সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:৫০ এম
পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন অঞ্চলে অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি গভীর নিম্নচাপে রূপান্তরিত হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) এটি দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে আরও ঘণীভূত হয়ে একই এলাকায় ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এরপর এটি ক্রমান্বয়ে দিক পরিবর্তন করে পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় আকারে আগামী বুধবার (২৮ অক্টোবর) ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ উপকূল অতিক্রম করতে পারে।
এদিকে সোমবারের আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।
এছাড়া, দেশের অন্যান্য স্থানে অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লোকে বলে এল ক্লাসিকো নাকি অত হিসাব-নিকাশের ধার ধারে না। গেল রাতের ম্যাচটা তার দারুণ একটা প্রমাণ দিয়ে গেল।
এই ম্যাচে রিয়াল মাদ্রিদ জিতবে, তা বোধ হয় পাঁড় রিয়াল-ভক্তও ভাবেননি। কিন্তু শেষমেশ হলো সে ‘অভাবনীয়’ ঘটনাটাই। লস ব্ল্যাঙ্কোসরা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দাপট দেখিয়েছে ন্যু ক্যাম্পে। তুলে নিয়েছে ২-১ গোলের দুর্দান্ত এক জয়।
আর এই দাপুটে জয়ের নেপথ্যে কলকাঠি নেড়েছেন দলটির কোচ জোসে মরিনিও। ম্যাচের আগে আর ম্যাচ চলাকালে তিনি বড় ৩টি সিদ্ধান্ত নেন। দিনশেষে সেগুলোই ‘মাস্টারস্ট্রোক’ হয়ে গেল। খেলার চেহারাটাই বদলে দিল রীতিমতো।
মাস্টারস্ট্রোক নাম্বার ১: বের্নার্দো সিলভা
এই ম্যাচে কোচ মরিনিও ফিরে গিয়েছিলেন তার ৪ জনের মিডফিল্ডের কৌশলে। যেখানে ডাবল পিভোটে রক্ষণাত্মক ভূমিকায় দেখা গেছে বের্নার্দো সিলভা। এই এক সিদ্ধান্তই রিয়ালের মাঝমাঠে ভারসাম্য নিয়ে এসেছে।
রিয়াল মাদ্রিদে আসার পর থেকে সিলভাকে কোচ মরিনিও শুরুর একাদশে রেখেছেন মোটে ৪ বার। তাও সেসব ম্যাচে তিনি খেলেছেন আরও বেশি সেন্ট্রাল ভূমিকায়। গেল রাতের মতো রক্ষণাত্মক দায়িত্ব পালন করতে হয়নি। বার্সেলোনার বিপক্ষে সেটাই গছিয়ে দেওয়া হয় তার কাঁধে, সে ভূমিকাতে তিনি শুধু উতরেই যাননি, দলকেও তরিয়ে দিয়েছেন দারুণভাবে। সিলভার মতো একজন টেকনিক্যাল খেলোয়াড়, যিনি আবার রক্ষণকাজটাও সারছেন দুর্দান্তভাবে, এমন একজনের উপস্থিতি দলের ওপরের দিকের খেলোয়াড়দের নির্ভার করে দেয়। রিয়াল মাদ্রিদ বল পায়ে বার্সার বিপক্ষে আরও বেশি সৃজনশীলতা দেখাতে পেরেছে, পেছনে তিনি ছিলেন বলেই তো।
মাস্টারস্ট্রোক নাম্বার ২: প্রেস রেজিস্ট্যান্সি
হানসি ফ্লিকের বার্সেলোনা প্রেসিং ফুটবল খেলে অভ্যস্ত। সেই বার্সার প্রেসকে হারানোর কার্যকর উপায় এই রাতে বের করে দেখিয়েছেন মরিনিও। রিয়ালের খেলোয়াড়রা প্রতিপক্ষকে নিজেদের দিকে টেনে এনেছে, এরপর বল নিয়ে এগিয়েছে সেই জায়গা দিয়ে, যেখানে বার্সেলোনার রক্ষণে ফাঁকা জায়গা তৈরি হচ্ছিল।
এই বল সার্কুলেশনই বার্সার বিপক্ষে দারুণ কাজে লাগে। কারণ কাতালানরা রক্ষণের পেছনে অনেক বেশি জায়গা রেখে এসেছে সবসময়। এমবাপ্পে ছাড়াও আরও একজন সবসময় লেট রান নিয়েছেন রক্ষণের পেছনের ফাঁকা জায়গায়। ফলে বার্সার রক্ষণকে অন্য যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি ফাঁকা মনে হয়েছে গেল রাতে। প্রতি আক্রমণে অন্তত ৪ বার রিয়াল সংখ্যাগত আধিক্য নিয়ে ঢুকেছে বার্সার বিপদসীমায়।
মাস্টারস্ট্রোক নাম্বার ৩: এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গা
মরিনিওর শুরুর পরিকল্পনা যেমন ফল এনে দিয়েছে, তেমনি বেঞ্চ থেকে তার পরিবর্তনও ছিল সমান জরুরি। ফ্লিক ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ংকে মাঠে এনে মাঝমাঠের দখল নিতে চেয়েছিলেন আরও ভালোভাবে। ফলে একটা সময় মনে হচ্ছিল অন্তত একটা পয়েন্ট নিয়ে বার্সা মাঠ ছাড়ছেই।
ঠিক তখনই নিজের দ্বিতীয় চালটা দেন মরিনিও। তিনি নামান এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গাকে। তাকে ব্যবহার করা হয়েছে আরও একটু ওয়াইড এরিয়াতে। জয়সূচক গোলে ভূমিকাটা তিনি রেখেছেন ওই ওয়াইড এরিয়াতেই। বেলিংহ্যামের বাড়ানো বল ধরে এগিয়ে গেছেন বার্সা রক্ষণে। সেখানে প্রায় পুরো ম্যাচ নিখুঁত খেলে চলা পাউ কুবারসিকে ধোঁকা দেন দারুণ এক মুভে, শেষমেশ তার বাড়ানো বলটা অনায়াসেই বার্সার জালে জড়ান এমবাপ্পে। কামাভিঙ্গার অবদান পেয়ে যায় তার যথার্থ পুরস্কার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিনে আগামী ১ নভেম্বর থেকে পর্যটন মৌসুম শুরু হতে যাচ্ছে। ২০২৭ সালের ১৫ মার্চ পর্যন্ত প্রায় সাড়ে চার মাসের জন্য পর্যটকদের দ্বীপ ভ্রমণের সুযোগ থাকবে। প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৫০০ পর্যটক দ্বীপে প্রবেশের অনুমতি পাবেন। তবে দ্বীপের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের জন্য প্রত্যেক পর্যটককে ১০০ টাকা করে পরিবেশ সংরক্ষণ ফি দিতে হবে।
রোববার (২৫ অক্টোবর) পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের পরিবেশ-২ শাখা থেকে পর্যটক ভ্রমণের সময়সূচি ও শর্তাবলী জানিয়ে একটি নির্দেশনা জারি করা হয়।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, পরিবেশগতভাবে সংকটাপন্ন সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটক গমন বিষয়ে গত ১২ অক্টোবর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় দ্বীপটির পরিবেশ সংরক্ষণ ও পর্যটক চলাচল ব্যবস্থাপনায় বেশ কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১ নভেম্বর থেকে ২০২৭ সালের ১৫ মার্চ পর্যন্ত সেন্টমার্টিনে পর্যটকদের যাতায়াত চালু থাকবে। পর্যটকবাহী অনুমোদিত জাহাজগুলো কক্সবাজারের নুনিয়াছড়া ঘাট থেকে চলাচল অব্যাহত রাখবে।
এছাড়া বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) এবং নৌপরিবহন অধিদপ্তর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া সেন্টমার্টিন দ্বীপে নৌযান চলাচলের অনুমতি দিতে পারবে না।
পর্যটক পরিবহন ও নৌযান চলাচলসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, পরিবেশ অধিদপ্তর, কক্সবাজার জেলা প্রশাসন, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড, কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এবং ট্যুরিস্ট পুলিশকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৫ সালের ২২ অক্টোবর জারি করা আগের প্রজ্ঞাপনের নির্দেশনাগুলো বহাল থাকবে। ফলে পর্যটক চলাচলের নতুন সময়সীমা নির্ধারণের পাশাপাশি আগের পরিবেশ সংরক্ষণসংক্রান্ত বিধিনিষেধও কার্যকর থাকবে।
এদিকে, পর্যটন মৌসুম শুরুর খবরে দ্বীপের বাসিন্দা, হোটেল-রিসোর্ট মালিক, নৌযানসংশ্লিষ্ট শ্রমিক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে। দীর্ঘদিনের বিধিনিষেধের কারণে পর্যটননির্ভর মানুষের আয়-রোজগার কমে যাওয়ায় অনেক পরিবার আর্থিক সংকটে পড়েছিল। নতুন মৌসুমে পর্যটকদের আগমন তাদের জীবিকায় স্বস্তি ফিরিয়ে আনবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।
পর্যটন খুলে দেওয়ার খবর পাওয়ার সাথে সাথেই সেন্টমার্টিনের বাসিন্দারা আনন্দ মিছিল করেন। তারা জানান, পর্যটকদের সেন্টমার্টিনে যাতায়াতের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য সরকারকে ধন্যবাদ। "আমরা অনেক কষ্টে দিন কাটাচ্ছিলাম। পর্যটন মৌসুম চালু হওয়ায় আমরা খুবই খুশি। পর্যটকেরা আনন্দের সঙ্গে দ্বীপে আসতে পারবেন, পাশাপাশি স্থানীয় আমাদের আয়-রোজগারের সুযোগও বাড়বে।"
সেন্টমার্টিন ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফয়জুল ইসলাম বলেন, "পর্যটন মৌসুম চালু হওয়ায় দ্বীপবাসী অনেক খুশি। গত দুই বছর পর্যটন ভ্রমণে কঠোর বিধিনিষেধ থাকায় এখানকার মানুষ অনেক কষ্টে দিন কাটিয়েছেন। দ্বীপের মানুষের জীবিকা মূলত পর্যটননির্ভর। নতুন মৌসুমে পর্যটকদের আগমন তাদের কষ্ট অনেকটা লাঘব করবে বলে আশা করছি। এ সিদ্ধান্তের জন্য সরকারের প্রতি দ্বীপবাসীর পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা জানাই।"
টেকনাফ উপজেলা সেক্রেটারি, যুব ও ক্রীড়া বিভাগ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দায়িত্বরত আবদুর রহমান নুরী বলেন, "অতীতে কোনো সরকার পরিবেশ সংরক্ষণ ফি নামে কোনো ফি নেওয়ার রেকর্ড নেই। তাই সেন্টমার্টিন পরিবেশ সংরক্ষণ ফি বাবদ জনপ্রতি ১০০ টাকা করে যে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার, এ ফি ব্যয়ের স্বচ্ছ হিসাব সেন্টমার্টিন ও দেশবাসীর কাছে স্পষ্ট করতে হবে।"
এই বিষয়ে কক্সবাজার পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক খন্দকার মাহমুদ পাশাকে কয়েকবার ফোন করা হলেও কল রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশি ওমরাহ পালনকারীদের শেষ কাফেলার ৪০ সদস্য আজ নিরাপদে দেশে ফিরেছেন, যারা সৌদিতে হামলার কারণে আটকে পড়েছিলেন। তাদের অভ্যর্থনা জানাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাগণ।
ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)-এর নির্দেশনায় পরিচালক (হজ) মো. লোকমান হোসেন এবং মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. ফরহাদ আহমেদসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বিমানবন্দরে তাদের স্বাগত জানান।
গত ১০ অক্টোবর সৌদি আরবের রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুতি বিদ্রোহীদের হামলার কারণে এসব ওমরাহযাত্রী আটকে পড়েছিলেন। আজ দুপুরে তারা জেদ্দা থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।
ওমরাহযাত্রীদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনতে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে সার্বিক সমন্বয়ের ব্যবস্থা করা হয়। সৌদি আরবে অবস্থানকালে ধর্মমন্ত্রী নিয়মিত তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা প্রদান করেন।
ধর্মমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগে সৌদি আরবে অবস্থানরত ওমরাহযাত্রীদের জন্য দুই দিনের আপ্যায়ন ও পোশাকের ব্যবস্থা করা হয়। দেশে ফেরার পর তাদের আপ্যায়নের পাশাপাশি সিরাজগঞ্জ শহরে পৌঁছানোর জন্য ব্যক্তিগত তহবিল থেকে যানবাহনের ব্যবস্থা করা হয়।
কাফেলার নেতৃত্বে থাকা মুয়াল্লিম আব্দুল্লাহ-আল-মামুন জানান, সৌদি আরবে অবস্থানকালে ধর্মমন্ত্রী নিয়মিত তাদের খোঁজখবর নিয়েছেন এবং সার্বক্ষণিক সহযোগিতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন।
তিনি উল্লেখ করেন, লাগেজ না পাওয়ার কারণে বিপাকে পড়া যাত্রীদের জন্য ধর্মমন্ত্রীর নির্দেশনায় খাবার, পোশাক ও প্রয়োজনীয় ওষুধের ব্যবস্থা করা হয়। দেশে ফেরার পর আপ্যায়ন ও সিরাজগঞ্জে নিরাপদে পৌঁছানোর জন্য যানবাহনের ব্যবস্থা করায় তারা ধর্মমন্ত্রীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
ওমরাহযাত্রীরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা ও সহযোগিতার জন্যও কৃতজ্ঞতা জানান। তারা ধর্মমন্ত্রীর সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন এবং আল্লাহর মেহমানদের সেবায় তাকে আরো বেশি কাজ করার তৌফিক দেওয়ার জন্য দোয়া করেন।
এদিকে, ওমরাহযাত্রীরা তাদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানের জন্য রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাস, মক্কা ও মদিনা হজ মিশন, রাজকীয় সৌদি সরকার এবং সৌদি এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
উল্লেখ্য, হুতি বিদ্রোহীদের হামলায় আহত বাংলাদেশি ওমরাহ কাফেলার সাতজন সদস্য সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার বাসিন্দারা বিভিন্ন প্রয়োজনে দোকানপাট ও মার্কেটের উদ্দেশ্যে বের হন। কিন্তু যদি তারা তীব্র যানজটের পর গিয়ে দেখেন যে সব দোকানপাট বন্ধ, তাহলে তাদের প্রচেষ্টা বিফলে যাবে। তাই সোমবার রাজধানীর কোন কোন এলাকায় দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ থাকবে, তা জানা প্রয়োজন।
যেসব এলাকার মার্কেট বন্ধ
আগারগাঁও, তালতলা, শেরেবাংলানগর, শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া, পল্লবী, মিরপুর-১০, মিরপুর-১১, মিরপুর-১২, মিরপুর-১৩, মিরপুর-১৪, ইব্রাহীমপুর, কচুক্ষেত, কাফরুল, মহাখালী, নিউ ডিওএইচএস, ওল্ড ডিওএইচএস, কাকলী, তেজগাঁও ওল্ড এয়ারপোর্ট এরিয়া, তেজগাঁও ইন্ডাস্ট্রিয়াল এরিয়া, ক্যান্টনমেন্ট, গুলশান-১, ২, বনানী, মহাখালী কমার্শিয়াল এরিয়া, নাখালপাড়া, মহাখালী ইন্টারসিটি বাস টার্মিনাল এরিয়া, রামপুরা, বনশ্রী, খিলগাঁও, গোড়ান, মালিবাগের একাংশ, বাসাবো, ধলপুর, সায়েদাবাদ, মাদারটেক, মুগদা, কমলাপুরের একাংশ, যাত্রাবাড়ীর একাংশ, শনির আখড়া, দনিয়া, রায়েরবাগ ও সানারপাড়।
অর্ধদিবস বন্ধ যেসব মার্কেট
পল্লবী সুপার মার্কেট, মিরপুর বেনারসি পল্লী, ইব্রাহীমপুর বাজার, ইউএই মৈত্রী কমপ্লেক্স, বনানী সুপার মার্কেট, ডিসিসি মার্কেট গুলশান-১ এবং ২, গুলশান পিংক সিটি, মোল্লা টাওয়ার, আল-আমিন সুপার মার্কেট, রামপুরা সুপার মার্কেট, মালিবাগ সুপার মার্কেট, তালতলা সিটি করপোরেশন মার্কেট, কমলাপুর স্টেডিয়াম মার্কেট, গোরান বাজার, আবেদিন টাওয়ার, ঢাকা শপিং সেন্টার, আয়েশা মোশারফ শপিং কমপ্লেক্স ও মিতালী অ্যান্ড ফ্রেন্ড সুপার মার্কেট।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ