শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:২২ এম
শেরপুরে কৃষকদের মধ্যে ‘বলন’ বা ডাবল ট্রান্সপ্লান্টেশন পদ্ধতি বন্যার ক্ষতি থেকে আমন ধান রক্ষায় জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। কৃষকদের বক্তব্য, এই পদ্ধতি ব্যবহার করলে বন্যার পানিতে আমনের চারা তুলনামূলকভাবে কম ক্ষতিগ্রস্ত হয়। শক্ত ও সতেজ চারা থাকার কারণে ফলনও ভালো পাওয়া যায়। এছাড়া রোগবালাই ও পোকামাকড়ের আক্রমণও কম হয়।
প্রতিবছর পাহাড়ি ঢলে শেরপুরের বিস্তীর্ণ আমন ক্ষেত পানিতে তলিয়ে যায়। কোথাও কোমরসমান পানি দেখা যায়, আবার কোথাও পুরো জমি ডুবে যায়। ফলে কৃষকদের জন্য বন্যার সময় আমনের চারা রক্ষা করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষ করে শেরপুর সদরের পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদ, শ্রীবরদীর সোমেশ্বরী, ঝিনাইগাতী মহারশি ও নালিতাবাড়ী চেল্লাখালি এবং ভোগাই নদীর পানি বাড়লেই বিভিন্ন এলাকায় বন্যা দেখা দেয়। এতে নিম্নাঞ্চলের আমনের চারা পানিতে ডুবে যায়। এই অবস্থায় কৃষকদের মধ্যে ‘বলন’ পদ্ধতি জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।
কৃষকরা জানান, এই পদ্ধতিতে প্রথমে বীজতলায় চারা উৎপাদন করা হয়। পরে সেই চারা তুলে দ্বিতীয় একটি বীজতলায় আবার রোপণ করা হয়। সেখানে কিছুদিন পরিচর্যা করার পর শক্ত ও পরিণত চারা মূল জমিতে রোপণ করা হয়। দ্বিতীয় বীজতলায় থাকার কারণে চারার কাণ্ড তুলনামূলকভাবে শক্ত হয় এবং শিকড়ও ভালোভাবে গড়ে ওঠে। ফলে বন্যার পানিতে জমি তলিয়ে গেলেও চারা সহজে নষ্ট হয় না। প্রচলিত পদ্ধতির তুলনায় এই পদ্ধতিতে উৎপাদিত চারা বেশি সবল হওয়ায় রোগবালাই ও পোকামাকড়ের আক্রমণও কম হয়। এর ফলে ধানের ফলন তুলনামূলকভাবে ভালো হয়। ‘বলন’ পদ্ধতি অনেক কৃষকের কাছে ‘গাইছি’ নামেও পরিচিত। কৃষকেরা বলছেন, দিন দিন এই পদ্ধতিতে চাষাবাদ বাড়ছে। বিশেষ করে আমন চাষের শেষের দিকে বন্যাপ্রবণ ও নিম্নাঞ্চলের জমিতে এই পদ্ধতিতে চারা রোপণ করেন তারা। এতে বন্যার ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আমনের আবাদ ধরে রাখা সম্ভব হচ্ছে।
সদরের কামারেরচর এলাকার বাসিন্দা হাফিজ মিয়া বলেন, "এই মৌসুমে একবারের বীজতলার চারা সরাসরি ক্ষেতে লাগাইলে পানি উঠলেই চারাগুলো নষ্ট হয়ে যায়। আর বলন কইরা দুইবার চারা লাগাইলে গাছটা শক্ত হয়। পানি হইলেও সহজে নষ্ট হয় না। আমরা কয়েকবার থেকে এ পদ্ধতিতে চাষ করছি।" একই এলাকার আরেক কৃষক আব্দুল মিয়া বলেন, "আমাগো এদিকে প্রায়ই পাহাড়ি পানি আসে। আগের মতো একবারের চারা লাগাইলে অনেক সময় পানি উঠার পর চারা টেকে না। এখন বলন কইরা চারা লাগাই। গাছ শক্ত হয়, পানি নামার পরও ভালো থাকে। ফলনও ভালো পাই।" ঝিনাইগাতী এলাকার কৃষক রহমত আলী বলেন, "আমগর এলাকায় কয়দিন পর পরই পাহাড়ি ঢল আহে, তহন আমরা আমাদের কষ্টের ফসলগুলা রক্ষা করবার পাই না। তাই এ এলাকার বেশিরভাগ মানুষই বলন করে।" একই উপজেলার কৃষক রহমান মিয়া বলেন, "আমরা এ পদ্ধতিতে আগেও করেছি। আমার বাপ-চাচারাও এ পদ্ধতি চাষ করেছে। আমরাও এখন সেইভাবেই করি। তবে, আগে কম আবাদ হয়েছে এ পদ্ধতি, এখন অনেক বেশি হইতাছে।"
জেলা কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন বলেন, "বন্যাপ্রবণ ও নিম্নাঞ্চলের কৃষকদের জন্য ‘বলন’ পদ্ধতি কার্যকর একটি চাষাবাদ কৌশল। এই পদ্ধতিতে উৎপাদিত চারা তুলনামূলক শক্ত হওয়ায় বন্যার পানিতে ক্ষতির ঝুঁকি কম থাকে। এই অঞ্চলের কৃষকরা দীর্ঘদিন ধরেই আমন মৌসুমে এই পদ্ধতিতে চাষ করে আসছে। আমরাও কৃষকদের এই পদ্ধতিতে চাষাবাদে উৎসাহিত করে যাচ্ছি।" তিনি আরও বলেন, চলতি মৌসুমে শেরপুর জেলায় প্রায় ৯৪ হাজার হেক্টর জমিতে আমনের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৩০ হাজার হেক্টর জমিতে ‘বলন’ বা ডাবল ট্রান্সপ্লান্টেশন পদ্ধতিতে চাষাবাদ হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নরসিংদীতে লাইসেন্সধারী মদের দোকানের কর্মচারী তানভীর আহমেদ রাব্বির (৩০) শরীরে পেট্রল ঢেলে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে, কারণ বিনামূল্যে দেশীয় মদ না দেওয়ায়। এ ঘটনার পর পাঁচ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর রাব্বি মারা গেছেন।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৫টার দিকে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে।
রাব্বির বাবা মনির হোসেন এবং নরসিংদী সদর মডেল থানার ওসি এআরএম আল মামুন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
রাব্বির মৃত্যুর খবর পেয়ে তার পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ দুইজনকে গ্রেফতার করেছে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সংবাদ সম্মেলন করে নরসিংদী সদর মডেল থানা পুলিশ এ তথ্য জানায়। পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার দিবাগত রাত ১টার দিকে নরসিংদী সদর মডেল থানা ও জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) যৌথ দল অভিযান চালিয়ে শহরের বানিয়াছল বালুরমাঠ এলাকা থেকে মামলার প্রধান অভিযুক্ত আবাসিক হোটেল নিরালার মালিক জাহাঙ্গীর সরকারকে (৬০) গ্রেফতার করে। পরে কাজী তৌফিক আহমেদ ওরফে পিয়াস (৩০) নামে অপর এক আসামিকে গাবতলী এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। অপর আসামী জাহাঙ্গীর সরকারের ছেলে জাহিদ সরকার পলাতক রয়েছে।
নরসিংদী সদর মডেল থানার ওসি এআরএম আল মামুন বলেন, "তানভীর আহমেদ রাব্বি আজ বিকাল ৫টার দিকে মারা গেছেন। এ ঘটনায় দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।"
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নরসিংদী শহরের বাজির মোড় এলাকায় একটি লাইসেন্সধারী দেশীয় মদের দোকানে বিনামূল্যে ১০ লিটার মদ দাবি করেন আবাসিক হোটেল নিরালার মালিক জাহাঙ্গীর সরকারের ছেলে জাহিদ সরকারসহ কয়েকজন।
মদ দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা দোকানের কাউন্টারে থাকা কর্মচারী তানভীর আহমেদ রাব্বির শরীরে পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন বলে অভিযোগ করা হয়। পরে তাকে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। সেখানে আইসিইউতে পাঁচ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর বৃহস্পতিবার বিকালে তার মৃত্যু ঘটে।
এ ঘটনায় রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাব্বির মা মিনু বেগম বাদী হয়ে নরসিংদী সদর মডেল থানায় মামলা করেন। মামলায় জাহাঙ্গীর সরকার ও তার ছেলে জাহিদ সরকারের নাম উল্লেখ করে আরও দুই-তিনজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার কাশর গ্রামে সাইনবোর্ড টানিয়ে জমি জবরদখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার পর ভালুকা মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগ ও স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যায়, হবিরবাড়ি ইউনিয়নের কাশর গ্রামের মৃত আবুল হাসেম ফকিরের ছেলে মো. সেলিম ফকিরের পৈত্রিক সূত্রে কাশরগড় মৌজার ৫৫ শতক জমি রয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে তারা ওই জমি ভোগদখল করে আসছেন। এরই মধ্যে তার চাচাতো ভাই বাবুল মিয়া গতকাল বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে ওই জমিতে সাইনবোর্ড টানিয়ে সীমানা প্রাচীর করার চেষ্টা করেন।
এতে সেলিম ফকির গংরা বাধা দেন। অভিযোগে বিল্লাল হোসেন (৫০), মো.
বাবুলসহ (৩৫) পাঁচজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাত ৪ জনকে আসামী করা হয়েছে।
জমির মালিকানা দাবিদার সেলিম ফকির জানান, "আমরা কারো কাছে জমি বিক্রি করেননি। আমাদের পারিবারিক যার যার জমি ভোগ দখলে আছি।
কিন্তু আমার চাচাতো ভাই বাচুল মিয়া জমি দখলে চেষ্টা করছে।" বাবুল মিয়া জানান, তিনি কারো জমি দখল করেননি। "সেলিম ফকিরদের জমি তাদের দখলেই রয়েছে।
কিন্তু সেলিম ফকিরের জমি যে দাগে রয়েছে, সেখানে দখল নিলেই সমস্যা সমাধান হয়ে যায়। সেখানে জমি বুজে না নিয়ে সে আমার সীমানায় ঢুকে গেছে।
আমি আমার জাগায় সাইন বোর্ড টানিয়েছি। তারা জমির কাগজ পত্র নিয়ে বসুক।
দলিল মুলে তারা পাইলে নিয়ে যাবে।" ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাহিদুল ইসলাম জানান, "ওই ঘটনায় অভিযোগ পাওয়া গেছে, তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেরপুরে সরকারি বরাদ্দের ১৪ কোটি টাকার সার কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগে করা মামলায় ১০ বিসিআইসি ডিলারসহ ১৫ জনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ জহিরুল কবির মঙ্গলবার দুপুরে তাঁদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে বিকেলে আদালতের পুলিশ পরিদর্শক মো. জিয়াউর রহমান নিশ্চিত করেন যে, তাঁদের জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সার ডিলার মো. ফরহাদ আলী, মাজাহারুল ইসলাম, মো. রফিকুল ইসলাম, সুবর্ণা সাহা রায়, সুফিয়া বেগম, মরিয়ম আক্তার মুন্নী, তাপস নন্দী, সিরাজুল হক, ছামিদুল ইসলাম ফারাজী ও বোরহান উদ্দিন। এছাড়া ডিলার পরিচালনাকারী আনোয়ার হোসেন, মনিরুজ্জামান মনির, প্রশান্ত সাহা, মো. বাদশা মিয়া ও জাকির হোসেন রতনও অভিযুক্ত হয়েছেন।
মামলার সূত্রে জানা যায়, সরকারি বরাদ্দের ১৪ কোটি টাকা মূল্যের বিভিন্ন সার কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগে গত ২২ জুলাই সদর উপজেলার ১৫ ডিলারসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন।
মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে যে, গত মৌসুমে শেরপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন সার ডিলারের দোকান পরিদর্শনকালে সংশ্লিষ্ট ডিলারদের সার বিক্রির রেজিস্ট্রার ও ক্যাশ মেমো জব্দ করে যাচাই-বাছাই করা হলে ব্যাপক অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়। অধিক মুনাফার আশায় ডিলাররা সরকারি বরাদ্দের প্রায় ১৪ কোটি টাকা মূল্যের সার কালোবাজারে বিক্রি করেন। এর ফলে বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি কৃষকেরা সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার কিনতে বাধ্য হন।
ওই মামলায় ডিলাররা কিছুদিন আগে উচ্চ আদালত থেকে আগাম জামিন নেন। মঙ্গলবার জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় তাঁরা জেলা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে নতুন করে জামিনের আবেদন করেন। পরে জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ জহিরুল কবির উভয় পক্ষের জামিন শুনানি শেষে আসামিদের জামিন নামঞ্জুর করে জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার সময় ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যখন বক্তৃতা শুরু করেন, তখন বিভিন্ন দেশের অনেক প্রতিনিধি কক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে যান। গাজায় ইসরাইলের সামরিক অভিযান এবং ফিলিস্তিন নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হিসেবে এই ওয়াকআউটের ঘটনা ঘটে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে নেতানিয়াহু অধিবেশন কক্ষে প্রবেশ করার পরপরই পোডিয়ামে উঠে বক্তব্য শুরু করার আগেই কিছু প্রতিনিধি কক্ষ ত্যাগ করেন। ফলে বক্তব্যের সময় অধিবেশন কক্ষের একটি বড় অংশের আসন খালি হয়ে যায়।
এ সময় অধিবেশন কক্ষে নেতানিয়াহুর বক্তব্যের বিরোধিতা করে দুয়োধ্বনি ও প্রতিবাদ শোনা যায়। অন্যদিকে, ইসরাইলি প্রতিনিধিদলের সদস্যরা দাঁড়িয়ে নেতানিয়াহুকে সমর্থন জানিয়ে করতালি দেন।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ফিলিস্তিনি মিশন জাতিসংঘের সদস্যদেশগুলোর প্রতিনিধিদের নেতানিয়াহুর বক্তব্যের সময় সম্মিলিতভাবে অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ করার আহ্বান জানিয়েছিল। এর ফলে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা একসঙ্গে কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান।
নেতানিয়াহুর বক্তব্যের পর প্রতিনিধি ওয়াকআউটের প্রতিক্রিয়ায় তিনি তাদের ‘নৈতিকভাবে কাপুরুষ’ বলে মন্তব্য করেন। তিনি আরও বলেন, যারা এখনো কক্ষে রয়েছেন, তাদের মধ্যে কেউ একই অবস্থান ধারণ করলে তাদেরও কক্ষ ছেড়ে যেতে হবে।
বক্তব্যে নেতানিয়াহু গাজা যুদ্ধের প্রেক্ষিতে ইসরাইলের অবস্থানের পক্ষে সাফাই দেন এবং ইসরাইলের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেন। একই সঙ্গে ইরানের বিরুদ্ধে ইসরাইলের সামরিক পদক্ষেপের সমর্থনে বক্তব্য রাখেন।
নেতানিয়াহুর বক্তব্যের কারণে এই ওয়াকআউট জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ইসরাইলের গাজা নীতি নিয়ে বিদ্যমান তীব্র কূটনৈতিক মতবিরোধের আরেকটি প্রকাশ হিসেবে দেখা যায়।
এর আগে অধিবেশনের অন্যান্য বক্তব্যেও গাজা ও ফিলিস্তিন ইস্যুতে ইসরাইলের নীতির সমালোচনা করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ