ঢাকা সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

ইস্তাম্বুলে মুসলিম উম্মাহর ঐক্য নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলন


ইস্তাম্বুলে মুসলিম উম্মাহর ঐক্য নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলন

তুরস্কের ইস্তাম্বুলে আন্তর্জাতিক মুসলিম স্কলার্স ইউনিয়ন (আইইউএমএস) এবং দ্য ফাউন্ডেশন অব ইসলামিক স্কলার্স-এর যৌথ আয়োজনে তিন দিনব্যাপী একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘মধ্যপন্থী উম্মাহর ঐক্য : ঐক্যের সনদ’ শীর্ষক সম্মেলনে বিশ্বের ৩০টিরও বেশি দেশের আলেম, ইসলামী চিন্তাবিদ এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

সম্মেলনটি ২৮ থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়। এর সমাপনী ঘোষণায় মুসলিম উম্মাহর ঐক্য প্রতিষ্ঠা, পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, মতপার্থক্য নিরসন এবং নির্যাতিত জনগণের অধিকার রক্ষায় সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। গাজায় গণহত্যা বন্ধ, পশ্চিম তীরে হত্যাকাণ্ড ও নির্যাতন বন্ধ এবং ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলি দখলদারিত্বের অবসানের আহ্বান জানান ইসলামী চিন্তাবিদরা।

সম্মেলনে ‘মধ্যপন্থী উম্মাহর সনদ : মৌলিক বিষয় ও পরিবর্তনশীল বিষয়’ শীর্ষক একটি প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়। এতে উল্লেখ করা হয়, ইসলামের অকাট্য মৌলিক বিধান এবং পরিবর্তনশীল ও গবেষণানির্ভর বিষয়গুলোর মধ্যে পার্থক্য বজায় রেখে শরিয়াহসম্মত গবেষণা, সংস্কার এবং আধুনিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণের কথা বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন: বাইন্যান্স থেকে ৬০০ কোটি ডলার চুরি করেছে উত্তর কোরিয়ার ‘ট্রেডারট্রেইটর’: এফবিআই

ঘোষণায় বলা হয়, মুসলিম উম্মাহর ঐক্য শুধুমাত্র ধর্মীয় দায়িত্ব নয়, বরং এটি একটি সভ্যতাগত প্রয়োজন। মতাদর্শিক ও মাজহাবভিত্তিক বৈচিত্র্যকে সম্মান জানিয়ে অভিন্ন বিষয়গুলোকে সামনে রেখে ঐক্য প্রতিষ্ঠা করতে হবে। উগ্রতা, সাম্প্রদায়িকতা ও বিভেদ পরিহার করে সংলাপ, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং সহযোগিতার পরিবেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়।

এছাড়া মুসলিম বিশ্বের আলেম, রাজনৈতিক নেতৃত্ব, শিক্ষাবিদ এবং বিভিন্ন ইসলামী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ ও সমন্বয় জোরদারের আহ্বান জানানো হয়। সম্মেলনে ঐক্যবিষয়ক গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ‘সেন্টার ফর ইউনিটি’ প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্তও ঘোষণা করা হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন মুসলিম দেশ ও প্রবাসী মুসলিম জনগণের মধ্যে ঐক্য কমিটি গঠন, যৌথ প্রশিক্ষণ, গবেষণা এবং নিয়মিত সম্মেলন আয়োজনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

সমাপনী ঘোষণায় ফিলিস্তিন, ইয়েমেন এবং সুদানের জনগণের প্রতি বিশেষ সংহতি প্রকাশ করা হয়। গাজায় গণহত্যা বন্ধ, পশ্চিম তীরে হত্যাকাণ্ড ও লঙ্ঘন বন্ধ, ফিলিস্তিনি বন্দিদের সুরক্ষা, পবিত্র স্থানগুলোর নিরাপত্তা এবং আল-আকসা মসজিদ রক্ষায় সম্মিলিত উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড থেকে দখলদারিত্ব অবসানের দাবি জানানো হয়।

ইয়েমেনের ঐক্য, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার প্রতি সমর্থন জানিয়ে দেশটির বৈধ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে কার্যকর ভূমিকা পালনের সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: চীনের শীর্ষ ধনী নারী হলেন লেন্স টেকনোলজির প্রতিষ্ঠাতা ঝোউ চুনফেই

অন্যদিকে সুদানের সার্বভৌমত্ব, ভৌগোলিক অখণ্ডতা এবং বৈধ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতি সমর্থন জানানো হয়। দেশটিতে চলমান সংঘাত বন্ধ, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের জন্য মানবিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।

এছাড়া রোহিঙ্গা, পূর্ব তুর্কিস্তানসহ বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের নিপীড়িত জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশ করা হয়। কোনো অপরাধে জড়িত নন—এমন বিবেকবন্দিদের মুক্তি, অধিকার এবং মানবিক মর্যাদা নিশ্চিত করারও দাবি জানানো হয়েছে।

সম্মেলনে সব ধরনের সন্ত্রাসবাদ এবং সহিংসতার নিন্দা জানানো হয়। একই সঙ্গে পশ্চিমা দেশগুলোর কিছু অস্থিরতাকে কেন্দ্র করে মুসলমানদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য, ইসলামবিদ্বেষ এবং বৈষম্য উসকে দেওয়ার প্রবণতা সম্পর্কে সতর্ক করা হয়।

আইনের শাসন, মানবাধিকার এবং নাগরিক স্বাধীনতা রক্ষার পাশাপাশি বিভিন্ন ধর্মের মানুষের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধা প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানানো হয়। একটি গির্জায় সংঘটিত হামলারও নিন্দা জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: এপস্টেইনকাণ্ডে আইনি লড়াইয়ে বড় ধাক্কা খেলেন ট্রাম্প

সম্মেলনের আয়োজক এবং অংশগ্রহণকারীরা মনে করেন, মুসলিম উম্মাহর ঐক্য প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে শুধু ঘোষণা বা সম্মেলন যথেষ্ট নয়; বরং এসব সিদ্ধান্তকে বাস্তব কর্মসূচি, প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা এবং নিয়মিত পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে কার্যকর করতে হবে।

সমাপনী ঘোষণায় সম্মেলন সফল করতে সহযোগিতার জন্য বিশ্ব মুসলিম উলামা ইউনিয়ন, ইসলামিক স্কলার্স ওয়াকফ, আয়োজক প্রতিষ্ঠান, অংশগ্রহণকারী প্রতিনিধি এবং তুরস্কের সরকার ও জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাতারের এলএনজি ট্যাংকারে হামলা, নাবিক ও পরিবেশের ক্ষতি হয়নি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:১৫ পি.এম


কাতারের এলএনজি ট্যাংকারে হামলা, নাবিক ও পরিবেশের ক্ষতি হয়নি

আরব উপসাগরে চলাচলের সময় কাতারের একটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি)-বাহী ট্যাংকারে অজ্ঞাত বস্তু আঘাত হেনেছে। এই ঘটনা স্থানীয় সময় শুক্রবার রাতে ঘটে বলে জানিয়েছেন কাতার গ্যাস পরিবহন কম্পানি নাকিলাত।

কাতার স্টক এক্সচেঞ্জে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে প্রতিষ্ঠানটি জানায়, ‘আল মায়েদা’ নামের ট্যাংকারটিতে অজ্ঞাত বস্তু আঘাত হানে। তবে এতে জাহাজের কোনো নাবিক আহত হননি এবং পরিবেশেরও কোনো ক্ষতি হয়নি।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, জাহাজটি নিরাপদ ও সচল রয়েছে। ঘটনার প্রভাব মূল্যায়ন করা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, নাকিলাত কাতারের সব বন্দর ও টার্মিনালে জাহাজ পরিবহনসেবা দেওয়ার পাশাপাশি টাগবোট ও অন্যান্য সামুদ্রিক সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে র‍্যাগিং ও মাদক সেবনের অভিযোগে ৩০ শিক্ষার্থী শাস্তি পেলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:১৫ পি.এম


খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে র‍্যাগিং ও মাদক সেবনের অভিযোগে ৩০ শিক্ষার্থী শাস্তি পেলেন

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে (খুবি) র‍্যাগিং, মারধর, হয়রানি এবং মাদক সেবনের অভিযোগে ৩০ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি প্রদান করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে ১০ জনকে এক থেকে দুই টার্মের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। অন্য শিক্ষার্থীদের অর্থদণ্ড এবং অভিভাবকের মুচলেকা দেওয়ার শাস্তি দেওয়া হয়েছে।

গত মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা বোর্ডের ২৮তম সভায় সংশ্লিষ্ট তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। পরে বুধবার ছাত্রবিষয়ক পরিচালক ও শৃঙ্খলা বোর্ডের সদস্যসচিব অধ্যাপক ড. মো. সালাউদ্দীন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, র‍্যাগিং ও হয়রানির ঘটনায় বিভিন্ন শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার এবং অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এক শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় একজনকে বহিষ্কার করা হয়েছে এবং কয়েকজনকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মাদক সেবনের ঘটনায় তিন শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গত বছরের ২৯ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটেরিয়া প্রাঙ্গণে ছয় শিক্ষার্থীকে হয়রানির ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ফরেস্ট্রি অ্যান্ড উড টেকনোলজি (ফউটে) ডিসিপ্লিনের মো. ফারদিন আহমেদ দিপন এবং ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ ডিসিপ্লিনের শেখ আমির মাহদ্বীন ও শেখ মুরসালিন রহমানকে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

এ বছরের ৬ মে ফউটে ডিসিপ্লিনের ২৬ ব্যাচের ১২ শিক্ষার্থী একই ডিসিপ্লিনের ২৫ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের দ্বারা র‍্যাগিংয়ের শিকার হন। এই ঘটনায় প্রণয় কুমার ঘোষকে পরবর্তী দুই টার্ম বহিষ্কারের পাশাপাশি ১৫ হাজার টাকা এবং মো. জুবায়ের হোসেনকে পরবর্তী এক টার্ম বহিষ্কারের পাশাপাশি ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, অসিম দাস, তৌফিক মাহিনুল আহছান ও আব্দুল্লাহ আল সিফাতকে ১৫ হাজার টাকা করে এবং স্বপন কুমার দাশ, দেবাশীষ মন্ডল ও সজল পালকে ৫ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

গত ১২ মে আইন ডিসিপ্লিনের ২৪ ব্যাচের শিক্ষার্থী মো. আমানউল্লাহ আমানকে ফউটে ডিসিপ্লিনের আনুমানিক ২৫ শিক্ষার্থী এলোপাতাড়ি মারধর করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনায় বিশ্বজিৎ চক্রবর্তীকে পরবর্তী দুই টার্মের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। একই ঘটনায় সুদীপ কুমার নন্দী, মাহমুদুর রহমান, হেমেন্দ্র মৃধা, আসিফ আদনান, আজিজিল ইসলাম কাফফি, শেখ তাজবীদ ইসলাম, রাকিব হোসেন ও প্রণয় কুমার ঘোষকে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

গত ১৪ আগস্ট রাত ৯টা থেকে ১২টা পর্যন্ত হল রোডসংলগ্ন নয়ন সড়কের একটি আবাসিক বাসায় ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ ডিসিপ্লিনের ২৫ ব্যাচের কয়েকজন শিক্ষার্থী ২৬ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের জোরপূর্বক উপস্থিত হতে বলেন বলে অভিযোগ ওঠে।

এই ঘটনায় মুশফিকুল হক মাহিদকে পরবর্তী দুই টার্ম বহিষ্কারের পাশাপাশি ১৫ হাজার টাকা, মো. মারুফ সরোয়ারকে পরবর্তী এক টার্ম বহিষ্কারের পাশাপাশি ১৫ হাজার টাকা, মো. মিশন রহমান ও মো. খায়রুল ইসলামকে পরবর্তী এক টার্ম বহিষ্কারের পাশাপাশি ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সাইদিস সালেহীন স্বপ্নীল, ঋত্বিক কর্মকার, সৌরভ চন্দ্র বর্মন ও রাগিব শাহরিয়ারকে ২৫ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, গত ৩০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী ছাত্রবিষয়ক পরিচালকবৃন্দের নিয়মিত টহলের সময় ক্যাম্পাসের নির্মাণাধীন ৪ নম্বর একাডেমিক ভবনের দ্বিতীয় তলা থেকে গাঁজাসহ গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা (এমসিজে) ডিসিপ্লিনের তিন শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়।

এই ঘটনায় এস এম তৌফিক আলমকে পরবর্তী দুই টার্ম বহিষ্কার ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, মুশফিক উল ইসলামকে পরবর্তী এক টার্ম বহিষ্কার ও ১০ হাজার টাকা এবং কাজী রিয়াজুস ছলেহীনকে পরবর্তী এক টার্ম বহিষ্কার ও ১৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকার ৭ রুটে ৮৬১ বাস নামছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:১৬ পি.এম


ঢাকার ৭ রুটে ৮৬১ বাস নামছে

রাজধানীর গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে বাস রুট র‍্যাশনালাইজেশন কার্যক্রমের আওতায় সাতটি রুটে কোম্পানিভিত্তিক বাস চলাচল শুরু হতে যাচ্ছে। প্রাথমিকভাবে সাতটি পরিবহন কোম্পানির অধীনে এই রুটগুলোতে ৮৬১টি বাস চলবে। রুটগুলোর মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ২০০ কিলোমিটার।

রবিবার (১ নভেম্বর) দুপুর ১২টায় রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও পরিবহন মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের প্রধান সমন্বয়কারী শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস।

ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) তালিকা অনুযায়ী, রুটগুলো হলো গাজীপুরের শিববাড়ী থেকে আজিমপুর, টঙ্গী থেকে আজিমপুর, মিরপুর চিড়িয়াখানা থেকে কেরানীগঞ্জের চুনকুটিয়া, ঘাটারচর থেকে ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার, ঘাটারচর থেকে চিটাগাং রোড-কাঁচপুর, ঘাটারচর থেকে ধউর এবং মিরপুর-১ থেকে কাকলী-বনানী সার্কুলার রুট।

এসব রুটে ভিআইপি সিটি পরিবহনের ২৫৩টি, ঢাকা সিটি পরিবহনের ২০টি, চিড়িয়াখানা সিটি পরিবহনের ১৩৩টি, রমজান আলী সিটি পরিবহনের ৮০টি, থ্রি স্টার সিটি পরিবহনের ১২০টি, পি. পি. বি. সিটি পরিবহনের ২২৫টি এবং ট্রাস্ট ট্রান্সপোর্ট সার্ভিসের ৩০টি বাস চলাচল করবে। এসব রুটে এসি ও নন-এসি বাস থাকবে।

নতুন ব্যবস্থায় বাসের সামনে-পেছনে ডিজিটাল বোর্ডে রুট নম্বর, গন্তব্য ও গাড়ির ক্রমিক নম্বর প্রদর্শন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নির্ধারিত স্টপেজ ছাড়া যাত্রী ওঠানো-নামানো, অতিরিক্ত যাত্রী বহন এবং নিয়মবহির্ভূত ওভারটেকিং করা যাবে না। চালক ও সহকারীদের পরিচ্ছন্ন পোশাক পরা এবং যাত্রীদের সঙ্গে সৌজন্যমূলক আচরণ করতে হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শিমুল বিশ্বাস বলেন, ঢাকার ৩২টি রুটে পর্যায়ক্রমে এ ব্যবস্থা চালু করা হবে। প্রতিটি রুটের বাসে আলাদা রং ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

অনুষ্ঠানে ডিটিসিএর নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ মসিউর রহমান, ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ, বিআরটিএ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাবীবুর রহমানসহ পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শ্রীলঙ্কান নারীর দুঃসহ দ্বীপবাস কুক আইল্যান্ডসে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:১৬ পি.এম


শ্রীলঙ্কান নারীর দুঃসহ দ্বীপবাস কুক আইল্যান্ডসে

প্রশান্ত মহাসাগরের মাঝে একটি ছোট দ্বীপে আটকে পড়া কারো জন্য স্বপ্ন হতে পারে, আবার কারো জন্য রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা; কিন্তু ৫০ বছর বয়সী শ্রীলঙ্কান নারী রুচিরা রানাসিংঘার জন্য এটি হয়ে উঠেছে এক ভয়াবহ বন্দীজীবন। তিনি তিন বছর ধরে কুক আইল্যান্ডসে আটকে আছেন আইনী জটিলতার কারণে। সম্প্রতি বিবিসির একটি প্রতিবেদনে তার এই দুঃসহ জীবনযাত্রার বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে।

২০১৮ সালে তিনি দেশ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন, ভাগ্য পরিবর্তনের আশায়। প্রথমে হংকং হয়ে নিউজিল্যান্ডে যাওয়ার পরিকল্পনা করেন। সেখানে স্থায়ী হওয়ার ইচ্ছা ছিল তার। তবে এক অভিবাসন উপদেষ্টার পরামর্শে তিনি সাময়িকভাবে কুক আইল্যান্ডসে যান। এরপর থেকে তিনি সেখানেই আটকে আছেন। এখন তিনি যে কোনো মূল্যে দেশে ফিরতে চান; এমনকি ‘হাতে হাতকড়া, মুখ ও হাত-পা বাঁধা’ অবস্থায় হলেও। কিন্তু নিউজিল্যান্ড তাকে ট্রানজিট ভিসা দিতে অস্বীকৃতি জানায়, অস্ট্রেলিয়াও একইভাবে তাকে ট্রানজিট ভিসা দিতে রাজি নয়।

কুক আইল্যান্ডস থেকে তার জন্য দুটি আন্তর্জাতিক গন্তব্য ছিল, তাহিতি এবং হাওয়াই। কিন্তু সেখানেও যেকোনো ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া করার জন্য নিউজিল্যান্ডে গিয়ে সশরীরে বায়োমেট্রিক তথ্য দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ফলে কুক আইল্যান্ডস ছাড়ার কোনো বাস্তবসম্মত পথ তার সামনে নেই।

রুচিরা চোখের পানি মুছতে মুছতে বলেন, ‘নভেম্বর মাসে আমার একমাত্র ছেলের বিয়ে হতে যাচ্ছে এবং আমি সত্যিই তার বিয়েতে উপস্থিত থাকতে চাই। আমার কী হয়েছে তা নিয়ে আমার মা এতটাই দুশ্চিন্তা করছেন যে তাকে প্রতিনিয়ত হাসপাতালে যাওয়া-আসা করতে হচ্ছে। তারা আমাকে যা করতে বলবে আমি তা-ই করব—আমি শুধু বাড়ি ফিরতে চাই।’

২০১৮ সালে ব্যবসায় লোকসানের কারণে তিনি নিজের ছোট টি-শার্ট কারখানা বন্ধ করতে বাধ্য হন। ঋণের টাকা পরিশোধের জন্য তিনি বয়স্ক ও শিশুদের গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করার জন্য হংকং চলে যান। তার ভাই বিবিসিকে জানান, তিনি প্রচণ্ড আর্থিক চাপের মধ্যে পড়েছিলেন। তিনি আরো উল্লেখ করেন, তার স্বামী একজন মাদকাসক্ত ছিলেন এবং প্রায় সাত বছর আগে মারা যান।

২০২২ সালের ডিসেম্বরে রুচিরা নিউজিল্যান্ডে যান। সেখানে তিনি দুই মাসের ভিজিট ভিসায় তার এক কাজিনের সাথে থাকতেন। ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার মুখে, একজন ইমিগ্রেশন দোভাষী তাকে শ্রীলঙ্কার ঋণদাতাদের কাছ থেকে হুমকির মুখোমুখি হওয়ার অজুহাতে রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করতে সাহায্য করেন। তাকে আশ্রয়প্রার্থী হিসেবে ‘ওপেন ওয়ার্ক ভিসা’ দেওয়া হয়, যার ফলে তিনি এক বছরের জন্য যেকোনো নিয়োগকর্তার অধীনে কাজ করার সুযোগ পান। তিনি একটি রেস্তোরাঁয় চাকরি পান এবং রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষ তাকে একটি এমপ্লয়মেন্ট ভিসা স্পন্সর করতে রাজি হয়, যা তাকে দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্ব দেবে বলে তিনি বিশ্বাস করেছিলেন।

কিন্তু নিউজিল্যান্ডে আশ্রয়প্রার্থীদের আবেদন প্রক্রিয়াধীন থাকাকালীন সাধারণত তারা অন্য কোনো ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন না বলে সেটি বাতিল করে দেওয়া হয়। তখন তিনি 'ইমিগ্রেশন অ্যান্ড সেক্রেটারিয়াল সার্ভিসেস' নামের একটি ফার্মের সাথে যোগাযোগ করেন। তার দাবি, প্রতিষ্ঠানটি তাকে বলেছিল যে বিদেশ থেকে এমপ্লয়মেন্ট ভিসার জন্য নতুন করে আবেদন করা যেতে পারে।

ফার্মের ম্যানেজার সিলভিয়ান গ্যালান্ট বলেছিলেন যে রুচিরা দেশ ছাড়ার সাথে সাথেই তিনি এই প্রক্রিয়া শুরু করবেন। তাই আবেদন করার সময়টুকুর জন্য তিনি কুক আইল্যান্ডসে একটি সংক্ষিপ্ত অবস্থানের জন্য টিকিট বুক করেন। কিন্তু সে সিদ্ধান্ত রুচিরার জন্য কাল হয়ে দাঁড়ায়। তাকে নতুন করে এমপ্লয়মেন্ট ভিসা দিতে অস্বীকৃতি জানানো হয়। নিউজিল্যান্ড ছাড়ার কারণে তিনি তার বিদ্যমান ভিসার শর্তাবলী লঙ্ঘন করেন। নিউজিল্যান্ড কর্তৃপক্ষ তাকে পরিষ্কার জানিয়ে দেয় যে ভবিষ্যতে তাকে আর কোনো ভিসা দেওয়া হবে না।

গ্যালান্ট তার পক্ষ হয়ে বিভিন্ন তদবির করার দাবি করেন, যার মধ্যে নিউজিল্যান্ডের তৎকালীন ইমিগ্রেশন মন্ত্রী ক্রিস পেনকসহ অন্যান্য রাজনীতিকদের কাছে চিঠি লেখাও অন্তর্ভুক্ত ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত রানাসিংঘা বলেন, গ্যালান্ট স্বীকার করেন যে পরিস্থিতিটি তার ভুলের কারণেই হয়েছে এবং তাকে বলেন যে তার আর কিছুই করার নেই।

রুচিরা যখন শ্রীলঙ্কার টিকিট নিয়ে এয়ার নিউজিল্যান্ডের বিমানে চড়ার জন্য বিমানবন্দরে হাজির হন, তখন তাকে বলা হয় যে নিউজিল্যান্ডের ট্রানজিট ভিসা ছাড়া তিনি বিমানে উঠতে পারবেন না। নিউজিল্যান্ডের ট্রানজিট ভিসার জন্য তার তিনটি আবেদন প্রত্যাখ্যাত হয়। কর্তৃপক্ষ জানায়, তিনি যে নিউজিল্যান্ডে গিয়ে আবার সেটি ত্যাগ করবেন, সে বিষয়ে তারা নিশ্চিত হতে পারছেন না। অস্ট্রেলিয়ার ট্রানজিট ভিসার জন্য করা চারটি আবেদনও একইভাবে বাতিল করা হয়।

একটি প্রত্যাখ্যানপত্রে নিউজিল্যান্ড তাকে বিকল্প রুট খুঁজে দেখার পরামর্শ দেয়। কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য হাওয়াই এবং ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়ার দ্বীপ তাহিতি—উভয় পক্ষই তাকে জানায় যে কোনো ভিসা প্রক্রিয়া করার আগে তাকে বায়োমেট্রিক তথ্য দিতে হবে, যা কেবল নিউজিল্যান্ডে সশরীরে গিয়েই দেওয়া সম্ভব।

নিউজিল্যান্ডে করা তার সর্বশেষ আবেদনটি—যেটিতে তিনি যেসব বিকল্প রুটের চেষ্টা করছিলেন তার সমস্ত বিবরণ, সেই সাথে তার ছেলের আসন্ন বিয়ে এবং মায়ের অসুস্থতার কথা উল্লেখ করেছিলেন—তাও প্রত্যাখ্যাত হয়। কান্নায় ভেঙে পড়ে রুচিরা বলেন, ‘টিকিটের পেছনে আমি অনেক টাকা হারিয়েছি। প্রায় চার বছর ধরে আমি কেবল একটার পর একটা ভিসার আবেদনই করে যাচ্ছি, কিন্তু কোনো কিছুই কাজে আসছে না।’

অকল্যান্ড থেকে মাত্র চার ঘণ্টার দূরত্বে অবস্থিত দিগন্ত বিস্তৃত বালুকাময় সমুদ্রসৈকত এবং রুক্ষ আগ্নেয়গিরির চূড়ার জন্য পরিচিত এই দ্বীপপুঞ্জে রুচিরা এখন একজন অনিচ্ছাকৃত অতিথি। তবে তিনি বলেন, তার মতো পরিস্থিতিতে থাকা অন্যদের তুলনায় তিনি কিছুটা ভাগ্যবান। কারণ হোটেল কর্তৃপক্ষ তাকে তাদের স্টাফ কোয়ার্টারে বিনামূল্যে থাকার অনুমতি দিয়েছে এবং স্থানীয় বন্ধুত্বপূর্ণ বাসিন্দারা তাকে খাবার ও পোশাক জুগিয়ে যাচ্ছেন।

হোটেলের একজন পরিচালক তাকে একটি সেলাই মেশিনও উপহার দিয়েছেন, যা দিয়ে তিনি সামান্য কিছু আয় করতে পারছেন। তিনি বিবিসি-কে বলেন, ‘আমার মা সবসময় আমাকে বলেন যে আমি নিশ্চয়ই ভালো কোনো কাজ করেছিলাম, যার কারণে আমি এমন একটি জায়গায় এসেছি যেখানে মানুষ আমার প্রতি এত দয়ালু।’ কিন্তু এই দয়াও তার খাঁচায় বন্দি থাকার অনুভূতিকে বিন্দুমাত্র কমাতে পারছে না।

অকল্যান্ড-ভিত্তিক অভিবাসন আইন বিশেষজ্ঞ অ্যালিস্টার ম্যাকক্লিমন্ট বলেন, ’সত্যি বলতে, তার সমাধান কী তা আমার জানা নেই।’ তিনি বলেন, ওই নারী ভয়ানক ভুল পরামর্শ পেয়েছিলেন, যা নিশ্চিতভাবেই কোনো আসল অভিবাসন আইনজীবীর কাছ থেকে আসতে পারে না। তিনি তথাকথিত অভিবাসন পরামর্শদাতাদের একটি চক্রের দিকে ইঙ্গিত করেন, যারা কোনো ঝুঁকি না বুঝেই আবেদনের জন্য মানুষের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেয়। রুচিরা জানান, তিনি 'ইমিগ্রেশন অ্যান্ড সেক্রেটারিয়াল সার্ভিসেস'-কে ফি বাবদ হাজার হাজার নিউজিল্যান্ড ডলার দিয়েছেন।

ম্যাকক্লিমন্ট ইঙ্গিত করেন যে নিউজিল্যান্ড কর্তৃপক্ষ তাকে ট্রানজিট ভিসা দেবে না, কারণ তাদের ধারণা, যেহেতু এই নারী আগে রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করে দাবি করেছিলেন যে শ্রীলঙ্কায় তার জীবন বিপন্ন, তাই তিনি আর শ্রীলঙ্কায় ফিরতে চান না। তিনি আরও বলেন, নিউজিল্যান্ড তাদের প্রতিবেশী দেশ অস্ট্রেলিয়ার সাথে সমন্বয় করে কাজ করে, যার অর্থ অস্ট্রেলিয়াও তাকে ট্রানজিট সুবিধা দিতে চাইবে না এবং ফ্রান্স ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও সম্ভবত একই সিদ্ধান্তে পৌঁছাবে। দেশ ছাড়তে হলে তাকে কোনো না কোনো জায়গা দিয়ে ট্রানজিট নিতেই হবে এবং কেউই এই ঝুঁকি নিতে চাইবে না।

ইমিগ্রেশন নিউজিল্যান্ড বিবিসি-কে জানিয়েছে যে তারা রুচিরার কাছ থেকে একাধিক ট্রানজিট ভিসার আবেদন পেয়েছেন এবং সবগুলোই প্রত্যাখ্যাত হয়েছে ‘কারণ আমরা নিশ্চিত হতে পারিনি যে নিউজিল্যান্ডের মধ্য দিয়ে ট্রানজিট নেওয়ার বিষয়ে তার কোনো আসল উদ্দেশ্য রয়েছে।

রুচিরা হাতকড়া পরা এবং প্রহরী বেষ্টিত অবস্থায় যাওয়ার প্রস্তাব দেওয়া সত্ত্বেও কেন তাকে একটি ভিসা দেওয়া যাচ্ছে না; জানতে চাইলে ইমিগ্রেশন মন্ত্রীর কার্যালয়ের একজন প্রতিনিধি জানান, এই ব্যবস্থাগুলো কোনো ব্যক্তিকে পুনরায় রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করা থেকে বিরত রাখতে পারে না।

এদিকে, শ্রীলঙ্কা সরকার কোনো সাহায্য করতে পারে কি না তা দেখার চেষ্টা করছে রুচিরার পরিবার। তার ভাই বলেন, তারা সম্ভাব্য সব পথেই চেষ্টা করেছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত আমরা এই বিষয়ে কোনো সমাধান বের করতে পারিনি।

শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিবিসি-কে জানিয়েছে যে তারা কুক আইল্যান্ডস থেকে শ্রীলঙ্কায় তার প্রত্যাবর্তন সহজতর করার জন্য সমস্ত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে। নিউজিল্যান্ডের ওয়েলিংটনে অবস্থিত শ্রীলঙ্কান হাইকমিশনের কর্মকর্তারা এবং নিউজিল্যান্ডের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাথে নিবিড়ভাবে কাজ করছে।

কিন্তু রুচিরার ভাই গভীরভাবে চিন্তিত। বিবিসিকে তিনি বলেন, ‘তার মানসিক অবস্থা ভালো নয়। আমাদের একবার কথা বলার সময় সে আমাকে বলেছিল, তারা যদি তাকে জীবিত অবস্থায় দেশে ফিরিয়ে আনতে রাজি না হয়, তবে তারা যেন অন্তত তার মৃতদেহটি দেশে ফেরত পাঠায়।’

সূত্র : বিবিসি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:১৯
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%