রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৫৫ পি.এম
হাইকোর্ট চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে জামিন প্রদান করেছে ভাঙচুর ও পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার দুই মামলায়।
সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র হিসেবে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিনের বিষয়ে রবিবার বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার এবং বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের বেঞ্চ রুল যথাযথ (অ্যাবসোলিউট) ঘোষণা করে এই আদেশ প্রদান করে।
গত ৩ আগস্ট একই বেঞ্চে ভাঙচুর, হামলা এবং সরকারি কাজে বাধার দুই মামলায় তাকে জামিন দেওয়া হয়েছিল।
তবে আইনজীবীরা জানিয়েছেন, চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের বিরুদ্ধে আরও কিছু মামলা বিচারাধীন রয়েছে, ফলে তিনি এখনই মুক্তি পেতে পারছেন না।
চিন্ময়ের আইনজীবী অপূর্ব কুমার সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘রবিবার চট্টগ্রাম কোতোয়ালী থানার দুইটা মামলায় জামিন হয়েছে। একটা হলো ভাঙচুরের মামলা, আরেকটা পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার মামলা।’
তিনি আরও জানান, চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের বিরুদ্ধে মোট আটটি মামলা রয়েছে। ‘তার মধ্যে দুটা সিআর মামলা; ওইগুলায় আগে থেকেই তিনি জামিনে আছেন।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বলেছেন, কাশ্মীরের স্থায়ী সমাধান ছাড়া দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং দীর্ঘস্থায়ী শান্তি অর্জন সম্ভব নয়। তিনি উল্লেখ করেছেন, কাশ্মীর সমস্যা সমাধানের জন্য জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবনা এবং কাশ্মীরের জনগণের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী পদক্ষেপ নিতে হবে।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) ৬১তম ‘প্রতিরক্ষা ও শহীদ দিবস’ উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম ‘রেডিও পাকিস্তান’-এ দেওয়া ভাষণে তিনি এ মন্তব্য করেন।
শাহবাজ শরিফ আরও বলেন, কায়েদ-ই-আজম কাশ্মীরকে পাকিস্তানের ‘জীবনরেখা’ হিসেবে অভিহিত করেছিলেন। তিনি উল্লেখ করেন, ভারতের নিন্দনীয় আচরণ এবং অব্যাহত অনমনীয় মনোভাব দক্ষিণ এশিয়ায় দীর্ঘস্থায়ী শান্তি, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এ সময় তিনি জানান, সরকার দেশের নিরাপত্তা, সার্বভৌমত্ব ও প্রতিরক্ষা জোরদার করার পাশাপাশি অর্থনৈতিক উন্নয়ন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও জনকল্যাণ সাধনে দৃঢ় পদক্ষেপ গ্রহণ অব্যাহত রাখবে। একই সঙ্গে শাহবাজ শরিফ বলেন, পাকিস্তান ভবিষ্যতে সীমানার বাইরেও আঞ্চলিক এবং বৈশ্বিক পর্যায়ে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে তার ‘সক্রিয় ও গঠনমূলক’ ভূমিকা অব্যাহত রাখবে।
এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে ভাষণে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার দক্ষিণ এশিয়ায় দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য জাতিসংঘের নিয়ম অনুযায়ী জম্মু ও কাশ্মীর সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি কাশ্মীরি জনগণের অধিকার আদায়ে পাকিস্তান নৈতিক, রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সমর্থন অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন।
সূত্র: ডন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসরায়েলি বাহিনী দক্ষিণ সিরিয়ার কুনেইত্রা প্রদেশের আল-রাফিদ শহরে গোলাবর্ষণ করেছে। স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, শনিবার এই গোলাবর্ষণের ঘটনা ঘটে।
সিরিয়ার আল-ইখবারিয়া টিভির খবরে জানানো হয়েছে, ওই অঞ্চলে ইসরায়েলি বাহিনী ৬টি গোলা নিক্ষেপ করেছে। তবে, তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
এর আগে, ইসরায়েলি বাহিনীর পাঁচটি সামরিক যান নিয়ে একটি বহর আল-রাফিদ শহরের উপকণ্ঠে প্রবেশ করে। কিন্তু তারা কাউকে গ্রেপ্তার না করেই ওই এলাকা থেকে ফিরে আসে। সম্প্রতি, ওই এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনীর এই ধরনের তৎপরতা নিয়মিত হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত বৃহস্পতিবারও দক্ষিণ কুনেইত্রার তাল আল-আহমার এলাকার কাছে ইসরায়েল দুটি গোলা নিক্ষেপ করেছে। এছাড়া, গত মঙ্গলবার আল-রাফিদ এলাকার পশ্চিমাঞ্চল থেকে একজন রাখালকে আটক করেছিল ইসরায়েলি বাহিনী, যদিও কয়েক ঘণ্টা পর তাকে ছেড়ে দেয়।
দক্ষিণ সিরিয়ায় বিশেষ করে কুনেইত্রা ও দারাত এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনী বারবার অনুপ্রবেশ করে তল্লাশি, গ্রেপ্তার এবং নিজেদের সামরিক চৌকি স্থাপন করছে। সূত্র:
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) নবনিযুক্ত কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. খসরুল আলম আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেছেন।
তিনি রবিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় কোষাধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করেন। এ সময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান তাকে অভ্যর্থনা জানান।
যোগদানের পর অধ্যাপক ড. মো. খসরুল আলম বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
এর আগে ২৭ আগস্ট রাষ্ট্রপতির অনুমোদনে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুযায়ী খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসা প্রশাসন বিভাগের এই অধ্যাপককে ৪ বছর বা অবসর গ্রহণের তারিখ পর্যন্ত নিয়োগ প্রদান করে সরকার।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, অধ্যাপক ড. মো. খসরুল আলম কোষাধ্যক্ষ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংবিধি ও আইনে নির্ধারিত এবং উপাচার্যের দেওয়া দায়িত্ব পালন করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘানশ্যাম ভান্ডারি পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও বৈঠক করেছেন।
এই বৈঠক রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে পরিবেশমন্ত্রীর অফিসকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলা এবং আঞ্চলিক পরিবেশগত সহযোগিতা জোরদারের বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
এ সময় পরিবেশমন্ত্রী নেপালে সাম্প্রতিক ভয়াবহ দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। তিনি উল্লেখ করেন, এই দুঃসময়ে বাংলাদেশ সরকার ও জনগণ নেপালের পাশে রয়েছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী মানবিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।
দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের অভিন্ন পরিবেশগত ঝুঁকি মোকাবেলায় যৌথ উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন পরিবেশমন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও নেপাল জলবায়ু পরিবর্তনের ভিন্ন ধরনের ঝুঁকির সম্মুখীন হলেও দুই দেশের পরিবেশ ও প্রতিবেশব্যবস্থা পরস্পরের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত। হিমালয় অঞ্চলের বরফ ও হিমবাহের পরিবর্তন, নদী অববাহিকার পরিবেশগত ভারসাম্য, অতিবৃষ্টি, বন্যা ও অন্যান্য জলবায়ুজনিত দুর্যোগ দক্ষিণ এশিয়ার সামগ্রিক পরিবেশ এবং মানুষের জীবন-জীবিকার ওপর প্রভাব ফেলে।
আসন্ন কপ-৩১ সম্মেলনকে সামনে রেখে এসব অভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য আঞ্চলিক সহযোগিতা, জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যকার বিদ্যমান ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় সহযোগিতা আরো সম্প্রসারণের আগ্রহ প্রকাশ করেন।
তিনি দুই দেশের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান বিনিময়, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন উদ্যোগে পারস্পরিক সহযোগিতার সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন।
রাষ্ট্রদূত নেপালের দুর্ঘটনার পর দেশটির জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন এবং সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, সংকটের সময়ে বাংলাদেশের এই সহমর্মিতা দুই দেশের জনগণের গভীর বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক আস্থার প্রতিফলন; নেপালের সরকার ও জনগণ এ সহযোগিতা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করবে।
বৈঠকে পরিবেশ ও জলবায়ু সহযোগিতার পাশাপাশি বাণিজ্য, যোগাযোগ, পর্যটন, শিক্ষা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বাংলাদেশ ও নেপালের ক্রমবর্ধমান সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা হয়।
দুই পক্ষ মনে করে, আঞ্চলিক যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব শক্তিশালী হলে তা উভয় দেশের জনগণের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে।
ভবিষ্যতে পরিচ্ছন্ন ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণ দক্ষিণ এশিয়ায় সবুজ ও টেকসই উন্নয়ন অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে উভয় পক্ষ মত প্রকাশ করে।
এ সময় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানম উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ