ঢাকা শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

সংবিধানে ইসলামী মূল্যবোধের সব বিষয় অন্তর্ভুক্ত হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী


সংবিধানে ইসলামী মূল্যবোধের সব বিষয় অন্তর্ভুক্ত হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আওয়ামী লীগের রাজনীতি এ দেশে আর চলবে না, গণহত্যাকারীদের রাজনীতি করার অধিকার নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকালে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি আল জামিয়াতুল আজিজুল উলুম ইসলামিয়া বাবু নগর মাদ্রাসার বার্ষিক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

সালাহউদ্দিন আহমেদ উল্লেখ করেন, আলেম ও ইসলাম বিদ্বেষী শক্তি সরকার থেকে মুক্ত হতে দেশের জনগণের ১৫ বছর সময় লেগেছে। তাদের জন্য এই দেশে আর কোনো স্থান নেই।

আরও পড়ুন: তাহসিফ হত্যা মামলায় দিশা রিমান্ড শেষে কারাগারে

পোশাক খাতের আন্দোলনে ফ্যাসিবাদী শক্তির উপস্থিতি সম্পর্কে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, গার্মেন্টস খাতে অস্থিরতা সৃষ্টির পেছনে ফ্যাসিবাদী শক্তি এবং ইসলামের নামে রাজনীতি করা দেশীয় দোসরদের হাত রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আন্দোলনের নামে কিছু লোক দেশে ফ্যাসিবাদ পুনরুদ্ধারের পথ তৈরি করতে চায়। তবে গণহত্যায় জড়িতদের এ দেশে রাজনীতি করার কোনো সুযোগ নেই।

বিএনপি সরকার দেশকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। গণঅভ্যুত্থানের প্রত্যাশা অনুযায়ী আলোচনার মাধ্যমে প্রণীত জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করা হবে। পাশাপাশি মন্ত্রী জানান, সংবিধানে ইসলামী মূল্যবোধের সব বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে আলেমদের ভূমিকা তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিএনপি সরকার সব সময় ইসলামের পক্ষে রয়েছে। কিন্তু একটি দল ইসলামের নামে রাজনীতি করলেও তারা দলীয় প্রতীক থেকে ইসলামের চিহ্ন মুছে ফেলেছে।

আরও পড়ুন: জামায়াত-এনসিপির দূরত্ব বাড়ার নেপথ্যে নির্বাচনী সিদ্ধান্ত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পশ্চিম তীরে দরজা ভেঙে ফিলিস্তিনিদের আরও আটটি বাড়ি দখল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:১৫ পি.এম


পশ্চিম তীরে দরজা ভেঙে ফিলিস্তিনিদের আরও আটটি বাড়ি দখল

অধিকৃত পশ্চিম তীরের জেরিকোর পশ্চিমে অবস্থিত আল-দুয়ুক আল-তাহতা গ্রামে ফিলিস্তিনিদের আটটি বাড়ি দখল করেছে ইসরাইলি সেটেলার তথা অবৈধ বসতি স্থাপনকারীরা। একই দিনে, রামাল্লার উত্তর-পশ্চিমে তিনটি গ্রামের প্রায় ৬২৭ একর জমি ‘রাষ্ট্রীয় ভূমি’ হিসেবে ঘোষণা করে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ।

ফিলিস্তিনের সরকারি সংবাদ সংস্থা ওয়াফার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় আনাদোলু এজেন্সি। নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে ওয়াফা জানায়, গত বুধবার (৪ নভেম্বর) ইসরাইলি সেটেলাররা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আল-দুয়ুক গ্রামে প্রবেশ করে। এ সময় বাড়ির মালিকরা সেখানে উপস্থিত না থাকায় তারা দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে বাড়িগুলোর দখল নেয়।

এরপর জেরিকো শহর ও সেখানকার শরণার্থী শিবিরগুলোতে প্রবেশ করে ইসরাইলি সেনারা। এ সময় তারা সামরিক যান নিয়ে বিভিন্ন সড়কে টহল দেয়। ওয়াফা জানায়, এলাকায় অবৈধ ইসরাইলি বসতি সম্প্রসারণের সঙ্গে সঙ্গে আল-দুয়ুক আল-তাহতা গ্রামে বারবার ফিলিস্তিনিদের বাড়িতে প্রবেশ ও সেগুলো দখলের ঘটনা ঘটছে।

এদিকে, একই দিন ফিলিস্তিনের ওয়াল অ্যান্ড সেটেলমেন্ট রেজিসট্যান্স কমিশন জানায়, ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ রামাল্লার উত্তর-পশ্চিমে তিনটি গ্রামের ২ হাজার ৫৩৬ দশমিক ৪৪ ডুনাম (প্রায় ৬২৭ একর) জমি বাজেয়াপ্ত করেছে। জমিগুলো ‘রাষ্ট্রীয় ভূমি’ ঘোষণা করে নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়েছে।

কমিশন জানায়, মঙ্গলবার জারি করা এক ঘোষণার আওতায় বেইতিল্লু, আল-মাজরা আল-কিবলিয়া ও দেইর আম্মার গ্রামের এসব জমি নিয়ন্ত্রণে নেয়া হয়। এই এলাকাগুলো অবৈধ কেরেম রেইম ইসরাইলি বসতির নিকটবর্তী অবস্থিত।

কমিশন সতর্ক করে বলেছে, জমিগুলো রাষ্ট্রীয় ভূমি হিসেবে চিহ্নিত হওয়ার ফলে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ সেখানে বসতি সম্প্রসারণের সুযোগ পাবে। এতে কৃষিজমি হুমকির মুখে পড়বে এবং গ্রামগুলোর সম্প্রসারণের সুযোগ সীমিত হয়ে যাবে।

ফিলিস্তিনের সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, পূর্ব জেরুজালেমসহ অধিকৃত পশ্চিম তীরে ১৯৪টি অবৈধ বসতি ও ৪০০টি বসতি ফাঁড়িতে প্রায় ৭ লাখ ৫০ হাজার ইসরাইলি সেটেলার তথা অবৈধ বসতি স্থাপনকারী বসবাস করছে।

পাঁচ আবাসিক ভবন ধ্বংস

অধিকৃত পশ্চিম তীরজুড়ে বৃহস্পতিবারও ধ্বংসযজ্ঞ চালায় ইসরাইলি বাহিনী। এ সময় ফিলিস্তিনিদের ধড়পাকড়ের পাশাপাশি বেশ কয়েকটি বাড়ি ও আবাসিক ভবন গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এর ফলে বহু ফিলিস্তিনি পরিবার বাস্তুচ্যুত হয়েছে। একই সঙ্গে ইসরাইলি বাহিনী ও বসতি স্থাপনকারীদের হামলায় অন্তত আটজন আহত হয়েছেন।

ওয়াফার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার পশ্চিম তীরজুড়ে বেশ কয়েকটি অভিযান পরিচালনা করা হয়। এদিন বেথলেহেমের কাছে দেইশেহ শরণার্থী শিবিরে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৩০ জন ফিলিস্তিনিকে গ্রেফতার করে ইসরাইলি বাহিনী। এছাড়া হেবরন, কালকিলিয়া, নাবলুস ও রামাল্লা থেকে অন্তত ২২ জনকে আটক করা হয়েছে।

পূর্ব জেরুজালেমের উত্তর-পশ্চিমে বিদ্দু এলাকায় ১২টি অ্যাপার্টমেন্ট থাকা পাঁচটি আবাসিক ভবন গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এতে ১০৫ জন ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। নাবলুসের কাছেও একটি বাড়ি ভেঙে ফেলা হয়েছে।

সালফিত, নাবলুস, জেরিকো ও তুলকারেমে কৃষকদের ওপর ইসরাইলি বাহিনী ও সেটেলার তথা অবৈধ বসতি স্থাপনকারীদের হামলায় অন্তত আটজন ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন।

ফিলিস্তিনের ওয়াল অ্যান্ড সেটেলমেন্ট রেজিসট্যান্স কমিশন এদিন আটটি গভর্নরেটজুড়ে জলপাই সংগ্রহকারী কৃষক ও তাদের জমিতে ১৩টি হামলার ঘটনা নথিভুক্ত করেছে।

কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, কালকিলিয়ার কাছে অবস্থিত ওরানিত ইসরাইলি বসতিতে ৯১টি নতুন আবাসন ইউনিট নির্মাণের দরপত্র প্রকাশ করেছে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ।

এদিন তুবাসের দক্ষিণে রাস আল-আহমার বেদুইন সম্প্রদায়ের ওপর ইসরাইলি সেনাবাহিনীর অবরোধ ৪৪তম দিনে গড়ায়। অবরোধের কারণে ২৪টি পরিবার নিজেদের বাড়িঘর ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। তবে আরও ২৪টি পরিবার এখনো ওই এলাকায় অবস্থান করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গভীর রাতে বরিশালে ইউএনওর অভিযানে আটক ৪ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:১৫ পি.এম


গভীর রাতে বরিশালে ইউএনওর অভিযানে আটক ৪ জন

বরিশাল নগরীর দপদপিয়া এলাকার কীর্তনখোলা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সময় দুটি বাল্কহেড এবং রিফাজ জাহান ইকরা-১ নামের একটি লোড ড্রেজার জব্দ করা হয়েছে। এ অভিযানের সময় বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে চারজনকে আটক করা হয়।

এছাড়া, প্রায় সাড়ে ৭ হাজার ঘনফুট বালুবোঝাই এম-১ এবং এমবি জোবেদা নামের দুটি বাল্কহেডও জব্দ করা হয়েছে। শুক্রবার দিবাগত রাত ২টার দিকে বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফরিদা সুলতানার নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

সূত্র জানায়, নগরীর কীর্তনখোলা নদীর দপদপিয়া সেতুর নিচে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে এমন খবর পেয়ে শুক্রবার দিবাগত রাত ২টার দিকে রাতের নীরবতা উপেক্ষা করে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড বিসিজি স্টেশন বরিশাল দক্ষিণ জোনের একটি দলকে সঙ্গে নিয়ে তিনি সরাসরি ঘটনাস্থলে পৌঁছান। এ সময় তিনি নগরীর চাঁদমারী এলাকার বাসিন্দা আল আমিনের মালিকানাধীন দুটি বাল্কহেড ও একটি লোড ড্রেজার দেখতে পান।

প্রশাসন ও কোস্টগার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে চালকরা জলযানগুলো নিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন। তবে কোস্টগার্ড সদস্যদের তৎপরতায় তাদের সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়। পরে বাল্কহেড ও ড্রেজারগুলো জব্দ করা হয় এবং চারজনকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিরা হলেন বাল্কহেড চালক বাচ্চু, শ্রমিক আব্দুল জলিল, মো. লিটন ও হুমাউন। অভিযানের সময় অন্য কয়েকজন শ্রমিক পালিয়ে যেতে সক্ষম হন বলে আটককৃতরা জানান।

এর আগে গত ২৬ অক্টোবরও একই স্থানে অভিযান চালিয়ে আল আমিনের মালিকানাধীন ওই দুটি বাল্কহেড ও একটি ড্রেজার জব্দ করেছিল প্রশাসন। সে সময় মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে চার লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

তবে জরিমানা আদায়ের পর জব্দ করা বাল্কহেড ও ড্রেজারগুলো মালিক আল আমিনের জিম্মায় দেওয়া হয়েছিল। এরপর মাত্র ১১ দিন যেতে না যেতেই ৫ নভেম্বর দিবাগত রাতে একই সরঞ্জাম আবারও দপদপিয়া সেতুর নিচে বালু উত্তোলনের সময় জব্দ হওয়ার অভিযোগ সামনে আসে।

এদিকে বরিশালের সঙ্গে দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম ২০৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত দপদপিয়া সেতু। সেতুর নিচে নিয়মিত ও অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ ওঠে। নদীর তলদেশ থেকে অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনের ফলে সেতুর পিলার ও ভিত্তির আশপাশের মাটি সরে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে সচেতন মহল মনে করছেন। এমনকি সেতুর দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্ব ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের অবকাশ রয়েছে।

এ বিষয়ে বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদা সুলতানা জানান, বালু উত্তোলনের খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক তিনি ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে ড্রেজার ও বাল্কহেড জব্দ করেছেন। এ সময় ৪ জনকে আটক করা হয়েছে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

এমএইচ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘সরকারকে ধন্যবাদ, তবে এভাবে রাষ্ট্র চালাতে পারবেন না’: মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:১৬ পি.এম


‘সরকারকে ধন্যবাদ, তবে এভাবে রাষ্ট্র চালাতে পারবেন না’: মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান

ডিবি পুলিশের কার্যক্রম এবং বর্তমান শাসনব্যবস্থা সম্পর্কে কঠোর সমালোচনা করেছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান। তিনি বলেছেন, ‘সরকারকে ধন্যবাদ, সরকারকে সাধুবাদ; তবে এভাবে রাষ্ট্র চলবে না, এভাবে আপনারা রাষ্ট্র চালাতে পারবেন না।’

শুক্রবার একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।

তিনি উল্লেখ করেন, দেশের কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। আইনের বিরুদ্ধে মামলা হতে পারে, বিচার হতে পারে এবং পুলিশ আইন অনুযায়ী কাউকে গ্রেপ্তার বা হ্যান্ডকাফ পরাতে পারে। তবে আইনবহির্ভূতভাবে কারও বাসায় ডিবি পুলিশের হানা দেওয়া বা প্রকাশ্যে গ্রেপ্তার করার কোনো এখতিয়ার নেই।

মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান আরও বলেন, ডিবি হলো ‘ডিটেকটিভ ব্রাঞ্চ’, তাদের কাজ হলো গোপনে তদন্ত পরিচালনা করা। প্রকাশ্যে পুলিশি মহড়া দিয়ে কারও বাসায় প্রবেশ করা তাদের কাজ নয়। তিনি ডিবির এমন অপেশাদার আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

তিনি আরও বলেন, ‘জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান স্পষ্ট জানিয়েছেন যে এই সরকারকে পূর্ণ সহযোগিতা করা হবে। আমরা সবাই সরকারকে পূর্ণ সহযোগিতা করতে প্রস্তুত; কিন্তু কোনো অন্যায় বরদাস্ত করা হবে না। জনগণের সঙ্গে ধোঁকাবাজি করা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তাহসিন হত্যায় ৮ জন গুলি ছুড়ে, ৩ জন অস্ত্র সরবরাহ করেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:১৬ পি.এম


তাহসিন হত্যায় ৮ জন গুলি ছুড়ে, ৩ জন অস্ত্র সরবরাহ করেছে

চট্টগ্রামের চান্দগাঁওয়ে ইট-বালুর ব্যবসায়ী আফতাব উদ্দিন তাহসিন (২৭) হত্যার ঘটনায় পুলিশ অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেছে যে আটজন সরাসরি হত্যাকাণ্ডে অংশ নিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে একজন হলেন শীর্ষ সন্ত্রাসী মো. সাজ্জাদ হোসেন, যিনি ছোট সাজ্জাদ নামেই পরিচিত। বাকি তিনজনের বিরুদ্ধে হত্যার পরিকল্পনা পূর্ব থেকেই জানা ছিল, এছাড়াও তাদের বিরুদ্ধে আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ সরবরাহ এবং হত্যাকাণ্ড বাস্তবায়নে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়েছে।

পুলিশের তদন্তে জানা গেছে, ব্যবসায়িক আধিপত্য ও পূর্ববিরোধের কারণে তাহসিনকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। অস্ত্রধারীরা একটি কালো নোহা গাড়িতে করে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। চায়ের দোকানে বসে থাকা তাহসিনকে লক্ষ্য করে তারা গুলি চালায়। হত্যার পর আতঙ্ক সৃষ্টি করতে ফাঁকা গুলি ছুড়ে তারা পালিয়ে যায়।

২০২৪ সালের ২১ অক্টোবর বিকেলে চান্দগাঁও থানার অদূরপাড়া এলাকায় এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। প্রায় দুই বছর পর, ২৯ সেপ্টেম্বর চান্দগাঁও থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শরিফুল ইসলাম আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। তবে বিষয়টি বৃহস্পতিবার প্রকাশ পায়। এতে আটজনকে সরাসরি হত্যাকাণ্ডে অংশগ্রহণকারী এবং তিনজনকে সহযোগী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তদন্তের সময় সাক্ষীদের জবানবন্দি, ঘটনাস্থলের আলামত, গাড়ির ভিডিও ফুটেজ, ময়নাতদন্ত ও ব্যালিস্টিক পরীক্ষার প্রতিবেদনকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগপত্র অনুযায়ী, সরাসরি অংশ নেওয়া আটজন হলেন মো. সাজ্জাদ হোসেন ওরফে ছোট সাজ্জাদ, মো. হাসান, মোহাম্মদ, মো. খোরশেদ আলম চৌধুরী, মো. হেলাল, মো. ইলিয়াছ হোসেন অপু, মো. বোরহান এবং মোবারক হোসেন ইমন ওরফে ডেভিড ইমন। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, তারা সবাই শীর্ষ সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের অনুসারী। ছোট সাজ্জাদ ও ডেভিড ইমন বর্তমানে কারাগারে আছেন। তবে বড় সাজ্জাদ দাবি করেছেন, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী আসামিরা কালো নোহা গাড়িতে করে অদূরপাড়ায় যান। গাড়ি থেকে নেমে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে তারা তাহসিনের চায়ের দোকানের দিকে এগিয়ে যান। এরপর তাকে লক্ষ্য করে শটগানের গুলি ছোড়া হয়। পুলিশের অভিযোগ, সাজ্জাদ ও তার সহযোগীরা অভিন্ন উদ্দেশ্যে এতে অংশ নেন। তাদের মধ্যে কয়েকজন সরাসরি গুলি চালান, অন্যরা অস্ত্র হাতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে হত্যাকাণ্ড বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখেন।

চান্দগাঁও থানার ওসি জসিম উদ্দিন বৃহস্পতিবার বলেন, তদন্তে যাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে, তাদের নামেই অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে।

সরাসরি অংশ নেওয়া আটজনের বাইরে আরো তিনজনকে সহযোগী হিসেবে অভিযুক্ত করেছে পুলিশ। তারা হলেন মো. এমরান, মো. সাইফুল ইসলাম ও শিহাব উদ্দিন সিদ্দিকী ওরফে রিহান শিহাব। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, হত্যার পরিকল্পনার কথা আগে থেকেই জানতেন এই তিনজন। তারা মূল আসামিদের আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ সরবরাহ করেন। এ ছাড়া হত্যাকাণ্ড বাস্তবায়নে প্ররোচনা, ইন্ধন ও অন্যান্যভাবে সহযোগিতা করেন।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসক অপর্ণা দাশ ও মাহরিন ইসলাম তাহসিনের ময়নাতদন্ত করেন।

তদন্তে ঘটনাস্থল থেকে চারটি ফায়ার করা কার্তুজ, ১০টি ধাতব পিলেট ও ইনার ওয়াড উদ্ধার করা হয়। সিআইডি চট্টগ্রাম অঞ্চলের ফরেনসিক ব্যালিস্টিক ল্যাবে এসব আলামত পরীক্ষা করা হয়। ব্যালিস্টিক বিশেষজ্ঞ মুহম্মদ শাকেরুল আলম তার মতামতে বলেছেন, উদ্ধার করা চারটি কার্তুজ ১২ বোরের শটগান বা একই ধরনের স্মুথ বোর আগ্নেয়াস্ত্র থেকে ছোড়া হয়েছে। পিলেট ও ইনার ওয়াডও শটগানজাতীয় অস্ত্রের প্রজেক্টাইল হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।

এ ছাড়া তদন্তে আরও কয়েকটি আলামত জব্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত বলে অভিযোগ করা কালো নোহা গাড়ি, তাহসিনের রক্তমাখা পোশাক, স্যান্ডেল, চশমা, ঘটনাস্থলের রক্তের নমুনা এবং হামলাকারীদের গাড়ি থেকে নামা-ওঠার ভিডিও ফুটেজসংবলিত একটি পেনড্রাইভ।

এমই

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৭ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%