ছবি, ভক্তদের মন্তব্য ‘এবার জমি নিশ্চিত’

এই বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমাটি আগামী ১৫ অক্টোবর মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। তবে তার আগে সিনেমাটির প্রচারের একটি মজার ভিডিও প্রকাশ্যে এসে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুলেছে।

প্রচারে কৌশানী একদম ভিন্ন এবং অচেনা এক অবতারে ধরা দিয়েছেন। ভিডিওটির ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, ‘ছ্যাঁচড়াপুর ১ নম্বর প্ল্যাটফর্মের ঝিমলি যখন মাছওয়ালি।’ মাথায় শক্ত করে বাঁধা খোঁপা, গায়ে সাধারণ শাড়ি, মুখে শ্যামলা মেকআপ এবং ডি-গ্ল্যাম লুকে একেবারে চেনা মেছুনির রূপ ধারণ করেছেন তিনি। হাতে বড় বড় মাছ নিয়ে ক্রেতাদের ডাকতে দেখা গেছে তাকে।

মাছ বিক্রি ও কাটতে গিয়ে কৌশানী বেশ নাজেহাল হতে হয়েছে। বঁটির কাছে মাছ নিয়ে ঘষতে ঘষতে মজার ছলে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘ম্যায় লুট গয়ি, ম্যায় বরবাদ হো গয়ি। দুটো টাকার জন্য কত কী করতে হয়! জীবনে ভাবিনি মাছওয়ালি হতে হবে।’ মাছ কাটার সেই খুনসুটি ভরা দৃশ্য বুঝিয়ে দেয় চরিত্রটি তিনি দারুণ উপভোগ করছেন।

শুধু মাছ কাটা নয়, বাজারের হকারদের মতো গলা ফাটিয়ে ডাকতেও দেখা গেছে তাকে। হাতে বড় মাছ তুলে তার হাঁকডাক, ‘দুইশ দুইশ, সিলভার দুইশ, বড় মাছ, টাটকা মাছ!’ শুটিংয়ের ফাঁকেও কৌশানীর হাসিখুশি ও রসিক মেজাজ সবার নজর কেড়েছে। শুটিংয়ের ফাঁকে কলাকুশলীদের সঙ্গেও মাছের গন্ধ নিয়ে মজা করতে দেখা যায় তাকে।

আরও পড়ুন: আব্বাসউদ্দীনের ভাওয়াইয়া গান নিয়ে উৎসবের আয়োজন করবে সরকার: সংস্কৃতিমন্ত্রী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেনমোহর না দিলে ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দিতে পারবেন আদালত: হাইকোর্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:২৫ পি.এম


দেনমোহর না দিলে ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দিতে পারবেন আদালত: হাইকোর্ট

স্বামীর আর্থিক সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও যদি দেনমোহর পরিশোধ না করা হয় এবং স্ত্রীকে তা আদায়ের জন্য আদালতে যেতে বাধ্য করা হয়, তাহলে পারিবারিক আদালত বিবেচনাধিকার প্রয়োগ করে স্ত্রীকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিতে সক্ষম হবে বলে হাইকোর্টের রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে।

হাইকোর্ট গত ৩ সেপ্টেম্বর ইয়াকুব আলী বনাম সানজিদা নাসরিন দেওয়ানি দেওয়ানি রিভিশন মামলার প্রেক্ষিতে এ রায় প্রদান করে। ৩২ পৃষ্ঠার রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে।

আদালতে আবেদনকারীর পক্ষে আইনজীবী মো. নাজের উদ্দিন ছিলেন। বিবাদী পক্ষের আইনজীবী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইশরাত হাসান এবং তানজিলা রহমান জুঁই। তাদের সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী ইফফাত হাসান শাম্মী।

হাইকোর্টের রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে, মুসলিম পারিবারিক আইনে স্ত্রীর সম্মতি ছাড়া নিকাহনামায় ‘বিলম্বিত দেনমোহর’ চাপিয়ে দেওয়ার সুযোগ নেই। স্ত্রী দাবি জানালে তা ‘তৎক্ষণাৎ প্রদেয় দেনমোহর’ হিসেবে গণ্য হবে এবং অবিলম্বে পরিশোধ করতে হবে।

দেনমোহর ও খোরপোশ সংক্রান্ত পারিবারিক আদালতের একটি রায়ের বিরুদ্ধে স্বামীর দায়ের করা দেওয়ানি রিভিশন আবেদন খারিজ করে বিচারপতি মো. আব্দুর রহমানের একক বেঞ্চ এই রায় প্রদান করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইসির সঙ্গে বৈঠকে নেপালের প্রতিনিধিদল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:২৬ পি.এম


ইসির সঙ্গে বৈঠকে নেপালের প্রতিনিধিদল

নেপালের নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে অংশগ্রহণ করেছে। রাজধানী ঢাকার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে বুধবার (৭ অক্টোবর) সকাল পৌনে ১১টায় এই বৈঠক শুরু হয়।

নেপালের নির্বাচন কমিশনারসহ মোট ছয়জন প্রতিনিধি বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার এমএম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে ছয় নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে যোগদান করেন।

বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয় ছিল আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ব্যালট। এছাড়া, দুই দেশের নির্বাচন ব্যবস্থা, নির্বাচন পরিচালনা এবং পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জসীম পল্লী মেলা পুনরায় চালুর দাবিতে ফরিদপুরে মানববন্ধন-স্মারকলিপি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

এস এম সাহান,ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:২৬ পি.এম


জসীম পল্লী মেলা পুনরায় চালুর দাবিতে ফরিদপুরে মানববন্ধন-স্মারকলিপি

ফরিদপুরের ঐতিহ্যবাহী জসীম পল্লী মেলা পুনরায় আয়োজনের দাবিতে মানববন্ধন, সমাবেশ ও স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। বুধবার সকাল ১০টায় ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সামনে ফরিদপুর সাহিত্য পরিষদের উদ্যোগে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের অংশগ্রহণে এ কর্মসূচি পালিত হয়।

ফরিদপুর সাহিত্য পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক আব্দুস সামাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য দেন সাংবাদিক ও সাহিত্যিক মফিজ ইমাম মিলন, ফরিদপুর লালন পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা পাগলা বাবলু খান,অ্যাডভোকেট বশীর আহমেদ চৌধুরী, তৌহিদুল ইসলাম স্টালিন, মেহেদী হাসান মিঠু, পলাশ খান, আনিসুর রহমান ও শামীমা বেগম।
এ সময় ফরিদপুর বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, গত চার বছর ধরে জসীম পল্লী মেলা বন্ধ থাকায় ফরিদপুরের সংস্কৃতিপ্রেমী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে। জসীম পল্লী মেলা শুধু একটি স্থানীয় আয়োজন নয়, এটি দেশের লোকজ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ মেলাকে কেন্দ্র করে সংস্কৃতিসেবীদের মিলন ঘটে। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের পণ্য, হস্তশিল্প ও লোকজ উপকরণ প্রদর্শন ও বিক্রির সুযোগ তৈরি হয়।

বক্তারা আরও বলেন, মেলা আয়োজনের মাধ্যমে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, কারুশিল্পী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কর্মসংস্থান ও আর্থিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ সৃষ্টি হয়। তাই ফরিদপুরের ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক চর্চা ধরে রাখতে আগামী বছর থেকে জসীম পল্লী মেলা পুনরায় আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

মানববন্ধন শেষে অংশগ্রহণকারীরা মিছিল নিয়ে ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যান। সেখানে জেলা প্রশাসকের কাছে জসীম পল্লী মেলা পুনরায় আয়োজনের দাবিতে স্মারকলিপি দেওয়া হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিষেধাজ্ঞার শেষ সময়ে ইলিশ ধরা পড়লেও জেলেদের চোখে পানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:২৬ পি.এম


নিষেধাজ্ঞার শেষ সময়ে ইলিশ ধরা পড়লেও জেলেদের চোখে পানি

গত কয়েক দিন ধরে বলেশ্বর নদীতে তুলনামূলকভাবে ভালো ইলিশ ধরা পড়ছে। একের পর এক ট্রলার ঘাটে ফিরে আসছে। এর ফলে জেলে, পাইকার ও আড়তদারদের মধ্যে কর্মচাঞ্চল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে মা ইলিশ রক্ষার জন্য বুধবার (৭ অক্টোবর) মধ্যরাত থেকে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার বলেশ্বর নদীসহ উপকূলীয় এলাকায় ২২ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা শুরু হতে যাচ্ছে। আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকবে। এই পরিস্থিতিতে একদিকে জেলেরা শেষ সময়ে ইলিশ পেয়ে কিছুটা স্বস্তি অনুভব করছেন, অন্যদিকে দীর্ঘ সময় কর্মহীন থাকার চিন্তায় ঋণগ্রস্ত অনেক জেলে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।

ঘাট ও বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এক কেজি বা তার বেশি ওজনের ইলিশ প্রতি কেজি প্রায় ৩ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে এবং ৫০০ থেকে ৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।

ক্রেতাদের ভাষ্য অনুযায়ী, নিষেধাজ্ঞার কারণে বাজারে ইলিশের সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাবে। তাই তারা শেষ মুহূর্তে পছন্দের ইলিশ কিনে রাখার চেষ্টা করছেন।

জেলেরা জানিয়েছেন, শেষ সময়ে ভালো মাছ পাওয়ায় তাদের কিছুটা আয় হয়েছে। তবে আগামী ২২ দিন নদীতে যেতে না পারায় সংসার চালানো নিয়ে তাদের দুশ্চিন্তা রয়েছে। সরকারি বরাদ্দের চাল ও সহায়তা দ্রুত ও সঠিকভাবে না পেলে পরিবার চালানো কঠিন হয়ে পড়বে।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক বলেন, মা ইলিশের ডিম ছাড়ার সুযোগ নিশ্চিত করার জন্যই এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এ সময়ে ইলিশ অবাধে ডিম ছাড়তে পারলে ভবিষ্যতে উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে নদী ও বাজারে নজরদারি রাখা হবে। নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, নৌপুলিশ ও মৎস্য বিভাগের সমন্বয়ে অভিযান পরিচালিত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%