০২:৩৪ এম
বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের উদ্যোগে একাডেমিক নিরীক্ষকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৩ নভেম্বর মঙ্গলবার, রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের মিলনায়তনে এই কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে কাউন্সিলের ৯২ জন একাডেমিক নিরীক্ষক অংশগ্রহণ করেন।
প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য ছিল উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বহিঃস্থ গুণগত মান যাচাইয়ের জন্য একাডেমিক নিরীক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি করা, স্বার্থের সংঘাত ও গোপনীয়তা রক্ষা নীতির যথাযথ অনুসরণের গুরুত্ব তুলে ধরা এবং নিরীক্ষকদের সঙ্গে কাউন্সিলের কর্মকর্তাদের মতবিনিময়ের সুযোগ তৈরি করা।
আরও পড়ুন: তাহসিন হত্যায় ৮ জন গুলি ছুড়ে, ৩ জন অস্ত্র সরবরাহ করেছে
কর্মশালাটি সকাল সাড়ে ৯টায় শুরু হয়। বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের সচিব অধ্যাপক এ কে এম মনিরুল ইসলাম স্বাগত বক্তব্য দেন।
প্রশিক্ষণে স্বার্থের সংঘাত ও গোপনীয়তা ব্যবস্থাপনা নীতিমালা নিয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কাউন্সিলের গবেষণা ও প্রকাশনা বিভাগের পূর্ণকালীন সদস্য অধ্যাপক ড. মো. ওয়াকিলুর রহমান। অন্যদিকে, সরেজমিন পরিদর্শনের সময় বহিঃস্থ গুণগত মান মূল্যায়ন প্রক্রিয়া আরও কার্যকর করার বিষয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কাউন্সিলের অ্যাক্রেডিটেশন, গুণগত নিশ্চয়তা ও জাতীয় যোগ্যতা কাঠামো বিভাগের পূর্ণকালীন সদস্য অধ্যাপক ড. মো. শাহ এমরান।
কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কাউন্সিলের বহিঃসম্পর্ক ও তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের পূর্ণকালীন সদস্য অধ্যাপক ড. আহমেদ আবদুল্লাহ জামাল এবং প্রশাসন, অর্থ ও পরিকল্পনা বিভাগের পূর্ণকালীন সদস্য মো. এমদাদুল হক।
উন্মুক্ত আলোচনা পর্ব পরিচালনা করেন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসেন খান। এই সময় একাডেমিক নিরীক্ষকরা অ্যাক্রেডিটেশন কার্যক্রম পরিচালনার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন এবং বিভিন্ন প্রশ্ন করেন। চেয়ারম্যান তাদের প্রশ্নের উত্তর দেন। তিনি অ্যাক্রেডিটেশন কার্যক্রম আরও গতিশীল ও ফলপ্রসূ করতে নিরীক্ষকদের পর্যবেক্ষণ লিখিতভাবে জমা দেওয়ার আহ্বান জানান।
আরও পড়ুন: গভীর রাতে বরিশালে ইউএনওর অভিযানে আটক ৪ জন
চেয়ারম্যান বলেন, দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর গুণগত মান উন্নয়ন ও তা ধারাবাহিকভাবে বজায় রাখাই তাদের মূল লক্ষ্য। এই লক্ষ্য অর্জনে একাডেমিক নিরীক্ষকদের বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের পরিবারের সম্মানিত সদস্য হিসেবে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
এছাড়া, নিরীক্ষকদের নিজ নিজ কর্মরত বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন শিক্ষাক্রমকে অ্যাক্রেডিটেশন প্রক্রিয়ার আওতায় আনার উদ্যোগ গ্রহণের অনুরোধ জানান চেয়ারম্যান।
কর্মশালায় ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন কাউন্সিলের অ্যাক্রেডিটেশন, গুণগত নিশ্চয়তা ও জাতীয় যোগ্যতা কাঠামো বিভাগের উপপরিচালক ড. ফারজানা শারমিন।
এতে দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, গুণগত মান নিশ্চায়ন বিশেষজ্ঞ এবং বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: সংবিধানে ইসলামী মূল্যবোধের সব বিষয় অন্তর্ভুক্ত হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন