০৩:৪৭ পি.এম
পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের সোয়াত উপত্যকার কাবাল পুলিশ স্টেশনের প্রধান ফটকে আত্মঘাতী বোমা হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৭ জনে দাঁড়িয়েছে। নিহতদের মধ্যে সাতজন পুলিশ সদস্য এবং ১০ জন বেসামরিক নাগরিক রয়েছেন।
রবিবার (২ আগস্ট) সন্ধ্যায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। সোমবার সামা টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলায় আহত আরও দুই পুলিশ সদস্য—সিপাহী মুকাররম খান ও সিপাহী হুসেন খান—হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তাদের মৃত্যুতে হামলায় নিহত পুলিশ সদস্যের সংখ্যা সাতজনে পৌঁছেছে।
এ ঘটনায় আরও ১৩ জন পুলিশ কর্মকর্তা আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। মিঙ্গোরার পুলিশ প্রশিক্ষণ স্কুলে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় নিহত পুলিশ সদস্যদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অন্যদিকে, হামলায় নিহত ১০ বেসামরিক নাগরিককে নিজ নিজ এলাকায় দাফন করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের স্বার্থে জাপানের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে জোর দিচ্ছেন : হুমায়ুন কবীর
হামলার ঘটনায় অজ্ঞাত সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে কাউন্টার টেরোরিজম ডিপার্টমেন্ট (সিটিডি)। মামলায় হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনের বিভিন্ন ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, কাবাল থানার প্রধান ফটক লক্ষ্য করে চালানো আত্মঘাতী বিস্ফোরণে আনুমানিক ৬ থেকে ৮ কিলোগ্রাম বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয়েছিল।
এদিকে মালাকান্দ আঞ্চলিক পুলিশ কর্মকর্তা সৈয়দ ফিদা হাসান শাহ এবং সোয়াতের জেলা পুলিশ কর্মকর্তা মুহাম্মদ উমর খান সাইদু শরীফ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত পুলিশ সদস্যদের দেখতে যান। তারা আহতদের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন এবং প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দেন।
কাবালে আত্মঘাতী হামলার নিন্দা জানিয়ে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ। তিনি নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।
আরও পড়ুন: ইসরাইলের নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ঐতিহাসিক রেকর্ড স্পর্শ
শাহবাজ শরীফ বলেন, সন্ত্রাসবাদের সম্পূর্ণ নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত পাকিস্তানের লড়াই অব্যাহত থাকবে। তিনি আহতদের সর্বোত্তম চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন