মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:৩৪ পি.এম
ফ্যাশন ডিজাইনার সানায়া চৌধুরী কর্তৃক করা প্রতারণা, বিশ্বাসভঙ্গ ও হুমকির মামলার প্রেক্ষাপটে অবশেষে নিজের মতামত প্রকাশ করেছেন জনপ্রিয় টিভি নাটকের অভিনেত্রী তানজিন তিশা। গত সোমবার দিবাগত রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্টের মাধ্যমে তিনি তার তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা ব্যক্ত করেন।
ফেসবুক পোস্টে তানজিন তিশা প্রশ্ন তুলেছেন, ‘এত বড় একটা পরিকল্পনা? একজন মানুষের এত বছরের সম্মান, ক্যারিয়ার আর অর্জন ধ্বংস করে দেওয়ার এমন বিশাল ঘৃণ্য প্রচেষ্টা? কেন? কিসের জন্য? আর এর পেছনে কারা? এ দুজন এক কেন? এই দুই বোনের মিলিত হয়ে এত ঘৃণা কেন? একজনকে তো মামলা আগে দেখিওনি। একটি বক্তব্যের রেকর্ড থেকে নিজেদের সুবিধামতো অংশ কেটে মূল কথার অর্থ বদলে সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি গল্প সাজিয়ে উপস্থাপন করা। আবার সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে সম্মানহানি।’
তিনি উল্লেখ করেছেন যে, তার কাছে পর্যাপ্ত তথ্যপ্রমাণ রয়েছে। তিনি আরও লেখেন, ‘অনেক প্রশ্নের উত্তর আমার কাছে আছে, তথ্যপ্রমাণও আছে। কিন্তু সেই সত্য ও প্রমাণ মানুষের সামনে তুলে ধরবে কে? আদালত, নাকি দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা? একজন মানুষকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে ছড়িয়ে দেওয়া মিথ্যা ও বানোয়াট গল্পগুলো কি শেষ পর্যন্ত প্রচার পাবে? বিচার কীভাবে পাব, কীভাবে হবে? মামলা কি এতই সহজ? অভিযোগ করলে সত্য হয়ে যায়? একজনের নাম একের পর এক অভিযোগ ছড়িয়ে সামাজিক মাধ্যমে সম্মানহানি করা হয়? জনসাধারণের মস্তিষ্ক এখন কোথায়? কেউ কি কিছুই বুঝতে পারে না?’
এদিকে, উল্লেখযোগ্য যে, অভিনেত্রী তানজিন তিশার বিরুদ্ধে ফ্যাশন ডিজাইনার সানায়া চৌধুরীর করা মামলাটি অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) চূড়ান্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে বাদীপক্ষ নারাজি আবেদন করলে গত রোববার ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম বাদীপক্ষের নারাজির আবেদন মঞ্জুর করে এ আদেশ দেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী শুভ্র সিনহা রনি জানান, আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর মেট্রোরেলে চলাচলের সময় অসুস্থ হয়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু ঘটেছে, যা নিয়ে তার ছেলে এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় সদস্য নাকিবুর রহমান সহযাত্রীদের মানবিক আচরণ সম্পর্কে প্রশ্ন তুলেছেন।
নাকিবুর রহমানের দাবি, তার বাবা অসুস্থ বোধ করায় বসার জন্য চেষ্টা করলেও, কেউ তাকে বসার জায়গা দেননি। দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় তার বাবা স্ট্রোক করে মেট্রোরেলের ভেতরেই মারা যান।
এই ঘটনা ২৪ অক্টোবর দুপুরে শাহবাগ থেকে উত্তরা যাওয়ার পথে শেওড়াপাড়া স্টেশনের কাছে ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম ড. মুহা. নজীবুর রহমান, যিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ছিলেন।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে, নাকিবুর রহমান নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে বাবার মৃত্যুর বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি এ সময় চলাচলের পথে বয়স্ক ও প্রবীণ ব্যক্তিদের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণের আহ্বান জানান।
ফেসবুক পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, মেট্রোরেলে যাতায়াতের সময় তার বাবা শারীরিকভাবে অসুস্থ বোধ করছিলেন। এ অবস্থায় আশপাশের যাত্রীদের কাছে বসার জন্য জায়গা চাইলেও, কেউ তাকে বসতে দেননি। পরে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় তার বাবা স্ট্রোক করে নিচে পড়ে যান এবং মুহূর্তেই মৃত্যুবরণ করেন।
বাবার মৃত্যুর ঘটনায় কষ্টের কথা জানিয়ে নাকিবুর লেখেন, তার কোনো রাগ বা অভিমান নেই। তবে তিনি সবার প্রতি অনুরোধ করেন, চলাফেরার সময় বয়স্ক ও প্রবীণ নাগরিকদের সঙ্গে বন্ধুসুলভ আচরণ করতে হবে।
তিনি লেখেন, ‘আপনি আজকে যাকে ইগনোর করলেন, সে আপনার বাবা না হলেও, অন্য কারও বাবা।’
নাকিবুর রহমান তার পোস্টে আরও অনুরোধ করেন, এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মেট্রোরেলে যাতায়াতের নিয়মকানুন নিয়ে বিতর্ক বা কাউকে দোষারোপ করে মন্তব্য না করতে। বরং চলাচলের সময় আশপাশের মানুষের স্বাচ্ছন্দ্য ও পরিস্থিতি বিবেচনায় রাখার ওপর গুরুত্ব দিতে বলেন তিনি।
পোস্টের শেষে বাবার জন্য সবার কাছে দোয়া চান নাকিবুর।
জানা গেছে, ড. মুহা. নজীবুর রহমান উত্তরা ৫ নম্বর সেক্টরে বসবাস করতেন। তার গ্রামের বাড়ি বরিশালের গৌরনদী এলাকায়। জানাজা শেষে তাকে গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন, ওয়াশিংটন ডিসি (URAAWDC)- এর পক্ষ থেকে প্রফেসর ড. শাহ হোসাইন আহমদ মেহেদীকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও আন্তরিক অভিনন্দন জানানো হয়েছে।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত একটি সংক্ষিপ্ত ও আনন্দঘন অনুষ্ঠানে রাবিয়ানদের উপস্থিতিতে এই শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে রাবির প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা তাদের প্রিয় শিক্ষকের সঙ্গে ক্যাম্পাস জীবনের স্মৃতিচারণ করেন এবং প্রবাসে তাকে কাছে পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ প্রফেসরের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে প্রবাসে তাদের এই ধরনের মেলবন্ধন ও ঐতিহ্য ধরে রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এ সময় উপস্থিত সব রাবিয়ানদের পক্ষ থেকে মাদার বখ্শ হলের প্রাধ্যক্ষ ও প্রাণিবিদ্যা বিভাগের প্রফেসর ড. শাহ হোসাইন আহমদ মেহেদীর হাতে ফুলের তোড়া তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে অ্যালামনাই প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ জহরুল ইসলাম, সেক্রেটারি আজিমা আজমল (রক্সি), মঞ্জুরুল আলম, এস এম জাহিদূর রহমান, ডা. হাকিম ও হযরত আলী উপস্থিত ছিলেন। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. মির্জা গালিব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬ : সালাম এয়ার চট্টগ্রাম থেকে ওমানের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর সালালাহতে সরাসরি ফ্লাইট চালু করতে যাচ্ছে। আগামীকাল বুধবার (২৮ অক্টোবর) চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে এই রুটের প্রথম ফ্লাইট পরিচালিত হবে। প্রাথমিকভাবে সপ্তাহে দুটি ফ্লাইট চলবে এবং যাত্রীদের সাড়া পাওয়া গেলে ফ্লাইটের সংখ্যা বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা রয়েছে।
ওমানের ধোফার প্রদেশের রাজধানী সালালাহতে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি প্রবাসী বসবাস ও কাজ করেন। তারা নির্মাণশিল্প, কৃষি, বাগান ব্যবস্থাপনা, ফলমূল ও শাকসবজির ব্যবসা, মৎস্য আহরণ এবং সালালাহ ফ্রি জোনের বিভিন্ন কারখানায় কাজ করেন। এই প্রবাসীদের জন্য সরাসরি ফ্লাইট চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সালাম এয়ার।
এখন পর্যন্ত সালালাহগামী বাংলাদেশি যাত্রীদের ওমানের রাজধানী মাসকাট হয়ে গন্তব্যে যেতে হতো, যা যাত্রার সময় ও খরচ দুটিই বৃদ্ধি করত। নতুন ফ্লাইট চালু হলে চট্টগ্রামসহ আশপাশের অঞ্চলের প্রবাসীদের যাতায়াত আরও সহজ হবে।
সালাম এয়ারের চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের এয়ারপোর্ট সার্ভিসেস ম্যানেজার শাহনাজ আলম বলেন, "সালালাহকে নতুন হাব হিসেবে গড়ে তুলেছে সালাম এয়ার।" তিনি আরও জানান, এ হাব থেকে সৌদি আরবের জেদ্দা, ভারতের কালিকট ও বাংলাদেশের চট্টগ্রামকে নতুন গন্তব্য হিসেবে যুক্ত করা হচ্ছে।
শাহনাজ আলম জানান, চট্টগ্রাম-ওমান রুটে আগে সপ্তাহে ১৪টি ফ্লাইট পরিচালনা করত সালাম এয়ার। এর মধ্যে দুটি ফ্লাইট এখন চট্টগ্রাম-সালালাহ রুটে চলবে এবং বাকি ১২টি ফ্লাইট চট্টগ্রাম-মাসকাট রুটে চলবে। এসব ফ্লাইটে এয়ারবাস এ৩২১ উড়োজাহাজ ব্যবহার করা হবে।
সরাসরি ফ্লাইট চালু হলে যাত্রীদের ভ্রমণের সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে। আগে ট্রানজিটসহ সালালাহ পৌঁছাতে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা বা তারও বেশি সময় লাগত। সরাসরি ফ্লাইটে সময় লাগবে প্রায় পাঁচ থেকে সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা।
চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও নোয়াখালী অঞ্চলের বিপুলসংখ্যক মানুষ ওমানে বসবাস করেন। তাদের অনেককে আগে ঢাকা হয়ে মাসকাট, এরপর সালালাহ যেতে হতো। নতুন ফ্লাইট চালু হলে তাদের দীর্ঘ পথ ঘুরে যাওয়ার ভোগান্তি কমবে।
সালাম এয়ারের চট্টগ্রামের ব্যবস্থাপক রিজুয়ানুল ইসলাম জানান, প্রতি বুধবার রাত ১০টা ৫৫ মিনিটে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ওমানের সালালাহর উদ্দেশে ফ্লাইটটি ছেড়ে যাবে। গন্তব্যে পৌঁছাতে মোট সময় লাগবে ৬ ঘণ্টা ২০ মিনিট। প্রাথমিকভাবে ১৮০ আসনের আধুনিক উড়োজাহাজ দিয়ে এই রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে এবং সর্বনিম্ন ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৯ হাজার ২৯৪ টাকা।
সালাম এয়ারের প্যাকেজ অনুযায়ী, সর্বনিম্ন ৩৯ হাজার ২৯৪ টাকার ভাড়ায় ৫ কেজি কেবিন ব্যাগেজ, ৪১ হাজার ৫৩৪ টাকায় ১৫ কেজি চেক-ইন ও ৫ কেজি হ্যান্ড ব্যাগেজ এবং ৪২ হাজার ৫০০ টাকার প্যাকেজে ২০ কেজি চেক-ইন ও ৫ কেজি হ্যান্ড ব্যাগেজ নেওয়ার সুবিধা রাখা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের (এমজিআই) জনপ্রিয় ব্র্যান্ড নাম্বার ওয়ান, ‘নাম্বার ওয়ান বাবার কৃতী সন্তান সংবর্ধনা ২০২৬’ আয়োজনের মাধ্যমে চা দোকানি মা-বাবার শ্রম ও তাদের সন্তানদের শিক্ষাগত সাফল্যের স্বীকৃতি প্রদান করেছে। এই অনুষ্ঠানে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জন করা ১৩৫ মেধাবী শিক্ষার্থী এবং তাদের চা দোকানি মা-বাবাকেও সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।
রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকাল ১০টায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের হাতে বৃত্তির অর্থসহ বিভিন্ন উপহার তুলে দেওয়া হয়। নাম্বার ওয়ান তাদের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য আগামী দুই বছরের শিক্ষাসহায়তা প্রদানের অঙ্গীকারও করেছে।
এই কর্মসূচির আওতায় শিক্ষার্থীরা ১০ মিনিট স্কুল থেকে এইচএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক অনলাইন একাডেমিক কোর্স করার সুযোগ পাবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লেখক ও প্রথম আলোর ব্যবস্থাপনা সম্পাদক আনিসুল হক এবং ১০ মিনিট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা আয়মান সাদিক।
এছাড়া অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এমজিআই এর চিফ অ্যাকাউন্টস অফিসার মো. রহমতুল্লাহ খোন্দকার, চিফ হিউমান রিসোর্সেস অফিসার আতিক উজ জামান খান, সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার, অডিট, সাজ্জাদ হোসেন, ডিজিএম ব্র্যান্ড মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান, এজিএম অর্জুন চন্দ্র নাথ, আব্দুর রহিম শেখ, এবং রতন মজুমদার।
লেখক ও প্রথম আলোর ব্যবস্থাপনা সম্পাদক আনিসুল হক শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, “জীবনে বড় হওয়ার জন্য শুধু ভালো ফল করাই যথেষ্ট নয়, প্রয়োজন স্বপ্ন দেখা, পরিশ্রম করা এবং প্রতিকূলতার মধ্যেও এগিয়ে যাওয়ার সাহস। তোমাদের অনেকের পরিবার হয়তো নানা সীমাবদ্ধতার মধ্য দিয়ে জীবনযাপন করে। কিন্তু সেই সীমাবদ্ধতা যেন তোমাদের স্বপ্নের পথে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়। নিজেদের যোগ্যতা ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে তোমরা পরিবার ও সমাজের জন্য গর্ব বয়ে আনবে, এটাই প্রত্যাশা।”
আয়মান সাদিক বলেন, “শিক্ষার্থীদের জীবনে সঠিক দিকনির্দেশনা ও শেখার সুযোগ অনেক বড় ভূমিকা রাখে। তোমরা এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জন করে নিজেদের মেধার পরিচয় দিয়েছ। এবার এই অর্জনকে পরবর্তী ধাপে নিয়ে যেতে হবে। নিয়মিত পড়াশোনা, পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রস্তুতি এবং নিজের ওপর বিশ্বাস রাখলে তোমরা এইচএসসি পরীক্ষাতেও ভালো করতে পারবে। তোমাদের শিক্ষাযাত্রায় নাম্বার ওয়ানের এই সহায়তা যেন কাজে লাগে, সেটাই আমাদের প্রত্যাশা।”
অনুষ্ঠানে এমজিআই চিফ অ্যাকাউন্টস অফিসার মো. রহমতুল্লাহ খোন্দকার বলেন, “১৩৫ জন শিক্ষার্থীর জিপিএ-৫ অর্জন তাদের পরিশ্রম ও চা দোকানি বাবা-মায়ের ত্যাগের ফল। বৃত্তি ও দুই বছরের শিক্ষাসহায়তা তাদের এইচএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতিতে কাজে আসবে বলে আমরা আশা করি।”
চিফ হিউম্যান রিসোর্সেস অফিসার আতিক উজ জামান খান বলেন, “শিক্ষার্থীদের সাফল্যের পেছনে তাদের বাবা-মায়ের অবদান অনস্বীকার্য। নাম্বার ১ এর এই উদ্যোগ তাদের উৎসাহিত করবে এবং উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে সহায়তা করবে।”
কক্সবাজারের বায়তুশসরফ স্কুলের শিক্ষার্থী দিয়া চৌধুরি বলেন, “নাম্বার ওয়ানের এই আয়োজন আমাদের জন্য অনেক উৎসাহের। এইচএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য দুই বছরের শিক্ষাসহায়তা পাওয়ার সুযোগ আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে। আমি ভালোভাবে পড়াশোনা করে ভবিষ্যতে নিজের পরিবার ও দেশের জন্য কিছু করতে চাই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ