০৪:১৩ পি.এম
চাঁদপুরের কচুয়ায় একটি ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ফলে তিনটি বসতঘর এবং তিনটি রান্নাঘর সম্পূর্ণরূপে পুড়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো দাবি করেছেন যে, এতে প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা এবং আসবাবপত্র।
আকস্মিক এই অগ্নিকাণ্ডের ফলে তিনটি পরিবারের সদস্যরা সর্বস্ব হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার গোহট দক্ষিণ ইউনিয়নের নাউপুরা মুন্সি বাড়িতে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
আরও পড়ুন: পূর্বধলায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, আগুন লাগার পর ক্ষতিগ্রস্ত কামরুল হাসানের চিৎকারে আশপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করলেও আগুনের তীব্রতা বেশি থাকায় ঘরবাড়ি ও মূল্যবান মালামাল রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। পরে খবর পেয়ে কচুয়া ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা পৌঁছানোর আগেই ঘরবাড়ির অধিকাংশ পুড়ে যায়।
অগ্নিকাণ্ডের ফলে কামরুল হাসানের বসতঘর ও রান্নাঘর সম্পূর্ণরূপে পুড়ে যায়। তিনি জানান, এতে চার ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ প্রায় তিন লাখ টাকা এবং আসবাবপত্রসহ আনুমানিক ৯ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
এছাড়া, মিজানুর রহমানের বসতঘর ও রান্নাঘর পুড়ে প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে এবং শিফন হোসেনের বসতঘর ও রান্নাঘর পুড়ে প্রায় দুই লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে স্থানীয়রা দাবি করেছেন।
আরও পড়ুন: শিবচরে সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিকদের উপর হামলা ও প্রাণনাশের হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
সব মিলিয়ে অগ্নিকাণ্ডে তিনটি পরিবারের প্রায় ১৫ লাখ টাকার সম্পদ পুড়ে গেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
আগুনে বসতঘর, রান্নাঘর এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র হারিয়ে পরিবারগুলো মানবেতর পরিস্থিতির মুখে পড়েছে। তারা এখন মাথা গোঁজার ঠাঁই হারিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন কচুয়া থানা পুলিশের সদস্য, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
আরও পড়ুন: টাঙ্গাইলে মহাসড়কে মিলল অজ্ঞাত নারীর মরদেহ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন