০১:৫৪ পি.এম
ইসরাইলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট মন্তব্য করেছেন, কাতার ইরানের চেয়ে ইসরাইলের জন্য বেশি বিপজ্জনক প্রতিপক্ষ। তিনি একইসাথে ঘোষণা করেছেন যে, ইসরাইলের আসন্ন নির্বাচনে তার দল ক্ষমতায় এলে দেশটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘শত্রু রাষ্ট্র’ হিসেবে ঘোষণা করবে। এই বিষয়ে বেনেট শনিবার (১ আগস্ট) চ্যানেল ১২-এর মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠানে বলেন।
বেনেট তার মন্তব্যের পক্ষে যুক্তি দিয়ে বলেন, ‘ইরান যে ইসরাইলকে ধ্বংস করতে চায়, তা সবাই জানে। কিন্তু কাতার ভেতর থেকে আমাদের বিরুদ্ধে কাজ করছে।’ তিনি বলেন, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলায় অংশগ্রহণকারী নুখবা বাহিনীকে অর্থায়ন করেছে কাতার। আরও অভিযোগ রয়েছে যে, আল জাজিরার মাধ্যমে ইসরাইলের বিরুদ্ধে প্রচারণাও পরিচালনা করছে কাতার। যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে প্রভাব বিস্তার এবং ইসরাইলের নিরাপত্তা ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ স্তরে পৌঁছানোর অভিযোগও উঠেছে।
বেনেট এ সময় ‘কাতারগেট’ কেলেঙ্কারির কথাও উল্লেখ করেন। এই মামলায় প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সাবেক ও বর্তমান কয়েকজন সহযোগীর বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, তারা কাতারের জন্য ইতিবাচক জনমত তৈরির জন্য অর্থ গ্রহণ করেছিল। যদিও অভিযোগের বিচারিক প্রক্রিয়া এখনও চলছে।
আরও পড়ুন: আরব দলগুলোর সঙ্গে জোট গঠনকে লজ্জাজনক বললেন নেতানিয়াহু
বেনেট আরও বলেন, ‘কাতার আমাদের বিরুদ্ধে কাজ করছে এবং ভেতর থেকে বিষ ছড়াচ্ছে। এমন অবস্থায়, ইসরাইল এখনও কাতারকে শত্রু রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করেনি।’ তিনি দাবি করেন, বর্তমানে ইসরাইলের আইনে কাতারের হয়ে কাজ করা নিষিদ্ধ নয়। তার অভিযোগ, ইসরাইলের বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান, প্রভাবশালী ব্যক্তি এবং সম্ভবত কিছু কর্মকর্তাও কাতারের অর্থে পরিচালিত হচ্ছেন।
বেনেট বলেন, ‘যদি আমরা পরবর্তী সরকার গঠন করতে পারি, আমরা কাতারকে শত্রু রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করব। এটি এখনও না হওয়া ক্ষমার অযোগ্য।’
তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইসরাইল
আরও পড়ুন: নায়ক মান্নার গাড়িতে আগুন, গ্রেফতার দুজন কারাগারে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন