ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইয়েমেনে সংঘর্ষে এক সপ্তাহে নিহত ৫ শতাধিক, বাস্তুচ্যুত ৭৮ হাজার


ইয়েমেনে সংঘর্ষে এক সপ্তাহে নিহত ৫ শতাধিক, বাস্তুচ্যুত ৭৮ হাজার

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ ইয়েমেনে সাম্প্রতিক সময়ে সংঘাতের তীব্রতা আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউএইচও) জানিয়েছে, বিভিন্ন ফ্রন্টে টানা কয়েকদিনের প্রচণ্ড সংঘর্ষে প্রায় তিন হাজার মানুষ হতাহত হয়েছেন।

সংস্থাটির সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৬ সেপ্টেম্বর থেকে ১২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দেশটিতে মোট ২,৮৮৩ জন হতাহত হয়েছেন। এর মধ্যে ৫০৪ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং আহতের সংখ্যা অন্তত ২,৩৭৯ জন।

বাস্তুচ্যুত প্রায় ৭৮ হাজার মানুষ

আরও পড়ুন: মিষ্টির আসনে উপনির্বাচনের জন্য এমপিদের স্বাক্ষরের তালিকা চায় ইসি

ডাব্লিউএইচও জানাচ্ছে, সংঘাত মারাত্মক রূপ নেওয়ায় ইয়েমেনের একাধিক প্রদেশে বিপুল সংখ্যক বেসামরিক নাগরিক গৃহহীন হয়ে পড়েছেন। গত শুক্রবার পর্যন্ত, তাইজ, মারিব, আল-জাওফ, লাহজ, হুদায়দাহ, আবিয়ান এবং শাবওয়া প্রদেশ থেকে অন্তত ৭৭,৭৮৯ জন মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন।

মারিবে পরিস্থিতি সবচেয়ে ভয়াবহ

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, মারিব প্রদেশ সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে এবং সেখানে দৈনিক হতাহতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি রেকর্ড করা হয়েছে।

৯ সেপ্টেম্বর: একদিনেই মারিবে নিহত ও আহতের সংখ্যা দাঁড়ায় ৪৬৯ জনে।

আরও পড়ুন: সৌদির দাবি, ৫ ড্রোন ধ্বংসের মধ্যে ৪টি মদিনার দিকে ছিল

১০ সেপ্টেম্বর: হতাহতের সংখ্যা ছিল ১৭৭ জন।

১১ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার): নতুন করে আরও ২১৯ জন হতাহত হন।

সংঘাত অব্যাহত থাকায় মানবিক বিপর্যয় আরও ঘনীভূত হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে ডাব্লিউএইচও।

আরও পড়ুন: রূপপুর পারমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রে পৌঁছেছে ইউরেনিয়ামের তৃতীয় চালান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে রোড ডিভাইডারে ফুটেছে রক্তিম কৃষ্ণচূড়া, মুগ্ধ চোখ জুড়ানো সৌন্দর্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শাহীন আলম, স্টাফ রিপোর্টার

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৪৭ পি.এম


ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে রোড ডিভাইডারে ফুটেছে রক্তিম কৃষ্ণচূড়া, মুগ্ধ চোখ জুড়ানো সৌন্দর্য

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের রোড ডিভাইডার বা মিডিয়ানে ফুটেছে বাহারি ফুল। বিশেষ করে ডিভাইডার জুড়ে কৃষ্ণচূড়া ও রাধাচূড়া ফুলের নান্দনিক শোভা এখন যাত্রী ও পথচারীদের মন কাড়ছে। দীর্ঘ পিচঢালা সড়ক আর তার মাঝখানে সবুজের বুকে লাল-হলুদ ফুলের সমারোহ পুরো সড়কজুড়ে সৃষ্টি করেছে এক অপরূপ সৌন্দর্য।
এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে যাতায়াতকারী যাত্রী ও স্থানীয়রা জানান, দূরপাল্লার ভ্রমণের ক্লান্তি এক নিমেষেই মুছে দেয় এই চোখ জুড়ানো দৃশ্য। বিশেষ করে সকাল ও বিকালের মিষ্টি রোদে কৃষ্ণচূড়া গাছের সারিবদ্ধ লাল ও হলুদ ফুলগুলো যখন মৃদু বাতাসে দোল খায়, তখন এক চমৎকার মনোরম পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
সড়ক বিভাগের এমন নান্দনিক উদ্যোগ এক্সপ্রেসওয়ের সৌন্দর্য বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রকৃতির এক সবুজ ছোঁয়া এনে দিয়েছে। যান্ত্রিক জীবনের ব্যস্ততার মাঝেও এই দৃষ্টিনন্দন রূপ ভ্রমণপিপাসু মানুষ ও চালকদের মনে এনে দিচ্ছে আলাদা প্রশান্তি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ক্ষতিপূরণে শিশুদের জন্য পাঠশালা গড়লেন প্রবাস ফেরত আতাউর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৪৮ পি.এম


ক্ষতিপূরণে শিশুদের জন্য পাঠশালা গড়লেন প্রবাস ফেরত আতাউর

দশ বছর আগে সিঙ্গাপুরে কাজ করার সময় মোহাম্মদ আতাউর রহমানের শরীরের ৭৩ শতাংশ ঝলসে গিয়েছিল একটি ভয়াবহ বিস্ফোরণের ফলে, এবং তিনি এক কানে শ্রবণশক্তিও হারিয়েছেন। সেই মুহূর্তে আতাউর ভেবেছিলেন, জীবন বোধহয় সেখানেই শেষ হয়ে গেছে। কিন্তু কঠিন বাস্তবতাকে জয় করে প্রবাস ফেরত আতাউর আজ নিজ গ্রামে পাবনায় সফল সমাজসেবক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছেন।

৩১ বছর বয়সী আতাউর স্মৃতিচারণ করে বলছিলেন, “ভেবেছিলাম ওটাই আমার জীবনের শেষ দিন, আর বাঁচব না।”

সিঙ্গাপুরে পাওয়া ক্ষতিপূরণের অর্থ এবং নিজের অদম্য ইচ্ছাশক্তিকে কাজে লাগিয়ে তিনি গড়ে তুলেছেন ‘আল-শোহাগ কিন্ডারগার্টেন’, যেখানে নতুন ভবনে প্রায় ৪০০ শিশু পড়াশোনার সুযোগ পাচ্ছে।

কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনার ক্ষতিপূরণ হিসেবে পাওয়া ১৩৭,০০০ সিঙ্গাপুরি ডলারের (প্রায় ১ লাখ ৭ হাজার মার্কিন ডলার) একটি অংশ দিয়ে তিনি এই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করেছেন। এর মধ্যে প্রায় ৩০,০০০ ডলার খরচ হয়েছে ‘আল-সোহাগ কিন্ডারগার্টেন’ চালুর জন্য এবং নতুন ভবনের জমি কেনায় আরও ৩০,০০০ ডলার ব্যয় হয়েছে।

শিক্ষা বিষয়ক একটি সম্মেলনে যোগ দিতে সিঙ্গাপুরে গিয়ে আতাউর বলেন, “আমার মতো যেন আর কাউকে অল্প বয়সে পড়াশোনা ছেড়ে দিতে না হয়। তারা যেন শিক্ষা চালিয়ে যেতে পারে, সেটাই আমি নিশ্চিত করতে চাই।”

২০১৫ সালে প্রায় ১৬ হাজার সিঙ্গাপুরি ডলার ঋণ নিয়ে সিঙ্গাপুরে পাড়ি জমিয়েছিলেন আতাউর। কিন্তু ২০১৬ সালের জুলাইয়ে গাছের ডাল ছাঁটাইয়ের কাজ করার পর তাকে একটি ভূগর্ভস্থ পানির ট্যাংক পরিষ্কারের নির্দেশ দেওয়া হয়।

প্রথমে রাজি না হলেও চাকরি হারানোর ভয়ে বাধ্য হয়ে ট্যাংকিতে নামেন আতাউর। আলো জ্বালাতেই ভেতরে এক বিকট বিস্ফোরণ ঘটে।

তিন মাস কোমা এবং ছয় মাস হাসপাতালে কাটানোর পর ত্বক প্রতিস্থাপন ও পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে তিনি সুস্থ হয়ে ওঠেন। দীর্ঘ চিকিৎসার পর সুস্থ হলেও সিঙ্গাপুর সরকার তদন্তে পায়, কোম্পানিটিতে কোনো সুরক্ষাব্যবস্থা বা প্রশিক্ষণ ছিল না। পরে কোম্পানিটিকে মোটা অঙ্কের জরিমানা করা হয়।

দুর্ঘটনার পর পাওয়া ক্ষতিপূরণের অংশ থেকে প্রায় ৩০ হাজার ডলার দিয়ে তিনি নিজের গ্রামে প্রাথমিক শিক্ষার আলো ছড়াতে ‘আল-শোহাগ’ স্কুলটি প্রতিষ্ঠা করেন। মাত্র ১০ বা ১১ বছর বয়সে প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করেই দারিদ্র্যের কারণে আতাউরের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যায়। পরিবারের হাল ধরতে মাঠে ধান ও সবজি চাষের কাজ শুরু করেন তিনি। নিজের গ্রাম পাবনায় (ঢাকা থেকে প্রায় ১৫০ কিমি দূরে) বহু শিশুর ভাগ্যেই এমনটা ঘটে। সিঙ্গাপুরের অভিজ্ঞতা ও শুভানুধ্যায়ীদের সহায়তা

স্কুল কীভাবে পরিচালনা করতে হয় তা শিখতে আতাউর সিঙ্গাপুরের বেশ কয়েকটি স্কুল পরিদর্শন করেন। সেখানে সিঙ্গাপুরের সাবেক সংসদ সদস্য ই ইয়েন জং এবং তার স্ত্রী আতাউরের পাশে দাঁড়ান। ২০২০ সালে টিনের ছাদের একটি ঘরে শুরু হয় এই স্কুলের যাত্রা। এই স্কুলে গরমের দিনে শিশুদের টিকে থাকা কঠিন ছিল। এমনকি কম্পিউটার চুরি হয়ে যাওয়ার ভয়ে নিজের বাড়ি থেকে কম্পিউটার এনে শিশুদের কাজ শেখাতেন আতাউর। পরে প্রচন্ড গরম ও স্থানসংকুলান না হওয়ায় একটি স্থায়ী ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

এই নতুন তিনতলা ভবন নির্মাণে প্রায় ১,৫০,০০০ সিঙ্গাপুরি ডলার খরচ হয়, যার বড় একটি অংশ এসেছে সিঙ্গাপুরের বিভিন্ন দাতাসংস্থা, ব্যক্তিগত অনুদান এবং নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান 'ওহ আপ'-এর সৌজন্যে। খরচ বাঁচাতে আতাউর নিজে রাজমিস্ত্রিদের সঙ্গে থেকে তদারকি করে চলতি বছরের জানুয়ারিতে শিক্ষার্থীদের নতুন ভবনে স্থানান্তর করেন।

বাস্তবমুখী শিক্ষা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

আল-শোহাগ স্কুলে প্রথাগত পড়াশোনার পাশাপাশি কৃষি কাজ, হাঁস-মুরগি পালন এবং কম্পিউটার শিক্ষার মতো ব্যবহারিক বিষয় শেখানো হয়। এলাকার দরিদ্র পরিবারের শিশুদের জন্য এখানে পড়ার খরচ মাত্র ৩ ডলার (প্রায় ২৭০ টাকা) রাখা হলেও, যারা দিতে পারে না তাদের বিনামূল্যে পড়ার সুযোগ দেওয়া হয়।

বর্তমানে স্কুলটিতে প্রায় ২৫০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। বর্তমানে এই স্কুলের দৈনিক পরিচালন খরচের ৮০ শতাংশ আসে অনুদান থেকে। প্রতিদিনের পরিচালন ব্যয় মেটাতে এবং স্কুলটিকে স্বাবলম্বী করতে আতাউর এখন নতুন একটি উদ্যোগের কথা ভাবছেন। তিনি চান সিঙ্গাপুরগামী কর্মীদের জন্য এখানে সঠিক কর্মমুখী প্রশিক্ষণ ও ইংরেজি শিক্ষার ব্যবস্থা করতে, যাতে তারা দালালের প্রতারণা ছাড়া নিরাপদে বিদেশে যেতে পারেন।

আতাউরের আশা, তার স্কুলের শিক্ষার্থীরা একদিন বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়াশোনা করবে। আতাউর রহমান বলেন, "নিজের পড়ার ক্ষুধা মেটাতে পারিনি, কিন্তু আমি চাই এই শিশুরা অনেক দূর এগিয়ে যাক।" নিজ ভবনের ৩য় তলায় স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে বসবাসকারী আতাউরের স্বপ্ন অনেক বড়। তার স্কুলের একজন শিক্ষার্থী ইতিমধ্যেই স্থানীয় সেরা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সরকারি স্কলারশিপ পেয়েছে। আতাউর বলেন, “হয়তো ১০ বছরে সম্ভব হবে না, তবে ভবিষ্যতে আমি আমার শিক্ষার্থীদের বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়তে দেখতে চাই।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিউজিল্যান্ডের তীব্র উদ্বেগ: পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি হামলা ও বসতি সম্প্রসারণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৪৮ পি.এম


নিউজিল্যান্ডের তীব্র উদ্বেগ: পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি হামলা ও বসতি সম্প্রসারণ

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান সহিংসতা এবং অবৈধ ইসরায়েলি বসতি সম্প্রসারণের কারণে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে নিউজিল্যান্ড। গাজার মানবিক পরিস্থিতির সংকট নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছে দেশটি।

নিউজিল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইনস্টোন পিটার্স ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিডন স্যারের সঙ্গে এক ফোনালাপে এই উদ্বেগ তুলে ধরেন। নিউজিল্যান্ডের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইনস্টোন পিটার্স শিগগিরই ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভার্সেন আগাবেকিয়ান শাহিনের সঙ্গে সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করবেন।

বিশ্বজুড়ে ফিলিস্তিনে দশকের পর দশক ধরে চলমান ইসরায়েলি অবৈধ দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে সমালোচনা বর্তমানে তীব্র আকার ধারণ করেছে। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে) ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলের উপস্থিতি এবং দখলদারিত্বকে ‘অবৈধ’ হিসেবে ঘোষণা করে। এর পর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদও এক বছরের মধ্যে এই অবৈধ দখলদারিত্ব অবসানের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব গৃহীত করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হরমুজ অবরোধে আরব বিশ্ব চরম অর্থনৈতিক ঝুঁকিতে, সমঝোতার তাগিদ বিশ্লেষকদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৪৯ পি.এম


হরমুজ অবরোধে আরব বিশ্ব চরম অর্থনৈতিক ঝুঁকিতে, সমঝোতার তাগিদ বিশ্লেষকদের

বিশ্ব রাজনীতির উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে পারস্য উপসাগরের কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালী’ অবরোধের ফলে চরম অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়েছে উপসাগরীয় আরব দেশগুলো। বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলছেন, এই সমুদ্রপথটি যুদ্ধের পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। সঙ্কট কাটিয়ে উঠতে আরব রাষ্ট্রগুলোকে ইরানের সাথে নতুন অর্থনৈতিক বা কূটনৈতিক সমঝোতা করতে হবে।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হামাদ বিন খলিফা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাবলিক পলিসির অধ্যাপক সুলতান বারাকাত মন্তব্য করেন, "বর্তমান বাস্তবতায় হরমুজ প্রণালী আগের মতো স্বাভাবিক হওয়ার আর কোনো সম্ভাবনা নেই। চলমান পরিস্থিতির পর ইরান আর কখনোই যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েল সম্পর্কিত সশস্ত্র বাহিনীর সামরিক জাহাজগুলোকে এই প্রণালী দিয়ে অবাধে চলাচল করতে দেবে না।"

অধ্যাপক বারাকাত আরও উল্লেখ করেন, চলমান অচলাবস্থার কারণে সবচেয়ে বেশি আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে উপসাগরীয় দেশগুলো। তাদের রপ্তানি পণ্যের প্রায় ৯০ শতাংশই বর্তমানে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছে না। বিশ্ববাজার কেবল উপসাগরীয় পণ্যের ওপর নির্ভর করে বসে থাকবে না; আন্তর্জাতিক ক্রেতারা ইতিমধ্যেই বিকল্প ব্যবস্থা খুঁজে নিতে শুরু করেছে। যদিও সাময়িকভাবে পণ্যের দাম বেড়েছে, তবে আন্তর্জাতিক বাজারে এখন পর্যন্ত মারাত্মক সরবরাহ ঘাটতি তৈরি হয়নি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘমেয়াদী এই স্থবিরতা এড়াতে আরব দেশগুলোকে বাস্তবতা মেনে নিতে হবে এবং নিজেদের অর্থনীতি রক্ষায় সমঝোতার পথ বেছে নিতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%