ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

এলপিজি সিলিন্ডারের সংকট, সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে ২,২০০-২,৫০০ টাকায়


এলপিজি সিলিন্ডারের সংকট, সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে ২,২০০-২,৫০০ টাকায়

সিলিন্ডারের সংকট বর্তমানে একটি তীব্র সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে চাহিদার তুলনায় সরবরাহের অভাবের কারণে সাধারণ গ্রাহকরা বিপাকে পড়েছেন। কোথাও সিলিন্ডার পাওয়া গেলেও বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) কর্তৃক নির্ধারিত দামের চেয়ে ৬০০ থেকে ৯০০ টাকা বেশি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের খুচরা পর্যায়ের নির্ধারিত মূল্য ১ হাজার ৫৮৫ টাকা। কিন্তু মাধবপুরের বিভিন্ন বাজারে একই সিলিন্ডার ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকায় এবং কোথাও কোথাও আড়াই হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন গ্রাহকরা।

সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজার পরিদর্শন করে দেখা গেছে, অধিকাংশ দোকানে পর্যাপ্ত এলপিজি সিলিন্ডার নেই। কিছু দোকানে সীমিতসংখ্যক সিলিন্ডার থাকলেও তাদের দাবি করা হচ্ছে বাড়তি দাম। ফলে প্রয়োজনের সময় গ্যাস না পেয়ে অনেক গ্রাহককে এক বাজার থেকে অন্য বাজারে ছুটতে হচ্ছে।

আরও পড়ুন: যুবদলের ৪৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সুনামগঞ্জ জেলা যুবদলের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত

স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, তারা দীর্ঘদিন ধরে রান্নার কাজে এলপিজি গ্যাসের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন। গ্যাসের সংকট ও অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন। কেউ কেউ বিকল্প জ্বালানি হিসেবে কাঠ ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছেন। মাধবপুরের বাসিন্দা রিনা বেগম বলেন, ‘কয়েক বছর ধরে গ্যাস সিলিন্ডার দিয়েই রান্না করি। তিন দিন ধরে গ্যাস শেষ হয়ে গেছে। বাজারে খুঁজেও পাচ্ছি না। কোথাও পাওয়া গেলেও দাম অনেক বেশি। সংসার চালাতেই কষ্ট হচ্ছে, এত বেশি দামে গ্যাস কেনা সম্ভব নয়।’ অন্যদিকে, কামাল মিয়া নামে এক গ্রাহক বলেন, ‘আগে বাজারে গেলেই গ্যাস পাওয়া যেত। এখন দোকানে গেলে বলে গ্যাস নেই। অনেক খোঁজাখুঁজির পর পাওয়া গেলেও দাম চায় দ্বিগুণের কাছাকাছি।’

খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, তারা ইচ্ছাকৃতভাবে বেশি দামে গ্যাস বিক্রি করছেন না। বরং ডিলারদের কাছ থেকে বেশি দামে সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে। তাই নির্ধারিত দামে বিক্রি করলে তাদের লোকসান হচ্ছে। মাধবপুর বাজারের ব্যবসায়ী রমেশ কৈরী বলেন, ‘কোম্পানি থেকে নিয়মিত সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে বাজারে সংকট তৈরি হয়েছে। সরবরাহ কম থাকায় কিছু ব্যবসায়ী বেশি দামে গ্যাস বিক্রি করছেন।’ তবে ডিলারদের দাবি, তারাও কোম্পানির কাছ থেকে চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ পাচ্ছেন না। সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বাজারে সংকট কাটছে না।

এদিকে গ্যাসের সংকটকে কেন্দ্র করে অতিরিক্ত দাম নেওয়ার অভিযোগে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন গ্রাহকরা। তাদের অভিযোগ, নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে কয়েকশ টাকা বেশি দিয়ে সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে। এতে একদিকে গ্যাসের সংকট, অন্যদিকে বাড়তি দামের কারণে দ্বিগুণ ভোগান্তিতে পড়েছেন তারা। স্থানীয়দের দাবি, সংকটের সুযোগ নিয়ে কেউ যাতে অতিরিক্ত দামে এলপিজি বিক্রি করতে না পারে, সেই জন্য বাজারে নিয়মিত নজরদারি ও অভিযান প্রয়োজন।

এ বিষয়ে মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মেহেদী হাসান বলেন, ‘এলপিজি গ্যাসের সংকটের বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেউ অতিরিক্ত দামে গ্যাস বিক্রি করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ প্রায় ২০ দিন ধরে চলা এ সংকটের কারণে মাধবপুরে রান্নার অন্যতম প্রধান জ্বালানি এলপিজি গ্যাস নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন হাজারো গ্রাহক। সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে সংকট আরও দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আরও পড়ুন: রহমতপুরে চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে চান নিজাম উদ্দিন, উঠান বৈঠকে জনসম্পৃক্ততার ওপর গুরুত্ব

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ভূমি অধিগ্রহণে ন্যায্যমূল্যের দাবিতে মাধবপুরে মানববন্ধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:১৩ পি.এম


ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ভূমি অধিগ্রহণে ন্যায্যমূল্যের দাবিতে মাধবপুরে মানববন্ধন

ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পের আওতায় ভূমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত ভূমিমালিকদের ন্যায্যমূল্য ও যথাযথ ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করার দাবিতে হবিগঞ্জের মাধবপুরে একটি মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার নোয়াপাড়া এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশগ্রহণ করেন উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত ভূমিমালিক, ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দারা। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন মাসুম বিল্লাহ, হাজী শফিকুল ইসলাম, শাওন মিয়া, হুমায়ুন আহমেদসহ আরও অনেক বক্তা।

বক্তারা উল্লেখ করেন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীত হলে দেশের যোগাযোগব্যবস্থা ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। তবে, উন্নয়নের নামে সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার থেকে যেন বঞ্চিত না হন, সেই বিষয়টি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

তারা অভিযোগ করেন, দীর্ঘকাল ধরে ভোগদখলে থাকা জমি অধিগ্রহণের ফলে অনেক পরিবার বসতভিটা, কৃষিজমি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে। অথচ, জমির প্রকৃত বাজারমূল্য অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ পাওয়ার বিষয়ে তাদের মধ্যে উদ্বেগ বিদ্যমান। এই প্রেক্ষাপটে অধিগ্রহণ করা জমির ন্যায্য মূল্য নির্ধারণ এবং দ্রুত ক্ষতিপূরণ পরিশোধের দাবি জানানো হয়।

ক্ষতিগ্রস্ত ভূমিমালিকরা জানান, তারা বৃহৎ এই উন্নয়ন প্রকল্পের বিরোধিতা করছেন না। বরং, উন্নয়নের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের অধিকার ও স্বার্থ রক্ষার দাবি করছেন। জমির যথাযথ মূল্য ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত না হলে অনেক পরিবার আর্থিক ও সামাজিকভাবে মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হবে। মানববন্ধন থেকে ভূমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া পুনর্বিবেচনা, প্রকৃত বাজারমূল্যের ভিত্তিতে ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ, ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন এবং পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, সরকারের এই বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত ভূমিমালিকদের স্বার্থও সমান গুরুত্ব পাবে এবং কেউ যেন তাদের ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত না হন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২৯ লাখ টাকার হিসাব না মেলায় আব্দুল কাদিরের পুনর্বহাল, তদন্তের দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:১৪ পি.এম


২৯ লাখ টাকার হিসাব না মেলায় আব্দুল কাদিরের পুনর্বহাল, তদন্তের দাবি

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার লিয়াকতগঞ্জ স্কুল এন্ড কলেজে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত হওয়া প্রাক্তন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল কাদিরকে পুনর্বহাল করার সিদ্ধান্তে প্রশ্ন উঠেছে, যা শুধুমাত্র টাকা ফেরত দেওয়ার শর্তে করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের বর্তমান এডহক কমিটির সভাপতি ও উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মোস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও স্বার্থসংঘাতের অভিযোগও উঠেছে। বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেছেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বেগম হাছিনা মমতাজ।

জেলা প্রশাসকের কাছে জমা দেওয়া আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৪ সালে আব্দুল কাদিরের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানের অর্থনৈতিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। পরে দোয়ারাবাজার উপজেলা প্রশাসন ও তৎকালীন ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির উদ্যোগে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন তৎকালীন সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুশান্ত সিংহ। সদস্য হিসেবে ছিলেন উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মোস্তাফিজুর রহমান এবং উপজেলা ভেটেরিনারি সার্জন এস এম এমদাদুল হক।

আবেদনে দাবি করা হয়, দুই দফা তদন্তে প্রতিষ্ঠানের প্রায় ২৯ লাখ টাকার ব্যয়ের হিসাব পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আব্দুল কাদিরকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয় এবং স্থায়ী বরখাস্তের জন্য শিক্ষা বোর্ডে সুপারিশ করা হয়। তবে চলতি বছরের ৫ জুলাই বর্তমান সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান আরেকটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। ওই কমিটির তদন্ত শেষে ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকার হিসাব পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদন দেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিবেদনটি শিক্ষা বোর্ডে পাঠানোর পরিবর্তে গত ৩০ সেপ্টেম্বর এডহক কমিটির সভা আহ্বান করা হয়। ওই সভায় আব্দুল কাদিরকে শুধুমাত্র টাকা ফেরত দেওয়ার শর্তে পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ নিয়ে বর্তমান এডহক কমিটির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমানের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কারণ, তিনি আগের তদন্ত কমিটির সদস্য ছিলেন। একই আর্থিক অনিয়মের তদন্ত প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার পর পরবর্তীতে সভাপতি হিসেবে অভিযুক্ত ব্যক্তির পুনর্বহালের সিদ্ধান্তে সভাপতিত্ব করায় তাঁর নিরপেক্ষতা ও সম্ভাব্য স্বার্থসংঘাত নিয়ে আবেদনকারী প্রশ্ন তুলেছেন। আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, তদন্তে আর্থিক অনিয়মের বিষয় উঠে আসার পরও কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নিয়ে শুধুমাত্র অর্থ ফেরতের শর্তে পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ সিদ্ধান্তের আইনগত ও বিধিগত ভিত্তি তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।

ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বেগম হাছিনা মমতাজ অভিযোগ করেছেন, অনিয়মের প্রতিবাদ করায় তাঁকে বিভিন্ন সময়ে হুমকি দেওয়া হয়েছে। এমনকি ৩০ সেপ্টেম্বরের এডহক কমিটির সভায় রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তাঁর কাছ থেকে জোর করে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে বলেও আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে আবেদনকারী জেলা প্রশাসকের কাছে আব্দুল কাদিরের পুনর্বহালের রেজুলেশন বাতিল, আর্থিক অনিয়মের তদন্ত, পূর্বের ও বর্তমান তদন্ত প্রতিবেদন যাচাই এবং প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবসহ সংশ্লিষ্ট আর্থিক নথি পর্যালোচনার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে বর্তমান এডহক কমিটির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার বা স্বার্থসংঘাতের অভিযোগ তদন্তের দাবি করা হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রযোজ্য আইন ও বিধি অনুযায়ী প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে আব্দুল কাদির ও মোস্তাফিজুর রহমানের বক্তব্য নেওয়ার জন্য একাধিকবার ফোন করা হলেও তারা রিসিভ করেননি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে সরকার: এমপি ফয়সল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:১৪ পি.এম


আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে সরকার: এমপি ফয়সল

হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর-চুনারুঘাট) আসনের সংসদ সদস্য এস.এম. ফয়সল মন্তব্য করেছেন যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। কিশোর গ্যাং, মাদক এবং চাঁদাবাজি বন্ধে সরকার কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। দেশের বর্তমান কিছু সমস্যা একদিনে সৃষ্টি হয়নি। দীর্ঘ সময় ধরে চলা অনিয়ম এবং অব্যবস্থাপনার কারণে এই সমস্যাগুলো পাহাড়ের মতো জমে উঠেছে। তাই সব সমস্যার সমাধান একসঙ্গে করা সম্ভব নয়। প্রধানমন্ত্রী ধাপে ধাপে এসব সমস্যার সমাধানে কাজ করে যাচ্ছেন।

সাবেক সরকারের সমালোচনা করে এমপি ফয়সল বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের সময় দেশের বিপুল অর্থ লুটপাট ও বিদেশে পাচার করা হয়েছে। এর ফলে দেশের অর্থনীতি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটসহ অন্যান্য সমস্যার সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ না নিয়ে তারা জনরোষের মুখে ভারতে পালিয়ে গেছে। মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন করতে সময় প্রয়োজন। এক বছরের কাজ একদিনে করা সম্ভব নয়। জনগণের সহযোগিতা পেলে ধাপে ধাপে সমস্যাগুলোর সমাধান করা সম্ভব হবে।

তিনি আরও বলেন, "আমার জীবনে চাওয়া-পাওয়ার কিছু নেই। জনগণের উন্নয়ন করা এবং তাদের খেদমত করার সুযোগ পাওয়া-এটাই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় চাহিদা। আপনারা আমাকে সেই সুযোগ দিয়েছেন। এলাকার মানুষের জন্য কাজ করতে আমি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জনগণের কল্যাণ ও এলাকার উন্নয়নে যতটুকু সম্ভব আন্তরিকভাবে কাজ করে যাব ইনশাল্লাহ।"

রোববার বিকালে মাধবপুর উপজেলার মৌজপুর মাদ্রাসা মাঠে বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। জনসভায় সভাপতিত্ব করেন আদাঐর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও চেয়ারম্যান মীর খুরশেদ আলম। বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি সামসুল ইসলাম কামাল, পৌর বিএনপির সভাপতি গোলাপ খাঁন, সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন আল রনি, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান সোহাগ, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ, প্রচার সম্পাদক ফজলুর রহমান বুলেট, আনোয়ার হোসেন, আল আমিন, ছায়েদ মিয়া প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাকিমপুরে আরনু জুটমিল পুনরায় চালু, শ্রমিকদের মুখে হাসি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:২২ পি.এম


হাকিমপুরে আরনু জুটমিল পুনরায় চালু, শ্রমিকদের মুখে হাসি

দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর, দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার হিলি স্থলবন্দর এলাকায় অবস্থিত আরনু জুটমিলের কার্যক্রম আবার শুরু হয়েছে। এর ফলে শত শত শ্রমিক ও তাদের পরিবারের মধ্যে স্বস্তি এবং আনন্দ ফিরে এসেছে।

শনিবার (৩ অক্টোবর) রাতে স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে মিলটির কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়। এ সময় সমাজকল্যাণ ও মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এমপির প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাকিমপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. সাখাওয়াত হোসেন শিল্পী এবং পৌর বিএনপির সভাপতি মো. মোতালেব হোসেন মিঠু খান। স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, জুটমিল কর্তৃপক্ষ এবং শত শত শ্রমিকও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

মিলের স্বত্বাধিকারী আলহাজ্ব শাফি শেখ জানালেন, পারিবারিক মালিকানা বিরোধ, আদালতের মামলা এবং মিলের যন্ত্রাংশ ও পণ্য চুরির কারণে কার্যক্রম দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল। একপর্যায়ে মিল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও, শত শত শ্রমিকের কর্মসংস্থানের কথা বিবেচনা করে পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন, মিলটি চালু হওয়ায় শত শত শ্রমিকের কর্মসংস্থান নিশ্চিত হয়েছে। পাশাপাশি, এলাকার অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। শ্রমিকদের বকেয়া পাওনা এবং ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হবে। দীর্ঘদিন পর কাজে ফিরতে পেরে শ্রমিকরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং তারা নিয়মিত কাজের মাধ্যমে মিলটিকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%