ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সামাজিক মূল্যবোধ ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে খেলাধূলার বিকল্প নাই: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী


সামাজিক মূল্যবোধ ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে খেলাধূলার বিকল্প নাই: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক মন্তব্য করেছেন, খেলাধূলার মাধ্যমে মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার জন্য, নীতি নৈতিকতা, সামাজিক মূল্যবোধ এবং সামাজিক শৃঙ্খলা পুনরুদ্ধার করা সম্ভব।

গতকাল মঙ্গলবার মুন্সীগঞ্জে বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন আমিনুল হক।

প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে খেলাধূলাকে সর্বাধিক গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে, যা সাধারণ মানুষের ভোটে নির্বাচিত। পেশাগত স্বীকৃতি হিসেবে ক্রীড়া ভাতা চালু করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: নায়ক মান্নার গাড়িতে আগুন, গ্রেফতার দুজন কারাগারে

নতুন কুঁড়ি প্রতিযোগিতার মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে থাকা ক্ষুদে প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের খুঁজে বের করে তাদের প্রশিক্ষণ এবং লেখাপড়ার ব্যবস্থা সরকারিভাবে করা হবে বলে জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী জেলা স্টেডিয়ামকে আধুনিকায়ন করা হবে। তিনি বলেন, "প্রতিহিংসার রাজনীতি নয়, দলমত নির্বিশেষে সকলে মিলে সমৃদ্ধশালী মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলবো। সবার আগে বাংলাদেশ" এই মন্ত্রে সকলে মিলে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফীর সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. কামরুজ্জামান, পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম, জেলা পরিষদের প্রশাসক এ কে এম এরাদত, সিভিল সার্জন ডা. সাজেদা বেগম।

প্রধান অতিথি বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন। টুর্নামেন্টে মুন্সীগঞ্জ পৌরসভা একাদশ চ্যাম্পিয়ন হয় এবং লৌহজং উপজেলা রানারআপ হিসেবে স্থান পায়। প্রতিযোগিতায় মোট ৬টি উপজেলা এবং ২টি পৌরসভা অংশগ্রহণ করে।

আরও পড়ুন: ঘিওরের ধলেশ্বরী নদীতে দুই দিন নিখোঁজ বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যশোরে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৪২ এম


যশোরে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার

যশোর সদর উপজেলার চাঁচড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শামীম রেজাকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) সন্ত্রাস বিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার করেছে। তিনি যশোর সদর উপজেলার মাহিদিয়া এলাকার মৃত আব্দুল আজিজ বিশ্বাসের পুত্র।

গতকাল মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে তপসীডাঙ্গা এলাকায় অভিযান চালিয়ে উপপরিদর্শক কামাল হোসেন তাকে গ্রেপ্তার করেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে নেওয়ার পর বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক কামাল হোসেন বাসস’কে জানিয়েছেন, গত ৩১ জুলাই রাতে রাজারহাট রামনগর পিকনিক কর্নার-সংলগ্ন একটি গরুর খামারের সামনে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের প্রায় ১৮০-২০০ নেতা-কর্মী মশাল মিছিল বের করে সরকার বিরোধী স্লোগান দিয়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করেন। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে দায়ের করা মামলায় শামীম রেজাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, শামীম রেজা নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত এবং জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদারের অনুসারী হিসেবে পরিচিত। তিনি গত ইউপি নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়ে জেলা শ্রমিক লীগ নেতা সেলিম রেজা পান্নুকে পরাজিত করে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নদীতে ঝাঁপ দেওয়া নারীকে সাঁতরে উদ্ধার করলেন ঘুরতে যাওয়া কনস্টেবল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৪৭ এম


নদীতে ঝাঁপ দেওয়া নারীকে সাঁতরে উদ্ধার করলেন ঘুরতে যাওয়া কনস্টেবল

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আত্মহত্যার চেষ্টা করা এক নারীকে বাঁচানোর জন্য জীবন বাজি রেখে এগিয়ে এসেছেন এক পুলিশ সদস্য। ওই নারী নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার পর, তাকে উদ্ধার করতে পুলিশ সদস্যটি নিজেও ঝাঁপ দেন এবং সাঁতরে তার জীবন রক্ষা করেন।

 

পরে ওই নারীকে উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়।

তথ্য অনুসারে, মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে পৌর এলাকার শিমরাইল সেতুর নিকটবর্তী স্থানে এই ঘটনা ঘটে। ২৪ বছর বয়সী ওই নারী বিবাহিত ছিলেন এবং অভিমান থেকে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।

 

পুলিশ সদস্য অমিত, যিনি ঘুরতে বের হয়েছিলেন, ওই নারীকে ঝাঁপ দিতে দেখে তার প্রতি সাহায্যের হাত বাড়ান। স্থানীয়রা কনস্টেবল অমিত হাসানের সাহসিকতা, তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত এবং মানবিক ভূমিকার প্রশংসা করেছেন। মেয়েটির পরিবারের সদস্যরাও পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন, যিনি নিজের জীবনের ঝুঁকি উপেক্ষা করে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে একজনের জীবন রক্ষা করেছেন।

পুলিশ এবং হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে ওই নারী শিমরাইল কান্দি এলাকার প্রথম সেতু থেকে তিতাস নদীতে ঝাঁপ দেন।

 

এটি দেখতে পেয়ে, পুলিশ লাইন্সের কনস্টেবল অমিত হাসান, তার এক ব্যাচমেটকে সঙ্গে নিয়ে ঝাঁপ দেন। সাঁতরে তিনি ওই নারীকে উদ্ধার করেন এবং পরে একটি নৌকার সাহায্যে তাকে নদীর পারে এনে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের পুলিশ বক্সে দায়িত্বে থাকা কনস্টেবল মঞ্জুর আলম ফারাবী জানান, এক নারী সেতু থেকে নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার পর কনস্টেবল অমিত হাসান সঙ্গে সঙ্গে পানিতে লাফিয়ে পড়েন। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।

 

খবর পেয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ১ নম্বর শহর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক নাছির উদ্দিন হাসপাতালে ছুটে যান। তিনি ওই নারীর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি জানান এবং তার চিকিৎসার খোঁজ নেন।

ওই নারীর মা জানান, প্রায় ছয় মাস আগে সদর উপজেলার রাধিকা-জগতসার গ্রামে তার মেয়ের বিয়ে হয়। বিয়ের পর স্বামীর সঙ্গে নারায়ণগঞ্জে বসবাস করতেন। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বনিবনা না হওয়ায় প্রায় তিন মাস আগে তিনি বাবার বাড়িতে ফিরে আসেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ১ নম্বর শহর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক নাছির উদ্দিন বলেন, ‘মেয়েটি আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে ব্রিজ থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়েছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। আমাদের এক পুলিশ সদস্য পানিতে ঝাঁপ দিয়ে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। পরে রাত ১২টায় তাকে তার মা ও বোনের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ছুটির দিনেও প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরব ইউএনও জিল্লুর রহমান, গোমস্তাপুর উপজেলা চত্বরে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ শাহিন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৫০ এম


ছুটির দিনেও প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরব ইউএনও জিল্লুর রহমান, গোমস্তাপুর উপজেলা চত্বরে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ

সরকারি ছুটির দিনের অলস সময়কে একপাশে ঠেলে কর্মনিষ্ঠার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জিল্লুর রহমান। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ‘সবুজ বাংলাদেশ’ গড়ার প্রতিশ্রুতি এবং দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে তিনি নিজ উদ্যোগে উপজেলা ক্যাম্পাসে এক ব্যতিক্রমী বৃক্ষরোপণ অভিযান পরিচালনা করেন।

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বর্তমান সরকারের বৃক্ষরোপণ নীতিকে তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতেই তাঁর এই উদ্যোগ। ছুটির দিন হওয়া সত্ত্বেও নিজে উপস্থিত থেকে পুরো কার্যক্রম তদারকি করেন তিনি। দিনব্যাপী এই কর্মসূচিতে প্রশাসনিক ভবনের চারপাশ ও চত্বরের বিভিন্ন ফাঁকা জায়গায় সারিবদ্ধভাবে বহু প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়।

নিজের হাতে চারা রোপণ শেষে ইউএনও জিল্লুর রহমান বলেন:

"মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর রূপকল্প বাস্তবায়ন ও দেশকে সবুজে ছেয়ে দিতে আমাদের সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে। ছুটির দিন মানেই দায়িত্ব শেষ নয়; বরং এই সময়কে পরিবেশের কল্যাণে কাজে লাগানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য সুন্দর পৃথিবী রেখে যেতে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই।"

উপজেলা প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তার এমন স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও পরিবেশপ্রেম দেখে মুগ্ধ স্থানীয় সচেতন মহল ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। ছুটির দিনেও তাঁর এমন নিরলস কর্মনিষ্ঠা এলাকায় সর্বত্র প্রশংসিত হচ্ছে। সাধারণ মানুষের মতে, প্রশাসনিক দায়িত্বের বাইরে এসে প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষায় ইউএনও জিল্লুর রহমানের এই উদ্যোগ সবার জন্যই একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঈদে মিলাদুন্নবী কেন মুসলিমদের কাছে এত গুরুত্বপূর্ণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৫৬ এম


ঈদে মিলাদুন্নবী কেন মুসলিমদের কাছে এত গুরুত্বপূর্ণ

মুসলিমদের জন্য মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্মদিন স্মরণ করা এবং তাঁর জীবন ও আদর্শ থেকে শিক্ষা নেওয়ার দিন হিসেবে ঈদে মিলাদুন্নবী বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। প্রতি বছর হিজরি বর্ষের ১২ রবিউল আউয়াল এ দিনটি বিভিন্ন দেশে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে উদযাপন করা হয়।

 

‘মিলাদুন্নবী’ শব্দটি মহানবী (সা.)-এর জন্ম উপলক্ষে স্মরণ বা আলোচনা করার বিষয়বস্তু নির্দেশ করে। মুসলিমদের বিশ্বাস অনুযায়ী, মহানবী (সা.) ছিলেন মানবজাতির জন্য আল্লাহর প্রেরিত শেষ নবী। তাঁর জীবন, চরিত্র, ন্যায়বিচার, ক্ষমাশীলতা, দয়া ও মানবিকতার শিক্ষা মুসলিমদের জন্য অনুসরণীয় আদর্শ হিসেবে বিবেচিত।

কেন বিশেষ এই দিন?

মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম আরবের মক্কা নগরীতে ঘটে।

 

তাঁর জন্মের মাধ্যমে ইসলামের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা হয়। পরবর্তীতে তাঁর ওপর ওহি নাজিল হয় এবং তিনি মানুষকে এক আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস, ন্যায়, সততা ও মানবিকতার পথে আহ্বান জানান।

ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে মুসলিমরা মহানবী (সা.)-এর জীবন ও শিক্ষা স্মরণ করেন। তাঁর দেখানো পথে চলা, মানুষের প্রতি দয়া করা এবং সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

 

কীভাবে দিনটি স্মরণ করেন মুসলিমরা?

ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে বিভিন্ন দেশে মুসলিমদের মধ্যে নানা ধরনের ধর্মীয় আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশেও অনেকে এ দিন কোরআন তিলাওয়াত, দরুদ পাঠ, মিলাদ মাহফিল, সিরাত আলোচনা ও বিশেষ দোয়ার আয়োজন করেন।

বিভিন্ন মসজিদ, মাদরাসা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে মহানবী (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ নিয়ে আলোচনা করা হয়। তাঁর চরিত্র, ন্যায়বোধ, ক্ষমাশীলতা ও মানুষের প্রতি ভালোবাসার বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।

জশনে জুলুস ও ধর্মীয় শোভাযাত্রা

বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে জশনে জুলুস বা ধর্মীয় শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়।

 

এতে অংশ নেওয়া মানুষ দরুদ ও নাত পাঠের মাধ্যমে মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা প্রকাশ করেন।

চট্টগ্রামে দীর্ঘদিন ধরে বড় পরিসরে জশনে জুলুসের আয়োজন হয়ে আসছে। দেশের অন্যান্য এলাকাতেও বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে এমন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

খাবার ও তবারক বিতরণ

এই দিনকে কেন্দ্র করে অনেক মুসলিম অসহায় ও দরিদ্র মানুষের মধ্যে খাবার বিতরণ করেন। বিভিন্ন এলাকায় মিলাদ মাহফিলের পর তবারক, মিষ্টি ও খাবার বিতরণের আয়োজন করা হয়।

অনেকে ব্যক্তিগতভাবে দরিদ্র, এতিম ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান। এর মাধ্যমে মহানবী (সা.)-এর দয়া, সহমর্মিতা ও মানুষের কল্যাণের শিক্ষাকে স্মরণ করা হয়।

মহানবী (সা.)-এর জীবন থেকে শিক্ষা

ঈদে মিলাদুন্নবীর মূল তাৎপর্য শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতা বা উৎসবের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। মুসলিমরা মহানবী (সা.)-এর জীবন ও চরিত্র থেকে শিক্ষা নেওয়াকেও গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন।

সততা, ন্যায়বিচার, ধৈর্য, ক্ষমা, প্রতিবেশীর প্রতি দায়িত্ব, দরিদ্র ও অসহায় মানুষের প্রতি সহানুভূতি এবং মানুষের সঙ্গে ভালো আচরণ—তাঁর জীবনের এসব শিক্ষা এ দিনে বিশেষভাবে স্মরণ করা হয়।

ধর্মীয় ও সামাজিক তাৎপর্য

ঈদে মিলাদুন্নবী মুসলিমদের কাছে মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা প্রকাশের একটি উপলক্ষ। এ দিনে তাঁর জীবন ও আদর্শ নিয়ে আলোচনা করার পাশাপাশি ব্যক্তি ও সমাজজীবনে শান্তি, মানবিকতা ও পারস্পরিক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার বার্তা দেওয়া হয়।

তবে ঈদে মিলাদুন্নবী পালনের ধরন নিয়ে মুসলিমদের মধ্যে বিভিন্ন মত রয়েছে। কেউ মিলাদ, জশনে জুলুস ও অন্যান্য আয়োজনের মাধ্যমে দিনটি পালন করেন, আবার কেউ আনুষ্ঠানিকতা এড়িয়ে মহানবী (সা.)-এর জীবন ও শিক্ষা অধ্যয়ন এবং ইবাদতের মাধ্যমে দিনটি স্মরণ করেন।

সব ক্ষেত্রেই মহানবী (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ মুসলিমদের কাছে এই দিনের প্রধান আলোচ্য বিষয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%