বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:২১ পি.এম
চ্যাম্পিয়নস লিগে টানা শিরোপা জিতে ইউরোপের সেরাদের কাতারে উঠে এসেছে পিএসজি। এবার দলটির লক্ষ্য নিজেদের আরও ওপরে নিয়ে যাওয়া; চ্যাম্পিয়নস লিগের হ্যাটট্রিক শিরোপা জয়।
মৌসুম শুরুর আগেই এই লক্ষ্যের কথা একটু ঘুরিয়ে এভাবে জানিয়েছিলেন পিএসজি অধিনায়ক মার্কিনিওস, “ট্রেবল জেতাই আমাদের লক্ষ্য। তবে আমরা জানি, এটা খুব কঠিন হবে এবং পথে অনেক বাধা আসবে।” আজ মাঠে নামছে পিএসজি, তাদের লক্ষ্য ইউরোপসেরা হওয়া।
এই লক্ষ্যপূরণে সফল হলে পিএসজি একটি জায়গায় রিয়ালের পাশে চলে আসবে। ১৯৯২ সালে নাম বদলে প্রতিযোগিতাটি চ্যাম্পিয়নস লিগ হওয়ার পর এখন পর্যন্ত টানা তিনটি শিরোপা জিতেছে শুধু রিয়াল মাদ্রিদই। ২০১৫-১৬, ২০১৬-১৭ ও ২০১৭-১৮ মৌসুমে টানা তিন শিরোপা জয়ের রিয়ালের কীর্তি ছুঁয়ে ফেলবে লুইস এনরিকের দল, যদি তারা এবারও শিরোপা জিততে পারে। গতকাল শুরু হওয়া নতুন মৌসুমের চ্যাম্পিয়নস লিগে চ্যাম্পিয়ন পিএসজির প্রথম ম্যাচ আজ স্লোভান ব্রাতিস্লাভার বিপক্ষে।
স্লোভাকিয়ার দলটির বিপক্ষে নিরংকুশ ফেবারিট পিএসজি। তবে মাঠের লড়াই শুরুর আগে কোচ লুইস এনরিকে নিশ্চয়ই এই তথ্য শিষ্যদের মধ্যে ছড়িয়ে দেবেন—উয়েফার প্রতিযোগিতায় সর্বশেষ সাত ম্যাচের একটিতেও হারেনি ব্রাতিস্লাভা; জিতেছে ৫টি, ২টিতে ড্র। যদিও দলটি ইউরোপীয় শক্তিধর দলগুলোর মতো ধারাবাহিক নয়, তার প্রমাণ আগের মৌসুমে প্রতিযোগিতার লিগ পর্বে ৮ ম্যাচের সবকটিতে হার। গোল খেয়েছে ২৭টি।
তবে পিএসজির লক্ষ্য যখন বড়, তখন দলটির জন্য শুধুমাত্র এই ম্যাচ নিয়েই পড়ে থাকার কথা নয়। চার মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগের প্রথম ম্যাচে জয় পেয়েছে লুইস এনরিকের দল। সর্বশেষ তিন ম্যাচে তারা একটি গোলও হজম করেনি।
পিএসজি দলের সবচেয়ে বড় শক্তি তাদের আক্রমণভাগের গতি। উসমান দেম্বেলে ও খাবিচা কাভারেস্কেলিয়ার নেতৃত্বে তাদের আক্রমণভাগ প্রতিপক্ষের জন্য আতঙ্কের কারণ। দুই প্রান্ত দিয়ে আক্রমণে উঠে আসা আশরাফ হাকিমি ও নুনো মেন্দেসও যোগ করেন বাড়তি গতি ও ধার। মাঝমাঠে ভিতিনিয়ার নেতৃত্বে তিনজনের সমন্বয় পিএসজিকে দিয়েছে নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা। শারীরিকভাবে শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষেও বল দখল ও ম্যাচের গতি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে তারা।
গত দুই মৌসুমে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের দলগুলোর বিপক্ষে ১৮ ম্যাচ খেললেও দুটি চ্যাম্পিয়নস লিগ ও দুটি উয়েফা সুপার কাপ জিতেছে পিএসজি। তবে এবার তাদের সবচেয়ে বড় শত্রু হতে পারে ক্লান্তি। গত দুই মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ১২১টি ম্যাচ খেলেছে পিএসজি। এর মধ্যে ক্লাব বিশ্বকাপের কারণে দুই মৌসুমের মধ্যে বিশ্রাম পেয়েছে মাত্র তিন সপ্তাহ। ২০২৪ সালে দলের অধিকাংশ খেলোয়াড়ই বড় আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে খেলেছেন। এবারও বিশ্বকাপের কারণে তাদের গ্রীষ্মের ছুটি স্বাভাবিকের তুলনায় কিছুটা কম হয়েছে।
পিএসজির মাঠে নামার দিন মাঠে নামছে বার্সেলোনা, লিভারপুল, আর্সেনাল। তাদের প্রতিপক্ষ ফেইনুর্ড, আতলেতিকো মাদ্রিদ ও নাপোলি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এক ম্যাচে ছয় গোল এবং টানা চারটি জয় নিয়ে বাংলাদেশ নারী দল চীনের মাটিতে অনূর্ধ্ব-২১ জুনিয়র এশিয়া কাপ হকিতে একটি শক্তিশালী বার্তা প্রদান করেছে। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে শক্তিশালী হংকং চায়নাকে ৬-০ গোলে পরাজিত করে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা চ্যালেঞ্জার্স গ্রুপে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে।
মোকি শহরের মরিন দাওয়া স্টেডিয়ামে বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ম্যাচের শুরু থেকেই বাংলাদেশ আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলার কৌশল গ্রহণ করে। একের পর এক আক্রমণে হংকংয়ের রক্ষণভাগকে চাপের মধ্যে রাখে বাঘিনীরা। এর ফলাফলও দ্রুত আসে।
ম্যাচের ৯ মিনিটে অধিনায়ক শারিকা রিমন পেনাল্টি কর্নার থেকে গোল করে বাংলাদেশকে এগিয়ে দেন। এরপর দলটি আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। ১৯ মিনিটে আইরিন আক্তার রিয়া দুর্দান্ত একটি ফিল্ড গোল থেকে ব্যবধান ২-০ করেন। মাত্র সাত মিনিট পর, ২৬ মিনিটে কনা আক্তার বাংলাদেশের তৃতীয় গোলটি করেন। প্রথমার্ধের শেষের আগে আর গোল না হলেও বাংলাদেশ ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে বিরতিতে যায়।
দ্বিতীয়ার্ধে ফিরে বাংলাদেশ আরও ভয়ংকর হয়ে ওঠে। ৩১ মিনিটে মোসাম্মত লিমার গোলে স্কোরলাইন ৪-০ হয়। এর দুই মিনিট পর আইরিন আক্তার রিয়া আবারও গোল করেন এবং ৩৩ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে বাংলাদেশকে ৫-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন।
হংকংয়ের ওপর চাপ কমাতে বাংলাদেশি মেয়েরা থেমে থাকেনি। ম্যাচের ৪৮ মিনিটে মোসাম্মত লিমা নিজের দ্বিতীয় গোলটি করে ৬-০ ব্যবধানে বড় জয় নিশ্চিত করেন। এই জয়ের মাধ্যমে চ্যালেঞ্জার্স গ্রুপে বাংলাদেশ চার ম্যাচের চারটিতেই জয়লাভ করে। পুরো গ্রুপ পর্বে অপরাজিত থেকে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কৃতিত্বও অর্জন করেছে লাল-সবুজের দল।
চীনের মাটিতে এমন দাপুটে পারফরম্যান্স নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের নারী হকির জন্য একটি বড় অর্জন। টানা চার ম্যাচে জয় এবং শেষ ম্যাচে ছয় গোলের ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে টুর্নামেন্টে নিজেদের শক্তিমত্তার জানান দিয়েছে বাঘিনীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতিসংঘ কর্তৃক প্রকাশিত একটি নতুন বিশ্ব মানচিত্রে অরুণাচল প্রদেশ এবং আকসাই চীনকে পৃথক অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত করার কারণে তীব্র আপত্তি ও প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে নয়াদিল্লি। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে (ইউএনজিএ) গৃহীত একটি প্রস্তাবের আলোচনার সময় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত মানচিত্রে অরুণাচল প্রদেশকে চীন ও ভারতের আসাম রাজ্যের মধ্যবর্তী একটি স্বাধীন সত্তা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। আসাম ব্যতীত অন্যান্য প্রতিবেশী ভারতীয় রাজ্যের সঙ্গে এর সীমান্তরেখা বাদ দেওয়া হয়েছে। একইভাবে, লাদাখ অঞ্চলের আকসাই চীন অংশটিকেও পৃথক অঞ্চল হিসেবে দেখানো হয়েছে, যেখানে ভারতের পশ্চিম পাশে এবং চীনের পূর্ব পাশে সীমানা নির্দেশ করা হয়েছে। জাতিসংঘ কর্তৃক জুলাইয়ে প্রকাশিত এবং পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক আলোচনায় ব্যবহৃত এই মানচিত্রে এমন অসঙ্গতি ধরা পড়ার পর ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি জাতিসংঘের দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের নিকট উত্থাপন করেছে।
ঘটনার প্রেক্ষাপটে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, বিশ্বজুড়ে ভৌগোলিক মানচিত্রে মহাদেশ ও অঞ্চলগুলোর আপেক্ষিক আয়তন সঠিকভাবে তুলে ধরতে আনা সমান-ক্ষেত্রফল নীতি সংক্রান্ত একটি সাধারণ পরিষদ প্রস্তাবে ভারত সমর্থন জানিয়েছিল। তবে, সেই প্রস্তাবে সমর্থনের অর্থ কোনো নির্দিষ্ট মানচিত্র বা এতে প্রদর্শিত বিভ্রান্তিকর সীমান্তকে সমর্থন করা নয়। প্রস্তাবটি মূলত মারকেটর অভিক্ষেপ পদ্ধতির কারণে বিশ্বের মানচিত্রে সৃষ্ট ক্ষেত্রফলের বৈষম্য দূর করে মহাদেশগুলোর প্রকৃত আকার তুলে ধরার নীতিগত সিদ্ধান্তের ওপর ভিত্তি করে গৃহীত হয়েছিল। জয়সওয়াল বলেন, এই প্রস্তাব কোনো বেসরকারি বা নির্দিষ্ট কোনো সংস্থার মানচিত্রকে স্বীকৃতি দেয় না। জাতিসংঘের এই অনভিপ্রেত মানচিত্রের অসঙ্গতিগুলো ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর করা হয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।
নয়াদিল্লি দীর্ঘকাল ধরেই দাবি করে আসছে যে, জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখের সমগ্র কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল; যার মধ্যে আকসাই চীন অন্তর্ভুক্ত; ভারতের ভূখণ্ডের এক অখণ্ড এবং অবিচ্ছেদ্য অংশ। একইভাবে, অরুণাচল প্রদেশকেও ভারতের চিরন্তন ভূখণ্ড হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এর আগেও জাতিসংঘের মানচিত্রে বিতর্কিত সীমান্ত প্রদর্শনের সময় ভারতের সার্বভৌম অবস্থানের কথা বারবার পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। সম্প্রতি গৃহীত ‘ক্যালিব্রেট দ্য ম্যাপ’ প্রস্তাবটির লক্ষ্য ছিল আফ্রিকার মতো অঞ্চলগুলোর ভৌগোলিক আয়তনকে মানচিত্রে সঠিক অনুপাতে প্রদর্শন করা।
সূত্র: এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফ্যাশন এবং প্রযুক্তির পরিবর্তনের সাথে সাথে পুরনো দিনের প্রতি মানুষের আকর্ষণ এখনও কমেনি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবার সেই নস্টালজিয়াকে নতুন মাত্রা প্রদান করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ১৯৮০-এর দশকের আদলে ছবি তৈরির নতুন ট্রেন্ড হঠাৎ করেই ছড়িয়ে পড়েছে। এআইয়ের সহায়তায় বর্তমান সময়ের ছবিগুলোকে চার দশক আগের পোশাক, চুলের স্টাইল, মেকআপ এবং আলোকচিত্রের আবহে রূপান্তরিত করা হচ্ছে। সাধারণ ব্যবহারকারীরা ছাড়াও বিনোদন অঙ্গনের তারকারাও এই ট্রেন্ডে অংশগ্রহণ করছেন এবং সোশ্যাল মিডিয়াতে আশির দশকের নস্টালজিয়ামাখা বিভিন্ন ছবি শেয়ার করছেন।
এই ট্রেন্ডের মধ্যে শুধুমাত্র পোশাক বা চুলের ধরন পরিবর্তন করা হচ্ছে না, বরং ছবির আলো, রঙ, ব্যাকগ্রাউন্ড এবং ক্যামেরার আবহও বদলে দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে আধুনিক কোনো ছবি দেখলে মনে হতে পারে, সেটি যেন সত্যিই ১৯৮০-এর দশকের কোনো স্টুডিও বা ফিল্ম ক্যামেরায় তোলা।
এআই-নির্ভর বিভিন্ন ছবি তৈরির টুলে ব্যবহারকারী নিজের একটি পরিষ্কার ছবি আপলোড করে নির্দিষ্ট নির্দেশনা দিলে তৈরি করা যাচ্ছে এমন রেট্রো লুক।
কীভাবে বানাবেন ৮০-এর দশকের ছবি?
এআই টুলে ছবি আপলোড করার পর নির্দেশনা দেওয়া যেতে পারে- ‘ছবিটিকে ১৯৮০-এর দশকের একটি বাস্তবসম্মত পোর্ট্রেটে রূপান্তর করুন। ব্যক্তির মুখের বৈশিষ্ট্য, পরিচয়, বয়স এবং স্বাভাবিক অভিব্যক্তি অপরিবর্তিত রাখুন। ৮০-এর দশকের উপযোগী চুলের স্টাইল, পোশাক এবং মেকআপ দিন। পেছনে রাখুন পুরোনো স্টুডিওর আবহ। ছবিতে ৩৫ মিমি ফিল্মের দানা, উষ্ণ রঙ, নরম ফ্ল্যাশ, স্বাভাবিক ছায়া এবং বাস্তবসম্মত ত্বকের টেক্সচার যোগ করুন। ছবিটি যেন আধুনিক ছবিতে ভিনটেজ ফিল্টার দেওয়ার মতো না হয়ে সত্যিই ১৯৮০-এর দশকে তোলা ছবি মনে হয়। কোনো লেখা, ওয়াটারমার্ক বা আধুনিক উপাদান রাখবেন না।’
প্রয়োজনে নির্দেশনায় আরও নির্দিষ্ট করে পোশাক, চুলের ধরন, ছবির স্থান অথবা আলোকসজ্জার বিষয় উল্লেখ করা যেতে পারে। এতে তৈরি ছবিটি আরও নির্দিষ্ট এবং বাস্তবসম্মত হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।
একটি বর্তমান ছবিকে কয়েকটি নির্দেশনার মাধ্যমে চার দশক আগের স্মৃতির মতো করে তোলার এই প্রবণতা প্রযুক্তির ব্যবহার ছাড়াও নস্টালজিয়াকে নতুনভাবে উপভোগ করার একটি মাধ্যম হয়ে উঠেছে। কারও কাছে সেটি শৈশবের সময়, আবার কারও কাছে জন্মেরও আগের এক দশক, এআই সেই সময়কেই ডিজিটাল ছবির ফ্রেমে ফিরিয়ে আনছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইলের বাসাইলে এক আনসার সদস্যকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে, যিনি সাময়িক বরখাস্ত ছিলেন। দুর্বৃত্তরা দেশীয় ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করে তাকে আঘাত করে। মঙ্গলবার রাতে উপজেলার হাবলা ইউনিয়নের বিলপাড়া এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটে।
নিহত ব্যক্তির নাম হানিফ খান, বয়স ৩৭ বছর। তিনি হাবলা উত্তরপাড়ার মৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা বক্তার আলী খানের পুত্র।
এই ঘটনার পর পুলিশ দুইজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে। পুলিশ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, রাতের বেলায় বিলপাড়া বাজার থেকে বাড়ি ফেরার সময় দুর্বৃত্তরা হানিফকে আঘাত করে এবং পরে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা তাকে আহত অবস্থায় দেখে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ বক্সের ইনচার্জ সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. আতিকুর রহমান জানান, রাতে গুরুতর আহত অবস্থায় হানিফ নামের সাময়িক বরখাস্তকৃত আনসার সদস্যকে হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মরদেহ বর্তমানে হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। এই ঘটনার বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ