সাকিব হোসেইন, তিতাস (কুমিল্লা) সংবাদদাতা
০৭:৫৭ পি.এম
“মাদককে না বলুন, সুস্থ ও সুন্দর জীবন গড়ুন” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কুমিল্লার তিতাস উপজেলার ঐতিহাসিক মাছিমপুর আর.আর. ইনস্টিটিউশন মাঠে একটি মাদকবিরোধী র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) বিকাল ৪টায় তিতাস থানার উদ্যোগে অত্র স্কুল প্রাঙ্গণে এই কর্মসূচিটি পালন করা হয়। তরুণ প্রজন্মকে মাদকের করাল গ্রাস থেকে রক্ষা করার এবং সমাজকে মাদকমুক্ত করার প্রত্যয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ এই আয়োজনে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তিতাস থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মমিরুল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তিতাস উপজেলা বিএনপির স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক মো. ছাবিকুল ইসলাম, কলাকান্দি ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি মো. আলমগীর ভাণ্ডারি এবং সাংগঠনিক সম্পাদক আনিস সরকার, বলরামপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সেক্রেটারি এম এ সাত্তার।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, মাদক যুবসমাজকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। তাই কেবল পুলিশের একা নয়, মাদকের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। অভিভাবক, শিক্ষক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে তরুণ প্রজন্মকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে সচেষ্ট হওয়ার আহ্বান জানান তারা।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, স্থানীয় রাজনৈতিক দলের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মী এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। এর আগে মাছিমপুর বাজারের খেলার মাঠ থেকে একটি বর্ণাঢ্য মাদকবিরোধী র্যালি বের হয়ে আঞ্চলিক সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিদ্যালয় চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সদ্য পদোন্নতি পাওয়া মোট ১১২ জন উপসচিবকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগে সংযুক্তির ব্যবস্থা করা হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় আজ বুধবার এক আদেশের মাধ্যমে তাদের পদায়ন সম্পন্ন করে।
১৭ আগস্ট তারিখে সরকার সিনিয়র সহকারী সচিবদের মধ্যে ২৭৭ জন কর্মকর্তাকে উপসচিব পদে পদোন্নতির সুযোগ প্রদান করে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় একটি পৃথক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২৬২ জন সিনিয়র সহকারী সচিব এবং বিভিন্ন দূতাবাসে কর্মরত ১৫ জন কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা দেশের সীমান্তের কাছে অবস্থিত। এখানে সুনামগঞ্জের ঐতিহাসিক খরছার হাওর প্রায় অর্ধেক সীমানা জুড়ে বিস্তৃত। এই কারণে এটিকে ‘হাওরপারের উপজেলা’ বলেও অভিহিত করা হয়। এখানে মানুষের প্রধান ভরসা হল একফসলি এই হাওর। বর্ষা মৌসুমে হাওরে শত শত মানুষ মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন।
তবে হঠাৎ করেই খরছার হাওরে এসে পড়েছে দুর্যোগ। অজানা একটি কারণে হাওরের বিভিন্ন প্রজাতির মাছ মারা যাচ্ছে এবং পানিতে ভেসে উঠছে। এই পরিস্থিতিতে স্থানীয় জেলে ও বিলের ইজারাদাররা চরম দুশ্চিন্তায় ভুগছেন। একই সঙ্গে পচা মাছের দুর্গন্ধের কারণে হাওরপারের বাসিন্দারা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন।
এমতাবস্থায়, এলাকাবাসী জেলা ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাদের কাছে দ্রুত কারণ অনুসন্ধান করে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুর সদর উপজেলার পাঁচখোলা ইউনিয়নের চর কালিকাপুর শেখ করিমুন্নেসা ১০ শয্যাবিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র থেকে সরকারী চিকিৎসা সরঞ্জাম সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে জেলা পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরের দিকে, কেন্দ্রটি থেকে সিজারিয়ান অপারেশনের একটি বেড সরিয়ে নেওয়ার সময় স্থানীয়রা ভ্যানসহ এক ব্যক্তিকে আটকে দেন। পরে সেখান থেকে বেডটি কেন্দ্রের ভেতরেই রেখে বেড সরানোর চেষ্টাকারী ব্যক্তিকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুরে একটি ভ্যান নিয়ে একটি ব্যক্তি চর কালিকাপুর শেখ করিমুন্নেসা ১০ শয্যাবিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে প্রবেশ করেন। এরপর, কেন্দ্রের ভেতর থেকে সিজারিয়ান অপারেশনের বেডটি ভ্যানে ওঠানোর চেষ্টা করা হলে বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে। তখন তারা ভ্যানটি আটক করে ওই বেড সরানোর অনুমোদনসংক্রান্ত কাগজপত্র দেখতে চান।
তবে সেই সময়ে কোনো কাগজপত্র তাৎক্ষণিকভাবে দেখাতে না পারলে স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহ ও উত্তেজনা দেখা দেয়। একপর্যায়ে ভ্যানচালক বেডটি কেন্দ্রের ভেতরেই রেখে চলে যান, প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছে এমন তথ্য পাওয়া যায়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এই সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের চিকিৎসা সরঞ্জাম কোথায়, কী কারণে এবং কোন প্রক্রিয়ায় সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে, এসব সম্পর্কে তাদের কোনোভাবে অবহিত করা হয়নি। তারা দাবি জানাচ্ছেন, সরকারি সম্পদ স্থানান্তরের ক্ষেত্রে যথাযথ নিয়ম ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হোক।
স্থানীয় বাসিন্দা জাকির বলছেন, “সেবার জন্য দেওয়া সরকারি সম্পত্তি এভাবে সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি তদন্ত করার প্রয়োজন রয়েছে। আমরা ঘটনার সঠিক তদন্ত ও বিচার চাই।”
মাদারীপুর পৌরসভার ছাত্রদলের আহ্বায়ক প্রার্থী ইয়াসমিন আরাফাত বলেন, “সরকার গরিব ও অসহায় মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেছে। সেই হাসপাতালের চিকিৎসা সরঞ্জাম কোনো প্রজ্ঞাপন বা নোটিশ ছাড়াই এভাবে নিয়ে যাওয়া হলে বিষয়টি অবশ্যই প্রশ্নের সৃষ্টি করে। প্রশাসনের কাছে আমরা আশা করি ঘটনার সঠিক তথ্য উদঘাটন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
তবে অভিযোগের বিষয়ে মাদারীপুর পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. মতিউর রহমান জানান, “সিজারিয়ান অপারেশনের বেডটি মাদারীপুর মাতৃমঙ্গল কেন্দ্রে নেওয়া হবে। পরবর্তীতে পাঁচখোলা ইউনিয়নের হাসপাতালটি আবার চালু হলে বেডটি সেখানে হস্তান্তর করা হবে।”
কোনো প্রজ্ঞাপন বা নোটিশের মাধ্যমে বেডটি সরানো হচ্ছে কি না—এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “অফিসে কাগজপত্র আছে। তবে জনগণের উপকারের কথা মাথায় রেখেই এটি নেওয়া হয়েছে।”
সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের চিকিৎসা সরঞ্জাম স্থানান্তরের ক্ষেত্রে যথাযথ প্রশাসনিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিদায়ি বক্তব্যে বারবার কাঁদলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, যিনি বিএনপির সদ্য সাবেক মহাসচিব এবং রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী। বুধবার (১৯ আগস্ট) জাতীয় সংসদ ভবনে সরকারের সভাকক্ষে বিএনপির সংসদীয় দলের সভায় সভাপতিত্ব করেন দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
এ সময়ে দলের সংসদ সদস্যদের মির্জা ফখরুলের পক্ষ থেকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সভায় অংশ নেওয়া একাধিক সংসদ সদস্যদের সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির সদ্য বিদায়ী মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বক্তব্যের শুরুতেই আবেগে আপ্লুত হয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে তিনি স্মরণ করেন। সেইসাথে তার প্রতি কৃতজ্ঞতাও জানান।
বিএনপিতে যোগ দেওয়ার পর তিনি জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব এবং মহাসচিব হিসেবে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করেছেন। এই প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘যদি দায়িত্ব পালনকালে তার কোনো ভুলত্রুটি হয়ে থাকে কিংবা অজান্তে কারো মনে আঘাত দিয়ে থাকেন তাহলে তিনি ক্ষমাপ্রার্থী।’
তিনি আরও বলেন, ‘দল তাকে যে সম্মান ও দায়িত্ব দিয়েছে, জীবন দিয়ে হলেও তিনি সেই সম্মান রক্ষা করবেন। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে তিনি কোনো আপস করবেন না।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ