ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দাম কমার পর দেশের বাজারে স্বর্ণের ভরি কত?


দাম কমার পর দেশের বাজারে স্বর্ণের ভরি কত?

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সংগঠনটি ভরিতে ৭ হাজার ১১৫ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪০ হাজার ৬২৮ টাকা নির্ধারণ করেছে।

এই নতুন দাম শনিবার (২৯ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে। রবিবারও স্বর্ণ একই দামে বিক্রি হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ভ্যাটসহ স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাংয়ের লিডার কেন্তা ফিরোজ আটক

নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪০ হাজার ৬২৮ টাকা হবে। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৯ হাজার ৭৮১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৭ হাজার ৩৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬১ হাজার ৯৯৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত সকল জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে।

স্বর্ণের দামের পাশাপাশি বাজুস রুপার দামও কমিয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি গ্রাম রুপার দাম ৪৫৫ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৪৩৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৩৭৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ২৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: মোহাম্মদপুরে ‘মুখে ল’ গ্রুপের সদস্য মো. দিদার গ্রেফতার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোলের পর উদযাপনের কথা ভুলে গেলেন রোনালদো, মনে করিয়ে দিলেন মানে!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:০৪ এম


গোলের পর উদযাপনের কথা ভুলে গেলেন রোনালদো, মনে করিয়ে দিলেন মানে!

সৌদি প্রো লিগে আল তাউনের বিরুদ্ধে ২-১ ব্যবধানের রোমাঞ্চকর জয়ের রাতে ক্যারিয়ারের ৯৭৮তম গোলটি করে ফেললেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। গোলটি করার পর গ্যালারিতে যে উল্লাস প্রত্যাশিত ছিল, প্রথম কয়েক সেকেন্ডে তা যেন অনুপস্থিতই ছিল!

গোলের সেই নাটকীয় মুহূর্তটি নিশ্চিত হওয়ার পর সতীর্থদের সঙ্গে স্বাভাবিক উদযাপনেই মগ্ন ছিলেন ৪১ বছর বয়সী এই পর্তুগিজ মহাতারকা।

 

মাঠে তার সিগনেচার ‘সিউ’ উদযাপনটি যেন ভুলে গিয়েছিলেন সিআর সেভেন। তখনই সতীর্থ সাদিও মানে এগিয়ে আসেন। তিনি রোনালদোকে তার আইকনিক উদযাপনের কথা মনে করিয়ে দেন। সতীর্থের সেই ইশারা পেতেই আর দেরি করেননি রোনালদো—তাৎক্ষণিক দৌড়ে গিয়ে শূন্যে লাফিয়ে নিজের সেই বিখ্যাত ভঙ্গিমায় গ্যালারিকে মাতিয়ে তোলেন।

 

এই গোলটি শুধু জয়ই আনেনি, বরং রোনালদোকে নিয়ে গেছে নতুন এক উচ্চতায়। সৌদি প্রো লিগের ইতিহাসে আল নাসরের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা এখন তিনি।

হাজার গোলের অনন্য ও ঐতিহাসিক মাইফলক স্পর্শ করা থেকে আর মাত্র ২২ গোল দূরে রয়েছেন ৪১ ছুঁইছুঁই এই ফরোয়ার্ড। যেভাবে গোলক্ষুধা বজায় রেখেছেন, তাতে শিগগিরই হয়তো বহুল কাঙ্ক্ষিত সেই ১০০০ গোলের মাইলফলকেও পৌঁছাবেন এই বিশ্বসেরা তারকা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন হাবিবুল গনি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:০৫ এম


আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন হাবিবুল গনি

মো. হাবিবুল গনি আজ রবিবার (৩০ আগস্ট) সকালে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন। প্রধান বিচারপতি তাকে শপথবাক্য পাঠ করান সুপ্রিম কোর্টের জাজেজ লাউঞ্জে।

 

শপথ অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেলারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী।

রাষ্ট্রপতি গত ২৭ আগস্ট বিচারপতি মো. হাবিবুল গনিকে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ প্রদান করেন। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে বিচারপতি হাবিবুল গনিকে আপিল বিভাগে নিয়োগ দেওয়ার জন্য প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

আইন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৫(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মহামান্য রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্ট বিভাগে কর্মরত বিচারক মো. হাবিবুল গনিকে তার শপথ গ্রহণের তারিখ থেকে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, আপিল বিভাগের বিচারক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন।

 

এই নিয়োগ শপথ গ্রহণের তারিখ থেকে কার্যকর হবে।

বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি পূর্বে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তার নিয়োগের ফলে প্রধান বিচারপতিসহ আপিল বিভাগে বিচারপতির সংখ্যা এখন ৫ জনে দাঁড়াল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেছারাবাদের ‘আমাদের দৈহারী’ সংগঠনের সভাপতি আল-মামুন, সম্পাদক নজরুল ইসলাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নেছারাবাদ (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:০৮ এম


নেছারাবাদের ‘আমাদের দৈহারী’ সংগঠনের সভাপতি আল-মামুন, সম্পাদক নজরুল ইসলাম

পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার দৈহারী ইউনিয়নে সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার উদ্দেশ্যে ‘আমাদের দৈহারী’ নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ৫১ সদস্য বিশিষ্ট কার্যকরী পরিষদ গঠন করা হয়েছে।

গত ২৮ আগস্ট ২০২৬ ইং তারিখে সংগঠনটির নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। নবগঠিত কমিটিতে মোঃ আল-মামুনকে সভাপতি এবং মোঃ নজরুল ইসলামকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।

কমিটির অন্যান্য দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন- সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ সাইফুল ইসলাম, সহ-সভাপতি মোঃ বাবু সুশান্ত বেপারী, মোঃ মিজানুর রহমান ও মোঃ ছাইদুল ইসলাম। সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন মোঃ সুমন হোসেন। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন মোঃ আবু বকর, মোঃ সজিব মিয়া ও মোঃ ওসমান গনি। সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন মোঃ রানা খলিফা, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মিজানুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ মোঃ মাইনুল হাসান সজিব, সহ-কোষাধ্যক্ষ মোঃ রিয়াজ হোসেন, দপ্তর সম্পাদক মোঃ আশিক আহম্মেদ, প্রচার সম্পাদক ও সহ-দপ্তর সম্পাদক মোঃ হাফিজুল ইসলাম এবং সহ-প্রচার সম্পাদক মোঃ কবির হোসেন।

এছাড়া সাংস্কৃতিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মোঃ মিজানুর রহমান, সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোঃ তানভীর হোসেন, ক্রীড়া সম্পাদক মোঃ মেহেদী হাসান, সহ-ক্রীড়া সম্পাদক মোঃ ফিরোজ হোসেন, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আলমীগর হোসেন এবং সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মোঃ ওয়াশিম হায়দার (পলাশ)।

সংগঠনের সম্মানিত সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন মোঃ আশিক আহম্মেদ, মোঃ সুজন মিয়া, মোঃ নাছির উদ্দিন খলিফা, মোঃ সোহাগ, মোঃ সবুজ মিয়া, মোঃ রবিউল ইসলাম সাগর, মোঃ রাকিবুল হাসান, মোঃ সৈকত আহম্মেদ, মোঃ সুমন খলিফা, মোঃ সোহেল খলিফা, বাবু মলয় বৈদ্য, মোঃ সাগর মৃধা, মোঃ রাহাত, মোঃ আসিফ, বাবু সজল মন্ডল, মোঃ মোস্তাকিম বিল্লা, মোঃ শাকিল মিয়া, মোঃ সেলিম মিয়া, মোঃ মাইনুল হাসান, মোঃ জুয়েল, মোঃ জুনায়েদ, মোঃ কাওছার, মোঃ আবুল হোসেন, মোঃ রবিউল ইসলাম ও মোঃ নরুল ইসলাম।

নবনির্বাচিত সভাপতি মোঃ আল-মামুন মন্তব্য করেন, “আমাদের দৈহারী’ শুধু একটি সংগঠনের নাম নয়, এটি মানুষের পাশে দাঁড়ানোর একটি উদ্যোগ। এলাকার অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি, স্বেচ্ছায় রক্তদান, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা এবং বিভিন্ন মানবিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, “সকল সদস্যের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা ও এলাকাবাসীর সহযোগিতা নিয়ে ‘আমাদের দৈহারী’কে একটি আদর্শ স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। সংগঠনের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থ নয়, বরং মানবিক মূল্যবোধকে সামনে রেখে মানুষের কল্যাণে কাজ করা হবে।”

তিনি নবগঠিত কমিটির সকল সদস্যকে আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান এবং সংগঠনের কার্যক্রম সফল করতে স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করেন।

উল্লেখ্য, ‘আমাদের দৈহারী’ স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনটি ২০২৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সংগঠনটি স্থানীয় পর্যায়ে সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কিংবদন্তি শিল্পী আব্দুল জব্বারের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:০৯ এম


কিংবদন্তি শিল্পী আব্দুল জব্বারের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

আজ কিংবদন্তি শিল্পী আব্দুল জব্বারের নবম মৃত্যুবার্ষিকী। "তুমি কি দেখেছো কভু জীবনের পরাজয়, সালাম সালাম হাজার সালাম, জয় বাংলা বাংলার জয়" সহ অসংখ্য কালজয়ী গানের শিল্পী, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কণ্ঠযোদ্ধা আব্দুল জব্বার ২০১৭ সালের ৩০ আগস্ট চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

আব্দুল জব্বারের কণ্ঠে গাওয়া অসংখ্য গান আজও বাঙালির হৃদয়ে গভীরভাবে গেঁথে আছে। বিশেষ করে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় তার গাওয়া দেশাত্মবোধক গান মুক্তিযোদ্ধাদের সাহস ও মনোবল জুগিয়েছিল।

১৯৩৮ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি কুষ্টিয়া জেলায় জন্মগ্রহণ করেন আব্দুল জব্বার। সংগীতের প্রতি তার গভীর অনুরাগ ছোটবেলা থেকেই ছিল। পরে তিনি ওস্তাদ ওসমান গনি ও ওস্তাদ লুৎফুল হকের কাছে সংগীতে তালিম নেন।

আব্দুল জব্বার ১৯৫৮ সালে তৎকালীন পাকিস্তান বেতারে তালিকাভুক্ত শিল্পী হিসেবে সংগীতজীবন শুরু করেন। ১৯৬২ সালে চলচ্চিত্রে প্রথমবার গান করেন। এরপর ১৯৬৪ সাল থেকে বাংলাদেশ টেলিভিশনের নিয়মিত শিল্পী হিসেবে যুক্ত হন।

মুক্তিযুদ্ধে কণ্ঠে কণ্ঠে প্রেরণা

মহান মুক্তিযুদ্ধ আব্দুল জব্বারের সংগীতজীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে তার গাওয়া অসংখ্য গান মুক্তিযোদ্ধাদের সাহস ও প্রেরণা জুগিয়েছিল। তার গান শুনে অনুপ্রাণিত হয়ে অনেকেই মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন।

মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি শুধু গান গেয়ে দায়িত্ব শেষ করেননি। ভারতের বিভিন্ন এলাকায় প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে জনমত গড়ে তুলতে কাজ করেন। কলকাতায় থাকা মুক্তিযোদ্ধাদের বিভিন্ন শিবিরে ঘুরে হারমোনিয়াম বাজিয়ে গণসংগীত পরিবেশন করতেন।

গান গেয়ে পাওয়া ১২ লাখ রুপি তিনি স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের ত্রাণ তহবিলে দান করেন। ফলে মুক্তিযুদ্ধে আব্দুল জব্বারের অবদান একজন শিল্পীর গণ্ডি ছাড়িয়ে একজন সক্রিয় কণ্ঠযোদ্ধার ভূমিকায় স্মরণীয় হয়ে আছে।

সর্বকালের সেরা গানের তালিকায় তিন গান

আব্দুল জব্বারের জনপ্রিয়তার বড় প্রমাণ ২০০৬ সালে পাওয়া যায়। ওই বছরের মার্চজুড়ে বিবিসি বাংলার শ্রোতাদের ভোটে নির্বাচিত সর্বকালের সেরা ২০টি বাংলা গানের তালিকায় তার গাওয়া তিনটি গান স্থান পায়।

গানগুলো হলো—তুমি কি দেখেছো কভু জীবনের পরাজয়, ‘সালাম সালাম হাজার সালাম এবং ‘জয় বাংলা বাংলার জয়’।

পুরস্কার ও সম্মাননা

দীর্ঘ সংগীতজীবনে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বহু পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন আব্দুল জব্বার। ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু স্বর্ণপদক, ১৯৮০ সালে একুশে পদক এবং ১৯৯৬ সালে স্বাধীনতা পদকে ভূষিত হন তিনি।

এ ছাড়া ২০১১ সালে আজীবন সম্মাননা ও জহির রায়হান চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন এই কিংবদন্তি শিল্পী।

যেভাবে শেষ হলো জীবন

জীবনের শেষ দিকে নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন আব্দুল জব্বার। ২০১৭ সালের জুলাইয়ে কিডনি, হৃদযন্ত্র, প্রস্টেটসহ বিভিন্ন সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে, বর্তমানে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ভর্তি হন।

শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ১ আগস্ট তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩০ আগস্ট মৃত্যুবরণ করেন তিনি।

কণ্ঠে দেশপ্রেম আর গানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করা আব্দুল জব্বার চলে গেলেও তার গাওয়া গান আজও বাঙালির হৃদয়ে অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে আছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%