বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:২৬ পি.এম
রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে ২ হাজার ৯টি মামলা দায়ের করেছে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এসব মামলা দায়ের করা হয়। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ডিএমপির মিডিয়া শাখা এই তথ্য প্রকাশ করেছে।
ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের সূত্র অনুযায়ী, ট্রাফিক-রমনা বিভাগে ২৪টি বাস, একটি ট্রাক, ৭টি কাভার্ড ভ্যান, ১০টি সিএনজি ও ৪৮টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৫৭টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে ১৪টি বাস, ১৫টি ট্রাক, ৩টি কাভার্ড ভ্যান, ১৩টি সিএনজি ও ৮৮টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৭১টি মামলা হয়েছে।
ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে ৩২টি বাস, ২টি ট্রাক, ১৬টি কাভার্ড ভ্যান, ৬৬টি সিএনজি ও ১৬৮টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৩৩৩টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে ৪৬টি বাস, ৩৬টি ট্রাক, ৩৪টি কাভার্ড ভ্যান, ৪৭টি সিএনজি ও ১১৬টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৩৭২টি মামলা হয়েছে।
অন্যদিকে, ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে ১১টি বাস, ৫টি ট্রাক, ১২টি কাভার্ড ভ্যান, ১৯টি সিএনজি ও ৭১টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৬৫টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে ১৭টি বাস, ১২টি ট্রাক, ৩২টি কাভার্ড ভ্যান, ২৮টি সিএনজি, ১৬৮টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৩১১টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে ৪৫টি বাস, ৮টি ট্রাক, ১৯টি কাভার্ড ভ্যান, ১৭টি সিএনজি ও ১২৪টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৩২১টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে ২২টি বাস, ৪টি ট্রাক, ৬টি কাভার্ড ভ্যান, ৯টি সিএনজি ও ৬৩টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৭৯টি মামলা হয়েছে। এ ছাড়া, অভিযানের সময় মোট ৪৯৭টি গাড়ি ডাম্পিং করা হয়েছে এবং ২৯৪টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।
ঢাকা মহানগর এলাকায় ট্রাফিক শৃঙ্খলা রক্ষায় ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের পক্ষ থেকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে টানা পরাজয়ের পর, দলের অর্ধেক ক্রিকেটার এবং প্রধান কোচকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন করেছেন পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি। তিনি উল্লেখ করেন, লর্ডসে পরাজয়ের পর নতুন খেলোয়াড়দের দলে অন্তর্ভুক্ত করার ছাড়া আর কোনো বিকল্প ছিল না।
এছাড়া, তিনি নিজের প্রশাসনের বিরুদ্ধে ওঠা সমালোচনাকে ‘অন্যায়’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। এজবাস্টনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া শেষ টেস্টের আগে সাত ক্রিকেটার পরিবর্তন এবং প্রধান কোচ সরফরাজ আহমেদ ও বোলিং কোচ উমর গুলকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার পিসিবির সিদ্ধান্তটি ব্যাপক সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের বিশেষজ্ঞরা এ ঘটনায় বিস্ময় ও হতাশা প্রকাশ করেছেন। শহীদ আফ্রিদি ও শোয়েব মালিকও এই নজিরবিহীন পদক্ষেপের বিষয়ে নিজেদের অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
এই ঘটনার পর প্রথমবারের মতো ‘জিও নেটওয়ার্ক’-এর সাথে আলাপকালে নাকভি বলেন, "দল নির্বাচনের ক্ষেত্রে সবসময়ই সমালোচনা হয়ে থাকে এবং এতে আমি বিচলিত নই। ফলাফলের জন্য আমরাই দায়বদ্ধ এবং গত দুটি ম্যাচে যা ঘটেছে তা ঠিক হয়নি। তবে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের মতো আমরা টেস্ট ফরম্যাটেও উন্নতির প্রত্যাশা করছি।"
লর্ডসে পাকিস্তানের পরাজয়টি ছিল গত ২০টি টেস্ট ম্যাচের মধ্যে তাদের ১৫তম হার। বর্তমানে তারা ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ-এর পয়েন্ট তালিকার একেবারে তলানিতে অবস্থান করছে। গত বছর নিজেদের মাটিতে অনুষ্ঠিত চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে তারা কোনো ম্যাচ জিততে পারেনি এবং গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেয়। এ বছর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তারা সুপার এইট’ থেকে ছিটকে পড়ে। যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ডালাসে হেরে তাদের ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের অভিযান গ্রুপ পর্বেই এক লজ্জাজনক বিদায়ের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।
এ প্রসঙ্গে পিসিবি চেয়ারম্যান বলেন, "সিরিজের প্রতিটি ম্যাচই আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। কোনো খেলোয়াড় ভালো পারফর্ম করতে না পারলে তার বিকল্প খোঁজা ছাড়া আমাদের আর কোনো উপায় থাকে না। এই পরিবর্তনের উদ্দেশ্য খেলোয়াড়দের দল থেকে পুরোপুরি বাদ দেওয়া নয়, বরং তাদের জায়গায় অন্য কাউকে আনা। সালমান আঘার কথাই ধরুন, তিনি অত্যন্ত ভালো খেলোয়াড়, কিন্তু নানা কারণে তিনি নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। এ বিষয়ে তার সঙ্গে কথাও বলা হয়েছে।"
মহসিন নাকভি আরও বলেন, "পারফরম্যান্স নিয়ে সমালোচনা করার অধিকার সবারই আছে, কিন্তু অনেকে এই পরাজয়ের পর দলের জন্য শেষ পরিণতি হিসেবে তুলে ধরেন। যারা জীবনে কোনো সাফল্যই পাননি, সেইসব খেলোয়াড়ের এমন ধারণা বা বয়ান প্রচার করাটা গ্রহণযোগ্য নয়। আমি মাঝে মাঝে সাবেক ক্রিকেটারদের পরামর্শ নিই; আমারও মনে হয় টেস্ট ক্রিকেটে আমরা খারাপ করছি। এর কারণগুলো বোঝার জন্য আমরা আলোচনা করেছি। সবাইকে অনুরোধ করব খেলোয়াড়দের মনোবল ভেঙে দেওয়া বন্ধ করতে; এটা অন্যায়।"
নাকভি দাবি করেন, বোর্ড ও দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অধিকাংশ সমালোচনার মূল কারণ হলো তিনি নিজে এর নেতৃত্বে রয়েছেন। "তারা আমাকে সরিয়ে দিতে চায়, তবে আমি কিছু তথ্য তুলে ধরি। ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ে আমরা অষ্টম থেকে পঞ্চম স্থানে উঠে এসেছি এবং নতুন কোচিং প্যানেল দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে ছয়টি সিরিজের মধ্যে চারটিতেই জয়লাভ করেছি। টি-টোয়েন্টিতে আমরা নবম স্থানে ছিলাম, এখন ষষ্ঠ স্থানে আছি এবং আমাদের জয়ের হার ২৪ শতাংশ থেকে বেড়ে ৭৩ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। অথচ বলা হচ্ছে দেশে ক্রিকেটের নাকি ইতি ঘটে গেছে।"
গত বছরের ১৩ মে পিসিবি ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি দলের প্রধান কোচ হিসেবে হেসনের নাম ঘোষণা করে। ওই সময় ওয়ানডেতে পাকিস্তান পঞ্চম এবং টি-টোয়েন্টিতে অষ্টম স্থানে ছিল। এর আগে ২০২৪ সালের শুরুতে অর্থাৎ নাকভি পিসিবি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার এক মাস আগে উভয় ফরম্যাটেই তারা চতুর্থ স্থানে ছিল। বর্তমানে তারা ওয়ানডেতে পঞ্চম এবং টি-টোয়েন্টিতে ষষ্ঠ স্থানে অবস্থান করছে। টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ের ক্ষেত্রে ২০২৪ সালের শুরুতে তারা ষষ্ঠ স্থানে থাকলেও বর্তমানে অষ্টম স্থানে নেমে গেছে।
পিসিবি আশা করছে, দলে নতুন যুক্ত হওয়া সাতজন খেলোয়াড়ের মধ্যে পাঁচজনই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা নতুন মুখ। তাদের পারফরম্যান্সের ওপর ভিত্তি করে ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কা ও নিউজিল্যান্ডের জন্য উপযুক্ত কম্বিনেশন বা দল গঠন করা সম্ভব হবে বলে মনে করে পিসিবি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নড়াইল, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখের ৫৫তম শাহাদাতবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বৃস্পতিবার বিকেলে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত প্রস্তুতিমূলক সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ আবদুল ছালাম।
সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আছাদুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আহসান মাহমুদ রাসেল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নুর-ই আলম সিদ্দিকী, বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদের ছেলে এসএম গোলাম মোস্তফা কামাল প্রমুখ।
সভায় জানানো হয়, আগামী ৫ সেপ্টেম্বর বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখের ৫৫তম শাহাদাতবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষে নড়াইল সদর উপজেলার নূর মোহাম্মদনগরে বীরশ্রেষ্ঠ’র সমাধিস্থলে ও বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘর মিলনায়তনে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহম্মদের সমাধিতে পুস্পস্তবক অর্পণ, গার্ড অব অনার প্রদান, কোরআনখানি ও দোয়া মাহফিল, আলোচনা সভা এবং স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংসদ ভবন, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : অসুস্থতার সময় পাশে দাঁড়ানোয় স্পিকারসহ সব সংসদ সদস্য এবং নিজ নির্বাচনী এলাকার জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন ঢাকা-৮ আসনের সরকারি দলের সদস্য মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ। তিনি আজ জাতীয় সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এ কৃতজ্ঞতা জানান, দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর।
মির্জা আব্বাস উল্লেখ করেন, তিনি প্রায় সাড়ে পাঁচ মাস ধরে চিকিৎসাধীন ছিলেন। নির্বাচনের পর গুরুতর স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে তিনি বিদেশে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় দীর্ঘ সময় চিকিৎসা শেষে আবেগ ও ভালোবাসার টানেই সংসদ অধিবেশনে যোগ দিতে এসেছেন বলে জানান তিনি। তবে চিকিৎসা এখনো শেষ হয়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, ‘আজ সংসদ অধিবেশনে উপস্থিত হতে পেরে মহান আল্লাহর কাছে লাখ লাখ শুকরিয়া আদায় করছি।’
নিজের অসুস্থতার সময় যারা দোয়া করেছেন, খোঁজখবর নিয়েছেন এবং সহযোগিতা করেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মির্জা আব্বাস বিশেষভাবে তার নির্বাচনী এলাকার জনগণের প্রতি ধন্যবাদ জানান।
তিনি জানান, অসুস্থতার সময়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকেও তার শারীরিক অবস্থার নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়া হয়েছে। এজন্য তিনি প্রধানমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্টদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
স্পিকার ব্যক্তিগতভাবে সিঙ্গাপুরে গিয়ে তাকে দেখে আসায় তার প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন মির্জা আব্বাস। তিনি বলেন, হাসপাতালের শয্যায় থাকা অবস্থায় স্পিকার তাকে দেখতে গিয়েছিলেন-বিষয়টি পরে জানতে পেরেছেন তিনি।
মির্জা আব্বাস বলেন, তার দুঃসময়ে সব রাজনৈতিক ভেদাভেদ ভুলে সংসদ সদস্যরা মানবিকতার যে অনন্য নজির স্থাপন করেছেন, তা তিনি কোনোদিন ভুলবেন না।
তিনি বলেন, ‘আপনাদের এই ভালোবাসা ও সহানুভূতি আমি কোনোদিন ভুলব না।’
সংসদের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি একজন মানুষ হিসেবে স্পিকার যে মানবিকতা ও মহত্ত্ব দেখিয়েছেন, তার জন্যও কৃতজ্ঞতা জানান মির্জা আব্বাস।
রাজনীতির মূল উদ্দেশ্য মানুষের কল্যাণে কাজ করা-এ উপলব্ধির কথা তুলে ধরে জাতীয় সংসদে তিনি বলেন, ‘জাতীয় রাজনীতি শুধু মতের পার্থক্য নয়; রাজনীতি মানুষের জন্য এবং মানুষের কল্যাণের জন্য।’
নিজের সুস্থতার জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করে মির্জা আব্বাস বলেন, মহান আল্লাহ যেন তাকে পূর্ণ সুস্থতা দান করেন, যাতে জীবনের বাকি সময়টুকু নির্বাচনী এলাকার মানুষ এবং দেশের মানুষের কল্যাণে আরও নিষ্ঠা ও একাগ্রতার সঙ্গে কাজ করতে পারেন।
তিনি বলেন, সংসদ সদস্যদের ভালোবাসা, শুভকামনা ও দোয়া তাকে সুস্থ হয়ে উঠতে সহযোগিতা করেছে। এজন্য তিনি সংসদের সব সদস্যের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তিনি বাংলাদেশ ও দেশের জনগণের কল্যাণ কামনা করেন এবং সব সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশের জনগণকে তার পক্ষ থেকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ডেঙ্গু এবং চিকুনগুনিয়া সহ মশাবাহিত রোগের বিস্তার রোধের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নগরের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা সমূহে বিশেষ মশক নিধন ক্রাশ প্রোগ্রাম এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) নগরের ৩২, ৩৩ ও ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডে বিশেষ মশক নিধন কার্যক্রমের সূচনা হয়।
চসিকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই কার্যক্রমের আওতায় সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডগুলোর বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করে মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত করা হয় এবং সেগুলো ধ্বংস করা হয়। একই সঙ্গে, মশার লার্ভা নিধনের জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রয়োগ করা হয় এবং নগরবাসীকে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে সচেতন করার প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
মশার প্রজননস্থল তৈরির জন্য দায়ী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ভ্রাম্যমাণ আদালতও পরিচালনা করা হচ্ছে।
এ সময় চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, মশক ও ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা শরফুল ইসলাম মাহি সহ অন্যান্য সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী মন্তব্য করেন, "ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়াসহ মশাবাহিত রোগের বিস্তার রোধে চসিক সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করে বিশেষ মশক নিধন ক্রাশ প্রোগ্রাম এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ