ঢাকা বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

তাঁতিদল নেতা হুমায়ুন কবির হত্যা মামলার ৩ নম্বর আসামি ফায়েক ঢাকায় গ্রেপ্তার


তাঁতিদল নেতা হুমায়ুন কবির হত্যা মামলার ৩ নম্বর আসামি ফায়েক ঢাকায় গ্রেপ্তার

ঢাকার পল্লবী থেকে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-৬ কর্তৃক গ্রেপ্তার করা হয়েছে ফায়েক শেখকে (৪৩), যিনি খুলনা মহানগরীর আড়ংঘাটা থানার রায়েমহল এলাকার চাঞ্চল্যকর তাঁতিদল নেতা হুমায়ুন কবির হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ৩ নম্বর আসামি।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাত ৭টা ৫০ মিনিটে এসআরবি-৬ এবং এসআরবি-৪-এর যৌথ আভিযানিক দল গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ঢাকা মহানগরীর পল্লবী থানার সেকশন-১২-এর ব্লক-ই, রোড নম্বর ৮/৭৭ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ফায়েক শেখকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তার হওয়া ফায়েক শেখ খুলনার খালিশপুর থানাধীন রায়েরমহল পশ্চিমপাড়ার শেখ ইদ্রিস আলীর পুত্র।

আরও পড়ুন: সাদেক হোসেন খোকার সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ, স্মরণে নানা আয়োজন

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, নিহত হুমায়ুন কবির খুলনা মহানগর তাঁতিদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। গত ১ নভেম্বর সন্ধ্যায় নগরীর রায়েরমহল বড় মসজিদের পেছনে তার নিজস্ব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হিল ক্যান্টিন নামের ফাস্টফুডের দোকানে বসে ছিলেন। এসময় পূর্ব শত্রুতার কারণে ফায়েক শেখসহ অন্যান্য আসামিরা ধারাল চাপাতি ও চায়নিজ কুড়াল দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনার পর নিহতের ছেলে সৈয়দ নূর আমিন খুলনার আড়ংঘাটা থানায় ফায়েক শেখসহ অন্যান্য আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এসআরবি জানিয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কেএমপির আড়ংঘাটা থানায় হস্তান্তর করা হবে।

এটি উল্লেখযোগ্য যে, ঘটনাস্থল কেএমপির আড়ংঘাটা থানার অন্তর্ভুক্ত হলেও আসামিদের বাড়ি খালিশপুর থানার এলাকায়। তবে পুরো রায়ের মহল এলাকা দুই থানার আওতাধীন।

আরও পড়ুন: তাহসিফের মৃত্যু তদন্তে নতুন তথ্য, দীপ মদ পান করেননি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিনবারের নির্বাচিত ইউপি সদস্য হাজী সেলিম মিয়ার ফের নির্বাচনী প্রস্তুতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মো: হারুন মিয়া :

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৪৬ এম


তিনবারের নির্বাচিত ইউপি সদস্য হাজী সেলিম মিয়ার ফের নির্বাচনী প্রস্তুতি

জনসেবাই যার লক্ষ্য, ন্যায়বিচার যার অঙ্গীকার-এমন একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে পরিচিত হাজী মোহাম্মদ সেলিম মিয়া। মাদক, চাঁদাবাজি ও সামাজিক অনিয়মমুক্ত একটি শান্তিপূর্ণ ওয়ার্ড গড়ার প্রত্যাশা নিয়ে আবারও জনগণের দোয়া ও সমর্থন চাইছেন তিনি।

মো: হারুন মিয়া : ঢাকা জেলার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ উপজেলার শুভাঢ্যা ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের হাসনাবাদ এলাকায় আবারও আলোচনায় উঠে এসেছেন সাবেক তিনবারের নির্বাচিত ইউপি সদস্য হাজী মোহাম্মদ সেলিম মিয়া। দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকা, সামাজিক সমস্যা সমাধানে ভূমিকা রাখা এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার কারণে স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে তিনি একজন পরিচিত মুখ।

স্থানীয়দের কাছে সেলিম মেম্বার ও আজিম মামা নামে পরিচিত হাজী মোহাম্মদ সেলিম মিয়া ইতিপূর্বে তিনবার জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে ইউপি সদস্য নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের দাবি, জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি ব্যক্তিগত স্বার্থের চেয়ে এলাকার মানুষের প্রয়োজন ও কল্যাণকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন।

তিনবারের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, মানুষের আস্থার প্রতীক:

একজন জনপ্রতিনিধির সবচেয়ে বড় শক্তি হলো সাধারণ মানুষের ভালোবাসা ও বিশ্বাস। হাজী মোহাম্মদ সেলিম মিয়ার সমর্থকদের মতে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে মানুষের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে চলেছেন। এলাকার সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ রয়েছে। কেউ বিপদে পড়লে কিংবা সামাজিক কোনো সমস্যার সম্মুখীন হলে তাঁর কাছে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

তাঁর সমর্থকদের ভাষ্য, জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি এলাকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে ভূমিকা রেখেছেন। রাস্তাঘাটসহ ওয়ার্ডের বিভিন্ন স্থানে উন্নয়নের ছোঁয়া পৌঁছে দিতে কাজ করেছেন। তাঁদের মতে, একটি এলাকার উন্নয়ন শুধু অবকাঠামোগত পরিবর্তনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; মানুষের নিরাপত্তা, সামাজিক সম্প্রীতি, ন্যায়বিচার ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করাও উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

রাজনৈতিক প্রতিকূলতার মধ্যেও মানুষের পাশে থাকার প্রত্যয়:

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রতিকূলতা, নানা ধরনের হয়রানি, লাঞ্ছনা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে দাবি করেছেন হাজী মোহাম্মদ সেলিম মিয়ার ঘনিষ্ঠজন ও সমর্থকরা। তাঁদের বক্তব্য, প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও তিনি এলাকার মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখেছেন এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন।

তাঁর অনুসারীদের মতে, একজন জনপ্রতিনিধির প্রকৃত পরিচয় পাওয়া যায় কঠিন সময়ে। সুসময় ও দুঃসময়—উভয় সময়েই যিনি মানুষের পাশে থাকেন, সাধারণ মানুষ তাঁকেই আপনজন হিসেবে গ্রহণ করেন। তাঁদের দাবি, দীর্ঘদিনের সামাজিক সম্পৃক্ততার কারণে হাসনাবাদ ৯ নম্বর ওয়ার্ডের অনেক মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন সেলিম মিয়া।

মাদক ও চাঁদাবাজিমুক্ত ওয়ার্ড গড়ার প্রত্যাশা:

বর্তমান সমাজের অন্যতম বড় সমস্যা মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও কিশোর অপরাধ। এসব সামাজিক ব্যাধি থেকে তরুণ প্রজন্মকে রক্ষা করতে হলে জনপ্রতিনিধি, অভিভাবক ও সচেতন নাগরিকদের সম্মিলিত ভূমিকা প্রয়োজন।

হাজী মোহাম্মদ সেলিম মিয়ার সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা জানান, তাঁরা ৯ নম্বর ওয়ার্ডকে একটি শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ, মাদকমুক্ত ও চাঁদাবাজিমুক্ত এলাকা হিসেবে দেখতে চান। তাঁদের বক্তব্য, সেলিম মিয়া এ ধরনের সামাজিক অনিয়মের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে এলাকার মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেন।

তাঁদের প্রত্যাশা, ভবিষ্যতে তিনি জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হলে তরুণ সমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে দূরে রাখতে সচেতনতামূলক কার্যক্রম, সামাজিক উদ্যোগ এবং অপরাধ প্রতিরোধে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবেন।

বিচার-সালিশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় প্রশংসিত:

হাজী মোহাম্মদ সেলিম মিয়ার জনপ্রিয়তার অন্যতম আলোচিত দিক হলো সামাজিক বিচার-সালিশে তাঁর ভূমিকা। স্থানীয় সমর্থকদের দাবি, পারিবারিক বিরোধ, জমিজমা নিয়ে বিরোধ কিংবা বিভিন্ন সামাজিক সমস্যায় মানুষ তাঁর কাছে গেলে তিনি উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার চেষ্টা করেন।

তাঁদের ভাষ্যমতে, বিচার-সালিশে ধনী-গরিবের মধ্যে কোনো পার্থক্য না করে ন্যায়সংগত সিদ্ধান্ত দেওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। বিচারপ্রার্থীদের কাছ থেকে ঘুষ বা অবৈধ অর্থ গ্রহণের অভিযোগ নেই বলেও তাঁর সমর্থকদের বক্তব্য। তাঁদের কাছে একজন জনপ্রতিনিধির বড় গুণ হলো নিরপেক্ষতা, সততা ও মানুষের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনার মানসিকতা।

তাঁদের মতে, সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে হলে প্রতিহিংসা নয়, প্রয়োজন ন্যায়বিচার ও পারস্পরিক সম্মান। আর এই জায়গায় হাজী মোহাম্মদ সেলিম মিয়া দীর্ঘদিন ধরে সামাজিকভাবে ভূমিকা রেখে আসছেন।

মানুষের বিপদে-আপদে পাশে থাকার প্রত্যাশা:

এলাকার মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখা এবং সামাজিক সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসার বিষয়টি তাঁর সমর্থকরা বিশেষভাবে তুলে ধরছেন। তাঁদের বক্তব্য, জনপ্রতিনিধি হওয়া মানে শুধু নির্বাচনের সময় মানুষের কাছে যাওয়া নয়; বরং সারা বছর মানুষের পাশে থাকা, তাদের কথা শোনা এবং প্রয়োজনের সময় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া।

স্থানীয় শুভাকাঙ্ক্ষীদের মতে, মানুষের ভালোবাসা অর্জন করতে হলে মানুষের জন্য কাজ করতে হয়। পদ-পদবি কিংবা ক্ষমতার চেয়ে মানুষের আস্থা অনেক বেশি মূল্যবান। হাজী মোহাম্মদ সেলিম মিয়া অতীতের জনপ্রতিনিধিত্বের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আবারও এলাকার মানুষের সেবা করতে চান।

আবারও নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রত্যাশা:

বর্তমানে হাজী মোহাম্মদ সেলিম মিয়া আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য পদে আবারও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রত্যাশা করছেন। এ লক্ষ্যে তিনি এলাকার জনগণের দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন কামনা করছেন।

তাঁর সমর্থকদের প্রত্যাশা, অতীতের অভিজ্ঞতা, সামাজিক কর্মকাণ্ড এবং দীর্ঘদিনের জনসম্পৃক্ততা আগামী নির্বাচনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তাঁরা মনে করেন, জনগণ যদি তাঁকে আবারও দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেন, তাহলে এলাকার উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে তিনি আরও বেশি সময় দিতে পারবেন।

জনগণের ভালোবাসাই সবচেয়ে বড় অর্জন:
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা ও শুভাকাঙ্ক্ষীর বক্তব্য অনুযায়ী, হাজী মোহাম্মদ সেলিম মিয়া একজন সৎ, নিষ্ঠাবান, আদর্শবান ও সমাজসেবামূলক মানসিকতার মানুষ। মানুষের ন্যায্য অধিকার, সামাজিক শান্তি এবং এলাকার উন্নয়নের প্রত্যাশায় তিনি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছেন বলে তাঁদের দাবি। তাঁদের মতে, একজন জনপ্রতিনিধির প্রকৃত সফলতা শুধু নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং দায়িত্ব শেষ হওয়ার পরও সাধারণ মানুষের ভালোবাসা ও বিশ্বাস ধরে রাখতে পারাই তাঁর বড় অর্জন। সেই জায়গা থেকেই তাঁরা হাজী মোহাম্মদ সেলিম মিয়াকে আবারও জনপ্রতিনিধি হিসেবে দেখতে চান। শুভাঢ্যা ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের হাসনাবাদ এলাকার মানুষের প্রত্যাশা-এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় থাকুক, মাদক ও চাঁদাবাজির মতো সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হোক, উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকুক এবং সাধারণ মানুষ যেন ন্যায়বিচার ও নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত না হন।
হাজী মোহাম্মদ সেলিম মিয়ার সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাঁর আগামী দিনের পথচলার জন্য দোয়া কামনা করেছেন। তাঁদের আশা, জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থন নিয়ে তিনি আবারও নির্বাচিত হয়ে ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করার সুযোগ পাবেন।

জনগণের প্রত্যাশা, জনসেবার অঙ্গীকার এবং এলাকার উন্নয়নের স্বপ্ন নিয়ে হাজী মোহাম্মদ সেলিম মিয়ার আগামী নির্বাচনী পথচলা কতটা সফল হয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন হাসনাবাদ ৯ নম্বর ওয়ার্ডের স্থানীয় বাসিন্দারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এসআরবির নতুন মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেলেন ফারুক আহমেদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:০৭ এম


এসআরবির নতুন মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেলেন ফারুক আহমেদ

স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি) নতুন মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজিপি) ফারুক আহমেদ। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এই প্রজ্ঞাপনে সই করেছেন মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব তৌছিফ আহমেদ।

এদিকে, এসআরবি মহাপরিচালক আহসান হাবীব পলাশকে পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

ফারুক আহমেদ ১৭তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের মাধ্যমে ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৮ তারিখে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। তিনি গত ৪ জুন অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক পদে পদোন্নতি লাভ করেন। এরপর ৭ জুলাই তিনি হাইওয়ে পুলিশের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। কর্মজীবনে তিনি দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভিন্ন পেশাগত প্রশিক্ষণ, সেমিনার এবং অভিজ্ঞতা বিনিময় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের নামে তুষার কাপুরের কাছে ৫ কোটি রুপি চাঁদা দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:০৮ এম


লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের নামে তুষার কাপুরের কাছে ৫ কোটি রুপি চাঁদা দাবি

বলিউডের আরেক অভিনেতা তুষার কাপুরের কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগ এসেছে, যখন বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফের গাড়িতে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশকে তুষার কাপুর জানিয়েছেন যে, লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের সদস্য পরিচয় দেওয়া এক ব্যক্তি তার কাছে ফোন করে ৫ কোটি রুপি চাঁদা দাবি করে হুমকি দিয়েছে।

মুম্বাই ক্রাইম ব্রাঞ্চের প্রাথমিক তদন্তে ফোনকারীর পরিচয় নিয়ে সন্দেহ দেখা দিয়েছে। পুলিশ ধারণা করছে যে, এই হুমকিটি একটি ভুয়া বা প্রতারণামূলক ফোন হতে পারে।

পুলিশের সূত্র অনুযায়ী, ফোনকারী নিজেকে লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের সদস্য ‘হ্যারি বক্সার’ হিসেবে পরিচয় দেয় এবং অভিনেতার কাছে ৫ কোটি রুপি চাঁদা দাবি করে। তুষার কাপুর বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে মুম্বাই পুলিশকে জানান। এরপর ঘটনাটি তদন্তের জন্য পুলিশের চাঁদাবাজি বিরোধী শাখা এবং ক্রাইম ব্রাঞ্চের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের সঙ্গে মূল বিরোধ সুপারস্টার সালমান খানের। তারা একাধিকবার সালমান খান এবং তার ঘনিষ্ঠদের হুমকি দিয়েছে বা হামলা করেছে। টাইগার শ্রফ একটি সিনেমার প্রচারে সালমান খানকে বলিউডের একমাত্র টাইগার বলেছিলেন। এরপর থেকে তিনি লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের টার্গেটে পরিণত হন। গত ১৮ অক্টোবর মুম্বাইয়ের জুহু এলাকায় ফুটবল খেলে বাড়ি ফেরার সময় টাইগার শ্রফের গাড়িতে গুলিবর্ষণ করে সন্ত্রাসীরা। যদিও টাইগার শ্রফের গায়ে গুলি লাগেনি, তবে তার গাড়ির চালক এবং এক পথচারী আহত হয়েছেন।

তবে তুষার কাপুরের কাছে চাঁদা দাবির বিষয়টি এখনো পরিস্কার নয়। তদন্তের অংশ হিসেবে ক্রাইম ব্রাঞ্চের টেকনিক্যাল টিম হুমকির ফোনের অডিও রেকর্ডিংটি পরীক্ষা করে এবং তাদের ডেটাবেজে থাকা হ্যারি বক্সারের অফিশিয়াল কণ্ঠস্বরের নমুনার সাথে তা মিলিয়ে দেখে।

পুলিশের ঊর্ধ্বতন সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, কণ্ঠস্বরের নমুনা দুটি মেলেনি। এতে পুলিশের এই সন্দেহ আরো জোরালো হয়েছে যে, ফোনকারী অভিনেতাকে ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়ের উদ্দেশ্যে লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের সদস্যের নাম মিথ্যাভাবে ব্যবহার করে থাকতে পারে।

তদন্তকারীরা হ্যারি বক্সারের অন্যান্য অডিও নমুনার সঙ্গে রেকর্ডিংটি তুলনা করে দেখেছেন। প্রাথমিক ভয়েস অ্যানালাইসিস বা কণ্ঠস্বর বিশ্লেষণেও কোনো মিল পাওয়া যায়নি, যা আরো ইঙ্গিত করে যে ফোনকারী মূলত ছদ্মবেশ ধারণ করেছিলেন।

মুম্বাই ক্রাইম ব্রাঞ্চ এখন এই ফোনের পেছনের ব্যক্তিকে শনাক্ত করার এবং হুমকির এই বার্তাটি কোথা থেকে পাঠানো হয়েছিল তার উৎস খোঁজার চেষ্টা করছে। পুলিশ খতিয়ে দেখছে যে, অভিনেতাকে ভয় দেখিয়ে এবং চাপ সৃষ্টি করে অর্থ আদায়ের জন্য ফোনকারী ইচ্ছাকৃতভাবে লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের নাম ব্যবহার করেছিল কি না।

পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, তুষার কাপুর প্রায় এক সপ্তাহ আগে এই অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। তবে এই মামলায় এখন পর্যন্ত কোনো এফআইআর নথিভুক্ত করা হয়নি। কর্মকর্তারা ফোনকারীকে শনাক্ত করতে এবং এই কথিত চাঁদাবাজির হুমকির উৎস নিশ্চিত করতে তাদের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

সূত্র : এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সীতাকুণ্ডে শিক্ষার্থীর মৃত্যুতে সড়ক-রেলপথ অবরোধ, ৫ ঘণ্টা পর প্রত্যাহার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৪ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:০৮ এম


সীতাকুণ্ডে শিক্ষার্থীর মৃত্যুতে সড়ক-রেলপথ অবরোধ, ৫ ঘণ্টা পর প্রত্যাহার

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রামের (আইআইইউসি) শিক্ষার্থী মাইশা মুসফিরাতের মৃত্যুতে ঘটে যাওয়া ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মহাসড়ক ও রেলপথ অবরোধ করেন। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল থেকে শুরু হওয়া এই অবরোধের ফলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের প্রায় ৬০ কিলোমিটার এলাকায় যানজট সৃষ্টি হয়। হাজার হাজার যানবাহন আটকা পড়ে এবং বিভিন্ন স্টেশনে কয়েকটি ট্রেন দাঁড়িয়ে থাকে। পরে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের আশ্বাসে পাঁচ ঘণ্টা পর অবরোধ প্রত্যাহার করেন শিক্ষার্থীরা।

সকাল সোয়া ৯টার দিকে সীতাকুণ্ডের সোনাইছড়িতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মাইশা (২১) বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের দ্বিতীয় সেমিস্টারের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি মিরসরাই উপজেলার খৈয়াছড়া ইউনিয়নের বটতলিয়া গ্রামের শাখাওয়াত হোসেন ও সালমা আক্তারের মেয়ে। এই ঘটনায় আরো দুই শিক্ষার্থী আহত হন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সকালে মাইশা ও তার কয়েকজন সহপাঠী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফটকের সামনে মহাসড়কের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় একটি লোকাল বাস সেখানে থামে এবং এর পেছনে থাকা একটি লরি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটির ওপর পড়ে। ফলে সড়কের পাশে থাকা তিন শিক্ষার্থী বাসের নিচে চাপা পড়ে গুরুতর আহত হন। স্থানীয় লোকজন ও হাইওয়ে পুলিশের সহযোগিতায় তাদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক মাইশাকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত দুজন বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে মহাসড়ক ও রেললাইনে গাছের গুঁড়ি ফেলে অবরোধ করেন। তারা ছয় দফা দাবি জানান এবং দাবিগুলো বাস্তবায়নের আশ্বাস না পাওয়া পর্যন্ত অবরোধ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন। এর ফলে মহাসড়কে মিরসরাই থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত প্রায় ৬০ কিলোমিটার এলাকায় যানজট সৃষ্টি হয়।

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে বিকেল ৩টার দিকে ঘটনাস্থলে যান চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিয়া, পুলিশ সুপার মাসুদ আলমসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা। শিক্ষার্থীরা তাদের কাছে ছয় দফা দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে মামলা করা ও মামলার অগ্রগতি জানানো, দুর্ঘটনার জন্য দায়ীদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করে শাস্তি নিশ্চিত করা, পাশের কনটেইনার ডিপোর লরি দিয়ে মহাসড়ক দখল বন্ধ করা, শিক্ষার্থীদের নিরাপদ চলাচলের ব্যবস্থা, ঘটনাস্থলে ফুটওভারব্রিজ নির্মাণ এবং নিহত শিক্ষার্থীর পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়া।

একপর্যায়ে মহাসড়কের ওপর মাইশার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো বাস্তবায়নের আশ্বাস দিলে তারা অবরোধ প্রত্যাহার করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র প্রতিনিধি জাহিদুল ইসলাম বলেন, প্রশাসন তাদের দাবিগুলো মেনে নেওয়ার আশ্বাস দেওয়ায় তারা সড়ক থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। নির্ধারিত সময়ে দাবিগুলো বাস্তবায়ন না হলে তারা আবার আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবেন।

মাইশার বাবা শাখাওয়াত হোসেন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, "আগামী শুক্রবার মেয়ের জন্মদিন পালনের প্রস্তুতি চলছিল। এ উপলক্ষে আত্মীয়স্বজনকে দাওয়াতও করা হয়েছিল। মেয়ে খুব খুশি ছিল।" তিনি বলেন, "আজ মেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে যায়। কিন্তু তার আর বাড়ি ফেরা হলো না। হাসপাতালে গিয়ে দেখি, মেয়ে লাশ হয়ে গেছে।"

মাইশার মা সালমা আক্তারও মেয়ের মৃত্যুর খবরে বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন বলে জানান স্বজনেরা।

এ বিষয়ে বারআউলিয়া হাইওয়ে থানার ট্রাফিক সার্জেন্ট মো. শফিউল আলম বলেন, দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন ও শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় আহতদের চমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে মাইশার মৃত্যু ঘটে। দুর্ঘটনায় জড়িত গাড়ি দুটি আটক করা হয়েছে এবং আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপে অবরোধ প্রত্যাহার হলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%