বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৩:২৬ পি.এম
নরসিংদীর রায়পুরায় বাবার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে তিনি তার মাদকাসক্ত ছেলে তারেক মিয়াকে (২৭) হাত-পা বেঁধে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করেছেন। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ভোর ৪টার দিকে উপজেলার চান্দেরকান্দি ইউনিয়নের বাহেরচর এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত বাবা অলিউর রহমান পলাতক রয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চার বছর আগে জীবিকার তাগিদে মালয়েশিয়া চলে যান তারেক মিয়া। সেখানে অবস্থানকালে তিনি মাদক সেবনে জড়িয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে দেশটির পুলিশ তাকে আটক করে বাংলাদেশে ফেরত পাঠায়। আড়াই বছর আগে দেশে ফিরে আসার পর থেকে নিয়মিত মাদক সেবন করতে থাকেন। মাদকের জন্য অর্থের প্রয়োজন হলে পরিবারের সদস্যদের ওপর প্রায়ই নির্যাতন চালাতেন।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) তারেক তার বসতঘরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেন। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে বাবা অলিউর রহমান তাকে গোয়ালঘরে নিয়ে হাত-পা বেঁধে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার সকালে রায়পুরা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহত তারেকের মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুর রশীদ জানান, তারেক ‘মাদকাসক্ত’ ছিলেন এবং মাদকের টাকার জন্য পরিবারের সদস্যদের ওপর নির্যাতন চালাতেন। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে বাবার ক্ষোভের কারণে অলিউর রহমান তার ছেলেকে হত্যা করেছেন।
রায়পুরা থানার ওসি মজিবুর রহমান জানান, নিহত তারেক মাদকাসক্ত ছিলেন এবং এ নিয়ে পরিবারের মধ্যে কলহ চলছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এ ঘটনার জেরে বাবা তাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করেছে। নিহতের ঘাড়ে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত বাবা অলিউর রহমান পলাতক রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জান্নাতুল ফেরদৌস প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যমে বিয়ে করেছিলেন। কিন্তু বিয়ের পর স্বামীর অন্য একটি বিয়ের তথ্য জানার পর তাদের মধ্যে মনোমালিন্য শুরু হয়। এর পরই স্বামী রাজা মিয়া পরিকল্পিতভাবে নৌকায় ঘুরতে নিয়ে জান্নাতুলকে হত্যা করে হাত-পা বেঁধে বস্তাবন্দি মরদেহ নদীতে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) চট্টগ্রাম মেট্রো ইউনিটের তদন্তে এই হত্যাকাণ্ডের চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রোর পুলিশ সুপার এম কে এইচ জাহাঙ্গীর হোসেন সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য প্রকাশ করেন।
মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে মো. মুসলিম উদ্দিন ও শুক্কুর আহমদকে গ্রেপ্তার করেছে পিবিআই। তাদের মধ্যে একজন আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
পিবিআই সূত্রে জানা গেছে, জান্নাতুল ফেরদৌস (২৮) একটি জুতার কারখানায় কর্মরত ছিলেন। তিন বছর আগে তার প্রথম স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। এরপর প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে রাজা মিয়াকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর তিনি সাত বছর বয়সী মেয়ে তানিসাকে নিয়ে রাজা মিয়ার সঙ্গে নগরের বহদ্দারহাট সিগন্যাল এলাকায় বসবাস শুরু করেন। বিয়ের সময় রাজা মিয়া নিজেকে অবিবাহিত বলে পরিচয় দিয়েছিলেন। তিনি শপিং ব্যাগ তৈরি করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সরবরাহ করতেন। একসময় জান্নাতুল জানতে পারেন, রাজা মিয়া পূর্বে আরেকটি বিয়ে করেছেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়।
পিবিআই জানায়, বিরোধের জেরে রাজা মিয়া জান্নাতুলকে হত্যা করার পরিকল্পনা করেন। তিনি তার পূর্বপরিচিত মো. মুসলিম উদ্দিনের সঙ্গে পরামর্শ করেন। পরে মুসলিম উদ্দিনকে সঙ্গে নিয়ে কালুরঘাট ব্রিজ এলাকার এক কবিরাজের কাছে যান। সেখানে ঝাড়ফুঁক ও বিভিন্ন তান্ত্রিক পদ্ধতির আশ্রয় নেন। সমস্যার সমাধান না হওয়ায় জান্নাতুলকে হত্যার পরিকল্পনা করেন রাজা মিয়া। পরিকল্পনা অনুযায়ী, গত ২৮ জুলাই সন্ধ্যা ৬টার দিকে জান্নাতুলকে বেড়ানোর কথা বলে কর্ণফুলী নদীর ব্রিজঘাট এলাকায় নিয়ে যান রাজা মিয়া। সেখানে মো. মুসলিম উদ্দিন, আরমান ও রাজা মিয়ার প্রথম স্ত্রীর ভাই শুক্কুর আহমদ তার মালিকানাধীন স্যাম্পান নৌকা নিয়ে অপেক্ষা করছিলেন। এরপর বেড়ানোর কথা বলে জান্নাতুলকে নৌকায় তুলে আসামিরা কর্ণফুলী ব্রিজের নিচ দিয়ে শিকলবাহা খালে প্রবেশ করেন। সেখানে মুসলিম উদ্দিন ও অপর আসামি শুক্কুর উপস্থিত ছিলেন।
পিবিআইয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার দিন রাত ৮টার দিকে জান্নাতুলের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়ান রাজা মিয়া। এক পর্যায়ে তিনি জান্নাতুলের মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে শিকলবাহা খালে ফেলে দেন। এরপর রাজা মিয়া জান্নাতুলের মুখ চেপে ধরেন। আরমান নামের আরেক ব্যক্তি রশি দিয়ে তার গলা পেঁচিয়ে ধরেন। এতে কিছুক্ষণের মধ্যে জান্নাতুলের মৃত্যু হয়। পরে রাজা মিয়া ও আরমান জান্নাতুলের হাত-পা রশি দিয়ে বেঁধে লাশটি বস্তাবন্দি করেন। এরপর কর্ণফুলী থানাধীন কালারপোল এলাকায় লাশ ফেলে তারা পালিয়ে যান।
পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রোর পুলিশ সুপার এম কে এইচ জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, ঘটনার চার দিন পর, ২ আগস্ট, কর্ণফুলী থানার শিকলবাহা খাল থেকে ভাসমান অবস্থায় বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে জান্নাতুলের পরিবারের সদস্যরা লাশটি শনাক্ত করেন। জান্নাতুলের পরিবার রাজা মিয়াকে হত্যাকাণ্ডের জন্য সন্দেহ করে। কারণ, ঘটনার পর থেকে রাজা মিয়ার মোবাইল ফোন বন্ধ ছিল।
এ ঘটনায় জান্নাতুলের মা ছায়রা খাতুন বাদী হয়ে রাজা মিয়া ও অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কর্ণফুলী থানায় মামলা করেন। পরে গত ৬ অক্টোবর মামলাটি পিবিআইয়ের তফসিলভুক্ত হওয়ায় সদরঘাট নৌ পুলিশ থেকে তদন্তের জন্য অধিগ্রহণ করা হয়।
পিবিআই কর্মকর্তারা জানান, তথ্য-প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে টেকনাফ থানা এলাকায় আত্মগোপনে থাকা আসামি মো. মুসলিম উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অপর আসামি শুক্কুর আহমদকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত স্যাম্পান নৌকাটি জব্দ করা হয়েছে।
তিনি আরো জানান, মুসলিম উদ্দিন বুধবার আদালতে নিজের সম্পৃক্ততা ও হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত বর্ণনা দিয়ে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলাটির তদন্ত চলছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ডাকাত দলের তিন সক্রিয় সদস্যকে আটক করা হয়েছে। অভিযানের সময় লুট হওয়া ৪০০ সিলিন্ডার গ্যাসের মধ্যে ৪৮টি উদ্ধার করা হয়েছে এবং একটি মিনি ট্রাক জব্দ করা হয়েছে।
গতকাল বুধবার (১৪ অক্টোবর) গভীর রাতে শাহাজাহানপুর ও বগুড়া সদর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (রায়গঞ্জ সার্কেল) সাইফুল ইসলাম খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম খান জানান, "এ ঘটনায় আমরা এখন পর্যন্ত লুণ্ঠিত গ্যাস সিলিন্ডারের মধ্যে ৪৮টি উদ্ধারসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছি। লুণ্ঠিত সব মালামাল উদ্ধারের জন্য আমাদের পুলিশি অভিযান অব্যাহত থাকবে।"
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ডিক্রির চর (গোপচর) এলাকার মৃত মোহাম্মদ পান্না উল্লাহর ছেলে মোহাম্মদ শফিউল্লাহ (৩০) বাদী হয়ে থানায় একটি ডাকাতির মামলা দায়ের করেন। ওই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেফতার করে আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতে পাঠায়।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন বগুড়া জেলার শাহাজাহানপুর উপজেলার ট্রাকচালক মহিদুল ইসলাম (২৬), চালকের সহকারী সাকিব হোসেন (২০) এবং বগুড়া সদর উপজেলার বাসিন্দা গোলাম মোস্তফা (৪৬)।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ৭ অক্টোবর রাত ৩টার দিকে রায়গঞ্জ উপজেলার চকনুর গ্রাম এলাকার তালুকদার ফিলিং স্টেশন থেকে একটি ট্রাকে ৪০০টি বিভিন্ন কোম্পানির গ্যাসের সিলিন্ডার লোড করে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। ট্রাকটি রৌহা বীজ এলাকায় পৌঁছালে অজ্ঞাত ১৫ থেকে ১৬ জনের একটি ডাকাত দল পথরোধ করে। এ সময় তারা ট্রাকের চালক আসিফসহ গাড়িতে থাকা অন্যদের ধারালো ছুরি দিয়ে হত্যার হুমকি দেয় এবং ডাকাত দলের দুজন চালকের পাশের আসনে বসে ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণে নেয়।
পরে ভোররাত ৪টার দিকে ষোলমাইল ফায়ার সার্ভিস এলাকার কবরস্থান সংলগ্ন ফাঁকা রাস্তায় গাড়ি থামিয়ে ডাকাতরা দুটি মিনি ট্রাকে করে ৪০০ বোতল সিলিন্ডার গ্যাস, চালক ও সহকারীর তিনটি মোবাইল ফোন এবং নগদ ৮৬ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজার জলপাই তোলার মৌসুম শুরু হয়েছে, যুদ্ধের ভয়াবহতা এবং দীর্ঘস্থায়ী অবরোধের মধ্য দিয়ে। তবে ঐতিহ্যবাহী এই সুজলা বাগানের চিত্র এখন সম্পূর্ণ বিপরীত। ইসরায়েলি বাহিনীর লাগাতার হামলার ফলে হাজার হাজার জলপাই গাছ বুলডোজারের দ্বারা মাটির সাথে মিশে গেছে। যা কিছু অবশিষ্ট আছে, তার ধ্বংসস্তূপ থেকে এখন ফিলিস্তিনিরা টিকে থাকার শেষ সম্বলটুকু সংগ্রহ করছে।
রয়টার্সের একটি বিশেষ প্রতিবেদনে গাজার জলপাই চাষিদের এই মর্মস্পর্শী চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। যুদ্ধের আগে গাজায় জলপাই ছিল স্থানীয় কৃষির অন্যতম প্রধান গর্ব। বিস্তীর্ণ সবুজ এই বাগানগুলো স্থানীয়দের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি গাজার ঘনবসতিপূর্ণ জনগণের জন্য শান্তির আশ্রয়স্থল হিসেবে কাজ করত।
স্থানীয় কৃষি কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, গাজায় এক সময় প্রায় ২০ লাখ জলপাই গাছ ছিল। কিন্তু বর্তমানে সেগুলোর মধ্যে মাত্র দেড়ে লাখের মতো গাছ কোনোমতে টিকে রয়েছে। ফলন বিপর্যয়ের এই মৌসুমে যেখানে অতীতে প্রায় ৪০ হাজার টন জলপাই উৎপাদিত হত, সেখানে এবার তা নেমে মাত্র ৫ হাজার টনে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে তেল উৎপাদনও ৫ হাজার টন থেকে কমে মাত্র ৭০০ টনে নেমে আসার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
মধ্য গাজার দেইর এল-বালাহ এলাকায় এখনও বেঁচে থাকা কিছু বাগানে ভিন্ন এক দৃশ্য দেখা যাচ্ছে। পরিবারের ছোট সদস্যরা মই বেয়ে উঁচু ডালে উঠছে, আর নিচে শিশুরা সবুজ জলপাই কুড়াচ্ছে। বাগানের ছায়ায় তারা ছোট্ট একটি পারিবারিক পিকনিকের আয়োজন করেছে।
তবে এই আনন্দ কেবল ক্ষণিকের স্বস্তি। শ্রমজীবী আহমেদ খাদার জানান, অতীতে জলপাই মরশুমে শ্রমিকরা দুই থেকে তিন মাস কাজ পেতেন। কিন্তু আজ এক দিনের মজুরি মিললেই তারা কৃতজ্ঞতা অনুভব করছেন। তিনি বলেন, “সন্তানদের মুখে এক মুঠো খাবার তুলে দিতে এবং দৈনিক রুটি-রুজির যোগান পেতেই আমরা আজও মাঠে নামতে বাধ্য হচ্ছি।”
দীর্ঘ সংঘাত ও ধ্বংসযজ্ঞের মাঝে জলপাই গাছের এই ধ্বংসাবশেষ কেবল একটি ফসলের ক্ষতি নয়, এটি ফিলিস্তিনিদের প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসা ভূমির সাথে তাদের সম্পর্কের ওপর একটি চরম আঘাত। সূত্র: রযটার্স।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ন্যাটো জোটের ভূখণ্ডে মস্কোর পক্ষ থেকে কোনো আসন্ন বা তাৎক্ষণিক সামরিক হুমকি নেই, এমন মন্তব্য করেছেন ন্যাটোর মহাসচিব মার্ক রুটে। তবে তিনি একই সঙ্গে সম্ভাব্য সংঘাতের মুখে নিজেদের প্রস্তুতি আরও জোরদার করার তাগিদ দিয়েছেন।
এ কথা সম্প্রতি এস্তোনিয়ার রাজধানী তাল্লিনে এক সংবাদ সম্মেলনে জানান ন্যাটো প্রধান। ন্যাটোর প্রেস সার্ভিস থেকে তাঁর এই বক্তব্য সম্প্রচার করা হয়েছে।
মার্ক রুটে ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোকে এস্তোনিয়ার পদাঙ্ক অনুসরণ করে প্রতিরক্ষা বাজেট বাড়ানোর আহ্বান জানান। তিনি বলেন, "পরিস্থিতি শান্ত রেখে নিজেদের প্রতিরক্ষা খাতে আরও বেশি বিনিয়োগ করতে হবে এবং সবচেয়ে বড় কথা হলো—ইউক্রেন যেন তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা পায়, তা নিশ্চিত করতে হবে।"
এদিকে রাশিয়া বরাবরই ন্যাটো সদস্য রাষ্ট্রগুলোতে হামলার কোনো আশঙ্কা বা পরিকল্পনা থাকার বিষয়টি অস্বীকার করে আসছে। গত বছর রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছিলেন, এ বিষয়ে পশ্চিমা দেশগুলোর উদ্বেগ দূর করতে তিনি পারস্পরিক আক্রমণ না করার চুক্তিতে সই করতে প্রস্তুত।
পরবর্তীতে তাস (TASS) আয়োজিত বিশ্বের শীর্ষ সংবাদ সংস্থাগুলোর প্রধানদের এক বৈঠকে রুশ নেতা স্পষ্ট করে বলেন, "ইউরোপে রাশিয়ার সম্ভাব্য হামলা সংক্রান্ত দাবিগুলো কেবল ভিত্তিহীন কথাই নয়, বরং এটি পশ্চিমা জনগণকে বিভ্রান্ত করার উদ্দেশ্যে ছড়ানো এক ধরনের উসকানি ও প্রোপাগান্ডা।" সূত্র: টিআরটি ওয়ার্ল্ড।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ