ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জাতিসংঘে নেতানিয়াহুর বক্তব্যের সময় খালি হয়ে গেল অধিবেশন কক্ষ


জাতিসংঘে নেতানিয়াহুর বক্তব্যের সময় খালি হয়ে গেল অধিবেশন কক্ষ

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার সময় বিভিন্ন দেশের বহু প্রতিনিধি কক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে গেছেন। গাজায় ইসরাইলের সামরিক অভিযান ও ফিলিস্তিন নীতির প্রতিবাদে এই ওয়াকআউটের ঘটনা ঘটে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে নেতানিয়াহু অধিবেশন কক্ষে প্রবেশ করে পোডিয়ামে ওঠার পরপরই একের পর এক প্রতিনিধি দল বেরিয়ে যেতে শুরু করে। কিছু প্রতিনিধি তার বক্তব্য শুরুর আগেই কক্ষ ত্যাগ করেন। ফলে বক্তব্যের সময় অধিবেশন কক্ষের বড় একটি অংশের আসন খালি পড়ে থাকতে দেখা যায়।

এ সময় অধিবেশন কক্ষে নেতানিয়াহুর বক্তব্যের বিরোধিতা করে দুয়োধ্বনি ও প্রতিবাদ শোনা যায়। অন্যদিকে ইসরাইলি প্রতিনিধিদলের সদস্যরা দাঁড়িয়ে নেতানিয়াহুকে করতালি দিয়ে সমর্থন জানান।

আরও পড়ুন: মোজতবা খামেনি বাবার পথ বেছে নিয়েছেন, সরকার উৎখাতই একমাত্র উপায়: নেতানিয়াহু

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফিলিস্তিনি মিশন জাতিসংঘের সদস্যদেশগুলোর প্রতিনিধিদের নেতানিয়াহুর বক্তব্যের সময় সম্মিলিতভাবে অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ করার আহ্বান জানিয়েছিল। এর পরই বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা একসঙ্গে কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান।

প্রতিনিধিদের ওয়াকআউটের প্রতিক্রিয়ায় নেতানিয়াহু তাদের ‘নৈতিকভাবে কাপুরুষ’ বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, যারা এখনো কক্ষে রয়েছেন, তাদের মধ্যে কেউ একই অবস্থান ধারণ করলে তারাও যেন কক্ষ ছেড়ে যান।

বক্তব্যে নেতানিয়াহু গাজা যুদ্ধ নিয়ে ইসরাইলের অবস্থানের পক্ষে সাফাই দেন এবং ইসরাইলের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেন। একই সঙ্গে ইরানের বিরুদ্ধে ইসরাইলের সামরিক পদক্ষেপেরও সমর্থনে বক্তব্য দেন।

নেতানিয়াহুর বক্তব্য ঘিরে এই ওয়াকআউট জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ইসরাইলের গাজা নীতি নিয়ে বিদ্যমান তীব্র কূটনৈতিক মতবিরোধেরই আরেকটি প্রকাশ হিসেবে সামনে এসেছে।

আরও পড়ুন: নজিরবিহীন নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে বদর প্রতিরক্ষা চুক্তি

এর আগে অধিবেশনের বিভিন্ন বক্তব্যেও গাজা ও ফিলিস্তিন ইস্যুতে ইসরাইলের নীতির সমালোচনা করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কলমাকান্দায় দুর্যোগকালীন স্বাস্থ্য সচেতনতা নিয়ে উঠান বৈঠক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:২২ এম


কলমাকান্দায় দুর্যোগকালীন স্বাস্থ্য সচেতনতা নিয়ে উঠান বৈঠক

কলমাকান্দার নেত্রকোনায় দুর্যোগকালীন স্বাস্থ্য, পুষ্টি, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, নারী-পুরুষের সমতা, আয়বর্ধক কার্যক্রম (আইজিএ), যৌতুক, বাল্যবিবাহ ও মাদকবিরোধী সচেতনতা নিয়ে একটি উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার কলমাকান্দা সদর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের গুজাকুলিয়া গ্রামে ফায়ার সার্ভিস কার্যালয়ের প্রাঙ্গণে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ১৫ জন নারী ও ৫ জন পুরুষসহ মোট ২০ জন স্থানীয় বাসিন্দা অংশগ্রহণ করেন। সভায় আলোচনা করা হয় দুর্যোগের সময় স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সুরক্ষা, ব্যক্তিগত ও পারিবারিক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, বাল্যবিবাহ ও যৌতুক প্রতিরোধ, মাদকবিরোধী সচেতনতা এবং নারীদের আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হওয়ার বিষয়ে।

বক্তারা এ সময় উল্লেখ করেন, দুর্যোগপ্রবণ এলাকায় মানুষের সচেতনতা ও প্রস্তুতি বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে নারী, শিশু এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য পরিবার ও কমিউনিটি পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। একই সঙ্গে বাল্যবিবাহ, যৌতুক ও মাদকের মতো সামাজিক সমস্যা প্রতিরোধে স্থানীয় জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণের প্রয়োজন রয়েছে।

উঠান বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কলমাকান্দার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ সামছুজ্জামান আসিফ, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মমিনুল ইসলাম, কলমাকান্দা ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ মো. আশরাফুল ইসলাম, সিএনআরএস এসআরএসপি প্রকল্পের নেত্রকোনা এলাকার এপিসি মো. জিয়াউর রহমান, ইউসি মো. ফয়সল আহমেদ এবং ইউপি সদস্য সবিতা রানীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় সিএনআরএসের মাধ্যমে সরকারি বিভিন্ন ভাতাভোগীদের নিয়ে কমিউনিটি পর্যায়ে এ ধরনের সচেতনতামূলক উঠান বৈঠক আয়োজন করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে দুর্যোগকালীন স্বাস্থ্য ও পুষ্টি, পরিচ্ছন্নতা এবং বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা সম্পর্কে স্থানীয় জনগণকে সচেতন করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় তথ্য ও করণীয় সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেরপুরে পাখি শিকার বন্ধে বিশেষ অভিযান, ১২টি বক উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:২২ এম


শেরপুরে পাখি শিকার বন্ধে বিশেষ অভিযান, ১২টি বক উদ্ধার

শেরপুর বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ, শেরপুর বার্ড ক্লাব এবং প্রকৃতি ও পরিবেশবাদী সংগঠন শাইন এর উদ্যোগে সদর ও নকলা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পাখি শিকার বন্ধে বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। এই অভিযানটি আজ ২৩ সেপ্টেম্বর বুধবার ভোর থেকে প্রায় ছয় ঘন্টা ধরে চলেছে। অভিযান চলাকালীন পাখি শিকারীদের ৮টি হালা (শিকারের সরঞ্জাম) ও ১২টি বক উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত বকগুলো পরে প্রকৃতিতে অবমুক্ত করা হয়। এছাড়া, পাখির সুরক্ষায় সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এলাকাবাসীর মধ্যে লিফলেট ও স্টিকার বিতরণ করা হয়েছে।

নকলার গনপদ্দী ইউনিয়নের আদমপুর গ্রামের মৃত সুরুজ আলীর ছেলে পাখি শিকারী মো. আব্দুর রাজ্জাক (৪৫) কে তিনটি বক ও বক শিকারের সরঞ্জামসহ আটক করা হয়। ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে তাকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড এবং পঞ্চাশ টাকা অর্থ দন্ডে দন্ডিত করা হয়। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন ২০২৬ অনুযায়ী এই সাজা প্রদান করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাদিয়া আফরিন এ্যানি।

অভিযান পরিচালনার সময় উপস্থিত ছিলেন বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের শেরপুরের বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা সুমন সরকার, ওয়াইল্ডলাইফ রেঞ্জার মো. আব্দুল্লাহ আল আমিন, শেরপুর বার্ড ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং প্রকৃতি ও পরিবেশবাদী সংগঠন শাইন এর নির্বাহী পরিচালক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মো. মুগনিউর রহমান মনিসহ স্বেচ্ছাসেবী এবং অন্যান্য সদস্যরা।

শেরপুরের বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা সুমন সরকার জানান, পাখি শিকারী মো. আব্দুর রাজ্জাককে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে সাজা প্রদান করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, পাখি শিকার বন্ধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালিত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেরপুরে আমন ধান রক্ষায় কৃষকদের জন্য ‘বলন’ পদ্ধতির গুরুত্ব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:২২ এম


শেরপুরে আমন ধান রক্ষায় কৃষকদের জন্য ‘বলন’ পদ্ধতির গুরুত্ব

শেরপুরে কৃষকদের মধ্যে ‘বলন’ বা ডাবল ট্রান্সপ্লান্টেশন পদ্ধতি বন্যার ক্ষতি থেকে আমন ধান রক্ষায় জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। কৃষকদের বক্তব্য, এই পদ্ধতি ব্যবহার করলে বন্যার পানিতে আমনের চারা তুলনামূলকভাবে কম ক্ষতিগ্রস্ত হয়। শক্ত ও সতেজ চারা থাকার কারণে ফলনও ভালো পাওয়া যায়। এছাড়া রোগবালাই ও পোকামাকড়ের আক্রমণও কম হয়।

প্রতিবছর পাহাড়ি ঢলে শেরপুরের বিস্তীর্ণ আমন ক্ষেত পানিতে তলিয়ে যায়। কোথাও কোমরসমান পানি দেখা যায়, আবার কোথাও পুরো জমি ডুবে যায়। ফলে কৃষকদের জন্য বন্যার সময় আমনের চারা রক্ষা করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষ করে শেরপুর সদরের পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদ, শ্রীবরদীর সোমেশ্বরী, ঝিনাইগাতী মহারশি ও নালিতাবাড়ী চেল্লাখালি এবং ভোগাই নদীর পানি বাড়লেই বিভিন্ন এলাকায় বন্যা দেখা দেয়। এতে নিম্নাঞ্চলের আমনের চারা পানিতে ডুবে যায়। এই অবস্থায় কৃষকদের মধ্যে ‘বলন’ পদ্ধতি জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

কৃষকরা জানান, এই পদ্ধতিতে প্রথমে বীজতলায় চারা উৎপাদন করা হয়। পরে সেই চারা তুলে দ্বিতীয় একটি বীজতলায় আবার রোপণ করা হয়। সেখানে কিছুদিন পরিচর্যা করার পর শক্ত ও পরিণত চারা মূল জমিতে রোপণ করা হয়। দ্বিতীয় বীজতলায় থাকার কারণে চারার কাণ্ড তুলনামূলকভাবে শক্ত হয় এবং শিকড়ও ভালোভাবে গড়ে ওঠে। ফলে বন্যার পানিতে জমি তলিয়ে গেলেও চারা সহজে নষ্ট হয় না। প্রচলিত পদ্ধতির তুলনায় এই পদ্ধতিতে উৎপাদিত চারা বেশি সবল হওয়ায় রোগবালাই ও পোকামাকড়ের আক্রমণও কম হয়। এর ফলে ধানের ফলন তুলনামূলকভাবে ভালো হয়। ‘বলন’ পদ্ধতি অনেক কৃষকের কাছে ‘গাইছি’ নামেও পরিচিত। কৃষকেরা বলছেন, দিন দিন এই পদ্ধতিতে চাষাবাদ বাড়ছে। বিশেষ করে আমন চাষের শেষের দিকে বন্যাপ্রবণ ও নিম্নাঞ্চলের জমিতে এই পদ্ধতিতে চারা রোপণ করেন তারা। এতে বন্যার ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আমনের আবাদ ধরে রাখা সম্ভব হচ্ছে।

সদরের কামারেরচর এলাকার বাসিন্দা হাফিজ মিয়া বলেন, "এই মৌসুমে একবারের বীজতলার চারা সরাসরি ক্ষেতে লাগাইলে পানি উঠলেই চারাগুলো নষ্ট হয়ে যায়। আর বলন কইরা দুইবার চারা লাগাইলে গাছটা শক্ত হয়। পানি হইলেও সহজে নষ্ট হয় না। আমরা কয়েকবার থেকে এ পদ্ধতিতে চাষ করছি।" একই এলাকার আরেক কৃষক আব্দুল মিয়া বলেন, "আমাগো এদিকে প্রায়ই পাহাড়ি পানি আসে। আগের মতো একবারের চারা লাগাইলে অনেক সময় পানি উঠার পর চারা টেকে না। এখন বলন কইরা চারা লাগাই। গাছ শক্ত হয়, পানি নামার পরও ভালো থাকে। ফলনও ভালো পাই।" ঝিনাইগাতী এলাকার কৃষক রহমত আলী বলেন, "আমগর এলাকায় কয়দিন পর পরই পাহাড়ি ঢল আহে, তহন আমরা আমাদের কষ্টের ফসলগুলা রক্ষা করবার পাই না। তাই এ এলাকার বেশিরভাগ মানুষই বলন করে।" একই উপজেলার কৃষক রহমান মিয়া বলেন, "আমরা এ পদ্ধতিতে আগেও করেছি। আমার বাপ-চাচারাও এ পদ্ধতি চাষ করেছে। আমরাও এখন সেইভাবেই করি। তবে, আগে কম আবাদ হয়েছে এ পদ্ধতি, এখন অনেক বেশি হইতাছে।"

জেলা কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন বলেন, "বন্যাপ্রবণ ও নিম্নাঞ্চলের কৃষকদের জন্য ‘বলন’ পদ্ধতি কার্যকর একটি চাষাবাদ কৌশল। এই পদ্ধতিতে উৎপাদিত চারা তুলনামূলক শক্ত হওয়ায় বন্যার পানিতে ক্ষতির ঝুঁকি কম থাকে। এই অঞ্চলের কৃষকরা দীর্ঘদিন ধরেই আমন মৌসুমে এই পদ্ধতিতে চাষ করে আসছে। আমরাও কৃষকদের এই পদ্ধতিতে চাষাবাদে উৎসাহিত করে যাচ্ছি।" তিনি আরও বলেন, চলতি মৌসুমে শেরপুর জেলায় প্রায় ৯৪ হাজার হেক্টর জমিতে আমনের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৩০ হাজার হেক্টর জমিতে ‘বলন’ বা ডাবল ট্রান্সপ্লান্টেশন পদ্ধতিতে চাষাবাদ হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মদ না দেওয়ায় পেট্রল ঢেলে আগুন, ৫ দিন পর কর্মচারীর মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:২৩ এম


মদ না দেওয়ায় পেট্রল ঢেলে আগুন, ৫ দিন পর কর্মচারীর মৃত্যু

নরসিংদীতে লাইসেন্সধারী মদের দোকানের কর্মচারী তানভীর আহমেদ রাব্বির (৩০) শরীরে পেট্রল ঢেলে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে, কারণ বিনামূল্যে দেশীয় মদ না দেওয়ায়। এ ঘটনার পর পাঁচ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর রাব্বি মারা গেছেন।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৫টার দিকে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে।

রাব্বির বাবা মনির হোসেন এবং নরসিংদী সদর মডেল থানার ওসি এআরএম আল মামুন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রাব্বির মৃত্যুর খবর পেয়ে তার পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ দুইজনকে গ্রেফতার করেছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সংবাদ সম্মেলন করে নরসিংদী সদর মডেল থানা পুলিশ এ তথ্য জানায়। পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার দিবাগত রাত ১টার দিকে নরসিংদী সদর মডেল থানা ও জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) যৌথ দল অভিযান চালিয়ে শহরের বানিয়াছল বালুরমাঠ এলাকা থেকে মামলার প্রধান অভিযুক্ত আবাসিক হোটেল নিরালার মালিক জাহাঙ্গীর সরকারকে (৬০) গ্রেফতার করে। পরে কাজী তৌফিক আহমেদ ওরফে পিয়াস (৩০) নামে অপর এক আসামিকে গাবতলী এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। অপর আসামী জাহাঙ্গীর সরকারের ছেলে জাহিদ সরকার পলাতক রয়েছে।

নরসিংদী সদর মডেল থানার ওসি এআরএম আল মামুন বলেন, "তানভীর আহমেদ রাব্বি আজ বিকাল ৫টার দিকে মারা গেছেন। এ ঘটনায় দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।"

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নরসিংদী শহরের বাজির মোড় এলাকায় একটি লাইসেন্সধারী দেশীয় মদের দোকানে বিনামূল্যে ১০ লিটার মদ দাবি করেন আবাসিক হোটেল নিরালার মালিক জাহাঙ্গীর সরকারের ছেলে জাহিদ সরকারসহ কয়েকজন।

মদ দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা দোকানের কাউন্টারে থাকা কর্মচারী তানভীর আহমেদ রাব্বির শরীরে পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন বলে অভিযোগ করা হয়। পরে তাকে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। সেখানে আইসিইউতে পাঁচ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর বৃহস্পতিবার বিকালে তার মৃত্যু ঘটে।

এ ঘটনায় রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাব্বির মা মিনু বেগম বাদী হয়ে নরসিংদী সদর মডেল থানায় মামলা করেন। মামলায় জাহাঙ্গীর সরকার ও তার ছেলে জাহিদ সরকারের নাম উল্লেখ করে আরও দুই-তিনজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%