০৭:৪১ পি.এম
অবৈধ দখল, অনিয়ম এবং দীর্ঘদিনের স্থবিরতার বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির ঘোষণা দেন চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন। তিনি বলেছেন, সিডিএ’র বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নে যেসব অবৈধ স্থাপনা ও দখলদার বাধা সৃষ্টি করছে, সেগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, দুর্নীতি, অবৈধ দখল এবং দীর্ঘদিনের স্থবিরতা থেকে সিডিএ’কে মুক্ত করে একটি জনবান্ধব, জবাবদিহিমূলক, গতিশীল এবং জনকল্যাণমুখী প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করাই তার প্রধান লক্ষ্য। চট্টগ্রামকে একটি নান্দনিক, পরিকল্পিত এবং বাসযোগ্য নগরীতে রূপ দেওয়ার লক্ষ্যেই কাজ করা হবে।
আজ দুপুরে সিডিএ’র চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শনকালে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন: যুগে যুগে এমপি-মন্ত্রী আসবেন, একজন নজরুলের জন্ম হবে না: জহির উদ্দিন স্বপন
এদিন সকালে সিডিএ চেয়ারম্যান প্রবর্তক মোড়, হিজড়া খাল, কাপাসগোলা খাল, চাক্তাই খালসহ জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের আওতাধীন বিভিন্ন খাল পরিদর্শন করেন। এরপর তিনি কালুরঘাট-চাক্তাই সংযোগ সড়ক এবং শহীদ ওয়াসিম আকরাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প ঘুরে দেখেন।
পরিদর্শন শেষে সিডিএ চেয়ারম্যান বেলায়েত হোসেন বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য অসংখ্য অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে হয়েছে। বহুতল ভবন, অবৈধ দখল এবং নানা প্রতিবন্ধকতা দূর করে সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার ব্রিগেড অত্যন্ত কঠিন একটি কাজ সফলভাবে এগিয়ে নিয়েছে। নগরের স্বার্থে প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতেও অবৈধ দখলের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে।
তিনি জানান, প্রকল্পের আওতাধীন ৩৬টি খালের মধ্যে ৩০টির কাজ শতভাগ সম্পন্ন হয়েছে। বাকি পাঁচটি খালের কাজও প্রায় ৬৮ শতাংশ শেষ হয়েছে এবং চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই পুরো প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হবে।
প্রকল্পের সুফল ধরে রাখতে নগরবাসীকেও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন বলেন, খাল-নালায় বর্জ্য ফেলা বন্ধ না হলে কোনো প্রকল্পই দীর্ঘমেয়াদে কার্যকর হবে না। নগরবাসীর সহযোগিতা ছাড়া শতভাগ সুফল নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।
আরও পড়ুন: চুয়াডাঙ্গায় দেয়ালে ‘জয় বাংলা’সহ বিভিন্ন স্লোগান লিখলেন নারী শিক্ষার্থীরা, ভিডিও ভাইরাল
শহীদ ওয়াসিম আকরাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অনেক ব্যবহারকারী নিয়মিত টোল পরিশোধ না করেই সড়কটি ব্যবহার করছেন। এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
কালুরঘাট-চাক্তাই সংযোগ সড়ক প্রসঙ্গে সিডিএ চেয়ারম্যান বলেন, সড়কটি যোগাযোগ ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন এনেছে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে। বিশেষ করে বোয়ালখালী ও আশপাশের এলাকার মানুষ যানজট এড়িয়ে দ্রুত নগরে যাতায়াত করতে পারছেন।
এ সময় জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক এবং সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার ব্রিগেডের লেফটেন্যান্ট কর্নেল মহসীনুল হক, সিডিএ’র প্রধান প্রকৌশলী আহমেদ আনোয়ারুল নজরুলসহ সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের পরিচালক ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: সুনামগঞ্জে নতুন কুঁড়ির ভার্চুয়াল উদ্বোধনে অংশ নিলেন নূরুল ইসলাম এমপি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন